

Buy ইন্দ্রজাল: হাজার বছরের পিছুটান... Online in Bangladesh
লেখক: জিমি তানহাব
- Author: জিমি তানহাব
- Publisher: ঐতিহ্য
- Isbn: 9789847765020
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2019
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
আমি একজন খ্রিষ্টান, কিন্তু এমন এক সময়ে বাস করছি, যেখানে জেসাসের এখনো আগমন ঘটেনি। ভবিষ্যৎ বলতে পারি আমি। না আমি কোন ভবিষ্যৎদ্রষ্টা নই। আমি সায়মন অতি সাধারণ এক যুবক। জড়িয়ে গেছি এক জালে, যে জালে আটকে রয়েছি হয়তোবা হাজার বছর ধরে। প্যাগান মন্দিরের সিঁড়িটাই হয়েছিল আমার মাথা গুজবার ঠাই। আমার জন্য অপেক্ষা করছিল এক ভয়ংকর ভবিষ্যৎ। যে ভবিষ্যৎ আবার আমার নিকট ধরা দিয়েছিল বর্তমান হয়ে। উত্তাল সমুদ্র পারি দিয়ে নিজ রাজ্যেতো ফিরে এসেছিলাম। তারপরও সেটা আমার কাছে ছিল অচেনা কোন ভূখণ্ড। হাজার বছর ধরে যে মায়াবিনীর পেছনে ছুটে চলেছি সে ছিল আমার সহস্র অতৃপ্ত দীর্ঘশ্বাসের কারন। জুলিয়াস সিজারের ক্ষতবিক্ষত শরীর দেখেছি আমি। আর সেদিন শান্ত করতে পারিনি বিক্ষুব্ধ রোমবাসীকে। প্রত্নতত্বের মাঝে ইতিহাস খুঁজে ফেরা এক যুবক আমি। আজ নিজেই ইতিহাস হয়ে রইলাম।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

best book ever
its a very intresting book for book lover. it surprised me.

অন্যরকম একটি বই। খুব ভালো লাগলো।

========= কাহিনী সংক্ষেপ ========== সময়ে পরিভ্রমণ! শুনতে যতটা না আকর্ষণীয় তার চেয়ে সেই সময়ের গোলকধাঁধায় কেউ আটকা পড়লে বিষয়টি কেমন হবে তার জন্য? একবার মৃত্যুকে নাহয় প্রত্যেক মানুষই আলিঙ্গন করে বা করবে, কিন্তু সেই মৃত্যুই যদি একজনকে বার বার এসে গ্রাস করে; থামিয়ে দেয় জীবনের স্পদনকে তার জন্য সেটা হয়ে দাঁড়াবে এক অভিশাপস্বরূপ। সময়টা ১৮১২ খ্রিস্টাব্দ। রোম হতে একটি জাহাজে করে গ্রিসের কাভালো বন্দরে নামলো এক তরুণ প্রত্নতাত্ত্বিক। তার লক্ষ্য প্রায় তিন হাজার বছর পুরোনো এক জিউস মন্দির। কিন্তু গোঁড়া ধর্মীয় প্যাগান পুরোহিতরা কিছুতেই তাকে খোঁড়া-খুঁড়ির অনুমতি দেবে না। তাই সে ঠিক করলো সে অন্যভাবে এগোবে। সবার নজর এড়িয়ে একসময় সে সেখানে প্রবেশ করতে সক্ষমও হয়। খুঁজে পায় অদ্ভুত এক নিদর্শন। যে নিদর্শনের প্রতি তার দুর্বার আকর্ষণ তাকে নিয়ে যায় অন্য কোথাও। সেই আকর্ষণের মোহ কেটে গেলেই অচিরেই সে বুঝতে পারে সে আসলে রয়েছে বইয়ের পাতায় পড়া ইতিহাসের বিখ্যাত কিংবা ভয়ংকর কোন এক সময়ে। সেখানে সে ক্রমশঃ জড়িয়ে পড়ে অন্য এক মায়ার বাঁধনে। নিজের অগোচরেই যে মায়ার বাঁধনে সে জড়িয়ে আছে হয়তো অনন্তকাল ধরে! “তার এই একাকীত্বের কথা কেউ জানে না। কেউ দেখতে পায় না তার শান্ত চেহেরার আড়ালে বিষাদগ্রস্ত আত্মাটাকে।” ========= পাঠ প্রতিক্রিয়া ========== জিমি তানহাবের লেখা এটাই আমার প্রথম পড়া কোন বই। বইটা পড়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছিল মূলত বইটির পাঠকপ্রিয়তা দেখে। তার লেখার ধরনটা ভালোই বলা যায়। বইয়ের কাহিনীর প্লটও ইউনিক মনে হয়েছে। উপন্যাসটি ইতিহাস আশ্রিত হওয়ায় বেশকিছু ঐতিহাসিক চরিত্রের দেখা মেলে কাহিনীতে। সেই সময়ের পরিবেশ লেখিকা ফুটিয়ে তোলার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। একটানা পড়ে শেষ করার মতো একটি বই। তবে ব্যক্তিগতভাবে বইটা নিয়ে আমার এক্সপেকটেশন আর একটু বেশিই ছিলো। সময় পরিভ্রমণ, ইতিহাসের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণ, তরুণ প্রত্নতাত্ত্বিকের মায়াময় মনের পরিচয় সব মিলিয়ে পাঠককে আনন্দ দিবে আমার বিশ্বাস। প্রোডাকশনঃ কভার ডিজাইন আমার খুব একটা ভলো লাগেনি। পেজের কোয়ালিটি, বই বাইন্ডিং ঠিক আছে। ফন্ট সাইজ সামান্য বড় হলে ভালো হতো। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৭.৫/১০।
সত্যি বলতে এত এত ভালো রিভিউ দেখে যে আশা নিয়ে পড়তে শুরু করেছিলাম তার কিছুই পূরণ হয়নি। সম্পূর্ণভাবে হতাশ করেছে আমাকে বইটি। শুরুর তিন পৃষ্ঠার ভিতরে এমন একটি ভুল পেলাম যা ঐতিহাসিক কাহিনী লেখকের কাছে কাম্য নয়। চরিত্রগুলোর কথা বলার ধরনকে প্রাচীন করতে গিয়ে একটা আজগুবি মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেছে। ওভাবে কোনো সাধারণ মানুষ ওই আমলেও কথা বলত কিনা সন্দেহ আছে। বাক্য গঠন সাবলীল নয় একেবারেই। সায়মন চরিত্রটি নামে রোমান হলেও চিন্তাভাবনা বাঙালিদের মত। এই বিষয়টি খুব চোখে লেগেছে। তখনকার সময়ে যা যা স্বাভাবিক বলে ধরা হতো সেটা সায়মনের কাছেও স্বাভাবিকই হবে। কিন্তু তার কাজকর্ম, চিন্তা চেতনা সেরকম নয়। লেখিকা হয়তো প্রধান চরিত্র বলে তাকে আলাদা করতে চেয়েছেন। সে ক্ষেত্রে বলবো আলাদা করতে পেরেছেন ঠিকই, কিন্তু সেটা ভালো লাগার মতো নয়। সব মিলিয়ে পুরোপুরি হতাশাজনক। আমি ইন্দ্রজাল ২ এটার সাথেই কিনেছিলাম। এই বই পড়ে যে পরিমাণ বিরক্ত হয়েছি তাতে এটার দ্বিতীয় খণ্ড পড়ার কোনও ইচ্ছেই আমার নেই।























