

Buy রহস্যত্রয়ী Online in Bangladesh
লেখক: চয়ন মল্লিক
- Author: চয়ন মল্লিক
- Publisher: চলন্তিকা
- Isbn: 9789849606147
- Number Of Pages: 150
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Print, 2022
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
সুন্দরী এবং ধনী রাদিয়া মীর শিল্পপতি আরমান মীরের স্ত্রী। এলিভেটরে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় রাদিয়া মীরের মৃত্যু ঘটল। আসলেই কি এটা দুর্ঘটনা? নাকি খুন? পরপর দু’টো বীভৎস মৃত্যু ঘটেছে সম্প্রতি, আর তাদের মৃতদেহগুলো পাওয়া গেছে ধানমণ্ডি লেকের এক নির্জন পাড়ে। কারা এরা? এদের এমনভাবে মারছেই বা কে? কেনই বা এই হত্যা? “রূপরহস্য” নামের এক ছোট্ট পার্লারের মালিক নির্মমভাবে খুন হয়ে গেল। কেন? খুনি কে? পরপর তিনটি রহস্য ভেদ করতে ডাক পড়ল মাসিমনি, অর্থাৎ শখের ডিটেকটিভ খনা প্রতীতির। সঙ্গে আছে তাঁর ভাগনি অপরাজিতা চৌধুরী ওরফে জিতু, আর আছে জিতুর জমজ ভাই উপল চৌধুরী। চলুন, ওদের সঙ্গে জুটে যাই আমরাও। দেখি রহস্যের সমাধান করতে পারি কি না!
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

#রহস্যত্রয়ী সম্প্রতি পড়ে শেষ করলাম চলন্তিকা পাণ্ডুলিপি পুরষ্কার বিজয়ী থ্রিলার গল্পগ্রন্থ ‘রহস্যত্রয়ী’। লেখক চয়ন মল্লিকের প্রকাশিত প্রথম বই ‘রহস্যত্রয়ী’। বইটিতে ৩ টি বড়গল্প রয়েছে। ■ কাহিনী সংক্ষেপ: ★ আঁচলের ফাঁস: বইটির প্রথম গল্প ‛আঁচলের ফাঁস’। শিল্পপতি আরমান মীরের স্ত্রী রাদিয়া মীর। এক চ্যারিটি পার্টিতে যাওয়ার আগে এলিভেটরের মধ্যে আকস্মিক এক দুর্ঘটনায় রাদিয়া মীরের মৃত্যু হয়। এটি কী সাধারণ দুর্ঘটনা ছিল? নাকি এর পিছনে কারো হাত ছিল? ★ রূপ-রহস্য: রূপ-রহস্য নামের পার্লারের মালিক রূপার খুন হয়। খুনের তদন্তে বের হয়ে আসতে থাকে একের পর এক অজানা তথ্য। শেষপর্যন্ত কী খুনি ধরা পড়েছিল? ★ মরণ ফাঁদ: বইটির শেষ গল্প ‛মরণ ফাঁদ’। রাজধানী ঢাকাতে পরপর দুইটি বীভৎস লাশ পাওয়া যায়। হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বের হয়ে আসতে থাকে নানা অজানা তথ্য। এই মরণ ফাঁদের রচয়িতা কে ছিল তা জানতে হলে পুরো গল্পটি পড়তে হবে। পরপর তিনটি রহস্য সমাধানের জন্য ডাক পড়ল মাসিমণি, অর্থাৎ পুলিশের প্রাক্তন ডেপুটি কমিশনার, বর্তমানে শখের ডিটেকটিভ খনা প্রতীতির। মাসিমণির সঙ্গে ছিল তার ভাগনি ক্রাইম রিপোর্টার অপরাজিতা চোধুরী জিতু আর জিতুর জমজ ভাই ঢাকা পুলিশের ক্রাইম এন্ড অবসের উপল চোধুরী। তারা কী কেসগুলো সমাধান করতে পেরেছিল কিনা তা জানতে হলে ‘রহস্যত্রয়ী’ বইটি পড়তে হবে। ■ পাঠ প্রতিক্রিয়া: ‘রহস্যত্রয়ী’ বইয়ের তিনটি গল্পই রহস্যে ঘেরা। আঁচলের ফাঁস গল্পটির শুরুটা ভালো লেগেছে। তবে খুনি কে এইটা প্রথম থেকেই ধারণা করতে পেরেছিলাম। তাও সবমিলিয়ে গল্পটি মোটামুটি ভালো লেগেছে। রূপ-রহস্য গল্পটির সূচনাটা ছিল চমৎকার। গল্পটি পড়ে রুপার জন্য অনেক কষ্ট লেগেছে। ‛রহস্যত্রয়ী’ বইটিতে সবচেয়ে বেশি দারুণ লেগেছে মরণ ফাঁদ গল্পটি। গল্পটিতে এক নিষ্ঠুর পাপ কাজের দেখা মেলে। গল্পের শেষটুকু পড়ে সন্তুষ্ট হয়েছি। মাসিমণি দারুণ বুদ্ধির সাহায্যে তিনটি কেসের সমাধান করেছেন। কিছু বিষয় যা সাধারণভাবে অন্যের নজরে আসে না, তা মাসিমণির নজরে আসে। জিতু এবং উপল চরিত্রদ্বয়ও লেখক খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন। লেখক চয়ন মল্লিক গল্পগুলো সাধারণভাবে বর্ণনা করেছেন যা পড়তে বেশ উপভোগ্য ছিল। বইটি একবার পড়া শুরু করলে তা আর রেখে উঠা যায়নি। ‘রহস্যত্রয়ী’ বইটি সবমিলিয়ে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। ■ বই পরিচিতি: বই: রহস্যত্রয়ী লেখক: চয়ন মল্লিক প্রকাশনী: চলন্তিকা প্রকাশকাল: অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২২ প্রচ্ছদ: মো: সাদিতউজজামান মুদ্রিত মূল্য: ৩০০ টাকা

#বুক_রিভিউ_রহস্যত্রয়ী কাহিনী সংক্ষেপঃ এটি একটি রহস্য গল্প সংকলন, সর্বমোট তিনটি রহস্য গল্প রয়েছে এতে। “আঁচলের ফাঁস”ঃ সুন্দরী এবং ধনী রাদিয়া মীর শিল্পপতি আরমান মীরের স্ত্রী। এলিভেটরে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় রাদিয়া মীরের মৃত্যু ঘটল। আসলেই কি এটা দুর্ঘটনা? নাকি খুন? “মরণ ফাঁদ”ঃ পর পর দুটো বীভৎস মৃত্যু ঘটেছে সম্প্রতি, আর তাদের মৃত্যুগুলো পাওয়া গেছে ধানমণ্ডি লেকের এক নির্জন পাড়ে। কারা এরা? এদের এমনভাবে মারছেই বা কে? কেনই বা এই হত্যা? “রূপরহস্য”ঃ “রূপরহস্য” নামের এক ছোট্ট পার্লারের মালিক নির্মমভাবে খুন হয়ে গেল। খুনী কে? পর পর তিনটি রহস্য ভেদ করতে ডাক পড়ল মাসিমণি, অর্থাৎ পুলিশের প্রাক্তন ডেপুটি কমিশনার, বর্তমানে শখের ডিটেকটিভ খনা প্রতীতির। সঙ্গে আছে তার ভাগনি দুঁদে ক্রাইম রিপোর্টার অপরাজিতা চৌধুরী ওরফে জিতু, আর আছে জিতুর জমজ ভাই ঢাকা পুলিশের ক্রাইম এণ্ড অবসের উপল চৌধুরী। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ জমজমাট রহস্যে ঘেরা তিনটি অসামান্য গল্পের সম্ভার “রহস্যত্রয়ী” লেখকের প্রথম বই। কিন্তু বইটি পড়ে লেখকের প্রথম বই বলে মনেই হয়নি আমার। এটি চলন্তিকা পাণ্ডুলিপি পুরস্কার ২০২১ বিজয়ী থ্রিলার। চয়ন মল্লিকের লেখা প্রথম পড়েছি ফেসবুকে। তার “আঁচলের ফাঁস” গল্পটি ফেসবুকে পড়েই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলাম যে এই গল্পটি বইয়ে মুদ্রিত হয়ে এলে অবশ্যই সংগ্রহে রাখব। বইয়ের বাকি দুটো গল্পও হতাশ করেনি। এই বইয়ের প্রতিটি রহস্য গল্পের বিশেষত্ব হচ্ছে যে অতি সাধারণ ঘরোয়া জিনিসকে খুনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি গল্পের পেছনের গল্প এবং ধাপে ধাপে রহস্য উদ্ঘাটনের প্রক্রিয়া শ্বাসরুদ্ধকর। গল্প বুননের মুন্সিয়ানায় গল্পকার এক নিপুণ শিল্পী। প্রতিটি গল্পের বিল্ড আপ, লজিক অসাধারণ ছিল। কাহিনীর গতিশীলতা, টেনশন ধরে রাখা সবদিকে ভালোভাবেই উত্তীর্ণ হয়েছে বইটি। লেখকের ভাষাগত দক্ষতা ও তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ শক্তি পাঠক আমাকে করেছে মুগ্ধ। প্রতিটি গল্প পড়েই পাঠক তৃপ্ত হবেন। কিছুটা সময়ের জন্য দৈনন্দিন জীবনের জটিলতা ভুলে হারিয়ে যেতে পারবেন অন্য এক রহস্যের জগতে। বইটি পড়ে আমার ভালো লেগেছে যে 'চলন্তিকা পাণ্ডুলিপি পুরস্কার” যোগ্য হাতেই গিয়েছে। বইটি যেমন উপভোগ্য ছিল, তেমনই বইয়ের সাথে মানানসই প্রচ্ছদ পাঠকদের দেবে বাড়তি আনন্দ। বইটির আরো একটি ভালো দিক এই যে, কোনো বানান ভুল কিংবা বাক্য গঠনগত ভুল আমি খুঁজে পাইনি। সব মিলিয়ে 'রহস্যত্রয়ী' আমার এবারের বইমেলায় কেনা বইগুলোর মধ্যে সেরা দশ বইয়ের মধ্যে অন্যতম। এত সুন্দর একটি বই দিয়ে সাহিত্যের পথে যাত্রা শুরু করার জন্য লেখকের প্রতি আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও পরের বইয়ের জন্য জানাই অনেক অনেক শুভকামনা। অসংখ্য ধন্যবাদ প্রিয় চলন্তিকা প্রকাশনীকেও, এত সুন্দর পাণ্ডুলিপি প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য ও সুন্দর সুন্দর পাণ্ডুলিপি নির্বাচিত করে বই আকারে প্রকাশের জন্য। আমার মনে হয় প্রকাশনীগুলোর পক্ষ থেকে এ ধরণের প্রতিযোগিতা বেশি বেশি আয়োজন করা উচিত তাহলে আরো ভালো ভালো লেখক ও লেখা আমাদের সামনে আসবে। সুখপাঠ্য এই সংকলনটি নিশ্চিত পাঠকের মন জয় করে নেবে। যারা মিস্ট্রি থ্রিলার পড়তে পছন্দ করেন, তাদের জন্য বইটি অবশ্যপাঠ্য ও সংগ্রহে রাখার মত। এক নজরেঃ বইয়ের নাম: রহস্যত্রয়ী লেখকঃ চয়ন মল্লিক জনরাঃ মিস্ট্রি থ্রিলার প্রচ্ছদ: মোঃ সাদিতউজ্জামান মলাট মূল্যঃ ৩০০/= প্রকাশনী: চলন্তিকা রেটিংঃ ৯.৫/১০ প্রকাশকাল: অমর একুশে বইমেলা ২০২২

#রহস্যত্রয়ী একটি শাড়ির আঁচল, হাতুড়ি, ওয়াইন এ সকল জিনিস কি কারো মৃত্যুর কারণ হতে পারে? জি হা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে ব্যবহৃত এরকমই সাধারণ কিছু জিনিস দিয়ে রহস্যময় খুন হয়ে চলেছে একের পর এক । কে করছে এই খুন? কারাই বা এই খুনিদের শিকার? জানতে হলে পড়তে হবে লেখক চয়ন মল্লিকের প্রথম রহস্য সংকলন " রহস্য ত্রয়ী "। গল্পের মূল চরিত্র মাসীমণি তথা খনা প্রতীতি পেশায় একজন ডেপুটি পুলিশ কমিশনার এবং তারই ভাগ্নে এবং ভাগ্নি উপল এ.এস.পি, অপরাজিতা ওরফে জিতু ক্রাইম রিপোর্টার। এই তিনজন কীভাবে একে একে সব খুনের রহস্য উদঘাটন করে এবং খুনিদের শাস্তি দিতে পুলিশকে সহায়তা করে সেসব নিয়ে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন গল্পে লেখক সাজিয়েছেন ‘রহস্যত্রয়ী'। ★★আঁচলের ফাঁসঃ বিখ্যাত শিল্পপতি আরমান মীর ও তার সহধর্মিণী রাদিয়া মীর। সুখী দাম্পত্য জীবন তাদের। কিন্তুু কিভাবে যেন শাড়ির আঁচলে ফাস লেগে রাদিয়া মীরের আকস্মিক মৃত্যু হয়ে যায়। এটা কি নিছকই কোন দুর্ঘটনা নাকি হত্যা? যদি খুন হয়ে থাকে, তাহলে কে আসল হত্যাকারী এর পিছনের কারণই বা কি? কিভাবে বন্ধ লিফটের ভিতরে একজন নারী খুন হতে পারে? কে ছিল জেসমিন? তার সাথে রাদিয়া মীর হত্যাকাণ্ডের সম্পর্ক কি? খনা, উপল ও জিতু এ সকল প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করে কীভাবে তা জানা যাবে ‘আঁচলের ফাঁস’ গল্পটিতে। ★★রুপ রহস্যঃ বিখ্যাত এক বিউটি পার্লারের মালিক রুপা। হঠাৎই তার কর্মস্থল ও নিজ বাড়িতে খুন হন। কী কারণ ছিল এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে? রুপার পরিচিত কেউ কী এই হত্যার সাথে জড়িত? শিরিন- ইমতিয়াজ দম্পতি দীর্ঘদিন নিঃসন্তান থাকার পর হঠাৎ কোত্থেকে তাদের মেয়ে সায়রাকে নিয়ে এসেছিল? কে ছিল মারুফ আর শায়লা? রুপার সাথে তাদের সম্পর্ক কী ছিল আর রুপার অনাগত সন্তানের পিতা কে ছিল? ডক্টর সিতারা এমন কী তথ্য দিয়েছিল মাসীমণিকে যা শুনে সবাই চমকে গিয়েছিল? শেষ পর্যন্ত কী রুপা হত্যা মামলার মূল আসামীকে প্রখর ডিটেকটিভ এজেন্সির খনা প্রতীতি সামনে আনতে পেরেছিল? ★★মরণফাঁদঃ একে একে তিনটি অস্বাভাবিক মৃত্যু। হত্যার ধরন ও আলামত সবই এক রকম। তিনজন বাল্যবন্ধুকে হত্যা করার পিছনে কারণ কী ছিল? রুচিতা, রুচিরা, শ্যাওলি এদের সাথে এই হত্যার সম্পর্ক কী? কী ঘটে ছিল ২ বছর আগে এদের জীবনে? কেনইবা মাসীমণি মূল হত্যাকারী কে চিহ্নিত করার পরও স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারেননি। এই গল্পের শেষটা এতই চমৎকার ছিল যে আমার মত বহু নারী পাঠকের মন ছুয়ে যাবে। ★★লেখকের জন্য কিছু কথাঃ চয়ন মল্লিক সংগীত শিল্পী হিসাবে বেশ জনপ্রিয়। তার লেখা পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে তার প্রথম বইয়ের মাধ্যমেই। সুন্দর সাবলীল লেখনশৈলী তার। সহজ শব্দচয়নের মাধ্য দিয়েও দারুণ সব রহস্য তৈরি করেছেন বইয়ের তিনটি গল্পেই। প্রতিটা গল্প একটি থেকে অন্যটি আলাদা। প্রতিটা খুনের তদন্ত করতে খনা,জিতু আর উপলের ভূমিকা ছিল চোখে পরার মতো। লেখক গল্পের প্রতিটা কাল্পনিক চরিত্র ঠিক বাস্তবতার মধ্যে ফুটিয়ে তুলেছেন এজন্য লেখক প্রশংসার দাবিদার। কিন্তুু বইটির কিছু জায়গায় কিছু সংলাপ আর অভিব্যক্তি প্রকাশ আমার কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে।যা গল্পকে অযথা বড় করতে সাহায্য করেছে। কিছু জায়গা রিপিটেড মনে হয়েছে যা গল্পের ধারাবাহিকতায় বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। এই ছোট ছোট বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখলে আশা করি লেখক আগামীতে আর অনেক অনেক ভালো কাজ করতে পারবেন। ★★ রেটিং ৯/১০ বইঃ রহস্যত্রয়ী লেখকঃ চয়ন মল্লিক প্রকাশনীঃ চলন্তিকা প্রচ্ছদঃ সাদিতউজজামান
দারুণ একটি থ্রিলার। গল্পগুলো দুর্দান্ত।























