

Buy সায়েন্স ফিকশন : পিঁপড়ে Online in Bangladesh
লেখক: অনিরুদ্ধ আলম
- Author: অনিরুদ্ধ আলম
- Publisher: আরো প্রকাশন
- Isbn: 9847280185
- Number Of Pages: 70
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
গল্পের শুরু হয় একজন লেখককে দিয়ে। "দি নেচার" পত্রিকায় পিঁপড়ে নিয়ে একটি গল্প জমা দিবেন কিন্তু লেখা আগাচ্ছে না। দুই সাপ্তার ডেডলাইন প্রায় শেষ হয়ে আসছে। এমনই এক দিনে টিলার ধারে রিঙ্গো নামের এক নদীর পাড়ে বসে লেখাটা আগানোর চেষ্টা করছিলেন লেখক। হাবিজাবি ভাবতে ভাবতে খেয়াল করলেন একটা লোক কিছু বিড়বিড় করতে করতে টিলার ওপার থেকে নেমে আসছে। যদিও লেখক আগেই দেখেছেন রহস্যময় লোকটাকে তবে কখনোই কথা হয়নি। আলাপ করতে এগিয়ে গেলেন লেখক এরান। যদিও লোকটার কথা বলতে মোটেও ইচ্ছা ছিলোনা। তবুও এরান কথার ছলে বললেন তিনি পিঁপড়ে নিয়ে একটা গল্প লেখার চেষ্টা করছেন কিন্তু হয়ে উঠছেনা। "- আপনার পিঁপড়ে নিয়ে লেখার কোনো অধিকার নেই!" উত্তর শুনে চমকে উঠেন এরান। কয়েকদিন পর লোক মারফত একটি চিঠি আসে লেখকের কাছে। প্রেরক সেই রহস্যময় লোকটা। চিঠিতে লোকটার নাম লেখা জাদেন। চিঠি পড়ে লেখক জানতে পারেন পিঁপড়ে নিয়ে জাদেনের একটি রোমাঞ্চকর গল্প আছে যা সত্যিই তার সাথে ঘটেছিলো। চাইলে লেখক সেটি নিজের গল্প হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। কি ছিলো সেই জাদেনের সেই গল্পে? মূলত এটাই গল্পের বিষয়বস্তু। বেশ ইন্টারেস্টিং একটা গল্প। নরমালি সায়েন্স-ফিকশনে আমরা ভিনগ্রহের প্রাণী, এইসেই নাম না জানা গ্রহে মানুষের আবাস গড়া, রোবটের উত্থান ইত্যাদি পড়ে অভ্যাস। সেই হিসাবে এই গল্পটি একদমই অন্যরকম। পিঁপড়ে নিয়ে সায়েন্স ফিকশন লেখা যায় কে ভেবেছিলো! লেখক পিঁপড়ে নিয়ে অনেক ইনফরমেশন দিয়েছেন। যা গল্পের বিষয়বস্তুকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে অনেকাংশে। বুঝাই যাচ্ছিলো লেখক বেশ পড়াশুনা করছেন পিঁপড়ে নিয়ে। একটি বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়কালে বর্ণিত হয়েছে গল্পটি। যেখানে স্থান-কাল সবই কাল্পনিক মনে হয়েছে। যদিও লেখক কোনো সালের উল্লেখ করেননি তবুও ভবিষ্যতের কোনো সময়কালের কথাই বলা হয়েছে সম্ভবত। অথবা বর্তমান সময়েই কাল্পনিক স্থান এবং ঘটনা নিয়ে গল্পের বিষয়বস্তু সাজানো হয়েছে। লেখক ভূমিকাতে বলেছেন ছোটগল্পকে বড় করে উপন্যাসে পরিণত করেছেন। তবে আমার কাছে এটাকে মোটেই উপন্যাস মনে হয়নি। বড়জোর বড়গল্প হতে পারে। লেখক অনেক প্রশ্ন রেখে গেছেন। যেগুলোর উত্তর ইজিলি দেয়া যেতো। তাতে ৬৯ পেজের বই বেশী হলে একশো পেইজ হতো। কিন্তু গল্পটি পূর্ণতা পেতো। আফসোস বলতে এটিই। বাকিসব পাঁচে পাঁচ। গতানুগতিক ধারায় বাইরে কিছু পড়তে চাইলে এই বইটি নিয়ে বসতে পারেন। এক-দেড় ঘন্টা বেশ ভালোমতো কেটে যাবে। হ্যাপী রিডিং
রক্ত হিম করা, গা ছমছম করা সত্যি ভূতের ভয়ের গল্পগুলো নিয়েই এবারের আয়োজন। ইট, পাঠ, পাথরের জীবনে বৈচিত্র্য নিয়ে আসতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে এ বইয়ের গল্পগুলো তাতে সন্দেহ নেই কোন। প্রতিবছরই শ্রোতাদের পাঠানো দারুণ সব গল্প নিয়ে বই প্রকাশের আমাদের এই উদ্যোগটি অব্যাহত থাকবে। । সামনের পথ চলার সময়গুলোতেও তাদের আমরা পাশে পাবো বলে আশা করি। বইএর গল্প গুলো কে কল্পবিজ্ঞান, ভৌতিক, আর সামাজিক এই তিন ভাগে ভাগ করতে গিয়েও পারলাম না। পড়তে গিয়ে সব বিভাগগুলো যেন মিলেমিশে গেলো। হয়ে গেলো একাকার। কল্পবিজ্ঞানের গল্পে আছে তীব্র মানবিক সত্বা। সামাজিক মূল্য বোধ। কখনো বা রোমাঞ্চ। শেষে একটা কথা বলার আছে যারা ভূত – প্রেত ভালোবাসেন অথবা সায়েন্স ফিকশান তারা অবশ্যই বইটি একবার পড়ে দেখবেন। লেখকের কাছ থেকে আর ও এরকম কিছু বা এর চেয়েও ভালো কিছু পাবো সবাই আশা রাখছি। বইটি হাতে নিয়ে পাঠক কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যাবে তার ছেলেবেলায়। কখনো কল্পনায় মেতে উঠবে শৈশবের দূরন্তপনায়। কখনো বা লেখকের রসবোধ সম্পন্ন লাইনগুলো পড়ে হো হো করে হেসে উঠবে। কখনো চোখের কোনে জল ছলছল করে উঠবে। শব্দশৈলী আর ভাষার ব্যবহার দেখে হবে মুগ্ধ। প্রভাষ আমিন। যার প্রতিটি লেখা, প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি অক্ষর আমাকে উজ্জীবিত করে। একেশটি ফেসবুক স্ট্যাটাস পড়ি আর মনের ভেতর ঘর্ষণ অনুভব করি। কখনো হৃদয় ছোঁয়া বর্ণনায় কুকড়ে উঠি, কখনো বা হাসিতে ফেটে পড়ি, কখনো জানতে পারি নানা অজানা তথ্য।






















