

Buy দা ভিঞ্চি ক্লাব Online in Bangladesh
লেখক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
- Author: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
- Publisher: বাতিঘর প্রকাশনী
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2025
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ডক্টর জেড রহসম্যয় একজন মানুষ। জগতের প্রায় সব বিষয়ে তার অপার কৌতুহল। প্রশংসা আর নিন্দার্থে সবজান্তা বলে ডাকা হয়।পাঁচ শ’ বছরের পুরনো একটি পেইন্টিংয়ের তত্ত্বতালাশ করতে ঢাকা থেকে রোমে যেতে হয় তাকে। কাজটা শুধু কঠিনই নয়, অসম্ভবও বটে। বিদেশ-বিভূঁইয়ে ডক্টর মুখোমুখি হয় অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনার। বরাবরের মতোই অপার কৌতুহল তাকে পরিচালিত করে। শেষে যে সত্যটা আবিষ্কৃত হয়, সেটা যেমন কৌতুহলোদ্দীপক তেমনি বিস্ময়কর--শত বছর ধরে মোনালিসার রহস্যময় হাসি নিয়ে মেতে আছে দুনিয়া, অথচ খোদ মোনালিসা তার চেয়ে অনেক বড় এক রহস্য! সেই রহস্য নিহিত আছে দা ভিঞ্চি ক্লাব-এ
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

===== কাহিনী/বইয়ের সার-সংক্ষেপ ===== “লিওনার্দো যেন এই ছবিতে তার সমস্ত দর্শন, অভিজ্ঞতা, মানব জীবনের অর্থ, বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন। ছবিটাতে যে হাসি এঁকেছেন সেটা যেন এই কথাই বলছে, আমরা আমাদের চারপাশের বিশাল মহাবিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করতে পারি, যার বিশালত্ব পরিমাপ করা অসম্ভব, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদের নিয়তি হলো, এই জগত-সংসার ছেড়ে আমাদেরকে চট করেই চলে যেতে হয়, ঠিক যেন মানুষের মুখের এক চিলতে ক্ষণস্থায়ী হাসির মতো।” একাকী, বিচ্ছিন্ন ও রহস্যময় জীবন-যাপনে অভ্যস্ত এক মানুষ ডক্টর জেড। তবে তার রয়েছে জগতের প্রায় সব বিষয় নিয়ে অপার কৌতুহল। তার অগাধ জ্ঞান ও সকল বিষয়ের উপর পান্ডিত্যের জন্য ডক্টর জেডের শুভাকাঙ্খীরা তাকে সবজান্তা হিসেবেই দেখে ও গভীর শ্রদ্ধা করে। তারই ধারাবাহিকতায় লন্ডনের এক স্বনামধন্য আর্ট ডিলার মি. ডেসমন্ড রিগবি ডক্টর জেডকে স্মরণ করলেন মরুর জাঁকজমকপূর্ণ শহর দুবাই হতে। এবার তাকে অন্তত প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো এক চিত্রকর্মের তত্ত্বতালাশ করতে হবে। রাজি হয়েই এমন একটি কঠিন ও অসম্ভব কাজ করতে ডক্টর জেড রওনা দিলেন ইটালীর রোমে। কিন্তু সেখানে পা দিয়েই যে অপ্রত্যাশিত ঘটনার মুখোমুখি হবেনই তা তো প্রত্যাশিত ছিলোই! তবে সেসব ঘটনা-দুর্ঘটনা মিটিয়ে তার কৌতুহলোদ্দীপক মন যা আবিষ্কার করলো তা হয়ে উঠলো সত্যি-ই এক অবিস্মরণীয় ও বিস্ময়কর একটি ব্যাপার। বিষয়টি প্রমাণিত হলে চিরদিনের জন্য বদলে যেতে পারে একটি পৃথিবী বিখ্যাত চিত্রকর্মের ইতিহাস! “মৃত্যুকে মেনে নিতে না পারার বয়স মানব-সভ্যতার সমান। এটা মেনে নিতে না পারার কারণেই আজকের পৃথিবীটা আমরা পেয়েছি।” ===== পাঠ প্রতিক্রিয়া ===== ঈদের ছুটিতে শেষ করলাম ‘বেগ-বাস্টার্ড’ ও ‘রবীন্দ্রনাথ’ সিরিজখ্যাত লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-এর আরেকটি বই। প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রথমেই বলে নিই এই বইটি মোটেও কেউ যেন ড্যান ব্রাউনের বিখ্যাত ‘দা ভিঞ্চি কোড’ এর সাথে গুলিয়ে না ফেলেন। এমনকি বইটি কোন টান টান উত্তেজনার থ্রিলারও(লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন-কে থ্রিলার সম্রাট বলা হওয়ার কারণে অনেকে এটাকেও থ্রিলার ভেবে বসতে পারেন) নয়! বইটি লেখক কোন জনরার ধারণ করে লিখেছেন আমার জানা নাই; তবে আমার কাছে বইটি লিওনার্দোর জীবন-কর্ম ও কিছুটা অ্যাডভেঞ্চার জনরার লেগেছে। বইটি লিওনার্দোর একটি চিত্রকর্মের তত্ত্বতালাশ সংশ্লিষ্ট। তাই স্বাভাবিকভাবেই বইয়ে তার জীবনের নানা দিক, ঘটনা ও ইতিহাস উঠে এসেছে বার বার। আর তার সাথেই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ভিঞ্চির অমর সৃষ্টি মোনালিসা চিত্রকর্মটিকে নিয়ে। যা নিয়ে বিশ্বে শত শত বই লেখা হয়েছে; এর রহস্যভেদের চেষ্টাও করা হয়েছে নানা আঙ্গিকে, নানা দৃষ্টিতে। ডক্টর জেড চরিত্রটি বইয়ের শুরুতে মনে হতেই পারে বইয়ের কাহিনী আগানোর সাথে সাথে তিনি সম্ভবত জেমস বন্ড কিংবা জেফরি বেগের মতো নানা রহস্য সমাধান ও বিপদ মোকাবেলা করবেন। কিন্তু আদতে এই চরিত্রটা অনেকটাই শীতল প্রকৃতির তবে ক্ষুরধার বুদ্ধিসম্পন্ন। ওরিয়ানা চরিত্রটি ঠিক বুঝলাম না। বইয়ের শুরুতে যে ধরণের ডক্টর জেডের সাথে পাঠককে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়েছে ওরিয়ানা চরিত্রটি আবির্ভাবের পর তা যেন অনেকটাই বদলে গেছে। ওরিয়ানা এখানে প্রেমিকাও না আবার তার সহচরীও না; লেখক চরিত্রটিকে কেন যেন ঠিক কাহিনীর সাথে জমাতে পারেননি বলে আমার মনে হয়েছে। বইয়ের সবচেয়ে যে বিষয়টি আমার কাছে খারাপ লেগেছে তা হলো ১৬৮ নং পৃষ্ঠায় সমকামীতা নিয়ে আলোচনা। এখন আমার প্রশ্ন হলো এই বক্তব্যগুলো আসলে কার? ডক্টর জেডের নাকি স্বয়ং লেখকের? ডক্টর জেড এতটা জ্ঞানী ও শিক্ষিত কিন্তু তিনি জানেন না কোনটি স্বাভাবিক শরীরবৃত্তীয় ব্যাপার আর কোনটি মানসিক বিকৃতি!? লেখকের নিজের জ্ঞানের ঘাটতি থাকলে Gender Identity Disorder (GID) নিয়ে পড়াশোনা করুন, যেটা মেডিক্যালের ভাষায় gender dysphoria নামেও পরিচিত। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে ‘এ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে না’ এই ধরণের বক্তব্য দেয়ার উদ্দেশ্য কী? তরুণ প্রজন্মকে কনফিউজড করা? নাকি সমাজ ও আইন নিষিদ্ধ বিষয়টিকে লাইম লাইটে আনার চেষ্টাকে উস্কে দেয়া? আমার কাছে বইয়ের এই অংশটুকু সম্পূর্ণভাবে বর্জনীয় এবং সমাজ ও তরুণ পাঠকদের জন্য বিশেষ ক্ষতিকর মনে হয়েছে। বইয়ে টান টান উত্তেজনা না থাকলেও বইটি থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী পাঠকদের ভালো লাগবে আমার বিশ্বাস। তবে অবশ্যই বইটি কাউকে উপহার দেয়া বা পড়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক বলে মনে করি। প্রোডাকশনঃ কভার ডিজাইন আমার কাছে ভালো লেগেছে। কয়েক জায়গায় কিছু বানান ভুল ছিলো। সেগুলো পরবর্তী সংস্করণে ঠিক করা হবে আশা করি। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৭/১০।
থ্রিলার ভেবে পড়ে থাকলে হতাশ হবেন, তবে দা ভিঞ্চি এর চিত্রশিল্প, ধ্যান ধারণা, চিন্তা-ভাবনা ও তৎকালীন সামাজিক ধারণা (কিছুমাত্র) সম্পর্কে জানার জন্য অবশ্য পাঠ্য

একটি থ্রিলার লেখকের ভাষায় থৃলার গল্পে যা প্রয়োজন সব আছে। নামটি ড্যান ব্রাউনের বিখ্যাত বইয় "দ্যা দা ভিঞ্চি" কোডের নামের সাদৃশ্য রাখার কারণ আর বলছি না পাঠক নিজেই বুঝতে পারবে।
ভালো লাগে নি। অনেক চেষ্টা করে হাফ পড়েছি। শেষ করতে পারছি না।

* বুক রিভিউ বইয়ের নাম : দা ভিঞ্চি ক্লাব লেখক : মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত যতগুলো বই পড়েছি তার মধ্যে সবচেয়ে ভাল লেগেছে যে বইগুলো তার মধ্যে একটি ' দা ভিঞ্চি ক্লাব'। লিওনার্দো দা ভিঞ্চির জীবনের অজানা রহস্য এবং তার বিখ্যাত চিত্রকর্ম ' মোনালিসা'র রহস্যময় ইতিহাসই এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। মোনালিসা চিত্রকর্মটি সম্পর্কে বহুদিন ধরেই একটি প্রশ্ন মানুষের মনে ঘুরপাক খায় তা হল, এই চিত্রকর্মটি আসলে কার? আমি ব্যক্তিগতভাবে গুগলে সার্চ করে যে উত্তরটা পেয়েছি সেই উত্তরটাই আসলে বহুল প্রচলিত। কিন্তু বহুল প্রচলিত এই তথ্যটা কতটুকু সত্য? নাকি প্রকৃত সত্য অন্য কিছু? এই সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে 'দা ভিঞ্চি ক্লাবে'। মোনালিসার এই সত্য উদঘাটন করতে গিয়ে উঠে আসে লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আরো কিছু বিখ্যাত চিত্রকর্মের রহস্য। বইটি পড়ার পুরোটা সময় কাহিনীর মধ্যে ডুবে ছিলাম। যাদের লিওনার্দো দা ভিঞ্চির রহস্যময় জীবন সম্পর্কে জানার আগ্রহ রয়েছে তাদের জন্য আদর্শ একটি বই মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের ' দা ভিঞ্চি ক্লাব'। ব্যক্তিগত রেটিং : ৯/১০।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
এই বইটার কি আরো পার্ট আছে?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির আর কোনো পার্ট নেই।
এই বইটার কি আরো পার্ট আছে?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির আর কোনো পার্ট নেই।























