

Buy দিমেন্তিয়া Online in Bangladesh
লেখক: এম. জে. বাবু
- Author: এম. জে. বাবু
- Publisher: গ্রন্থরাজ্য
- Isbn: 978 984 96399 5 4
- Number Of Pages: 352
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2022
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ইট-কাঠ-পাথরের ব্যস্ত নগরী ঢাকা শহরে হঠাৎ একটি খুন। ডাক পড়লো সিআইডির ডাকসাইটে কর্মকর্তা শফির। তদন্ত কাজ শুরু হতে না হতেই নির্দিষ্ট নিয়মে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটতে লাগলো। প্রত্যেককে নির্মম নির্যাতনের পর অত্যন্ত পৈশাচিক উপায়ে হত্যা করা হতে লাগলো। লাশের ভয়াবহতা দেখে শিউরে উঠে তদন্ত কর্মকর্তা। একটা খুনের সাথে আরেকটা খুনের বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। এই জটিল রহস্য খুঁজে বের করতে গিয়ে সকলের গলদঘর্ম অবস্থা! কিছুতেই রহস্যের কোনো কূল-কিনারা মিলছে না। একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে। দেশে প্রথমবারের মত সিরিয়াল কিলিং হচ্ছে। প্রত্যেকটি লাশকে দেখে শিউরে উঠছে সবাই। ঘটনাক্রমে এর সাথে দানিয়াল নামক একজন ওসি জড়িয়ে যায়। জটিল রহস্য ভেদ করে যাচ্ছে দানিয়াল যা ক্রমে ফাটল জন্ম দেয় শফী আর দানিয়ালের মধ্যে। খুনি তাদের এই বিয়োজনের সু্যোগ নিয়ে একের পর এক হত্যা করে যাচ্ছে। ক্রমান্বয়ে বুঝতে পারে নিছক কোন হত্যাকাণ্ড নয়। এর সাথে জড়িয়ে আছে বড় রহস্য। যার মায়াজালে জড়িয়ে পড়ে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত সবাই। রহস্যের সূত্র ধরতে না পেরে উত্তেজনার পারদ ক্রমেই তরতর করে চড়তে থাকে। কে করছে এত খুন? সে কি মানুষ না ধোঁয়াশা? লাশের মিছিল শেষ কখন? উত্তর পাওয়া এখনো বাকী। উত্তেজনায় ঠাসা এই রহস্যময় যাত্রায় অন্ধকার জগতে আপনাকে স্বাগতম, প্রিয় পাঠক! আর ডার্ক সাইকোলজিক্যাল ফিকশনের সাথে না পরিচিত না হয়ে থাকলে নতুন এই জনরার বই নিঃসন্দেহে এক ভিন্নতার ছোঁয়া পাবেন গোয়েন্দা কাহিনীপ্রেমী পাঠকেরা। “welcome to the dark world”
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

#Book_Insights 40 শহরে কোনো এক সিরিয়াল কিলারের আবির্ভাব ঘটেছে। কোনো এক কারণে ভিক্টিমের দেহকে টুকরো টুকরো করে নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় ফেলে যাচ্ছে সে। তদন্তের ভার এসে পড়েছে সিআইডি অফিসার শফির উপর, শুধু পুরোনো কেস নিয়ে আগ্রহ যার। তার সাথে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট থেকে যুক্ত হয়েছে দানিয়ালও। • থ্রিলিং হলেও ধীর সূচনা 'দিমেন্তিয়া' বলতে গেলে একটা জটিল গল্প, অন্তত সমাপ্তিতে যেতে যেতে তাই উপলব্ধি হয়। তবে পাঠককে কনভিন্স করতে গিয়ে এর সূচনাটা হয়ে গেছে ধীরগতির। সবকিছু যেমন সিরিয়াস টোন নিয়ে শুরু হয়েছিল, আস্তে আস্তে তা যেনো উবে যেতে থাকলো। এত ভয়ানক একটা ঘটনা নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের সংঘবদ্ধভাবে দুশ্চিন্তা করতে দেখবো, এমনই আশা করেছিলাম। সে আশা পূর্ণ হতে সময় নিলো বেশ। গল্পটা বেশ ভালোভাবে জমলো দুইবার। একবার, যখন আমরা প্রায় মাঝামাঝি পর্যায়ে চলে এসেছি। খুনের প্যাটার্ন এবং খুনির মানসিকতার রূপ যখন অনুধাবন করা হলো, তখন। আরেকবার, যখন আমরা সমাপ্তির কাছাকাছি চলে এসেছি এবং পেঁয়াজের খোসার মতো একে একে সবটা সমাধান সামনে চলে আসছে তখন। এ দুইয়ের মাঝে গল্প আপনাকে কানেক্ট রাখার চেয়ে আপনাকেই গল্পের সাথে কানেক্টেড থাকতে বলবে। কোথাও একটু বেখেয়াল হলেই থ্রিলটা হয়তো কমে যাবে। • প্রোটোকল বেশি, তদন্ত কম উপন্যাসে তদন্ত নেই এমন বলছি না। আছে, বরং বেশ ভালোভাবেই আছে। কিন্তু তদন্তের চেয়ে পুলিশ প্রোটোকলটাই বেশি চোখে পড়েছে এবং খুব চমৎকারভাবে সেসব তুলে ধরা হয়েছে। এখানে লেখক প্রশংসা প্রাপ্য। সমস্যা হচ্ছে, বেশকিছু তদন্ত করানো হয়েছে পার্শ্বচরিত্রদের দিয়ে। মূল চরিত্রের একজন, দানিয়াল নিজে যা কিছু জানতে পারছে, তা সাসপেন্স দিয়ে জমিয়ে রাখছে পরে রিভিল করার জন্য। অন্যদিকে, প্রধান চরিত্রের আরেকজন, শফি তদন্ত চালাচ্ছে গোপনে। গল্পের এক পর্যায়ে দানিয়াল শফিকে নিয়ে একটা মন্তব্য করে যে, শফির মাঝে কেস নিয়ে সিরিয়াসনেস নেই। বিষয়টায় আমি একমত। সাথে একই কথা আমি দানিয়ালের ক্ষেত্রেও বলবো। শতাধিক পৃষ্ঠা পার হওয়ার পর দানিয়ালের মাঝে প্রকৃত অর্থে সিরিয়াসনেস দেখতে পাওয়া যায়, তবে সেটাও আলাদাভাবেই। অর্থাৎ, তদন্তকারী দুই চরিত্রদের মাঝে কেমিস্ট্রি কিংবা দলীয় কাজের নজির একদমই পাওয়া যায়নি। যদিও, গল্পের খাতিরে এর পক্ষে লেখক কিছু যুক্তি দিতেই পারেন, তবে আমি এক্ষেত্রে সন্তুষ্ট নই। • লিখনশৈলী: লেখক পুরোনো সংস্করণের ত্রুটিগুলো, বিশেষ করে লেখার ত্রুটিগুলোর অধিকাংশই নতুন সংস্করণে ঢেকে ফেলতে পারলেও কিছু কিছু রয়ে গেছে। আর এ রায়ে যাওয়ার আধিক্য আছে সংলাপে। সেজন্যই কিছু কিছু সংলাপে অপরিপক্কতা চোখে পড়েছে। সময় ও সম্পর্ক নিয়ে বিড়ম্বনাও আছে উপন্যাসে। কোন সময়ের ঘটনা বুঝতে বেশ সময় লেগেছিলো আমার। পুলিশ অফিসার হয়েও দানিয়াল ফোন ব্যবহার করছে না, বিষয়টা নিয়ে অবাক ছিলাম। বাকিসব বর্ণনাও তো এমন ছিলো না যে, এমন একটা সময় যখন মানুষ ফোন ব্যবহার করতে পুরোপুরি অভ্যস্থ নয়। অবশ্য এক পর্যায়ে পাঁচ বছর আগের সময়কালের উল্লেখ করায়, বুঝতে পারা যায় উপন্যাসের সময়টা ২০১০ সালের। সময় নিয়ে আরো বড় বিড়ম্বনা হলো, নতুন একটা দিন/সকাল শুরু হচ্ছে তা বোঝাতে গিয়ে মাঝে কয়দিন/কী পরিমাণ সময় গেলো তা বেশ কয়েকবারই স্পষ্ট হয়নি। সম্পর্কের টানাপোড়ন উপন্যাসে একটা উল্লেখযোগ্য বিষয়। শফির সাথে স্ত্রী অর্পার সংসার জীবন নিয়ে যেমন একটা গোলযোগ দেখানো হয়েছে, একইভাবে দানিয়াল ও তার বাগদত্তার মাঝেও কোনো এক প্রকার মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব দেখা গিয়েছে। মাঝে মাঝে এ বিষয়টা সিরিয়াল কিলিং এর চেয়ে বেশি কৌতূহল জাগিয়েছে আমার কাছে। বইয়ের কিছু বিষয় অদ্ভুত লেগেছে। যদিও যৌক্তিকতার প্রশ্নে সব বিষয় উঠে আসবে না, তাও কিছু উল্লেখ করি। • ৯৯ পৃষ্ঠায় দ্বিতীয় ভিক্টিম এর আইডেন্টিফিকেশন নিয়ে প্রশ্ন করা হলো দানিয়ালকে, সে বলতে পারেনি। কিন্তু পত্রিকায় এ বিষয়ে ছাপা হয়েছে, দানিয়াল তা দেখেছে। কয়েক পাতা পরে একই দানিয়াল মনোজকে পত্রিকা যাচাই করতে বলছে, কারণ তার আন্দাজ পত্রিকায় নিখোঁজ হওয়া মেয়েটার বিষয়ে ছাপানো হয়েছে। অদ্ভুত না? • উপন্যাসে একজন সন্দেহভাজন চরিত্রকে সার্চ করতে গিয়ে পুলিশ তার পরকীয়া প্রেমিকার ছবি পেলো জুতা থেকে। এমন একটা বিপদের মুহূর্তে কেউ জেনে শুনে পরকীয়া প্রেমিকার ছবি নিজের জুতোয় রেখে দেয়? আজব লাগলো! • আর্কাইভের পত্রিকা ঘাটানোর মতো কঠিন ও ঝামেলা যুক্ত কাজ দানিয়াল থানা ছেড়ে নিজ বাসায় এসে পুলিশের দলবল নিয়ে কেনো করবে? যেখানে বাসায় তার মা বিরক্ত হলো, বাগদত্তাকে একটু অপ্রস্তুত মুহূর্তে পড়তে হলো। কাজটা তো থানাতেই সুবিধামতো আরো বেশি সহকারীদের নিয়ে করা যেতো। • পাঠ প্রতিক্রিয়া: যদিও উপরে ইতোমধ্যে অনেকগুলো বিষয় উল্লেখ করে ফেলেছি, তবু আলাদা করে যদি উল্লেখ করি তবে বলবো বইটি একেবারে মন্দ লেগেছে এমন না। আবার অনেক ভালোও লেগেছে, সেটাও বলবো না। তবে, প্রথম লেখা হিসেবে যথেষ্ট চেষ্টা ছিলো লেখকের, সন্দেহ নেই। আমি শুরু থেকেই কিছু থিওরি ভেবে রেখেছিলাম। তার মধ্যে প্রধান থিওরিটা সমাপ্তির সাথে মিলে যাওয়ায় বোধয় তুলনামূলক কম ভালো লাগা কাজ করেছে। এর আগে লেখকের ভ্রম ও পিনবল আমি পড়েছি। (view spoiler) তাছাড়া বইটা পড়ার সময় বার বার 'পিনবল' এর সাথে তুলনা করে ফেলছিলাম। পিনবলের টানটান উত্তেজনাপূর্ণ লেখার জন্য মনে তৈরি হওয়া উচ্চাকাঙ্ক্ষাও দিমেন্তিয়াকে পুরোপুরি উপভোগ না করার একটা কারণ হতে পারে। যাই হোক, সব মিলিয়ে দিমেন্তিয়া ফাইন ওয়ার্ক। বরং, থ্রিলার পড়ার সূচনা করতে চাইলে পাঠকের জন্য একটা ডিসেন্ট স্টার্ট হতে পারে বইটি। • ব্যক্তিগত রেটিং: ৩.৩৫/৫ (পৃষ্ঠার মানের উৎকৃষ্টতার সাথে দারুন সুদর্শন প্রচ্ছদের চমৎকার প্রোডাকশন হয়েছে বইটি। বাইন্ডিং বেশ মজবুত, যদিও পৃষ্ঠা মেলে ধরতে হালকা একটু বেগ পেতে হয়েছে।) • বই: দিমেন্তিয়া (অ্যানার্কিস্ট #১) • লেখক: এম. জে. বাবু (মিখাঈল) • ধরণ: থ্রিলার উপন্যাস • প্রকাশনী: গ্রন্থ রাজ্য • প্রথম প্রকাশ: জুন ২০২২ • প্রচ্ছদ: সজল চৌধুরী • পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৫২ • মুদ্রিত মূল্য: ৬০০ টাকা ~ ইয়াসির আল সাইফ

========= কাহিনী/বইয়ের সার-সংক্ষেপ ========== ইট-কাঠ-পাথরের ব্যস্ত নগরী এই ঢাকা শহর। কত ঘটনা, অঘটন ও দুর্ঘটনা ঘটে যায় এই শহরে; যা কিছু হয়তো সাধারণ, কিন্তু সব নয়! তেমনি এক সকালে রাস্তার ডাস্টবিনের পাশে পাওয়া গেল একটি মেয়ের লাশ। ডাক পড়লো সিআইডির অন্যতম চৌকস এক কর্মকর্তা শফির এবং বিভিন্ন হত্যাকান্ডের তদন্তে পটু ওসি দানিয়াল। যদিও সিআইডির শফি দীর্ঘদিনের পুরনো কেস সমাধানে বিশেষ সুনাম কামিয়েছিলো, সেই হিসেবে এই নতুন হত্যার ঘটনা তার কাছে এক অন্য ধরণের কেস। তারমধ্যে ভিক্টিমকে খুন করা হয়েছে অত্যন্ত নির্দয় ও নৃশংসভাবে। পাশবিকতা ও পৈশাচিকতার সকল মাত্রা ছাড়িয়ে লাশটিকে করা হয়েছে সাত টুকরা; তাও আবার ভিক্টিমের অনেকটা জীবন্ত অবস্থায়! খোদ ময়নাতদন্তকারী ডাক্তার পর্যন্ত যা দেখে শিউরে ওঠে। আবার এই খুনের কুল-কিনারা করতে না করতেই আবার লাশ পাওয়া গেল ঢাকার আরেক রাস্তায়, যা আবার শফির বাড়ির বেশ কাছেই। এটা কি কাকতালীয়, নাকি চ্যালেঞ্জ? একের পর এক খুন হতে থাকলো আরোও কিছু হতভাগ্য। সব খুনেই পাওয়া যাচ্ছে কিছু কিছু কমন ফ্যাক্টর। দেশে কি তাহলে প্রথমবারের মতো সিরিয়াল কিলিং শুরু করেছে কোন আততায়ী? ক্রমান্বয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তারা বুঝতে পারে এই ক্রমিক খুনের বিষয়টির গভীরে রয়েছে আরোও রহস্য। যে রহস্য মিশে আছে মানব মনের গহীন অন্ধকারে। ========= পাঠ প্রতিক্রিয়া ========== এম. জে. বাবুর পড়া এটা আমার ২য় বই। লেখকের পিনবল বইটির শেষে যে উনি মাথানষ্ট করা এক টুইস্ট দিয়েছিলেন, তা সত্যিই ছিলো অসাধারণ। এই বইটিও ভিন্ন জনরার হলেও পুরো বইটির পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় শুধু থ্রিল, সাসপেন্স আর রহস্যে ভরপুর। রহস্যপ্রেমী পাঠকেরা অবশ্যই এক বসাতেই বইটি শেষ করতে বাধ্য হবেন। বলা যায় এক রোলার কোস্টার রাইড। কারণ বইয়ের প্রথম অধ্যায় থেকেই শুরু হয় রহস্য। গল্প ও চরিত্রের বিকাশ যতটুকু দরকার ছিলো ঠিক ততটুকুই করেছেন লেখক। কোন অতিরিক্ত বর্ণনা চোখে পড়েনি। আর গল্পের প্লটও ছিলো ব্যতিক্রম। শেষে এসে বইয়ের কাহিনী এমনভাবে মোড় নেয় যে, তা যেকোন পাঠকের মাথা ঘুরিয়ে দিবে। বইটি পড়ে আশাহত হবেন না নিশ্চিত। তবে বইয়ে বেশ ভায়োলেন্স ও রক্তপাতের বর্ণনা আছে। দুর্বল চিত্তের পাঠকদের জন্য সেজন্য বইয়ের শুরুতেই সতর্কবাণী দেয়া হয়েছে, যার জন্য লেখককে ধন্যবাদ। প্রোডাকশনঃ বইটির কভার ডিজাইন, বাইন্ডিং ও পৃষ্ঠার কোয়ালিটি আমার কাছে আকর্ষণীয় ও দারুণ লেগেছে। তবে সব ঠিকঠাক থাকলেও বইয়ের ৩য় সংস্করণে এসেও বইয়ের ভিতরে এত বানান ভুল আমার কাছে দৃষ্টিকটু লেগেছে। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৮/১০।

৪/৫ ⭐ শুরুটা যদিও খুব ব্রুটাল কাহিনী দিয়ে করা হয়েছে বাট কেন যেন কানেক্ট করতে পারছিলাম না। হতে পারে আগেই ক্রুসিফিক্স কিলার টাইপ বই পড়ে ফেলেছিলাম এই জন্য। আমি একজন থ্রিলার প্রেমী। থ্রিলার পাঠকদের আসর থেকে খুব হাইপ দেখে এই সিরিজের দুইটা বইই কিনেছি সাথে জ্বিন বইটাও। এতো হাইপ দেখার পর অবশেষে যখন বইটা খুব আশা নিয়ে পড়া শুরু করি আশানুরূপ যাচ্ছিলো না। ভেবেই বসেছিলাম টাকা জলে গেলো কারন এমন অনেক কিছুই পেয়েছি যা ভাল লাগার মত ছিল না। যাকগে শুরুতে ভেবেছিলাম ২ কি ৩ দিব বাট শেষটা ভালো ছিল তাই ৪ দিলাম। শেষ টা খুব সুন্দর করে ব্যাখ্যা করা হয় যদিও অনেকটাই predictable ছিল।























