

Buy শূন্য Online in Bangladesh
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
- Author: হুমায়ূন আহমেদ
- Publisher: সময় প্রকাশন
- Isbn: 9844580838
- Number Of Pages: 64
- Language: বাংলা
- Edition: 10th, 2010
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ভূমিকা আমাদের চারপাশের চেনা জগৎ এবং চারপাশের বাইরে অচেনা জগৎ নিয়ে আমার নিজের কিছু চিন্তা-ভাবনা আছে। মাঝে মাঝে আমার অনিন্দ্রা রোগ হয়। বাসার সবাই ঘুমিয়ে থাকে আমি বারান্দায় বসে সিগারেটের পর সিগারেট টেনে হার্ট, ফুসফুসের যত রকম ক্ষতি করা সম্ভব ক্ষতি করতে থাকি। আর তখন অদ্ভুত সব চিন্তা-ভাবনা আসতে থাকে। মনে হতে থাকে- আমাদের এই শরীরের ভেতর আছে আরেকটি শরীর, আমাদের এই জগতের ভেতরে আছে আরেকটি জগৎ। সেই জগৎ সম্পর্কে লিখলে কেমন হয়? শূন্য নামের বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখার এই হল ‘শানে নজুল।’ শূন্য বইটিতে যুক্তির চেয়ে কল্পনাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখার সময় লেখককে সচেতনভাবে কল্পনা পরিহার করে যুক্তিতে থাকার চেষ্টা করতে হয়। আমি কখনো তা পারি না। আমি শ্রদ্ধা করি- যুক্তি, কিন্তু ভালবাসি-কল্পনা। আর এটা তো জাগতিক সত্য ভালবাসার এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে ভালবাসাই জয়ী হয়। আমার এই কল্পকাহিনী যদি পাঠক-পাঠিকাদের কিছুটা হলেও দ্বিতীয় জগৎ সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে তাহলেই আমার অনিদ্র রোগে রাত জাগা সফল হবে। জয় হোক অনিদ্রার। হুমায়ূন আহমেদ এলিফেন্ট রোড ২২-০২-৯৪ সারাংশ এই সায়েন্স ফিকশনের মূল চরিত্র হল মনসুর সাহেব। তিনি একজন স্কুল-শিক্ষক। তার পরিবার-পরিজন বলতে তেমন কেউ নেই। একা একা থাকেন। আর দিন-রাত গণিতের বিভিন্ন জটিল জটিল সমস্যা নিয়ে ভাবেন। এক রাতে তিনি ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে বাড়ি ফেরার সময় বজ্রাহত হন। তারপর থেকে তার মধ্যে বিভিন্ন অপ্রকৃতস্থতা লক্ষ্য করা যায়। তিনি একজনকে সব সময় তার সাথে দেখতে পান, যে কি না নিজেকে শূন্য জগতের বাসিন্দা বলে দাবি করে। সে যুবক আরও দাবি করে যে সে মনসুর সাহেবকে সাহায্য করার জন্যে এসেছে। এরপর থেকে লেখক গল্পে বিরাট মায়াজাল সৃষ্টি করেছেন। এই শূন্য জগত থেকে আসা যুবক যাকে মনসুর সাহেব তার প্রিয় রাশিমালার নামে ফিবোনাক্কি বলে ডাকেন, তার কি আসলেই বাস্তব জগতে কোন অস্তিত্ব আছে না কি সে শুধুই মনসুর সাহেবের কল্পনা? এই প্রশ্নের উত্তর গল্পের শেষে পাওয়া যায়। এদিকে দেখা যায় মনসুর সাহেব ফিবোনাক্কি রাশি ব্যবহার করে এক জটিল গাণিতিক রহস্য সমাধানের প্রায় দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছেন। যেই সমস্যা মনসুর সাহেবের দাদা এবং বাবাও সমাধান করার চেষ্টা করেছিল। অর্থাৎ তারা তিন পুরুষ ধরে এই কাজটি করছেন। কিন্তু মনসুর সাহেবের কোন উত্তরাধিকার না থাকায় তাকে এই সমস্যাটা সমাধান করতেই হবে। এদিকে তার শরীরও ক্রমশই খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তার সময় শেষ হয়ে আসছে। তিনি কি পারবেন এই সমস্যার সমাধান করতে? মনুষ্য জাতি কি সক্ষম হবে এমন এক রহস্যের সমাধান বের করতে যা তাদেরকে শূন্য মাত্রার জগতে প্রবেশ করতে সহায়তা করবে? ‘শূন্য’ বইটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এখানে গল্পের কাহিনী বিজ্ঞানের খুব কাছাকাছি থেকে তৈরি করা হয়েছে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

বই : ৬৭ বইয়ের নাম : শূন্য লেখক : হুমায়ূন আহমেদ বইয়ের ধরন : বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮–২০১২) বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং অধ্যাপক হিসেবে তিনি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন। তার লেখালেখির যাত্রা শুরু হয় ১৯৭২ সালে প্রথম উপন্যাস “নন্দিত নরকে” প্রকাশের মাধ্যমে। সহজ, সাবলীল ভাষায় মানবমনের জটিলতা তুলে ধরতে তিনি ছিলেন অনবদ্য। তার বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, আত্মজীবনী, নাটক ও চলচ্চিত্র বাংলা সাহিত্যে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। তিনি হিমু, মিসির আলি, শুভ্রর মতো কালজয়ী চরিত্রের স্রষ্টা। সাহিত্যে অবদানের জন্য পেয়েছেন একুশে পদকসহ বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা। হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন পাঠকপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা এক সাহিত্যিক, যিনি বাংলা ভাষার পাঠকদের মনে চিরস্থায়ী আসন গড়ে নিয়েছেন। শূন্য হুমায়ূন আহমেদ রচিত "শূন্য" একটি ব্যতিক্রমী বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী। অন্যান্য বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী যেখানে সাধারণত যুক্তি ও বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে রচিত হয়, সেখানে "শূন্য"-তে লেখক কল্পনার জগতকে প্রাধান্য দিয়েছেন। বইটির শুরুতেই হুমায়ূন আহমেদ স্পষ্ট করে বলেছেন যে এটি যুক্তির চেয়ে কল্পনার উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া একটি কাজ। "শূন্য" বইটির প্রধান চরিত্র মনসুর সাহেব, একজন স্কুল শিক্ষক। তিনি তার নিঃসঙ্গ জীবনে একটি জটিল গাণিতিক রহস্য সমাধানের চেষ্টায় মগ্ন। এই রহস্য তার দাদা এবং বাবার অসমাপ্ত কাজ। হঠাৎ একদিন, মনসুর সাহেবের জীবনে এক অদ্ভুত যুবকের আবির্ভাব ঘটে, যে নিজেকে "শূন্য জগৎ"-এর বাসিন্দা বলে দাবি করে এবং মনসুর সাহেবকে তার গবেষণায় সাহায্য করতে এসেছে। এই যুবক, যার নাম মনসুর সাহেব ফিবোনাক্কি রাখেন, কেবল মনসুর সাহেবই দেখতে পান। এরপর থেকেই গল্পে এক রহস্যময় ও কল্পনাবিলাসী মোড় নেয়। বইটিতে মনসুর সাহেবের গাণিতিক রহস্য সমাধানের প্রচেষ্টা এবং ফিবোনাক্কির সাথে তার কথোপকথন ও কার্যকলাপের মাধ্যমে একটি দ্বিতীয় জগতের ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। লেখক যুক্তি ও বিজ্ঞানের ধরাবাঁধা নিয়ম ভেঙে পাঠককে এক ভিন্ন, কল্পনার জগতে নিয়ে যান। কল্পনার প্রাধান্য - শূন্য বইটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো লেখকের অসীম কল্পনাশক্তি। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখার গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে হুমায়ূন আহমেদ একটি সম্পূর্ণ নতুন জগৎ সৃষ্টি করেছেন, যেখানে যুক্তি নয়, বরং কল্পনাই প্রধান চালিকাশক্তি। রহস্যময়তা - গল্পের শুরু থেকেই এক ধরনের রহস্য বজায় থাকে। ফিবোনাক্কির পরিচয়, শূন্য জগতের ধারণা এবং মনসুর সাহেবের গাণিতিক রহস্য—এই সবকিছু মিলেমিশে একটি কৌতূহলপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করে। "শূন্য" হুমায়ূন আহমেদের একটি ব্যতিক্রমী সৃষ্টি। যারা গতানুগতিক বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পকাহিনীর বাইরে অন্য কিছু পড়তে চান এবং লেখকের অসীম কল্পনাশক্তিকে উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য এই বইটি একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা হতে পারে। এটি যুক্তি বা বিজ্ঞানের বই নয়, বরং এক স্বপ্নিল জগতে হারিয়ে যাওয়ার আমন্ত্রণ। হুমায়ূন আহমেদ নিজেই বলেছেন, এই কল্পকাহিনী যদি পাঠককে দ্বিতীয় জগৎ সম্পর্কে সামান্যতম ধারণা দিতে পারে, তবেই তার অনিদ্রার রাতের জাগরণ সার্থক হবে। সর্বশেষ দেখানো হয় ফিবোনাক্কি মনসুর সাহেবকে সাহায্য করতে আসছে বললেও সে আসলে চায় না মনসুর সাহেব তার অংকের সমাধান করে শূন্য জগৎ সম্পর্কে জানুক,এই বিষয়টি গল্পের মোড় ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে দেয়। আমি মনে করি আপনি যদি কল্পকাহিনী প্রেমি হয়ে থাকেন অবশ্যই বইটি পড়ে দেখতে পারেন।বইটি রকমারি থেকে ১৫৫ টাকা দিয়ে কেনা এবং পৃষ্ঠা সংখ্যা মাএ ৭২। আমার পারসোনাল 🌟 রেটিং: ★★★ (3/5)





⭐ রেটিং: ৪.৫/৫ "শূন্য" শুধু একটি সায়েন্স ফিকশন নয়, বরং এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তির সম্ভাবনা ও মানুষের আবেগ নিয়ে গভীর ভাবনার জন্ম দেয়। যারা বিজ্ঞান কল্পকাহিনি পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি অবশ্যই একটি দারুণ বই!
বইটি আমার ভালোই লেগেছে, হুমায়ুন আহমেদ এর লেখা খারাপ বলার সাদ্য আমার নেই। বইটি একটু complicated but overall ভালো।
বইটা সময়ের আগেই ডেলিভারি পেয়েছি। ডেলিভারি সার্ভিস অনেক ভালো ছিল। ধন্যবাদ রকমারি।😊👍 বইটা পড়ার পর রিভিউ দিচ্ছি এক কথার ফালতু বই 😡🙄

হুমায়ুন আহমেদের শূন্য বইটি একটি অত্যন্ত অসাধারণ একটি বই। এই বইয়ে গল্পের মুল চরিত্র মনসুর সাহেবের মাধ্যমে বলা হয়েছে শূন্যের রহস্যের এক কল্পকাহিনী। গল্পটি না পরলে বুঝতে পারবেন না কি মিস হচ্ছে। ধন্যবাদ হুমায়ুন আহমেদ স্যারকে এবং ধন্যবাদ রকমারিকে এতো সুন্দর একটি বই উপহার দেওয়ার জন্য
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
how many pages are there?
64 pages
hard cover naki....???
জি, বইটি হার্ডকভার।
এ-ই বইটি এখন আপনাদের স্টকে আছে??
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি স্টকে এভেইলেবল। স্টক আউট হওয়ার আগেই অর্ডার করুন। ধন্যবাদ।
শূন্য এবং গ্লিনা ২ টা বই একসাথে নিতে পারব??
প্রিয় গ্রাহক, অবশ্যই একসাথে নিতে পারবেন। দুটি বই এড টু কার্ড করে তারপর অর্ডার করবেন। ধন্যবাদ।






















