

Buy অন্য জগৎ Online in Bangladesh
লেখক: খোন্দকার মেহেদী হাসান
- Author: খোন্দকার মেহেদী হাসান
- Publisher: অবসর প্রকাশনা সংস্থা
- Isbn: 9789848801512
- Number Of Pages: 96
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখাভালোবাসার মানুষের মৃত্যুতে আরিয়ান দিশেহারা হয়ে গেল। শোক সহ্য করতে না পেরে সে যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছে পৃথিবীই ছেড়ে যাওয়ার তখন বিজ্ঞানী শিহাব উদ্দিন জানালেন অন্য ইউনিভার্স কানেক্ট করার যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন তিনি।সেখানে হুবহু আমাদের মতোই একই পরিচয়ের মানুষ আছে। এমন হতে পারে সেখানে মারা যায়নি তার ভালোবাসার মানুষ আনিলা। আরিয়ান চাইলে প্যারালাল ইউনিভার্সে গিয়ে খুঁজে দেখতে পারে আনিলাকে। নতুন আশার আলো দেখতে পেয়ে বিজ্ঞানীর যন্ত্রে চেপে অন্য জগতে হাজির হলো আরিয়ান। সেখানে সে পেয়েও গেল আনিলাকে, হুবহু তারই আনিলা। আরিয়ান সেই আনিলাকে তার জগতে নিয়ে আসার চেষ্টা করতে লাগল। কিন্তু সেই জগতে কিছু জিনিস তার জগতের মতো না। ছোট কিছু ঘটনার বাটারফ্ল্যাই ইফেক্টে সেখানে বদল হয়ে গেছে বড় কিছু জিনিসের।সেই জগতে তৈরি হয়েছে মহা ক্ষমতাধর কোম্পানী ওয়াই আর আছে আরাকটা আরিয়ান, তারই মতো। এইসব বাঁধা টপকে আরিয়ান কি অন্য ইউনিভার্স থেকে নিয়ে আসতে পারবে আনিলাকে তার ইউনিভার্সে? কি রহস্য অপেক্ষা করছে সেখানে
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

খন্দকার মেহেদী হাসানের লিখা অন্য জগত বইটি আসলে অসাধারণ
সম্পুর্ণ বাজে বই। এর চেয়ে ভালো বই কোনো ক্লাস ৫ এ পড়ুয়া বাচ্চাও লিখতে পারবে

কনসেপ্ট অসাধারণ। তবে লেখক গল্পের গভীরতা গড়ে উঠাতে গিয়ে বারবার খেই হারিয়ে ফেলেছে। মাঝেমাঝে এমন কিছু লাইন ছিল যা কাঁচা হাতের লেখা মনে হচ্ছিলো। আরিয়ান এবং আনিলার মধ্যকার বিষয়গুলো অনেক ভালো লেগেছে। এই জায়গাগুলো আরেকটু স্লো করে, আরও হৃদয়বিদারক ভাবে আরিয়ানের দিক থেকে প্রকাশ করা যেত। এন্ডিংটাও তড়িঘড়ি করে শেষ করা হয়েছে মনে হলো।

#অনেস্ট_রিভিউ বই: #অন্য_জগৎ ধরণ: সাই-ফাই থ্রিলার লেখক: খোন্দকার মেহেদী হাসান #অবসর থেকে প্রকাশিত গত বছর, খোন্দকার মেহেদী হাসানের লেখা সায়েন্স ফিকশন "টাইম লুপ" খুবই ভালো লেগেছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় এই বইটা কেনা। বিরতি দিয়ে "অন্য জগৎ" দুই দিনে শেষ করলাম। #গল্পের_প্লট: গল্পের মূল চরিত্র আরিয়ান। সে ইউনিভার্সিটির প্রফেসর। আরিয়ানের ওয়াইফ আনিলা। গল্পের শুরুতে আনিলা এক্সিডেন্টে মারা যায়। এতে আরিয়ান অনেক ভেঙে পড়ে। একসময় আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। তখন আরেক প্রফেসর শিহাব উদ্দিন, আরিয়ানকে প্যারালাল ইউনিভার্সে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। সাথে সাথেই আরিয়ান রাজি হয়ে যায়! উদ্দেশ্য প্যারালাল ইউনিভার্সে থাকা আনিলাকে, তার নিজের জগতে নিয়ে আসা। এভাবে কাহিনী এগিয়ে যেতে থাকে... #সমালোচনা: গল্পে বেশ কিছু লজিক্যাল ভুল সহজেই ধরতে পারা যায়! এখানে তিনটা সমস্যার কথা তুলে ধরলাম। প্রথম সমস্যা: (৫০ পৃষ্ঠা) এখানে অন্য ইউনিভার্সে ভ্রমণ করার যন্ত্র বা যাওয়া-আসাকে একেবারে ছেলেখেলার মতো করে তুলে ধরা হয়েছে। আবার, অন্য ইউনিভার্সের ভিতরে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টেলিপোর্টেশনের পদ্ধতি বা যন্ত্র এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন সেগুলো নেহায়েত খেলনার মতো। যেমন- কোনো একটা গ্যারেজে ঢুকে সুইচ বোর্ডে টেলিপোর্টেশন যন্ত্রের লাইন লাগালেন, সুইচ দিলেন, আর টেলিপোর্ট হয়ে গেলো। দ্বিতীয় সমস্যা: (৩৭ পৃষ্ঠা) ভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সির দুইটা ইউনিভার্স। অথচ, দুইটা আলাদা ইউনিভার্সের আনিলার মোবাইল নম্বার একই, সিম একই! অথচ, এদিকে আরিয়ানের মোবাইলের সিম নেটওয়ার্ক পায় না! তৃতীয় সমস্যা: (২১ পৃষ্ঠা বনাম ৯৩-৯৪ পৃষ্ঠা) ২১ পৃষ্ঠার ১৮ নং লাইনে উল্লেখ আছে, "অল্প সময়ের জন্য দুইটা ইউনিভার্সকে কানেক্ট করে দেবে।" কিন্তু ৯৩ থেকে ৯৪ পৃষ্ঠার বর্ণনায় সময়টা আর অল্প থাকে না, অনেক্ষণ হয়ে যায়। #ফলাফল: গল্পটাকে সব মিলিয়ে ভালোই বলা যায়, উপভোগ্য। লেখকের উপস্থাপনা যথেষ্ট মননশীল। আমার মনে হচ্ছে, গল্পে লেখক মূল চরিত্রটিকে পজিটিভ থেকে শেষমেশ নেগেটিভ হিসেবেই উপস্থাপন করেছেন। আরিয়ান চরিত্রটি একজন ইউনিভার্সিটির প্রফেসর, অথচ তিনি ইউনিভার্সিটির কোন ক্লাস নেন না। তিনি শুধু তার কন্টাক লেন্সটা দিয়ে আনিলাকে দেখে, যখনই সুযোগ পায় তখন কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করে দূর থেকে আনিলাকে অবজার্ভ করে। তার অন্য কোন কাজ নেই! এছাড়া, মূল চরিত্রদের (আরিয়ান এবং আনিলা) ন্যাকামো টাইপের কথোপকথন অনেক বোরিং লেগেছে। গল্পের শেষের দিকে আরিয়ান চরিত্রটিকে আরো বেশি নেগেটিভ করে দেখিয়েছেন লেখক, যার ফলে গল্পের এন্ডিং-টা ভালো লাগেনি। আর, বইটা মোটেও সাই-ফাই থ্রিলার নয়। এটাকে সাই-ফাই ফ্যান্টাসি বলা যায়। #রেটিং: ৬/১০ #শেষ_কথা লেখককে অনেক ধন্যবাদ তার পরবর্তী প্রকাশিতব্য বই পড়তে উৎসাহিত না করার জন্য। তবে, লেখককের "টাইম লুপ" সায়েন্স ফিকশন অনেক ভালো। টাইম লুপ গল্পে একবার ঢুকে পড়লে শেষ না হওয়া অব্দি আপনার মনোযোগ ধরে রাখবে। "টাইম লুপ" সায়েন্স ফিকশন বইটা অবশ্যই পড়তে পারেন। আরও কিছু তথ্য: প্রচ্ছদ: জুলিয়ান পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৬ প্রকাশিত হয়েছে: ২০২৪ (তৃতীয় মুদ্রণ)

মোটামুটি ভালো
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
পেজ সংখ্যা কত?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির মোট ৯৬ পৃষ্ঠা, ধন্যবাদ।
eta ki paperback nki hardcover?
প্রিয় গ্রাহক, বইটি হার্ডকভার। ধন্যবাদ।
hard cover?
Dear customer, Yes, this book is hardcover. Thanks for your question.
পেজ সংখ্যা কত?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির মোট ৯৬ পৃষ্ঠা, ধন্যবাদ।






















