

Buy রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও - খেতে আসেননি Online in Bangladesh
লেখক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
- Author: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
- Publisher: বাতিঘর প্রকাশনী
- Isbn: 9789848729755
- Number Of Pages: 271
- Language: বাংলা
- Edition: 28th Printed, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
“রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেন নি” বইটির ফ্ল্যাপের কথা : মফশ্বল শহর সুন্দরপুর ছবির মতোই সুন্দর। প্রকৃতির শোভা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কিছু নেই বললেই চলে কিন্তু সবাই জানে রবীন্দ্র এখানে কখনও খেতে আসেন নি! কেন আসেন নি তারচেয়েও বড় কথা কেন অনেকেই সেখানে ছুটে আসে! এক আগন্তুক এসে হাজির হলো সেই সুন্দরপুরে। তার গতিবিধি অস্পষ্ট আর রহস্যময়। সে যেটা জানতে চায় সেটা ওখানকার খুব কম লোকেই জানে। আর যখন সেটা জানা গেলো তখন বেরিয়ে এলো রোমহর্ষক এক কাহিনী! পরিহাসের ব্যাপার হলো সেই রোমহর্ষক কাহিনী বলার মতো সুযোগ সত্যি কঠিন!
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
“শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বইটা একটা অদ্ভুত রহস্যের ভেতরে টেনে রাখে, যেখানে প্রতিটা অধ্যায় নতুন প্রশ্ন তৈরি করে। এই বইয়ের রহস্যের মূল কেন্দ্র সুন্দরপুরের জনপ্রিয় হোটেল ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেননি’। কেন এই হোটেলের খাবার এত সুস্বাদু এবং কেন মানুষ দূরদূরান্ত থেকে এখানে খেতে আসে—এই রহস্যের সমাধান পেতে উপন্যাসটি শেষ পর্যন্ত পড়তে হয়। একদিন যে আগন্তুক সুন্দরপুরে আসে, তার আসল পরিচয় কী এবং কেনই বা হোটেলের মালিক সম্পর্কে তার জানার এত আগ্রহ—সেটা পাঠককে শেষ পর্যন্ত টেনে রাখে। আর শেষে হোটেল মালিককে ঘিরে যে চমকপ্রদ সত্য উন্মোচিত হয়, সেটাই পাঠকের কৌতূহল ধরে রাখে। উপন্যাসটির ঘটনাপ্রবাহ বেশ সিনেমাটিক। তবে কিছু জায়গায় টুইস্টগুলো এমনভাবে উপস্থাপিত হয়েছে যে পাঠকের কাছে মনে হতে পারে ঘটনাগুলো কেন ওই দিকে যাচ্ছে, তা কিছুটা জটিল বা অতিরিক্ত মনে হয়েছে। এছাড়া ইনফর্মার ও স্থানীয় পুলিশের ভাষা অনেক সময় অমার্জিত মনে হতে পারে। সব মিলিয়ে উপন্যাসটি ভালো লাগলেও কিছু দিকের কারণে আমি এটিকে বেস্টের তালিকায় রাখতে পারিনি।”
বহুদিন পর থ্রিলার উপন্যাস পড়লাম। প্রথমেই বলে রাখি, আমি বাঘা কোনো পাঠক নই। হাতে গোনা কিছু উপন্যাস পড়েছি মাত্র। রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেননি নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যে পরিমানে হাইপ আছে, পড়ে আমি সেটা মেলাতে পারিনি। একটা কারন অবশ্য আমার ব্যাক্তিগত। দেশীয় পটভূমিতে লেখা গল্প আমি খুব বেশি এনজয় করতে পারিনা। এর কারন আমার থ্রিলার পড়া শুরুই হয়েছিল বিখ্যাত দ্য দা ভিঞ্চি কোড দিয়ে। তখন থেকেই বিদেশী থ্রিলারের প্রতি টান অনুভব করি। যাহোক, হাইপ ছিলো বলেই একসাথে দুইটা বই-ই কিনে ফেলি। ফেলে রেখেছিলাম বহুদিন। হঠাৎ কী মনে করে একদিনেই পড়ে শেষ করে ফেললাম! আসলে আমার জন্য একদিনের মধ্যে তিনশো পৃষ্ঠার একটা বই পড়ে ফেলা চরম রেকর্ড। এ থেকে দুটো বিষয় নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, উপন্যাসের বর্ণনা বেশ সাবলীল আর সহজ ছিলো। আর মোস্ট ইম্পর্ট্যান্টলি, পাঠককে বইয়ের সাথে আটকে রাখার যেই জাদুকরী বিদ্যা, তার যথাযথ ব্যবহার লেখক এই বইতে করতে পেরেছেন। শুরুর দিকের চ্যাপ্টারগুলো পড়ে আমি বেশ বিরক্ত হচ্ছিলাম। বিশেষ ভালো লাগছিলো না। তারপরেও পড়া চালিয়ে গিয়েছি এবং কিছু পরেই আগ্রহ তৈরী হতে শুরু করেছে। আদতে আতর আলীর ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টের ব্যাপারে প্রশংসা না করে পারছি না। তবে নুরে সফার ব্যাপারে আমি সন্তুষ্ট নই। তার চরিত্র আর লেখকের বর্ণনা ঠিক মেলাতে পারিনি, বইয়ের কোনো অংশেই না। মুশকান জুবেরির চরিত্রটা বেশ রহস্যময়তার সাথেই তুলে ধরেছেন। যেই ব্যাপারটা সবচেয়ে অসংগতিপূর্ণ লেগেছে, সেটা হলো একজন বোবা, কালা মানুষ দারোয়ানের দায়িত্ব পালন করছে, বিপদে দ্রুত সতর্ক করায় যে অক্ষম। অন্যান্য চরিত্র নিয়ে বিশেষ অভিযোগ নেই। আর তাদের ব্যাপারে বলতে চাচ্ছি না স্পয়লার এড়ানোর জন্য। যাইহোক, অনেক জায়গায় ভাল্গারনেস খুবই কটু লেগেছে। সেগুলোর প্রয়োজনীয়তাও খুব বুঝে আসেনি। এবার আসি সিন বর্ণনার কথায়। লেখক এ ব্যাপারে যে খুবই পারদর্শী তা স্বীকার করতেই হবে। পুরো বই জুড়ে প্রত্যেকটা ঘটনা এমনভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যেন ব্যাপারগুলো আমার চোখের সামনে ঘটে চলেছে। তবে একটা কথা, এ ধরনের থ্রিলার উপন্যাসে যেই চাপা ভাবটা কাজ করে সেটা আমি বিশেষ টের পাইনি। এ কারনটাও আমার ব্যক্তিগত হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে খেয়াল করছি, বেশ কিছু অনুভূতি ম্লান হয়ে এসেছে। এক্ষেত্রেও তেমন কিছু ঘটতেই পারে, তাছাড়া, থ্রিলার বই পড়ে মজা পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিবেশ ডিপেন্ড করে। একজন দিনের বেলায় জানালা দরজা খুলে বাচ্চার চিল্লাপাল্লা শুনতে শুনতে পড়লে সে মজা টের পাবে না। আমি অবশ্য বেশিরভাগ অংশ রাতেই পড়েছিলাম। যাইহোক, গল্পের থ্রিল বা রহস্যের কথা যদি বলি, সেটা মিশ্র। এককেন্দ্রিক নয়। বেশ কিছু মেজর ব্যাপার খুব বেশি প্রেডিক্টেবল। আবার কিছুক্ষেত্রে সেগুলোর বর্ণনা এতটাই সাদামাটা, যে মনেই হয়নি, সিরিয়াস কিছু ঘটে গেছে। তবে হ্যাঁ, কিছু অংশে ডার্কনেস আছে। বেশ গভীর। ব্যাপারগুলো নিয়ে চিন্তা করলে থ্রিল অবশ্যই পাওয়া যায়, ভালো রকমের থ্রিল! তবে সমস্যা হলো সেই চিন্তা করার তাগিদটা অনুভব করা কষ্ট! বইয়ের শেষে রহস্যভেদের পরে আরো কিছুটা পার্ট আছে, যেটা আমি এনজয় করিনি একদমই। তবে অনেকেই এ ধরনের এন্ডিং এনজয় করে। এবার প্রোডাকশন নিয়ে কিছু বলি, বইয়ের কাগজের মান তেমন ভালো লাগেনি, মূল্য অনুপাতে আরো ভালো হতে পারতো। প্রিন্টিং নিয়ে অভিযোগ নেই। হাতে গোনা দু-এক জায়গায় মাত্র টাইপো আছে। বাধাই ভালো মনে হলো, দু-তিনবার পড়ার পরে টিকবে কিনা বলতে পারছি না। সব মিলিয়ে যদি বইয়ের মূল্যের কথা বলি, খুব বেশি মনে হয়নি। আবার কিছু কম হলে ভালো হতো, এটাও মনে হয়েছে। যাইহোক, শেষ করি। বাঙালি উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু জিনিসকে ওভারেস্টিমেট আর কিছু জিনিসকে পা দিয়ে ডলতে শেখে। রবীন্দ্রনাথের ক্ষেত্রে, আমার মনে হয়, বইটা খুবই ওভাররেটেড। তার মানে এই না যে খারাপ বলছি। এতখানি পড়ে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমার মিশ্র প্রতিক্রীয়া। আমি বলবো, থ্রিলার পড়া সবে শুরু করতে চায়, তাদের জন্য ভালো চয়েস হতে পারে এটা। ভাল্গারনেসের কমতি না থাকায় মানসিক অবস্থাটা এক্ষেত্রে আমলে নিতে হবে অবশ্যই। তবে মারাত্মক লেভেলের ব্রেইনস্টর্মিং, বাক্যে বাক্যে থ্রিল পাওয়ার জন্য রবীন্দ্রনাথ নয়। এটা বরং হালকা বই বলা চলে, যেটার জন্য লেখক অনেক চিন্তা-ভাবনা করেছেন, কিন্তু পাঠকের ভাগে কিছু রাখেননি বললেই চলে!

বইটা পড়ার খুব ইচ্ছা ছিল। সত্যি কথা বলতে বইটির প্রতি যতটুকু এক্সপেকটেশন ছিলো বইটা তা পূরণ করতে পারেনি। আমি আগে কখনো নিজাম উদ্দিন এর লেখা পড়ি নি এটাই ছিল তার প্রথম বই যেটি আমি পড়েছি। আমার যতদূর মনে হয়েছে উনি খুব স্লোলি লেখে। আমার মতো অনেক পাঠক এর ই এমন স্লো বার্ন ভাল্লাগে না। প্রথম ১০০ পৃঃ আমার কাছে যাচ্ছে তাই মনে হয়েছিলো । মানুষের মাংস খাওয়ার সিনটা কেন জানি আমার কাছে বড্ড নাটকীয় লেগেছে। মনে হয়েছে কোনো মুভি থেকে নেয়া হয়েছে।যারা আমার মতো হুমায়ূন আহমেদ বা আরিফ আজাদের বই পড়ে অভ্যস্ত তাদের বই এ ব্যাবহৃত শব্দ পড়তে একটু বিব্রত বোধ হতে পারে। এমনি তে মুসকান জুবেরির পালানোর ঘটনা ছাড়াও এন্ডিং এ চমক রেখে শেষ করার যে ব্যাপারটা আমার অন্যরকম ভালো লেগেছে । অভার অল ০৭/১০ দেয়া যায়।

ছবির মতোই সুন্দর মফস্বল শহর সুন্দরপুর। সেখানেই একটি রেস্টুরেন্টের নাম 'রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি'। কেন আসেননি রবীন্দ্রনাথ? কি সম্পর্ক এই রেস্টুরেন্টের সাথে রবীন্দ্রনাথের? তারচেয়েও বড় প্রশ্ন কিসে বিমোহিত হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন এখানে ছুটে আসে? এই হোটেলের মালকিন 'মুশকান জুবেরি' কে ঘিরেই বোনা হয়েছে হোটেলের অন্তরালের সমস্ত রহস্য। হঠাৎ-ই সেই সুন্দরপুরে এক আগন্তুকের প্রবেশ। তার গতিবিধি সন্দেহজনক ও উদ্দেশ্য অস্পষ্ট। অবশেষে সেই আগন্তুক রোমহর্ষক এক সত্য জানতে পারলো। কিন্তু সে কথা বলে যাবার সুয়োগ কি সে পাবে? কিছু কিছু বই থাকে, যেগুলোর বর্ণনা পড়লে মনে হয়; আপনি হয়তো কোন বই পড়ছেন না। মনে হবে, আপনি কোন সিনেমা বা সিরিজ চোখের সামনে দেখছেন। ' রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেন নি ' মূলত সেরকমই একটি বই। ২০২১ সালের ১৩ই আগস্ট যদিও এই বই অবলম্বনে ওয়েব সিরিজ ইতোমধ্যে প্রকাশ হয়ে গিয়েছে; আমি সিরিজটি দেখি নি! তবে এই বইটি যদি আপনি পড়ে থাকেন; আমি হলপ করে বলতে পারি এটার স্টোরি টেলিং-এর স্বার্থকতার জন্য আপনার মনে হবে আপনি কোন থ্রিলার সিনেমায় ডুবে আছেন। চরিত্র সাজানো, গল্প বলার ধরণ, ধীরে ধীরে রহস্যের দিকে এগিয়ে নেওয়া, খুবই শান্ত ও ধীর পদক্ষেপ সর্বক্ষেত্রেই লেখকের শক্তিশালী চিন্তাশক্তি এবং লিখনী ফুটে উঠেছে। কাহিনী বর্ণনায় লেখক মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন। অতিপ্রাকৃত ঘটনাসমূহকে বাস্তবিক, বিশ্বাসযোগ্য এবং ব্যখ্যামূলকভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি প্রশংসার দাবিদার। প্রতি পদক্ষেপে তৈরি করেছেন সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম সাসপেন্স। যেটা মায়াজালের মতো বারবার রহস্যের আরও গভীরে ঢুকতে আপনাকে বাধ্য করবেই করবে। থ্রিলার কোন বইয়ের রিভিউ লিখা আমার জন্য খুব বিপজ্জনক। স্পয়লারের ভয়ে আমি কাহিনী এবং অধ্যায়ভিত্তিক আলোচনা থেকে নিজেকে বিরত রাখছি। তবে এই বইয়ে সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যপার ছিল প্রতিটি পদক্ষেপে রহস্যের সৃষ্টি। লেখক তার লিখনীতে রহস্যের গোলকধাঁধা অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে তৈরি করেছেন এবং খুব ধীরে ধীরে ড্রাগের মতো পাঠককে নিয়ে গিয়েছেন রহস্যের অন্তরালে। সুনিপুণভাবে এবং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে একটু একটু করে উন্মোচিত রহস্যের জাল বরাবরই শরীরকে শিহরিত করেছে এবং তারই মধ্য দিয়ে 'মুসকান জুবেরি' চরিত্রটি প্রোটাগনিস্ট রূপে উঠে এসেছে। মুসকান জুবেরি প্রোটাগনিস্ট রূপে উঠে এলেও লেখক কিন্তু শুধু একটি চরিত্রকে সর্বোচ্চ ফোকাসে রাখেননি। সকল চরিত্রকে নিয়ে এগিয়ে গিয়েছেন এবং তৈরি করেছেন রহস্যের ঘাঁটি। চরিত্রগুলো খুব ধীরে ধীরে বিকশিত হয়েছে এবং সকলেই কোন না কোনভাবে রহস্যকে শেষ অবধি আঁকড়ে রাখতে সম্ভব হয়েছে। এই বইয়ে রবীন্দ্রনাথের সময়কাল থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং তার পরবর্তী অতি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থা এবং ক্ষমতার নিচের ধাপের লোকের প্রতি ক্ষমতাবানদের দৃষ্টিভঙ্গি পূঙ্খানুপুঙ্খভাবে ওঠে এসেছে। বইটিতে লেখকের ভাষার ব্যবহার ছিল অতি চমৎকার। চরিত্রভেদে ভাষাকে তিনি পরিবর্তন করেছেন বিভিন্নরূপে। যেখানে আঞ্চলিকতা প্রয়োজন সেখানে সেটি এনেছেন সিদ্ধহস্তে। কোথাও কোথাও ইংরেজীর ব্যবহারও আছে। প্রমিত ভাষার ব্যবহারও হয়েছে দারুণভাবে। কাহিনীর পরিপ্রেক্ষিতে কিছু অশ্রাব্য গালিগালাজও উঠে এসেছে। তবে আমি বলব সেটা নিতান্তই কাহিনীর প্রয়োজনে। এ বইটিকে রেটিং করলে আমি ৯/১০ দেব। ১ না দেবার কারণও আমি বলছি। এই বইটি যেভাবে সাসপেন্স নিয়ে আগাচ্ছিল, সেই তূলনায় একদম শেষের দিকটা একটু কম আশানুরূপ হয়েছে। একজন ডিবির জাঁদরেল অফিসারের এতো বেশি অসতর্কতা ( আমি আবারও বলছি 'এতো বেশি অসতর্কতা') আসলে তার বুদ্ধিমান চরিত্রের সাথে যায় না। আর এরজন্যই যারা হার্ট এন্ড কোর থ্রিলার পাঠক তারা কিছু কিছু বিষয় আগে থেকেই বুঝে যাবে বা উপলব্বধি করে নেবে। তবে এই বইয়ের শেষের দিকে গুগল ম্যাপ, সিসি ক্যামেরা, অপ্রাকৃত ঘটনা সবকিছু মিলে মনে হবে এটা যেনো একটা ডকুমেন্টারি ইমেজ। 'রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেন নি'- এই নামের রহস্য কি? রবীন্দ্রনাথের সাথে কি আসলেই মুশকান জুবেরির কোন সম্পর্ক আছে নাকি এটা নিন্তান্তই মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি? রহস্যময় হাসির উৎস কি? আন্দিজ দূর্গমের সাথে রবীন্দ্রনাথের কি সম্পর্ক? যৌবন-সৌন্দর্য-বয়স-স্বাদ-গন্ধ-নেশা এ সবকিছু কিভাবে ঘিরে রেখেছে রবীন্দ্রনাথকে? জানতে চাইলে পড়তে পারুন এই বইটি। বইটির সাসপেন্স আপনাকে একটানা বইটির সামনে বসিয়ে রখতে বাধ্য। পুনশ্চ, একটা কথা বলে যাই। 'রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেন নি'- বইয়ের এই নামটি নিজেই একটা মিস্ট্রি বা রহস্য সৃষ্টি করে বলে আমার ধারণা। কেননা, এই বইটির পড়ার/কেনার/বই সম্পর্কে জানার আগেই যদি কেউ নামটি দেখে/শুনে; নামটি অটোমেটিক তাকে অল্প হলেও আকৃষ্ট করে বসে! পুনশ্চ, এই বইটির আরেকটি সিকুয়েল আছে। সেটির নাম-' রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি'। এই সিকুয়েলটি আমার পড়া হয়নি এখনও। ধন্যবাদ।

লেখক কাহিনী বড়ো করা জন্য কিছু কিছু জায়গায় ছাড় দিয়ে দিয়েছেন...যায় কারণে বইটা পড়ার সময় অনেক জায়গায় বিরক্ত হয়ে পড়েছিলাম...এমনি বইয়ের থিমটা সুন্দর ছিল... কিন্তু মুশকান জুবেরির চরিত্রটা যেমন কঠিন একটা ব্যাক্তিত্ব ছিলো...ডিবি অফিসার হিসেবে নুরে ছপার চরিত্র ওই রকম মনে হয়নি.. আমার...কাহিনি লম্বা করতে গিয়ে কিছু কিছু অনেক বেশি বর্ণনা করেছেন।আর নুরে ছফার কিছু কাজ৷ একদম বোকামির মতো লেগেছে কারণ এ রকম গল্পের প্রধান চরিত্র হিসেবে তাকে অনেক বেশি দুর্বল মনে হয়েছে আমার..যাইহোক বইটা মোটামুটি ভালো... আপনাদের কাছে হয়তো ভালো লাগতে পারে😇😇
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
এই বইটার ১ম এবং ২য় খন্ড available হবে কবে
বইটার ১ম এবং ২য় খন্ড, দুটোই পাওয়া যাচ্ছে অর্ডার করতে পারেন
তৃতীয় খন্ড টি কবে প্রকাশিত হবে?
এখনো প্রকাশিত হয় নি, প্রকাশিত হলে অবশ্যই রকমারিতে পাওয়া যাবে
13 bochorer bachara ki porte parbe
জি, পড়তে পারবে।
এটা কি হার্ড কভার?
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি হার্ডকভার। ধন্যবাদ।























