

Buy রুমমেট আবশ্যক Online in Bangladesh
লেখক: কাজী আমির হোসেন রিপন
- Author: কাজী আমির হোসেন রিপন
- Publisher: অনুজ প্রকাশন
- Number Of Pages: 120
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2026
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ফ্ল্যাপের লিখাঃসারারাত ঘুম হয়নি সাদিতের। গতকালই নতুন বাসায় উঠেছে সে। পুরোনো একটা দোতলা বাড়ি, পুরোনো হলেও তাঁর কোন আপত্তি নেই। গ্রাম থেকে এসেছে সাদিত, দোতলা বিশিষ্ট বাড়িতে যে সে ভাড়ায় থাকতে পারছে, এটাই তাঁর কাছে রাজকীয় ব্যপার।ভোরে ঘুম ভাঙে সাদিতের। পুরো বাড়িতে কাউকে দেখতে না পেয়ে তাঁর মনে বেশ কৌতূহল জেগেছে। এই বাড়িতে প্রথম রাত কাটলো সাদিতের।দেখা যাক না, কেমন কাটে পরের দিন গুলো। এই সব ভাবতে ভাবতে বারান্দায় আসলো সাদিত। বারান্দার এককোনে একটা পত্রিকা পড়ে আছে, দেশের প্রথম সারির একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা। চারিদিকে তাকিয়ে দেখে কেউ তো নেই। বাড়ির মুল ফটকে দারোয়ান আছে কেবল। সকালবেলা পাখির কিচিরমিচির ছাড়া আর কোন সাড়া শব্দ নেই। এত ভোরে কেউ ত এখানে আসার কথা না, তাহলে এই পত্রিকাটা কে রেখে গেলো। পত্রিকাটাও একেবারে তরতাজা। মনে হচ্ছে মাত্রই ছাপাখানা থেকে পত্রিকাটা কেউ এখানে রেখে গেছে। অথচ পুরো বাড়িতে আর কোন মানুষের চিহ্ন নেই। রাতটাও নিস্তব্ধতার ভিতর কাটছে সাদিতের। এবার কিছুটা ভয় কাজ করছে তাঁর। সামনে গিয়ে পত্রিকাটা হাতে নিলো সাদিত।প্রথম পাতায় হেড লাইনে বড় করে লিখা:শহরের সেই নির্জন বাড়িতে মিললো গলা কাটা লাশ!বিস্তারিত: গ্রাম থেকে আসা সাদিত, প্রথম রাতেই খুন।এতটুকু পড়েই সাদিতের চোখ কপালে। হাত পা কাঁপছে ওর। নিজের নির্মমভাবে খুন হওয়ার খবর সেই নিজেই পড়তেছে পত্রিকায়। অথচ সে এখনো জীবিত একটা মানুষ। সাদিতের গলা শুকিয়ে যাচ্ছে।সে আবার পড়তে লাগলো:এই মূহুর্তে তার রুম থেকেই গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এটা পড়েই সাদিত দৌড়ে গেলো রুমের ভিতর। গিয়ে দেখে রুমের মেজেতে লেগে আছে রক্তের দাগ! রক্তে ভেজা বালিশ, তার নিচ বরাবর মেজেতে জমাট বদ্ধ হয়ে আছে রক্ত। সাদিতের চোখে মুখে আতঙ্ক, জ্ঞান হারানোর উপক্রম। জবাই করে একটা মানুষকে টেনে বাহিরের দিকে নিয়ে গেলে যেমন দাগ লেগে থাকে, তেমনি তাঁর রুম থেকে বারান্দার দিকে এমনই রক্তের দাগ দেখা যাচ্ছে। সাদিত চিৎকার করতে চাচ্ছে, কিন্তু তার গলা দিয়ে কোন শব্দ বের হচ্ছে না। নিজের খুনের আলামত সে নিজেই দেখতেছে। অথচ সে এখনো জীবিত এটার চেয়ে ভয়ংকর আর কি হতে পারে। সাদিত জানেনা কি হতে চলেছে তার সাথে। তাঁর চোখ রক্ত বর্ণ ধারণ করেছে। সে হাত থেকে পত্রিকাটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বাহিরের দিকে দৌড়াতে চাচ্ছে, কিন্তু তার পা যেন এগোচ্ছে না।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
দারুন উপভোগ্য ছিলো বইটি। কিছু জায়গায় লেখা খেই হারিয়ে ফেলেছে বলে আমার মনে হয়েছে। তবে পুরো বইটি দারুণ ছিলো। সব মিলিয়ে বইটি উপভোগ করেছি। লেখকের পরের বইয়ের অপেক্ষায়
বইটি পড়ে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। থ্রিলারে ব্যতিক্রমধর্মী বই। প্রচুর রহস্য ছিলো। লেখকের জন্য শুভকামনা। নতুন বইয়ের অপেক্ষায়
কাজী রিপন ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এমন এটা উপান্যাস সবার মাঝে তুলে ধরার জন্য ।আসলে এই উপন্যাস পড়তে পড়তে আমার মনে হয়ছিল আমি ওই এই উপান্যাসের অংশ ।দিত্বীয় পাঠ চাই ।এরা যে আসার পরে দেখল রুমমেট আবশ্যক লাগানো এটা কে লাগিয়েছে সেই পাঠ টা ।

কাজী আমির হোসেন রিপনের থ্রিলার উপন্যাস ‘রুমমেট আবশ্যক’ প্রথম পাতা থেকেই পাঠককে এক অদ্ভুত রহস্যের জালে আটকে ফেলে। গল্পের শুরুটা হয় গ্রাম থেকে আসা সহজ-সরল যুবক সাদিতকে দিয়ে, যে সদ্য শহরের একটি পুরোনো দোতলা বাড়িতে ভাড়ায় ওঠে। পুরোনো বাড়ি নিয়ে তার কোনো আপত্তি না থাকলেও, প্রথম রাতেই এক অজানা অস্বস্তিতে তার ঘুম উবে যায়। আর এই গা-ছমছমে পরিবেশের মাঝেই গল্পের সবচেয়ে বড় চমক ও রহস্য হয়ে ধরা দেয় নীলাদ্রি চরিত্রটি। সাদিতের এই নতুন জীবনের সাথে নীলাদ্রির জড়িয়ে পড়া, তার সন্দেহজনক কার্যকলাপ এবং পুরোনো বাড়ির কোনো অন্ধকার অতীতের সাথে তার যোগসূত্র আছে কি না—এই প্রশ্নগুলোই মূলত উপন্যাসের পরতে পরতে চরম উত্তেজনা তৈরি করে। থ্রিলারের চেনা ছকের বাইরে গিয়ে লেখক সাদিতের অসহায়ত্ব, পুরোনো বাড়ির দমবন্ধ করা পরিবেশ এবং নীলাদ্রির রহস্যঘেরা মনস্তাত্ত্বিক দিকটি এত নিপুণভাবে বর্ণনা করেছেন যে, শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত পাঠকের উৎকণ্ঠা বজায় থাকে। যারা নির্জন রাতে একা বসে পড়ার মতো সাসপেন্স ও সাইকোলজিক্যাল রহস্যে ভরপুর একটি দারুণ রোমাঞ্চকর বই খুঁজছেন, তাদের জন্য ‘রুমমেট আবশ্যক’ চমৎকার একটি অভিজ্ঞতা হবে।























