

Buy শ্বাপদ সনে Online in Bangladesh
লেখক: নাবিল মুহতাসিম
- Author: নাবিল মুহতাসিম
- Publisher: বাতিঘর প্রকাশনী
- Isbn: 9789848729892
- Number Of Pages: 204
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আর আমি ঘামছি। কলম্বোর এই শ্যুটিং অ্যারিনায় যে খুব বেশি লোক আছে, তা না। মোটমাট সিট হবে দুইশোর মত। তার মধ্যে গোটা পঞ্চাশেক দর্শকদের দখলে। শখের দর্শক বলতে গেলে নেই। গুটিকতক সাংবাদিক আছে, আর বাকি সবাই আসলে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শুটারদের আত্মীয় বা বন্ধু-বান্ধব। উৎসাহ দিতে এসেছে তাদের বন্দুকবাজ বন্ধুকে। আমি একবার আড়চোখে তাকালাম সামনের সারিতে বসা আমার কোচ খালেকুজ্জামান স্যার আর তার পাশে বসা দুই স্বদেশী শুটার মনির আর সাদেকের দিকে। আমার ফ্রেন্ডস বলতে এই-ই, আর ফ্যামিলির কেউ উপস্থিত নেই। 'ফ্রেন্ডস' কথাটাও কতটা যুতসই হলো জানি না। মনির আর সাদেকের চোখেমুখে যেন লেখা আছে, আমি যাতে আমার ফাইনাল শটটায় ভালো না করি। ঘরের শত্রু বিভীষণ। নিজেরা ফাইনালেই উঠতে পারেনি। এখন আমি গোল্ড মেডেলটা না পেলেই তাদের পরাজয়ের ক্ষতে খানিকটা প্রলেপ পড়ে। আচ্ছা, আগে মেডেলটা জিতে নেই। দেশে ফিরে মজা দেখানো যাবে ছোটলোকের বাচ্চাগুলোকে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

It’s a masterpiece book. It’s just amazing.this story is so much thriller full I suggest you will buy this. And get a amazing experience

চমৎকার একটি হরর থ্রিলার। পুরো সময়টা বুঁদ হয়ে ছিলাম। খুব সুন্দর একটা pace এ কাহিনী এগিয়ে নিয়েছেন লেখক। তাঁর আগের একটি থ্রিলার পড়েছিলাম,যেটায় তাড়াহুড়োর ভাব ছিল স্পষ্ট কিন্তু এটাতে তার বিন্দুমাত্রও পাই নি। একই সাথে এটাকে সাইকোলজিক্যাল,থ্রিলার,হরর সব ই বলা যায়৷ খুব ই সুখপাঠ্য বই,লেখকের জন্য শুভকামনা।

Great!
বাংলাদেশের যে কয়টি মৌলিক থ্রিলার বর্তমানে থ্রিলারপ্রেমী পাঠককূলের মনে সাড়া জাগিয়েছে তার মধ্যে 'শ্বাপদ সনে' উল্লেখযোগ্য । কয়েকদিন আগেই কলেজ স্ট্রিটের ‛অভিযান পাবলিশার্স’ থেকে সংগ্রহ করেছিলাম বহু চর্চিত এই বইটি । শুরুর দৃশ্যটিই এমনভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, পড়তে পড়তে মনে হতেই পারে যে আপনি স্বয়ং ঐ দৃশ্যে উপস্থিত আছেন । ঘন ভূট্টা খেতের মাঝখানে রাইফেল হাতে দাঁড়িয়ে আছে গল্পের নায়ক জামশেদ, মাথার ওপর প্রখর রোদ, দরদর করে ঘামছে সে, প্রতি মূহুর্তে ভয়ংকর কোনো অঘটনের অপেক্ষা । বইটির শুরু থেকেই কয়েকটি সিকোয়েন্স পাশাপাশি এগিয়ে চলেছে সমান গতিতে । গল্পের নায়ক জামশেদ বাংলাদেশের একজন ধনী ব্যবসায়ীর একমাত্র পুত্র , সাফ গেমসে সোনা-জয়ী শ্যুটার, প্রচণ্ড রাগী - একরোখা - বদমেজাজী । দুর্ঘটনায় বাবাকে হারানোর পর একেবারেই ছন্নছাড়া হয়ে ওঠে তার জীবন । বেশ কিছুদিন ধরেই অদ্ভূত সব স্বপ্ন এবং হ্যালুসিনেশনে আক্রান্ত হতে থাকে সে। এইসময় হঠাৎই এক ঝামেলায় জড়িয়ে গিয়ে নিজেকে বাঁচানোর জন্য গা-ঢাকা দিতে হয় প্রত্যন্ত এক গ্রামে । সাথে তার ভাই সামাদ এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু শিপলু, যে কিনা একজন ‛প্যারানর্মাল ইনভেস্টিগেটর’ । শিপলু এই গ্রামে এসেছে একটি প্যারানর্মাল ইনভেস্টিগেশনে । একের পর এক গ্রামবাসী বীভৎস ভাবে খুন হচ্ছে অজানা কোনোকিছুর হাতে । এটা কি সেই কিংবদন্তী শ্বাপদ, যা গ্রামের পাশের রহস্যময় জঙ্গলে বাস করছে কয়েক শত বছর ধরে? সত্যিই কি শ্বাপদ আছে? নাকি মানুষের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে শ্বাপর? রাইফেল হাতে শ্বাপদের পিছু নিয়ে জঙ্গলের ভেতরের পুরোনো মন্দিরে কার মুখোমুখি হলো জামশেদ? বইটিতে শিপলুর প্যারানর্মাল কেস স্টাডি গুলি বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে, ভালো রকম ভয়ের আবহ সৃষ্টি হয়েছে প্রতিটি ঘটনার বর্ণনাতে । এই বইয়ের অন্যতম ভালোলাগার বিষয়বস্তু হলো দৃশ্যপট বর্ণনার বিবরণ। প্রতিটি ঘটনার সুন্দর ব্যাখ্যা আছে, যা এককথায় অনবদ্য। সবশেষে বলি , “সয়না জ্বালা, তুমি বিনে চইল্লাম আমি শ্বাপদ সনে।”
বইয়ের নাম- শ্বাপদ সনে লেখক- নাবিল মুহতাসিম প্রকাশক-বাতিঘর প্রকাশনী ধরণ- হরর থ্রিলার পৃষ্ঠা সংখ্যা-২০৬ ৫ বছর আগে, ১৯৮৮ এর সাফ গেমস এর সোনাজয়ী শুটার জামশেদ যার বাবা দেশের নামকরা শীর্ষ দশ ধনীর একজন। কিন্তু দুর্ঘটনায় বাবার মৃত্যুতে বেশ একা হয়ে পড়ে সে। এমন সময় গার্লফ্রেন্ড ও তার একশ এর সাথে ঝামেলা হয়। ওকে মারা জন্য সুপারি দেয়া হয় এক সন্ত্রাসী কে। কিন্তু সেই আক্রমণের সময় ভয়াবহ গোলাগুলি হয়। যেখানে জামশেদ ও তার প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর বন্ধু বাদে সবাই নিহত হয়। খুনের দ্বায় এড়াতে এক গণ্ডগ্রামে যায় তারা। কিন্তু সেখানে গিয়ে আরেক কাহিনী। অজানা এক প্রাণীর আক্রমণে গ্রামের ৪ জন মানুষ ইতোমধ্যে খুন। প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর বন্ধু শিপলু ও জেঠাতো ভাইকে নিয়ে রহস্য সমাধানে নামে জামশেদ। তারপর……… পাঠ পতিক্রিয়া- হরর বই খুব কমই পড়া হয়েছে আমার। কেন যেন টানে না আমাকে এই জনরার বই। কিন্তু সে তুলনায় এটা বেশ ভালোই লেগেছে। সত্যি বলতে মৌলিক থ্রিলারগুলো আমার বরাবরই ভালো লাগে। কেমন যেন আপন আপন মনে হয়। বইয়ের শেষে লেখক কেমন যেন একটা অনিশ্চয়তা রেখেছেন। পাঠককের ভাবার সুযোগ তৈরি হয়েছে তাতে। এ গল্পের ভেতরে বেশ কয়েকটা ভৌতিক গল্প পাওয়া যায়। প্রথমে আপনার মনে হবে এগুলা কেন লিখেছে। একটা সময় বিরক্তভাবও আসবে। মনে হবে এগুলোর সাথে কাহিনীর কোনো সম্পর্ক নেই। প্রিয় পাঠক ধৈর্য ধরে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। খুব দারুণ কিছুই অপেক্ষা করবে আপনার জন্য।























