

Buy মৃত্যু ফাঁদ Online in Bangladesh
লেখক: শরীফুল হাসান
- Author: শরীফুল হাসান
- Publisher: নালন্দা
- Isbn: 9789849715436
- Number Of Pages: 206
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2023
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
পার্বত্য অঞ্চলে বেড়াতে এসেছিল ওরা পাঁচজন। গাইডের সাথে চলে আসে এমন এক জায়গার খোঁজে, যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধ। পাহাড়ের গুহায় আটকে থাকা প্রাচীন কোনো এক শক্তির মুখোমুখি হয় ওরা। অন্ধকারে ওদের তাড়া করে বেড়ায় কে? বাঁচার লড়াইয়ে নেমে দেখতে পায় এই লড়াই শুভ-অশুভর লড়াই-ই শুধু নয়, এই লড়াই আরও অন্য কিছুর। আদ্রিতা, কঙ্কা, ফারহান, রবি আর সৌমিক কী এই লড়াইয়ে জিততে পারবে? মৃত্যুফাঁদ! শরীফুল হাসানের লেখায় এই অদ্ভুত রোমাঞ্চের জগতে আপনাদের স্বাগতম!
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

বইটিতে আদ্রিতা, কঙ্কা, ফারহান, রবি আর সৌমিক নামে কয়েকজন চরিত্রের বাঁচার লড়াই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অন্ধকারের মাঝে তাদের তাড়া করে ফেরে এক অজানা আতঙ্ক। কাহিনীটি শুধু শুভ-অশুভর লড়াই নয়, এর চেয়েও গভীর কোনো রহস্যের ইঙ্গিত দেয়…………………………......................।এটি মূলত কমেডি ভয় আতঙ্ক ও থ্রিলারের একটি মিশ্রণ।চরম পরিস্থিতি, আতঙ্ক, এবং তার মাঝেও কমেডির উপাদান বইটিকে রোমাঞ্চকর করে তুলেছে। চরিত্রগুলোর বেঁচে থাকার লড়াই এবং রহস্য উন্মোচনই বইটির মূল আকর্ষণ।যারা রহস্য ও থ্রিলারধর্মী বই পছন্দ করেন, তাদের জন্য শরীফুল হাসানের 'মৃত্যুফাঁদ' একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।











========= কাহিনী/বইয়ের সার-সংক্ষেপ ========== বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া পাঁচ বন্ধু আদ্রিতা, ফারহান, রবি, সৌমিক আর কঙ্কা। পুরো ক্যাম্পাসে তাদের পাঁচ জনের এক প্রাণবন্ত দল। সারাক্ষণ হইচই, আনন্দ-ফূর্তি আর পড়াশোনা, সবকিছু একসাথে। তারুণ্যের উচ্ছলতার মাত্রায় নতুন এক পালক যুক্ত করা এবং সময়টাকে সবারই সারা জীবনের জন্য স্মরণীয় রাখার জন্যই সবাই মিলেই সিদ্ধান্ত নেয় বান্দরবানের গহীন বন-পাহাড়ে এক অ্যাডভেঞ্চার ট্যুর প্ল্যানের। যেই কথা সেই কাজ, বেরিয়ে পড়ে সবাই একসাথে নতুন এক অ্যাডভেঞ্চারের নেশায়। আগে থেকেই কোথায় যাবে না যাবে ও কোথায় ঘোরাঘুরি করে দিন-রাত কাটাবে সেসব কিছুর পরিকল্পনা করলেও বান্দরবান শহরে নেমেই এক গাইড জুটে নেয় তারা। সেই গাইডই প্রচলিত ও পরিচিত জায়গার বাইরে তাদের সন্ধান দেয় সম্পূর্ণ নতুন এক জায়গার। যা সাধারণের লোক চক্ষুর আড়ালে ও গহীন এক বন-জঙ্গলে যেখানে আবার জন-সাধারণের প্রবেশ অনেকটাই অলিখিতভাবে নিষেধ। সেই জায়গার কথা শুনেই ছেলেরা যেন অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় আরোও পাগল হয়ে উঠে। কিছুটা অনিচ্ছা ও গাইডকে ততটা পছন্দ না হলেও রাজি না হয়ে উপায় থাকে না আদ্রিতা আর কঙ্কার। কিন্তু নতুন জায়গার অ্যাডভেঞ্চারের স্বাদ নিতে এসে এক গহীন গুহায় তারা আটকা পড়ে সদলবলে। অচিরেই তারা মুখোমুখি হয় প্রাচীন ও অচেনা ভয়ংকর কোন শক্তির; যে শক্তি তাদের অন্ধকারে তাড়া করে বেড়ায়। শীঘ্রই তারা বুঝতে পারে তাদের সামনে পদে পদে ওঁত পেতে আছে এক ভয়ংকর মৃত্যুফাঁদ। পারবে কি তারা সেই মৃত্যুফাঁদ ছিড়ে বেরিয়ে আসতে? “প্রাণ হারানোর ভয় সবচেয়ে বড় ভয়। এই ভয়ের মুখোমুখি হলে মানুষ এমন সব কাপুরুষতা করতে পারে কিংবা সাহসিকতা দেখাতে পারে যা সে নিজেই জানত না।” ========= পাঠ প্রতিক্রিয়া ========== সাম্ভালা ব্যতীত শরীফুল হাসানের যে বইগুলো পড়েছিলাম সবগুলোই ছিলো সামাজিক থ্রিলার ঘরানার উপন্যাস। কিন্তু এই বইয়ে লেখক যেন নিজেকে এক অন্যভাবে প্রকাশ করেছেন; পুরোই এক ভিন্ন আঙ্গিকে ও ভিন্ন পরিচয়ে। বেঁচে থাকার তাগিদে একদল তরুণ-তরুণী যে কি অদম্য লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে পারে তা লেখক খুব সুন্দর করে তার লেখনীতে ফুটিয়ে তুলেছেন। প্রতি পদে পদে অজানা আতঙ্কের যে ভয় মন ও শরীরে যে শিহরণ জাগায় তা পড়ার মাধ্যমে অনুভব করা যায়। অর্থাৎ পাঠকের মনে ভয়ের মাত্রাটা লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন পূর্ণ মাত্রায়। যার কারণে বইটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যেকোন থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় পাঠককে অদম্য আকর্ষণে ধরে রাখবে আমার বিশ্বাস। তবে একটা ব্যাপার, লেখক বইটি কোন কিছু থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে লিখেছেন কিনা জানিনা, কিন্তু বইটি পড়ে ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্রিটিশ সিনেমা “The Descent” এর মতো লেগেছে। যাই হোক থ্রিলার, অ্যাডভেঞ্চার ও রহস্যগল্প পছন্দ করেন এমন যেকোন পাঠকদের বইটি অবশ্যই ভালো লাগবে। প্রোডাকশনঃ বইটির কভার ডিজাইন আমার কাছে বইয়ের প্রকৃতি অনুযায়ী বেশ আকর্ষণীয় ও দারুণ লেগেছে। বইয়ের বাইন্ডিং ও পৃষ্ঠার কোয়ালিটি ঠিকঠাক মনে হয়েছে। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৮/১০।























