কাঙ্গপোকপি
বই কালেকশন

Buy কাঙ্গপোকপি Online in Bangladesh

লেখক: বুদ্ধদেব গুহ

4.50
(3 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: বুদ্ধদেব গুহ
  • Publisher: দে’জ পাবলিশিং (ভারত)
  • Isbn: 8170794285
  • Number Of Pages: 192
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Edition, 1993
৳ 400৳ 400
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

কাঙ্গপোকপি ভূমিকা মণিপুরে আমি বহুবার গেছি, কাজে এবং বেড়াতে। মণিপুরের পটভূমিতে আমার কিছু গল্প এবং একটিমাত্র উপন্যাস আছে। সেই উপন্যাসের নাম, বাবলি । এটি দ্বিতীয় উপন্যাস। অসুস্থতার মধ্যে এবং শয্যাশায়ী অবস্থাতেই ঋজুদার এই কাহিনী বড়ই কষ্টে এবং ডাক্তারদের নিদ্ধে না শুনেই লিখলাম, আমার অগণ্য পাঠক-পাঠিকাদের এই পুজোতে আনন্দ দেবার জন্যে। কোনো পুজো সংখ্যাতেই আমি ব্যক্তিগত কারণে উপন্যাস লিখছিনা, গত তিনবছর হলো। তাই পাঠক-পাঠিকারা চান যে, তাঁদের জন্যে পুজোতে একটি উপন্যাস অন্তত লিখি। তাঁদের ন্যায্য দাবী মেটাতেই এই কষ্টকর প্রয়াস। নি। এখনও অসুস্থই আছি। অফিসে যোগ দেওয়ার দিন আজও স্থিরীকৃত হয় মানুষের মস্তিষ্ক যেহেতু ব্লাস্ট-ফারনেসেরই মতন, একবার তাতে আগুন জ্বালিয়ে দিলে আমৃত্যু তা কাজ করে যায়ই। তাই শরীরের বিশ্রামের কথা ডাক্তারেরা নিশ্চিত করতে পারলেও মনুষ্যপদবাচ্য মানুষের মস্তিস্কের কোনো বিশ্রাম তাঁরা নিশ্চিত করতে পারেন না। বিশ্রাম হয়ত নেওয়া যাবে শুধু সেদিনই, যেদিন চিতার আগুনে সমস্ত শরীরটাই ছাই হয়ে যাবে। এটি আমার তৃতীয় গোয়েন্দা-উপন্যাস। এর আগে ‘অ্যালবিনো’ এবং তারও আগে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ থেকে ফিরে এসেই, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যে হাওয়াই-এর পটভূমিতে “ওয়াইকিকি” লিখেছিলাম। শরীর সুস্থ থাকলে হয়ত আর একটু মনোযোগ দেবার চেষ্টা করা যেত, এই উপন্যাসের প্রতি। পাঠক-পাঠিকারা নিজগুণে দোষত্রুটি মার্জনা করবেন। এই বই ছাপা আদৌ হত না, যদিনা আমার অশেষ গুণগ্রাহী রূপা দত্ত ও ডঃ কৌশিক লাহিড়ীর সাহায্য পেতাম। প্রকাশক, দে'জ পাবলিশিং আমার শত দাবী ও “কুখ্যাত মেজাজ” সত্ত্বেও সবকিছু সহ্য করে নিয়ে সমাদরে যে এই বই ছেপেছেন যে, সে জন্যে ধন্যবাদ তাঁদেরও অবশ্যই প্ৰাপ্য । শ্রী সুধীর মৈত্র অত্যন্ত সম্মানিত ও অগ্রজ শিল্পী। বিকাশ ভট্টাচার্য তাঁর ছাত্র ছিলেন। সুধীর বাবু যে এবারেও আমার অনুরোধ রক্ষা করে প্রচ্ছদ এবং অলংকরণ করে দিয়েছেন “কাঙ্গপোকপি”র, সে জন্যে তাঁর কাছে এবং আমার প্রকাশকের সঙ্গে আমিও অশেষ কৃতজ্ঞ।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.50
(3 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
67%
4
33%
3
0%
2
0%
1
0%
jahan
jahan ভেরিফাইড
06 Feb 2022

thanks rokomari.com for timely delivery of books. Will continue to order.

নাইম আল-ইসলাম সজীব
নাইম আল-ইসলাম সজীব ভেরিফাইড
22 Mar 2021

সত্যিই অসাধারণ ছিলো গল্পটা। একটা থ্রিলার ছিলো কিন্তু পুরোই ছেলেমি। অসাধারণ চরিত্র ছিলো ভটকাই। আমার সবচে প্রিয় ক্যারেক্টার। সবমিলিয়ে বলা চলে বাংলা হাসির নাটক দেখলে আপনি যতটা না হাসবেন তারচে বেশি হাসবেন বইটা পড়ে।

মাসুম আহমেদ আদি
মাসুম আহমেদ আদি ভেরিফাইড
18 Dec 2018

কর্ণাটক আর তামিলনাড়ু যেতে হবে। দক্ষিণের ত্রাস, দুর্ধর্ষ ডাকাত ভীরাপ্পনকে ধরতে। ওখানকার পুলিশ, বিএসএফ কিছুই করতে পারছে না। ভীরাপ্পান ডাকাতের কথা নিশ্চয় শুনেছেন। প্রায় পাঁচ শতাধিক হাতি মেরেছে সে, কোটি টাকার উপরে চন্দন কাঠ চোরাচালান করেছে। ওকে ধরার জন্য দুই রাজ্যের সরকারপ্রধান আমাকে ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করেছেন। যদিও আমার অতটা ইচ্ছে ছিল না, কিন্তু যে ঋজু বোস বিদেশিদের এত সমস্যার সমাধান করে দিল সে নিজের দেশের একটা সমস্যার সমাধান করবেনা এটা কেমন কথা? জানের ভয় থাকলেও রাজি হতে হলো। আমি নিশ্চিত ঐ জঙ্গল থেকে এবার আর প্রাণে বেঁচে ফেরা হবে না। আমার তিন স্যাঙাত রুদ্র, ভটকাই আর তিতিরের সাথে আলোচনা করে যখনই ব্যাগ গোছাচ্ছিলাম তখন ঐ দুই রাজ্যের সরকার প্রধান আমায় মুক্তি দিলেন! ওখানকার পুলিশ বিএসএফ নাকি জাল প্রায় গুটিয়ে এনেছে, এমতাবস্থায় ওদের ওপরে আমি ছড়ি ঘোরাতে গেলে ব্যাপারটা ওদের মানে আঘাত করবে। জানের ভয় থাকলেও মনে মনে এক্সাইটেড ছিলাম। বন জঙ্গল মানেই আমার কাছে অন্যকিছু। একটা নেশার মতন। এখন কী করা? কী আর করা, এখন মরে যেতে হবে। আরে না না, বালাইষাট, মরব কেন? মণিপুর রাজ্যের একটা জায়গার নাম মোরে (Moreh)। ওখানকার এক রাজপরিবারের সদস্য ইবোহাল সিং খুন হয়েছেন। তাঁর কাকা নিঃসন্তান ছিলেন বলে তাঁর পুরো সম্পত্তি ভাইপোর নামে দিয়ে গেছেন। তাদের কাছে বংশ পরম্পরায় একটা তলোয়ার ছিল। ইবোহাল সিং খুন হওয়ার পর থেকে তলোয়ারটাও মিসিং। ঐ তলোয়ারের বাটে আবার একখান রুবী পাথর ছিল যার বর্তমান বাজারমূল্য কোটি টাকার কম হবে না। আরো ভজগট পাঁকালো যখন আবার ঐ তলোয়ারটা দুদিন পরে একটা গাছের নিচে পাওয়া গেল। পাওয়া তো গেল, কিন্তু রুবীটা নেই। থাকার কথাও নয় অবশ্য। অগত্যা মণিপুরের মোরেতেই যাওয়া ঠিক করলাম। যেহেতু এই অভিযান তেমন একটা রিস্কি না, আর তাছাড়া ছবির মত সুন্দর ঐ জায়গাগুলো রুদ্র, ভটকাই বা তিতির কেউই দেখনি তাই ওদেরকেও সাথে করে নিয়েই রওনা হলাম। তখনও কী জানতাম সব কান্ড কাঙ্গপোকপিতেই হবে। নাহ, কাঙ্গপোকপি কোনো গালি নয়। মণিপুর থেকে ঘন জঙ্গলের ভেতর দিয়ে নাগাল্যাণ্ডের দিকে যেতে মধ্যে পড়ে কাঙ্গপোকপি। জায়গাটা খুবই সুন্দর আর মনোরম। অবশ্য কতক্ষণ মনোরম থাকবে তাই বা কে জানে! প্রদোষ চন্দ্র মিত্র ওরফে ফেলুদা, ব্যোমকেশ বক্সী, কিরীটী রায়ের মতন ঋজু বোস ওরফে ঋজুদা একজন গোয়েন্দা। শুধু গোয়েন্দা বললে কম হয়্র যাবে আসলে। তিনি একাধারে গোয়েন্দা, অ্যাডভেঞ্চারার এবং শিকারি। জঙ্গল নিয়ে ওঁর বিস্তর আগ্রহ। ফেলুদার যেমন তোপসে আছে, ব্যোমকেশের আছে অজিত, শার্লকের যেমন ড. ওয়াটসন আছে তেমনি ঋজুদার আছে.... না না একজন নয়, তাঁর আছে তিন তিন জন সহকারি। রুদ্র, ভটকাই আর তিতির। এদের মধ্যে রুদ্রকে প্রধান সহকারি বলা যায়। প্রায় প্রত্যেকটা কেসেই ঋজুদাকে সঙ্গ দিয়েছে রুদ্র। তাছাড়া ঋজুদার প্রতিটা কেসের কাহিনী বই আকারে লিখে ঋজুদাকে ফেমাস করেছে এই রুদ্রই। ব্যোমকেশ আর কিরীটী পুরোটাই প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যে হলেও ফেলুদার মতন ঋজুদাও কিশোরদের জন্য। ফেলুদা যদিওবা প্রাপ্তবয়স্করাও পড়ে মজা পাবে, কিন্তু ঋজুদা একদমই ছেলেমানুষি টাইপ। ঋজুদার কাজ কাম থেকে বেশি হাইলাইট করা হয়েছে রুদ্র, ভটকাই আর তিতিরকে। কিশোরদের চোখে, অথবা কিশোরদের বয়ানে গল্পটা আপনি পড়বেন, সুতরাং সেটায় কিশোরসুলভ ছেলেমানুষি তো থাকবেই। যাকগে সেসব কথা, আমার কাছে কেমন লেগেছে সেইটে নিয়ে আলোচনা করা যাক। কদিন থেকেই আমার ইচ্ছে করছিল বন জঙ্গল পাহাড় পর্বত নিয়ে লেখা কোনো বই পড়তে। গ্রুপে পোস্ট দিয়ে বেশ কিছু সাজেশনও পেলাম। অনেকেই দেখলাম বুদ্ধদেব গুহ'র বিভিন্ন বই সাজেস্ট করছে। রকমারির সাইটে ঢুকে সেগুলোর রিভিউ খুঁজছিলাম। খুঁজতে খুঁজতে সাজেশনে দেখলাম অদ্ভুত নামের একটা বই। কাঙ্গপোকপি! ওটার ব্যাপারে সার্চ দিয়ে কোথাও কোনো রিভিউ পেলাম না, তবে রকমারিতে কয়েক পেজ পড়ে দেখার একটা অপশন থাকায় এ যাত্রায় বাঁচা গেল। ভূমিকা পড়েই বুঝতে পারলাম আমি যা খুঁজছি এটা তাই। নিয়ে নিলাম। গল্পের গাঁথুনি তেমন একটা ভালো লাগেনি আমার। তবে মণিপুর, মোরে, কাঙ্গপোকপির যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে সেটা পড়েই আমি মুগ্ধ। যেমনটা চাচ্ছিলাম ঠিক তেমনই পেয়েছি। গল্পে সাসপেন্স আছে, টুইস্টও আছে আবার গা ছমছমে ব্যাপারও আছে। যারা বাবলী পড়েছেন তারা নিশ্চয় মণিপুরের সৌন্দর্য্যের কথা জানেন। বইটা শেষ করে ইউটিউবে সার্চ দিয়ে কাঙ্গপোকপির কিছু ভিডিও দেখলাম। জায়গাটা পরিচিত লাগছিল। হঠাৎ খেয়াল হলো, "নিলাকাশাম পাচাকাডাল চুভান্না ভূমি" নামক মালায়লাম সিনেমায় এই জায়গাটা আমি দেখেছি। এই জায়গার উপর দিয়েই ওরা নাগাল্যান্ডে যায়। যারা বন জঙ্গল পাহাড় পর্বত নিয়ে লেখা বই ভালোবাসেন এবং যারা রহস্য পছন্দ করেন তারা অবশ্যই পড়বেন। একটু ছেলেমানুষি টাইপ লাগবে, ভেবে নিবেন গল্পটা আপনার ছোটভাই বা আপনার ছেলের কাছে শুনছেন। হ্যাপি রিডিং।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)