

Buy ছদ্মবেশ Online in Bangladesh
লেখক: সাদাত হোসাইন
- Author: সাদাত হোসাইন
- Publisher: অন্যধারা
- Isbn: 9789849431626
- Number Of Pages: 144
- Language: বাংলা
- Edition: 10th Published, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ভূমিকা মানুষ রহস্যময়তা পছন্দ করে। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই সে সেটা বুঝতে পারে না। জীবনভর সে তার প্রিয়তম মানুষটিকেও পুরােপুরি বুঝে ফেলতে চায়, কিন্তু পুরােপুরি বােঝা হয়ে গেলে তার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। সে আসলে অবচেতনে সবসময়ই অনুদঘাটিত কিছু রহস্য উদঘাটন করতে চায়। যতক্ষণ অবধি সেই রহস্য থাকে, ততক্ষণ অবধি একটা প্রবল আগ্রহ, আকর্ষণ কাজ করে । রহস্য শেষ হয়ে গেলে আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়। অথচ জীবনজুড়েই সে ভাবে, সে রহস্য পছন্দ করে না। মানুষের ভেতরে এই দ্বান্দ্বিক সত্ত্বাটা আছে। মানুষ ভাবে, সে ভয় পেতেও পছন্দ করে না, নৃশংসতা পছন্দ করে না। কথা সত্য না। সে অতি আগ্রহ নিয়ে গা হিম হয়ে আসা হরর সিনেমা দেখে, ভূতের বই পড়ে, সিরিয়াল কিলারের ভায়ােলেন্ট মুভি দেখে, সাহিত্য পড়ে। এ কারণেই শিল্প-সাহিত্যে বৈচিত্র্যময় নানান ঘরানার সৃষ্টি হয়েছে। রহস্যোপন্যাস সাহিত্যের সেরকমই একটি সমৃদ্ধ শাখা। এই শাখাটির প্রতি আমার আগ্রহ একদম শৈশবেই। তবে তা শুধুই পড়ার জন্য, লেখার জন্য নয়। কারণ, এই ঘরানাটিকে আমার খুবই কঠিন এবং একই সাথে গাণিতিক ক্যালকুলেটিভ’ মনে হয়। ফলে এতােদিনে কখনােই রহস্যোপন্যাস লেখার কথা আমি ভাবিনি। তাহলে এই উপন্যাসটি কেন লিখেছি? এই উপন্যাস লেখার কারণটা মজার। বহুবছর আগে এক দৈনিক পত্রিকায় হঠাৎ করেই একটি খুনের ঘটনা পড়েছিলাম। ঘটনাটি খুবই সাধারণ। পুলিশ লাশসহ খুনিকে গ্রেপ্তারও করেছে। কিন্তু তারপরও একটা রহস্য রয়ে গেছে। সেই রহস্যের কোনাে কুল কিনারা করতে পারছে না পুলিশ। বিষয়টা আমার মাথায় গেঁথে গেলাে। কিছুতেই মাথা থেকে তাড়াতে পারছি না। অবচেতনেই ঘুরেফিরে বারবার মাথায় চলে আসতে লাগলাে সেই ঘটনা। এই করতে করতেই আচমকা একদিন একটা গল্পও চলে এলাে মাথায়। সেই গল্প লিখেও ফেললাম। লিখতে গিয়ে হঠাৎই আবিষ্কার করলাম, গল্পের প্রধান চরিত্রটিকে আমি বিশেষ পছন্দ করে ফেলেছি। এই চরিত্রটি নিয়ে আমি ধারাবাহিকভাবে আরাে লিখতে চাই। প্রতিটি বইতে সে একেকটি রহস্যের সমাধান করবে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, রহস্য গল্প লেখা কঠিন। এই কঠিন কাজটি আমি নিয়মিত করতে পারবাে কিনা, সেটি নিয়ে খানিক সংশয়ও আছে। সেই সংশয় নিয়েই আমার প্রথম রহস্যোপন্যাস ছদ্মবেশ। ‘ছদ্মবেশ’ শেষ অবধি রহস্যোপন্যাস হয়ে উঠতে পেরেছে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত পাঠকের।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

এখানে বলার মতো তেমন কিছু নেই। আমি বলেও বুঝাতে পারবো না। যারা ক্রাইম থ্রিলার রহস্য পছন্দ করেন তাদের জন্য এই বইটা। (সাধারণ কেউ হয়তো বুঝতে পারবে তবে একটু ব্যতিক্রম)

The book is useful and helpful.It will enrich the readers of this book. The price however ought to be kept at a marginal profit level so that more readers could provide to purchase this book and get the utility of it. Moreover, the publisher should be more careful in setting and coosing variable atrractive fonts to enhanch it standard. LAST BUT NOT THE LEAT, The service of ROKOMARI.COM is undoubtedly very praiseworthy.
#রকমারি_সাদাত_হোসাইন_বুক_রিভিউ_প্রতিযোগিতা "জীবন কখনো কখনো প্রিয়তম মানুষদের মধ্যেও তুলে দেয় অদ্ভুত অভিমানের অলংঘনীয় দেওয়াল।" ~ "সাদাত হোসেন" ✍️সারকথা ও প্রারম্ভিকা~ ------------------------------------ বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ঔপন্যাসিকদের তালিকায় প্রথম সারিতে সাদাত হোসেনের নাম না রাখার উপায় নেই কারো। কবিতা যেমন দারুন লিখেন, তেমনি লিখেন সামাজিক ও রোমান্টিক ঘরানার উপন্যাস। এগুলো থেকে বেরিয়ে এসে, এবার তিনি প্রথমবারের মতো লিখেছেন রহস্য উপন্যাস "ছদ্মবেশ" ( রেজা সিরিজ)। এই উপন্যাস লেখার পেছনেও রয়েছে এক মজার কাহিনী। রহস্য গল্প লেখা কঠিন। আমি একমত আসলেই কঠিন। তিনি আরোও বলেছেন ~ এই কঠিন কাজটি আমি নিয়মিত করতে পারবাে কিনা, তা নিয়ে খানিক সংশয়ও আছে। সেই সংশয় নিয়েই আমার প্রথম রহস্যোপন্যাস "ছদ্মবেশ।" ‘ছদ্মবেশ’ শেষ অবধি রহস্যোপন্যাস হয়ে উঠতে পেরেছে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত পাঠকের। কি সুন্দর সাবলীল ভাষায় এ উপন্যাসটি রহস্যোপন্যাস হয়ে উঠতে পেরেছে কিনা তার প্রশ্ন তিনি পাঠকদের কাছেই রেখে গেছেন। বইটির প্রথম প্রকাশকাল ১৫ ইং জুলাই ২০১৯। নবম মুদ্রণ সেপ্টেম্বর ২০২৩। ✍️ নামকরণ ও প্রচ্ছদ~ --------------------------------- আমি বই বাছাই করার ক্ষেত্রে সর্বদাই বইটি যে বিষয়ে লেখা, সে বিষয় এবং লেখার প্রতি বেশি গুরুত্ব আরোপ করি। তবে নামকরণটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বইয়ের প্রেক্ষাপটের সাথে সাদৃশ্য রেখে বইটির নামকরণ করা হলে নামকরণ সার্থক হয় বলেই মনে করি। এক্ষেত্রে "ছদ্মবেশ" বইটি ও ব্যতিক্রম ছিল না। সহজেই বলা যায় নামকরণে লেখক স্বার্থক। তেমনি প্রচ্ছদটিও ছিল আকর্ষণীয়। "ছদ্মবেশ" উপন্যাসটির প্রচ্ছদটি কাহিনীর সাথে সামঞ্জস্য রেখেই খাপ খাওয়া। অনেক ক্ষেত্রে একটি বইয়ের নাম এবং প্রচ্ছদ বইটির প্রতি আকর্ষণ তৈরি করতে কার্যকরী হয় পাঠকদের মাঝে। 💙 কাহিনী সংক্ষেপ ~ ------------------------------- অপেক্ষা.......!! লতিফুর রহমানের সারা জীবনের সঞ্চয় তিনতলা এই বাড়িটি। মূলত তার এই স্বপ্নের বাড়ির নামই ছিল অপেক্ষা। যদিও এখনো বাড়িটির অনেক কাজই অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। একদিন এক ভাড়াটে আসলো। লতিফুর রহমান ও বেশ আগ্রহ নিয়ে তিন তলা ঘরগুলো ভাড়াটেকে দেখাতে নিয়ে গেলেন। তখনই ঘটল এক আকস্মিক ঘটনা। ঘরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই বিকট দুর্গন্ধে লতিফুর রহমানের পেট গুলিয়ে উঠল। লতিফুর রহমান হতভম্ব অবস্থা কাটানোর জন্য হাসতে চেষ্টা করে বলে উঠলেন~ ইদুর,বেড়াল কিছু এটা পচে আছে, বুঝলেন ভাই সাহেব? রুমালে নাকমুখ ঢেকে আড়াল করে রাখা নতুন ভাড়াটে তাতে সন্তুষ্ট হলেন কিনা বোঝা গেল না। পুরো ঘর তন্ন তন্ন করেও কোথাও কিছু খুঁজে পাওয়া গেল না। পরিশেষে, মাস্টার বেড রুমের সঙ্গে যে বাথরুমটি তার দরজা খুলতেই সে আচমকা থমকে দাঁড়ালেন। মনে হচ্ছে তার চারপাশের জগৎটা চরকির মতো পাক খেয়ে খেয়ে ঘুরছে। সে এমন কিছু দেখলো যা দেখার জন্য সে মোটেও প্রস্তুত ছিল না। বাথরুমের মেঝেতে কাত হয়ে পড়ে আছে একটা লাশ। লাশটার গলা থেকে মাথাটা প্রায় ছুটে এসে বিভৎসভাবে ঝুলে আছে বুকের ওপর। পচে যাওয়া লাশটার শরীর বেয়ে ভনভন করে উড়ছে মাছি........ আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই 'ছদ্মবেশ' বইটির কাহিনী রচিত। 💙 তাৎপর্য ~ -------------------------- এখন প্রশ্ন হলো খুনি কে ? লতিফুর রহমান সাহেব ? নাকি আড়ালে লুকিয়ে থাকা ছদ্মবেশী কেউ ? কি করেই বা লাশটা বৃদ্ধ লতিফুর রহমানের বাসায় আসলো ? কেনই বা লতিফুর রহমানের দিকে নজর যাচ্ছে বারবার এস. আই রেজার? কিছু একটা রহস্য তো আছেই , নাকি সবই কারো সাজানো পরিকল্পনা? চুন্নু মিয়া বা গোলাম মাওলা'র রাজনৈতিক দ্বন্দই কি এই খুনের কারণ? নাকি আছে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে অন্য কারো হাত? এমনকি খুব কাছের নতুন শহরটিতে ঘটে যাচ্ছে আরো নানান ঘটনা। জনপদ বাড়ছে, অপরাধ বাড়ছে। এস. আই রেজা কি পারবে এই সব পরিস্থিতির সামাল দিতে? এছাড়া আরো বেশ কিছু চরিত্রের সমাগম রয়েছে 'ছদ্মবেশ' বইটিতে। কি বা ছিল তাদের কাজ কি ভূমিকাই বা তারা পালন করেছে? এসব প্রশ্নের উত্তর উন্মোচন করতে হলে অবশ্যই আপনাকে লেখক সাদাত হোসাইনের লেখা “ছদ্মবেশ ” উপন্যাস টা পড়তে হবে । ✍️ চরিত্রায়ণ ~ ----------------------- চরিত্র গুলোকে বিন্দু পরিমাণেও বিশ্লেষণ করতে আমি আগ্রহী নয়। এটা সিক্রেট রাখতে চাই। কেননা যে কোন বইয়ে বা উপন্যাসে চরিত্রগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। রেজা সিরিজের এই বইটিতে বেশ কিছু চরিত্রের সমাগম রয়েছে। লেখক তার নিপুন হাতের দক্ষতা দিয়ে যার যার স্থান থেকে তার চরিত্রকে বেশ ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। বইটিতে রয়েছে~ এস.আই রেজা, লতিফুর রহমান, নাসিমা বেগম, সৈকত, ডালিয়া, চুন্নু মিয়া, গোলাম মাওলা, শরিফুল, মোবাশ্বের, সোহরাব মোল্লা, এনায়েত, আলাউদ্দিন হাজী প্রভৃতি জনের মতো আছে লিখন যাকে নিয়ে এই সিরিজের এতকিছু। 💙পাঠ প্রতিক্রিয়া ~ ----------------------------- এই বইটি নিয়ে অনেকের আলোচনা সমালোচনা দেখেছি। এটাই স্বাভাবিক প্রত্যেকটা জিনিসেরই আলোচনা সমালোচনা থাকবেই। সবার খারাপ লাগা ভাললাগা এক নয়। সব সময়ই এই জিনিসটাতে ভিন্নতা কাজ করে। তাই এখানে আমি সম্পূর্ণই আমার নিজের মতামতটাই বিশ্লেষণ করবো। প্রথম রহস্যোপন্যাস হিসেবে, লেখক বেশ ভালো লিখেছেন। উপন্যাসটা খুব বেশি টানটান উত্তেজনাময় থ্রিলার না হলেও পেজ যতই একটার পর একটা পড়ে যাচ্ছিলাম প্রশ্ন যেন দাড় করানোই ছিল। যাকে রহস্য বললেও কম হবে না। রহস্য উপন্যাস একটু ধীরগতিতে এগিয়ে গেলেই যেন ভালো হয়। সে ক্ষেত্রে লেখক ১৪৪ পেইজের মধ্যে তার লেখন শৈলী দিয়ে বেশ ভালোভাবেই প্রথম চেষ্টাতেই অনেকটা ভালো করেছেন। উপন্যাসটির মধ্যে কোন বাড়তি কথন ছিল না। অযথা কোথাও কোনো সংলাপ বাড়ানো হয়েছে বলে মনে হয়নি। উপন্যাসটিতে আমার পছন্দের অনেক জিনিস ছিলো। যেমন আকাশে মস্ত বড় চাঁদ ওঠার ব্যাপারটা, দক্ষিণ দিকের দেয়াল জুড়ে বিশাল জানালা প্রভৃতি। মূলত দক্ষিণ দিকের প্রতি আমার একটা অন্যরকম ভালোবাসা কাজ করে। আমার থাকার রুমটাও দক্ষিণ দিকে আর একটা বিশাল বড় জানালাও রয়েছে। বইটির মধ্যে সংলাপ গুলো পড়ে ভালো লেগেছে। তবে বেশি ইন্টারেস্টিং সংলাপ ছিল সেগুলো যেখানে রেজার কথোপকথন থাকত। মনে হচ্ছিল যেন আমিই কথা বলছি। বইটা সম্পূর্ণ পড়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত, অনেকগুলো চরিত্র নিয়ে বইটি রচিত হওয়ায় একেক সময় একেক জনকে খুনি মনে হচ্ছিল। এটা কি রহস্য নয়? এছাড়া লতিফুর রহমানের আসল রূপ জানার পর আমি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম। তবে এ গল্পের থেকে আমি কিছু কিছু জিনিস খুব গভীরভাবে ভেবে শিখতেও পেরেছি। যেমন নিজের কাজ নিজে করার মধ্যে একটা অমায়িক আনন্দ থাকে। তবে লতিফুর রহমানের অমায়িক আনন্দ হয়েছিল কিনা সেটা আমার জানা নেই। লোকটার প্রতি প্রথমদিকে আমার খুব মায়া হয়েছিল, শেষের দিকে খুব বেশি রাগ হলেও তার মৃত্যুতে কষ্ট পেয়েছিলাম। কষ্ট পেয়েছিলাম ঠিক তখনও যখন দেখছিলাম, সন্তানকে কত বছর ধরে কাছে না পাওয়ার আকুতি। কি ভীষণ এক যন্তনা। পুলিশ কর্মকর্তা রেজা যিনি এলাকার প্রভাবশালীদের থেকে মাসিক খোরাকিও নেন, আবার দরকার হলে এদের পশ্চাদ্ধাবন ও করতে পারেন। এই ব্যাপারটা বেশ ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে। এখানে পড়ার শুরুর দিকে আমার মাথায় একটা প্রশ্ন ছিল সেই খোরাকি টা কি কারণে নিচ্ছিল সে? কোন কারনে সে কি জানে খুনি কে? নাকি খুনিকে বাঁচাতে? কিন্তু না। ব্যাপারটা সম্পূর্ণই ভিন্ন দেখা মিলে পরিশেষে। যা আমাকে অবাক করেছে। খুনের ঘটনায় ময়নাতদন্ত, ঘটনাস্থল ইত্যাদি নিয়ে আলোকপাত এড়িয়ে লেখক মূলত জোর দিয়েছেন মানবচরিত্রের দিকে। তবে শেষের দিকটা একটু রহস্যে ঢাকা রেখেই শেষ করলে ভালো হতো এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। তবে সে যাইহোক, লেখক রহস্যের অংশটুকুকে আরো একটু রহস্যপূর্ণ করে তুলতে পারলে যেন আরও একটু বেশি ই ভালো হতো। কিন্তু প্রথম উদ্বেগ হিসেবে আমি বলব বেশ ভালোই ছিল। ✍️ লেখনশৈলী ~ ------------------------------ লেখকরা তাদের লেখার যাদু দিয়েই পাঠক সমাজের মন জয় করে নিতে সক্ষম হয়। তেমনি সাদাত হোসেনের লেখনশৈলী সম্পর্কে যতই বলি না কেন কম হয়ে যাবে। আমরা অনেকেই তার লেখার সাথে পরিচিত। তাই বেশি কিছু বলার প্রয়োজন হবে বলে মনে হচ্ছে না। বরাবরই আমি তার লেখা খুব বেশি পছন্দ করি। তার প্রত্যেকটি শব্দচয়ন, সংলাপের ব্যবহার খুব সুন্দর ভাবে করা হয়েছে এই বইটিতে , ভাষাগুলো বেশ সাবলীল ছিল। তাই পড়ার ক্ষেত্রে কষ্টসাধ্য হবে না। আমি বেশ উপভোগ করেই পড়েছি। আগ্রহী যে কেউ খুব সহজেই বইটি পড়ে শেষ করতে পারবে। ✍️প্রোডাকশন কোয়ালিটি~ -------------------------------------- "ছদ্মবেশ" (রেজা সিরিজ) বইটি মূলত প্রকাশিত হয়েছে অন্যধারা প্রকাশনী থেকে। বইয়ের কভারটি মূলত হার্ডকভার এবং হার্ডকভারটির উপরেই মোটামুটি পুরু একটি পেপারে পুনরায় বইয়ের প্রচ্ছদটি প্রদর্শিত হয়েছে। যা আমার কাছে বেশ আকর্ষণীয় লেগেছে। আমরা অনেকেই অনেক জায়গা থেকে বই ক্রয় করি। তারপর দেখা যায় যে হয়তো বইয়ের কালি লেপ্টে আছে, নয়তো লেখা বুঝা যাচ্ছে না বা লেখা অস্পষ্ট, ছাপ উঠে নিয়ে এমন অনেক সমস্যা। কিন্তু এই বইটি পড়ার সময় এমন কোন সমস্যারই মুখোমুখি হতে হয়নি। পৃষ্ঠা, এক লাইন থেকে অন্য লাইনে স্পেস, ফন্ট সাইজ , দাড়ি - কমা সবকিছু ঠিকঠাক মনে হয়েছে। বানান ভুলও তেমন একটা চোখে পড়েনি। আর এর জন্য "অন্যধারা" প্রকাশনীর কাছে কৃতজ্ঞ। তবে হার্ড কভার এবং কাগজের মান আরেকটু উন্নত করা প্রয়োজন বলে মনে করছি। বইয়ের বাঁধন নিয়ে এখনো তেমন একটা সমস্যায় পড়তে হয়নি। তবে বইয়ের বাঁধন শক্তপোক্ত হলে বেশ ভালো হয়। এই বিষয় গুলো প্রত্যেক প্রকাশনীর বই সম্পাদনের সময় একটু লক্ষ রাখা উচিত। ইনশাআল্লাহ, আশা করি "অন্যধারা" প্রকাশনী সামনে আমাদের এইভাবেই ভালো ভালো কাজগুলোই উপহার দিবে। শুভকামনা। ✍️ বই হতে পছন্দের কিছু চরণ ~ ---------------------------------------------- 🔵 অতি সতর্ক হতে গিয়ে মানুষ অনেক অস্বাভাবিক আচরণ করে। 🔵 আঘাতের বিষয় না জানলে শক্ত হওয়াও যায় না। 🔵 মাথা না খাটালে এই শহর অন্যের হয়ে যেতে সময় লাগবে না। 🔵 দুনিয়ার সব বড় শহর হচ্ছে নদীর পাড়ে। নদী মানেই জীবন, সম্ভাবনা। 🔵 ভালোবেসে কাছে এসে সেই দেয়াল ভাঙ্গা হয় না বলে তা ক্রমশই মহাপাচীর হয়ে উঠতে থাকে। একসময় হয়ে ওঠে অলঙ্ঘনীয়। ✍️মতামত ও লেখক এর উদ্দেশ্যে কিছু কথা~ --------------------------------------------------------------- সকলের মতামতের পক্ষেও হতে পারে বিপক্ষে ও হতে পারে আমার মতামত। আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি উপন্যাসটা আমার খারাপ লাগেনি। বইটি আমার ভালো লেগেছে এবং উপভোগও করেছি। আমি লেখককে উৎসাহের সহিত বলতে চাই, এটা ছিল শুরু। ছদ্মবেশের পর "রেজা সিরিজের" পরবর্তী দুইটা বই হচ্ছে শেষ অধ্যায় নেই, সত্যটা মিথ্যা। "সত্যটা মিথ্যা" বইটি ( থ্রিলার ক্যাটাগরিতে) রকমারি বেস্ট সেলার পুরস্কার প্রাপ্ত হয়েছে। ২০১৯ সালের শেষের দিকে অথবা ২০ সালের শুরুর দিকে হবে ঠিক মনে পড়ছে না। তখন থেকেই আমি আপনার লেখার সাথে পরিচিত হই। সেই থেকেই আপনার লেখার প্রতি ভালো লাগা কাজ করা। মাশাআল্লাহ খুব সুন্দর লেখনশৈলী আপনার। এভাবেই আমাদের মাঝে আপনার হাতের জাদু দিয়ে মানসম্মত বইগুলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। "শুভকামনা" ✍️ রেটিং ~ ৩/৫ ---------------- ✍️বই বিত্তান্ত ~ ---------------------- বই ~ "ছদ্মবেশ" ( রেজা সিরিজ) লেখক ~ সাদাত হোসেন প্রকাশক ~ মোঃ মনির হোসেন পিন্টু প্রকাশনী ~ অন্যধারা প্রচ্ছদ ~ সনদ কুমার বিশ্বাস মুদ্রণ ~ একাত্তর প্রিন্টার্স জনরা~ থ্রিলার পেজ ~ ১৪৪ মূল্য ~ ২৫৪ টাকা ( রকমারি ডট কম) রিভিউদাতা ~ নিতু শিকদার আয়াত বি.দ্র~ রিভিউটিতে সম্পূর্ণটাই আমার নিজের ব্যক্তিগত মতামত প্রদান করেছি আমি। ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল।



আমার পড়া বেস্ট থ্রিলার গল্প। সাদাত হোসাইন ভাই thriller ভালোই লেখে। এরকম thriller গল্প বেশী বেশী শুনতে চাই সাদাত হোসাইনের কাছে। Must read ✅✅

অবশেষে আমিও বইটি পড়া শেষ করলাম। অনেকগুলো চরিত্রের মধ্যে আমার ৩ টা চরিত্রকে প্রধান মনে হয়েছে যারা হলো লতিফুর রহমান, রেজা ও লিখন। সব মিলিয়ে গল্পটি ভালোই ছিল তবে আমার মনে হয়েছে যে শেষের দিকে একবারে সব ইনফরমেশনগুলো না দিয়ে আস্তে আস্তে প্রকাশ করলে আরো ইন্টারেস্টিং হতো গল্পের কাহিনি।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
পেইজ সংখ্যা?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৪৪। ধন্যবাদ।
Ei sirijer koyta boi ase??
প্রিয় গ্রাহক, এই সিরিজের ৩টি বই। এটি প্রথম।
এটা কি কোন সিরিজের অংশ??
প্রিয় গ্রাহক, জি, রেজা সিরিজের প্রথম বই এটি।
paper or hard 📔
Dear customer, Yes, this book is hardcover. Thanks for your question.























