ভুতুড়ে ঘড়ি
বই কালেকশন

Buy ভুতুড়ে ঘড়ি Online in Bangladesh

লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

5.00
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
  • Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
  • Isbn: 9788170668350
  • Number Of Pages: 107
  • Language: বাংলা
  • Edition: 13th Print, 2022
৳ 600৳ 600
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

সবকিছু হারানোই যার স্বভাব, সেই হারানচন্দ্রের তিনশো বাইশ নম্বর ঘড়িটা যখন চুরি গেল, আর তার বদলে এল তিনশো তেইশ নম্বর, তখন থেকেই ‘ভুতুড়ে ঘড়ি’র অদ্ভুতুড়ে কীর্তিকাণ্ড। নইলে ঘড়ির মধ্যে কেন শোনা যাবে নেশা-ধরানো গান আর হাসি? কেন এক অশরীরী স্বর বেসুরো গলায় বলে উঠবে, নানটাং, রিকিরিকি, খ্রাচ খ্রাচ? কেন খিলখিল হেসে মিষ্টি সুরেলা গলায় বলবে একটা মেয়ে, র‌্যাডিকালি, রামরাহা, বুতবুত? কেন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে থাকবে জটাইতান্ত্রিক, গর্ডনসাহেব আর তার কুকুরগুলো? কেন এ ঘড়ি বাড়িতে ঢোকানোর পর অন্য ঘড়িগুলোর কাঁটা ঘুরবে উল্টোমুখী? কেনই-বা ছবি উঠবে না ক্যামেরায়, কিংবা ঘটে চলবে এমনতর হাজারো কাণ্ডকারখানা? কাণ্ডকারখানা ভৌতিক, কিন্তু সবটাই ভুতুড়ে ব্যাপার নয়। মজার সঙ্গে সাসপেন্স, সাসপেন্সের সঙ্গে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সঙ্গে সত্যি ভূতের মিশেলে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের কলমে এ-এক দুর্দান্ত আর অদ্ভুতুড়ে কল্পবিজ্ঞানকাহিনী। যাকে বলে একেবারে হইহই রইরই উপন্যাস।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

5.00
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Md Saikat Jahan
Md Saikat Jahan ভেরিফাইড
12 Jul 2021

Good Book

Rean Sharker
Rean Sharker ভেরিফাইড
28 Sep 2019

পড়ে শেষ করলাম শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর অদ্ভুতুড়ে সিরিজের উপন্যাস #ভুতুড়ে_ঘড়ি লাটুর দাদুর এই নিয়ে তিনশো বাইশতম ঘড়িটা হারিয়ে গেল। অদ্ভুত ভাবে হারিয়ে যায় ঘড়ি গুলো। লাল্টুর বাবা দাদুকে তিনশো তেইশতম ঘড়িটা এনে দেয়। ঘড়িটি বাড়ি আসার পর অদ্ভুতুড়ে সব কান্ড হতে থাকলো। ঘড়ির ভিতর থেকে নাম না জানা ভাষায় কথা বলে কেউ 'রামরাহা! খ্রাচ খ্রাচ!'। বাড়ির অন্য সব ঘড়ি উল্টো দিকে চলতে শুরু করলো। দাদুর ছবি তুলে দেখা গেল শুধু ঘড়িটা দেখা যাচ্ছে দাদু বেমালুম গায়েব হয়ে গেছে। আরে! হচ্ছে টা কী এসব? জাফর ইকবালের ২-৩ টা সাইন্স ফিকশন ছাড়া আমি আর কোন সাইন্স ফিকশনের বই পড়িনি। এধরণের বই গুলো আমার তেমন ভালোও লাগে না। তবে মাঝে মাঝে ইচ্ছে করতো জাফর ইকবাল ছাড়া অন্য কারো লেখা পড়তে কিন্তু পড়া হয়নি। অবশেষে অদ্ভুতুড়ে একটা সাইন্স ফিকশন পড়ে ফেললাম। সত্যই শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে গল্প গুলো অসাধারণ। খুবই ভালো লেগেছে বইটি পড়ে। ৫/৫

Kamrunnahar Dipa
Kamrunnahar Dipa ভেরিফাইড
13 Sep 2017

         ★★ সংক্ষিপ্ত আকারে উপস্থাপন ★★ দাদু হারানচন্দ্র ঘড়ি হারিয়ে ফেলেছে। এটা তার হারানো তিনশত বাইশ নাম্বার ঘড়ি। তার ঘড়ি হারানো নিয়ে সবার মনেই ক্ষোভ। বিশেষ করে হারানচন্দ্রের স্ত্রী বাসবনলিনী তো তুলকালাম কাণ্ড বাঁধিয়ে দিয়েছে। হারানচন্দ্র নাস্তিক মানুষ,ভূত-ভগবান কিছুই মানে না। ওদিকে তার বন্ধু হলো জটাই তান্ত্রিক, যে কিনা হরি ডোমের খুলিতে ছাড়া চা খাই না। সে আসলেই দুই বন্ধুর তর্ক বেঁধে যায়।যা খুব আগ্রহ নিয়ে শোনে ছানু,কদম এবং লাটু।এরা হলো হারানের নাতি-নাতনি। এদের মধ্যে লাটু হলো দাদুর ভক্ত।ঘড়ি হারানোর জন্য জটাই যখন হারানচন্দ্রের নাস্তিকতাকে পরোক্ষ ভাবে দায়ী করে তখন ও যেন ঠিক মতো উত্তর করতে পারে না সে। যাহোক,হারানচন্দ্রের  বড় ছেলে বাবাকে একটা নতুন ঘড়ি কিনে দিল। ঘড়িটা একটু অদ্ভুত রকমের। এর ঘন্টার ঘর চব্বিশটি। আরোও আছে সেকেন্ড এর কাটা। এই ঘড়ি টা হাতে আসার পর থেকে ঘটছে সব অদ্ভুত ঘটনা। রাতে হারানচন্দ্র চোরের চলাফেরার শব্দ শুনছে,নিচু গলায় কিন্নরী কন্ঠের গান শুনতে পাচ্ছে। বাড়ির সব ঘড়ির সময় কেমন উল্টো ভাবে চলছে। ঘড়ির কান্ড কারখানা দেখে হারানচন্দ্রের এত দিনের বিশ্বাস নড়ে ওঠে। জটাই তান্ত্রিকের কাছে শোধন করতে দিয়ে আসে ঘড়ি। পরে বাড়িতে ফিরে দেয়াই জেরবার হয়ে আবার ঘড়ি ফেরত আনতে গিয়ে দেখে ঘড়ি নেই কিন্তু জটাই বেহুঁশ হয়ে পড়ে আছে। ওদিকে বিজ্ঞানী গর্ডন সাহেবের বাড়িতে গিয়ে ঘড়িটা উদ্ধার হয় কিন্তু গর্ডন সাহেবের ও বেহুঁশ অবস্থা। অবস্থা ক্রমশ জটিল হচ্ছে। এদিকে দাদুর অদ্ভুত ঘড়িটা একসময় হাতে পাই লাটু। ঘড়ির ভিতর থেকে একজন লাটুর সাথে কথা বলে ওঠে। প্রথমে ভয় পেলেও পরে আর ভয় থাকে না। সে জানতে পারে রামরাহা নামে একজন এই ঘড়ি টা খুঁজছে। যে কথা বলছে সে হলো মহাকাশ থেকে অন্য গ্রহের খ্রাচ খ্রাচ। খ্রাচ খ্রাচ বলে রামরাহা এটা হাতে পেলে পৃথিবী ধ্বংস করে ফেলবে।এখন পৃথিবী রক্ষার দায়িত্ব লাটুর।  সকল কাজের কাজীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় লাটুর। যে ঘড়ির মধ্যে থেকেই সব করতে পারে। এই কাজীর বুদ্ধিতে লাটু আশ্রয় নেয় গর্ডন সাহেবের গবেষণাগারে। কাজীর কাছেই‌ লাটু জানতে পারে রামরাহা খুঁজে বেড়াচ্ছে রাডাক্যালি। রাডাক্যালি তৈরি করেছে রামরাহা। কিন্তু রামরাহা ঠিকই খুঁজে পায় লাটু এবং কাজীকে। অপুর্ব কান্তি রামরাহা এবং তার মিষ্টি ব্যবহার ভালো লাগে লাটুর। যদিও রামরাহা শত্রু। রামরাহাই বলে কাজীই হচ্ছে রাডাক্যালি।খ্রাচ খ্রাচ এর হাতে পড়ে রাডাক্যালির নৈতিক অবক্ষয় হয়েছে। ভয়ংকর চেহারার খ্রাচ খ্রাচ না সুন্দর চেহারার রামরাহা কাকে বিশ্বাস করবে লাটু ? কিভাবেই বা শেষ পর্যন্ত পৃথিবীকে রক্ষা করা গেল দুশমনের হাত থেকে? আর ৩২৩ নাম্বার ঘড়িটা ও কি শেষ পর্যন্ত দাদু হারালো কিনা তা একটু রহস্যই রেখে দিলাম। সব জেনে ফেললে তো আর ব্ই পড়ে মজা পাওয়া যায়না!!!                 ★★★আমার অনুভব★★★ কমেডি ধাঁচের খানিকটা থ্রিলার মেশানো কিশোর উপন্যাস হলো ভুতুড়ে ঘড়ি। দাদু চরিত্র টি বেশ সরেশ লেগেছে। জটাই তান্ত্রিকের   কথাবার্তায় চমক আছে।লাটু দাদুর মতো নাস্তিক কিন্তু পরিক্ষার সময় ঠিকই স্বরসতিকে  প্রনাম করে যায় এটা তার বালকিচিত্ত মনোভাব ভালো মতো প্রকাশ করেছে। কিছু ছোট খাটো বিচ্যুতি এড়িয়ে বেশ ভালই লেগেছে। নির্মল ব্ই পাঠের আনন্দ পেতে নির্বিঘ্ন পড়া যায় " ভুতুড়ে ঘড়ি" । ** রেটিং** ৪/৫

TASFIA PROMY
TASFIA PROMY ভেরিফাইড
01 Aug 2017

বইয়ের নামঃ ভূতুড়ে ঘড়ি লেখকঃ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় পৃষ্ঠাঃ ১৫৮ মুল্যঃ ১৮০টাকা প্রকাশকালঃ ১৯৮৪ ধরনঃ রহস্য,থ্রিলার,অ্যাডভেঞ্চার,হাস্যরস / অদ্ভুতুড়ে সিরিজ প্রচ্ছদঃদেবাশিষ দেব প্রকাশনীঃআনন্দ পাবলিশার্স কাহিনীঃ লাটু, কদম আর ছানুর দাদুর ৩২২ তম ঘড়ি টা হারালো। আগের ঘড়িগুলো যে কত ভাবে হারিয়েছে, সেটা দাদু নিজেও বোধহয় বলতে পারবেন না। তবে এবার ক্রেডিট চোর এর নয় কিন্তু। চোর কি আর জানত দাদু তার ৩২২ তম ঘড়ি দাদু ট্রানজিস্টর রেডিওর মধ্যে রাখবে? জানত না তো, কাজেই চোরের ঘড়ি চুরিতে ক্রেডিট নেয়। তবে ৩২২ তম ঘড়ি হারিয়ে দাদু একটু শোকাহতই হয়ে পড়েছেন। তবে দাদু যে শুধু ঘড়ি হারায় তাই না, বাঁধানো দাঁত, চটিজুতো,চশমা এইগুলোই হারায়। সেই ছোটবেলায় পেনসিল হারানো দিয়ে শুরু করেছিলেন,তবে এখন কিন্তু আর পেনসিল হারান না। দাদুর তান্ত্রিক বন্ধু জটাই দাদু। হরি ডোম এর করোটি ছাড়া চা খান না। দাদু তার কাছে হারানো জিনিসের খুঁজে পাবার জন্য এই আর কি একটু খোঁজ করছিলেন। দাদুর বড় ছেলে সত্যগুণ ।কলকাতায় চাকুরী করে। বাবার ঘড়ি হারানোর খবরে আর একটা ঘড়ি কিনে এনে দিলেন বাবাকে । বেশ আধুনিক এই ঘড়ির উপর চলল দাদুর নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা । শেষ-মেশ মত দিলেন, নাহ বেশ ভাল ঘড়িই বটে। এই ঘড়ি আসবার পর থেকেই দাদুর জীবনে ঘটে যেতে থাকে অদ্ভুতুড়ে ঘটনা। এদিকে লাটু ঘটনাক্রমে পাগলা বিজ্ঞানী গর্ডনের বাড়িতে পৌঁছে যায়। কিছু বিপদ থেকে বাঁচতে আশ্রয় নেয় সেইখানে। কারন লাটুর পেছনে লেগেছে রামচন্দ্র রাহা নামে অতি শক্তিশালী , অপ্রতিরোধ্য একজন। এই লাটু কে বাঁচাতেই তাকে সাহায্য করতে চাইছে খ্রাচ খ্রাচ। লাটুর সাথে আছে, কাজী আর খ্রাচ খ্রাচ এবং রামচন্দ্র খুঁজছে র্যানডিকালী কে। লাটুর সাহায্য দরকার এদের দুই জনের। কেউ জানে না র্যাথডিকালী কোথায়। কোথায় সে?? আর লাটুর এই নতুন বন্ধু কাজী কি আসলেই বন্ধু ? নাকি? পাঠ_প্রতিক্রিয়াঃ অদ্ভুতুড়ে সিরিজের মোটামুটি বেশ ভক্ত হয়ে গেছি। ৩৯ বই এর সব যদিও পরা হয়নি, তবে ধীরে ধীরে পড়ছি আর ভাল লাগছে। এই গল্পে সায়েন্স, ভূত সব আছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে গল্প গুলো বেশ অনেক জনারার মধ্যে পড়ে। এই গল্পএর বইগুলোর কথা আমরা অনেকেই জানিনা, আমি নিজেও জানতাম না, অদ্ভুতুড়ে সিরিজ নিয়ে ঘাটা-ঘাটি করতে গিয়ে পাই। যায়হোক বইটা পড়ে ভালো লাগবে, সাস্পেন্স, থ্রিল সব স্বাদ পাবেন একটা বইয়ে।

Jahidur Rahman
Jahidur Rahman ভেরিফাইড
25 May 2016

লাটুর দাদুর বড্ড ভুলো-মন।এই অব্দি তার ৩২২ টি ঘড়ি হয় হারিয়েছে,নয় চুরি হয়েছে।কিন্তু ঘড়ি তার পরা চাইই চাই!!! শেষে তার বড় ছেলে কলকাতা থেকে একখানা ঘড়ি কিনে আনলো।ঘড়িটাতে অনেকগুলো ঘর! দাদু খুশিই হয়েছিলেন।কিন্তু রাত্তিরে সেই খুশি মিলিয়ে গেলো। দেখা গেলো রাত্রে ঘড়ি থেকে ছেলে-মেয়ের কথার আওয়াজ, কাকের ডাক,বাজনার আওয়াজ সহ বিভিন্ন শব্দ হচ্ছে।এই শব্দগুলোও ভাড়ি অদ্ভুত। হারানবাবু কখনো ভূত বিশ্বাস করে নি।সে বরাবরি নাস্তিক।কিন্তু এইবার কেনো যেনো তার মনে হলো এ ভূতের কান্ড ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি পরদিনই ছুটলেন তার বন্ধু জটাই তান্ত্রিকের কাছে।তাকে ভুতুড়ে ঘড়িটি দিয়ে আসলেন। এর কিছুকক্ষন পরই আশ্চর্য ঘটনা ঘটে।জটাইদাদুর মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটে।পরে তার থেকে বিজ্ঞানী গর্ডন সাহেব ঘড়িটা নিয়েছিল। তারও একই অবস্থা। লাটু ঘড়িটাকে চুপিচুপি তার ঘরে নিয়ে আসে।পরে অবাক কান্ড! ঘড়িটা লাটুর সাথে কথা বলে।আসলে এটা কোনো ঘড়ি নয়। এটা এক অত্যাধুনিক যন্ত্র।এই শক্তিশালী যন্ত্র যার কাছে যাবে সে-ই মহাবিশ্বের মালিক হবে।তবে যারতার কাছে গেলে হবে না,উপযুক্ত লোক চাই!!! এই যন্ত্র নিতে আসছে অন্য গ্রহের লোকজন।তারও আগে আসছে রামরাহা!!! মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী, বুদ্ধিমান ও দ্রুতগতি সম্পন্ন পুরুষ রামরাহা।সে ঘড়ির জন্য পৃথিবীও ধ্বংস করতে পারে! লাটু এখন কি করবে?লাটু জানে না রামরাহা কেমন লোক।অন্য গ্রহের লোকটাই বা কেমন যাকে সে ঘড়িতে দেখেছে?পৃথিবী কি বাঁচবে?

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)