

Buy দূরবীন Online in Bangladesh
লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
- Author: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
- Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
- Isbn: 9788170664369
- Number Of Pages: 616
- Language: বাংলা
- Edition: 18th Printed, 2015
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
‘দূরবীন’ বইয়ের ফ্ল্যাপের কথা: সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকায় দু-বছরেরও বেশি কাল ধরে ধারাবাহিকভাবে বেরিয়েছিল ‘দূরবীন, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের জোরালো, সংবেদনশীল কলমে অন্যতম মহৎ সৃষ্টি। চলমান শতাব্দীর দুইয়ের দশকের শেষ ভাগ থেকে শুরু করে আটের দশক পর্যন্ত বিস্তৃত সময়ের প্ৰেক্ষাপটে সামাজিক জীবনের যাবতীয় পরিবর্তনকে এক আশ্চর্য কৌতুহলকর বিশাল কাহিনীর মধ্য দিয়ে ধরে রাখার প্রয়াসেরই অভিনন্দিত ফলশ্রুতি ‘দূরবীন উপন্যাস। তিন প্রজন্মের এই কাহিনীতে প্রথম প্রজন্মের প্রতিভূ জমিদার হেমকান্ত। এ-উপন্যাসের সূচনায় দেখা যায়, হেমকান্তের হাত থেকে কুয়োর বালতি জলে পড়ে গেছে, আর এই আপাততুচ্ছ ঘটনায় হেমকান্ত আক্রান্ত হচ্ছেন মৃত্যুচিন্তায়। বিপত্নীক হেমকান্ত ও রঙ্গময়ী নামের প্রবল ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এক পুরোহিত্যকন্যার, গোপন প্রণয়কাহিনী ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য পারিবারিক কাহিনী নিয়ে এ-উপন্যাসের প্রথম পর্যায়। দ্বিতীয় প্রজন্মের নায়ক কৃষ্ণকান্ত। দেবোপম রূপ ও কঠোর চরিত্রবল বালক কৃষ্ণকান্তকে দাঁড় করিয়েছে পিতা হেমকাস্তের বিপরীত মেরুতে। স্বদেশী আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ কৃষ্ণকাস্তের ব্ৰহ্মচর্য-গ্রহণ ও দেশভাগের পর তাঁর আমূল পরিবর্তন-এই নিয়ে এ-উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্য়ায়ের কাহিনী। তৃতীয় ও শেষ প্রজন্মের নায়ক ধ্রুব, বিশ শতকের উপান্তপর্বে এক দিগভ্ৰষ্ট, উদ্ধত বিদ্রোহী যুবা। ধ্রুবর স্ত্রী রেমি, যার সঙ্গে এক অদ্ভুত সম্পর্ক তার। কখনও ভালবাসা, কখনও উপেক্ষা, কখনও-বা প্রবল বিরাগ। অথচ রেমির ভালোবাসা শাত-আঘাতেও অবিচল। একদিকে রেমির সঙ্গে সম্পর্ক অন্যদিকে পিতা কৃষ্ণকাস্তের মধ্যে সেই ব্ৰহ্মচারী ও স্বদেশের জন্য উৎসর্গীকৃত প্রাণসত্তাটিকে খুঁজে না-পাওয়ার ব্যর্থতায় ক্ষতবিক্ষত ধ্রুবর আশ্চর্য কাহিনী নিয়েই শেষ পর্ব। শুধু তিন প্রজন্মের তিন নায়কের ব্যক্তিগত কাহিনীর জন্যই নয়, এ-উপন্যাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আরও বহু বিচিত্র ও কৌতুহলকর শাখা-কাহিনী, এবং এর চালচিত্রে স্বদেশী আন্দোলন, দেশভাগ ও স্বাধীনতা পরবর্তী উত্তাল দিনরাত্রির এক তাৎপর্যময় উপস্থাপনার জন্যও ‘দূরবীন’ চিহ্নিত হবে অবিস্মরণীয় সৃষ্টিরূপে। শুধুদূরকেই কাছে আনে না, উল্টো করে ধরলে কাছের জিনিসও দূরে দেখায় দূরবীন। ‘দূরবীন’ উপন্যাসের নামকরণে যেমন সূক্ষ্মতা, রচনারীতিতেও তেমনই অভিনবত্ব এনেছেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। দ্বিস্তর এই উপন্যাসে সেকাল ও একাল, অতীত ও বর্তমান এক অনন্য কৌশলে একাকার।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
অসাধারণ। ছয়দিন সময় লাগলো । 7.5/10 দিব

দূরবীন শুধু দূরকেই কাছে টেনে আনে না, উল্টো করে ধরলে কাছের বস্তুকেও দূরে সরিয়ে দেয়। তিন প্রজন্মের গল্পে যেনো বৈপরীত্যই সুনিপুণভাবে গড়ে উঠেছে। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর সুদীর্ঘ উপন্যাস "দূরবীন" বৈচিত্রতায় পূর্ণ মানবিক সম্পর্কের এক অনন্য সুন্দর আখ্যান। তিন প্রজন্মের এই গল্পের এক প্রান্তে দাড়িয়ে জমিদার হেমকান্ত, আর অন্যপ্রান্তে দাড়িয়ে তারই নাতি ধ্রুব৷ আর মাঝখানে আখ্যায়িত হয়েছে হেমকান্ত'র পুত্র এবং ধ্রুব'র পিতা কৃষ্ণকান্তের গল্প। দুইদিকে দুইজনের দৃষ্টিতে কৃষ্ণকান্তের সুদীর্ঘ জীবনের এক অনন্য মধুর বিশ্লেষনই যেনো এই উপন্যাসের মূল সূর৷ এই তিন প্রজন্মের মধ্যে "দূরবীন" গড়ে তুলেছে এক গভীর সেতুবন্ধন। শান্ত প্রকৃতি আর ভাবুক স্বভাবের কিন্তু অসাধারন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষ জমিদার হেমকান্ত৷ গল্পের প্রথম ভাগ বলে যায় হেমকান্তের কথা৷ জমিদার হেমকান্ত আর পুরোহিত কণ্যা অথচ প্রবল ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মহিলা রঙ্গময়ীর এক অন্য রকম প্রনয়ের গল্প ফুটিয়ে তুলেছে প্রাপ্তি, কাম, হিসাব-নিকাশের উর্ধ্বে এক গভীর ভালোবাসার জয়গান৷ দূর্বল মানসিকতার হেমকান্তের শক্তিই যেনো নিহিত থাকে রঙ্গময়ীর মাঝে। দ্বিতীয় প্রজন্মে আমরা দেখতে পাই হেমকান্তের পুত্র কৃষ্ণকান্তকে৷ যে অল্প বয়সেই তার নিষ্ঠা, একাগ্রচিত্ততা, মূল্যবোধ আর সাহসীকতার সংমিশ্রনে হয়ে উঠে এক দেব শিশুর সমতূল্য আদর্শবাদী এক বালক৷ ব্রক্ষাচার্য গ্রহন আর স্বদেশী আন্দোলনের প্রতি প্রীতি তাকে এগিয়ে নিয়ে যায় এক বৃহত্তর জীবনের পানে৷ দেশভাগের পূর্বের নিষ্ঠাবান স্বদেশী কৃষ্ণকান্ত দেশভাগের পর হয়ে উঠে তুখোর এবং প্রচুর ক্ষমতাসম্পন্ন রাজনীতিবিদ। আর গল্পের শেষ প্রজন্মে দাড়িয়ে ধ্রুব দেখতে পায় তার আর তার স্ত্রী রেমির মাঝে বিদ্যমান অদ্ভুত এক সম্পর্ককে৷ ভালোবাসা, অবজ্ঞা, অপরিনামদর্শীতা, অবহেলা আর মায়ার সংমিশ্রনে গড়ে উঠা এক অদ্ভুত সম্পর্ক। অন্যদিকে এই অংশে রুপমান হয় ধ্রুব'র ভাবুক এমন এক সত্তা যে নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু মনে করে নিজের পিতা কৃষ্ণকান্তকে৷ পিতার প্রতি গভীর ঘৃণা তাকে নিয়ে যায় অন্য এক জীবনের দিকে যার ফল সবচেয়ে বেশি ভোগ করতে হয় তার নিজের স্ত্রী রেমীকে৷ তিন প্রজন্মের এই গল্পের বাকি সবকিছু একদিকে রাখলে যেই জিনিসটা সবচেয়ে বেশি গভীর আর স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে তা হলো পিতা পুত্রের মধ্যকার গভীর সম্পর্ক। একদিকে হেমকান্ত তার বিপরীত স্বভাবের পুত্র কৃষ্ণকান্তকে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন৷ তাদের এই পিতা পুত্রের সম্পর্কে স্পষ্টভাবে দেখা যায় একজন পিতা তার পুত্রকে কতটা ভালোবাসতে পারেন সবকিছুর উর্ধ্বে উঠে৷ অন্যদিকে কৃষ্ণকান্ত আর ধ্রুব'র সম্পর্ক থাকে ঠিক তার বিপরীত। পিতার প্রতি ধ্রুব'র থাকে অসামান্য ঘৃণা। যা দুই পিতাপুত্রের সম্পর্ক নামিয়ে আনে বৈচিত্র৷ তিন প্রজন্মের গল্পের আখ্যান বাদ দিলেও এই বিশাল উপন্যাস জুড়ে চিত্রায়িত হয়েছে স্বদেশী আন্দোলন, জমিদারী প্রথা, দেশভাগ এবং দেশভাগের পরবর্তী অবস্থার এক দারুন উপাখ্যান। বহু চরিত্রের এই বিশাল গল্পে একেক চরিত্র বলে যায় একেকটা গল্প। তবুও সবকিছু ছাপিয়ে পিতা পুত্রের সম্পর্ক আর প্রজন্মের পর প্রজন্মে যে জেনারেশন গ্যাপ সৃষ্টি হয় তারই এক বিষন্ন সুন্দর আখ্যানই যেনো "দূরবীন" এর মূল উপজীব্য। ব্যক্তিগত ভাবে আমাকে মুগ্ধ করেছে কৃষ্ণকান্ত, হেমকান্ত আর রঙ্গময়ীর চরিত্রত্রয়৷ আর বহু মেয়ে যেখানে ধ্রুব'র প্রেমে হাবুডুবু খায় সেখানে আমার সত্যি বলতে ধ্রুব'র চরিত্রটাকে অন্ধকারে নিমজ্জিত একটা চরিত্র মনে হয়েছে৷ কিছু কিছু জায়গায় বেশ বিরক্ত লেগেছে ধ্রুবকে। অন্যদিকে কৃষ্ণকান্তের প্রবল ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হয়েছি বেশ। বইঃ- দূরবীন লেখকঃ- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ- ৬১৭ পার্সোনাল রেটিংঃ- ৫/৫
তিন প্রজন্মের তিন নায়কের ব্যাক্তিত্ব সম্পূর্ণ আচারণ। প্রথম প্রজন্মের নায়ক হেমকান্ত যিনি কিনা বিপত্নীক কিন্তু তার ও প্রনয়ন কাহিনি চলে পুরোহিত কন্যার সঙ্গে। দ্বিতীয় প্রজন্মের উদ্বত হিম শীতল চরিত্রে কঠোর কৃষ্ণকান্তরের স্বদেশে করার সময় এক চরিত্র এবং ক্ষমতা আসার পর আরেক চরিত্র নিয়ে শেষ হয় দ্বিতীয় প্রজন্ম।এরূপ তৃতীয় প্রজন্মের নায়ক ধ্রুবর এক অমিল চরিত্র যা তার স্ত্রীর ওপর প্রভাব পড়ে, কখনো ভালোবাসা, কখনো উপেক্ষা...এই নিয়েই এক প্রকার বিরূপ প্রতিক্রিয়া চূড়ান্ত চরিত্রে অবাক করা ঘটনা নিয়েই শেষ হয়েছে বই টি। বইটি মূলত খারাপ লাগেনি কিন্তু হেমকান্তের অলস চরিত্রকে আরো অলস লেগেছে বইটিতে।আর সব চলন সই ছিলো।
হেমকান্ত জমিদার। সামন্তশ্রেণীর যে রূপ ইতিহাসের পাতায় ছড়িয়ে আছে তা তার সাথে মেলে না। জমিদারীতে তার তেমন আগ্রহ নেই। প্রজাদের প্রতি সবিশেষ দয়া দেখানোই তার কাজ। প্রজারাও তাকে ভালবাসে। প্রজাদের ভালবাসা পেলেও তিনি তার ছেলেমেয়েদের স্বার্থের কাছে বড় অসহায় হয়ে পড়েন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর তার গহনা লুটেপুটে নেওয়াতেই তার সন্তানরা ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তিনি জীবনের প্রতি বিরূপ হয়ে পড়েন। বুঝে নেন যে, এই পৃথিবীতে কেউ কারো নয়। সবাই নিজ নিজ স্বার্থে ব্যস্ত। তবু তাকে আজন্ম ভালবেসে যাওয়া রঙ্গময়ীর সেবা, মমতা, ভালবাসা বাঁচিয়ে রাখে জীবনের পথে। এই সুযোগে বলে রাখি, রঙ্গময়ী এক অসাধারণ চরিত্র, যার প্রতি পাঠক মাত্রেরই শ্রদ্ধা জন্মাতে বাধ্য। হেমকান্ত আরও একজনের জন্যে বাঁচতে চেয়েছিলেন, সেটা তার কনিষ্ঠ সন্তান কৃষ্ণকান্ত। শৈশবেই কৃষ্ণকান্ত মেধার স্বাক্ষর রাখেন। ধর্মবিশ্বাসে, লাঠিচালনায়, ধ্যানে তিনি বিজ্ঞ হয়ে উঠেন খুব অল্প বয়সেই। ইংরেজবিরোধী স্বদেশী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন তিনি। পিতার অপমানে একদিকে তার মাথায় যেমন খুন চেপে যায়, তেমনি ধীরস্থিরতা নেমে আসে দেশের প্রয়োজনে। কৌশলী হাতেই তিনি লড়াই করে চলেন স্বাধীনতার স্বপক্ষে। অল্প বয়সেই দেশব্যাপী পরিচিত হয়ে উঠেন তিনি তার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে। দেশ স্বাধীন হলে তিনি মন্ত্রী হন। রাজনৈতিক কূটকৌশলও হয়তো শিখে নেন কিছুটা। স্বাধীনতার আগের কৃষ্ণকান্তকে পরের কৃষ্ণকান্তের সাথে মেলাতে পারেনা তার ছেলে ধ্রুব। মাতাল ধ্রুব নেশার জন্যে নেশা করেনা, নেশা করে মন্ত্রী বাবার ইমেজ নষ্ট করার জন্যে। কী কী করলে, বাবার অসম্মান হবে, সেটা নিয়েই ব্যস্ত থাকে সে। বাবার সাথে তার এক অদ্ভূত লড়াই। সে বিশ্বাস করে তার মা যে গাঁয়ে কেরোসিন ঢেলে আত্নহত্যা করেছিলেন, তার কারণ হলো তার বাবার অবহেলা। তাই সে বাবাকে ঘৃণা করে। মাতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে সে বাবাকে প্রতিনিয়ত অপমান করতে ব্যস্ত থাকে। সামন্ত রক্তে লাম্পট্য থাকাটা খুবই স্বাভাবিক কিন্তু হেমকান্তের বংশে কেউ নারী লোলুপ নয়। মদ্যপও নয়। ধ্রুব যে মদ খায়, সেটাও নেশা করে নয়। যার ফলে একদিন হঠাৎ করেই সে ছেড়ে দেয় মদ। অনেক অনুরোধেও তার বন্ধুরা আর তাকে সেটা স্পর্শও করাতে পারেনি। স্ত্রী রেমির প্রতি প্রচন্ড ভালবাসা থাকার পরেও শুধুমাত্র বাবার পছন্দের মেয়ে বলে তাকে অবজ্ঞা আর অবহেলায় প্রায় মৃত্যুমুখে ঠেলেই দিয়েছিল। রেমির সাথে তার ভালবাসা আর লুকোচুরি খেলা দেখতে দেখতে পাঠক বরং ধ্রুবকে করুণাই করতে থাকে। করুণাই হয়তো কিংবা ভালবাসা। উপন্যাসের প্রয়োজনেই ছোট ছোট ক্যারেক্টার এসেছে। ক্যারেক্টারগুলো যত ছোটই হোক পাঠকের মনে স্থান করে নিয়েছে বড় করে। যেমন বলা যায়, নোটন কিংবা ধারার কথা। কলগার্ল নোটন কিংবা উচ্ছৃঙ্খল ধারা অবশেষে পাঠকের কাছে ঘৃণার পরিবর্তে করুণায় পায়। শচীন, বিশাখা কিংবা জগা চরিত্রগুলোও নিজ নিজ ক্ষেত্রে উজ্জ্বল হয়ে থাকে গোটা উপন্যাস জুড়ে। দূরবীন যন্ত্রটা বেশ অদ্ভূত। এটি দিয়ে দূরের জিনিসকে শুধু কাছেই দেখায় না, উল্টো করে ধরলে কাছের জিনিসকেও দূরে দেখায়। অন্তর্নিহিত এই তত্ত্বের মতই উপন্যাসের চরিত্রগুলোও সমাজের মানুষের দূর এবং কাছের জীবনকে পাঠকের দৃষ্টির সামনে স্পষ্ট করে তোলে। সমাজ এবং জীবন দর্শন দারুণভাবে ফুটে উঠেছে উপন্যাস জুড়ে। দ্বিস্তর এই উপন্যাসে সেকাল ও একাল, অতীত এবং বর্তমান এক অনন্য কৌশলে একাকার। অতীতও কিভাবে বর্তমান হয়ে উঠে তা দেখানো শীর্ষেন্দুর পক্ষেই বোধ হয় সম্ভব। দারুণ এই উপন্যাসটি পাঠকমাত্রই প্রিয় হয়ে উঠতে বাধ্য।

খুবি চমৎকার একটা বই। তিনটা আলাদা প্রজন্মের কথা, দৃষ্টিভঙ্গি, সময়কাল এত সাবলীল ভাবে রচনা করেছেন লেখক, যা এই বইটাকে নিয়ে গেছে অন্য উচ্চতায়। এটা বাংলা সাহিত্যের পাঠকদের জন্যে খুবি চমৎকার একটি পাঠ্য।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
is it the original print?
Of course, It's an original imported book.
is it the original print?
Of course, It's an original imported book.























