

Buy অপরাজিত Online in Bangladesh
লেখক: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- Author: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- Publisher: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ (ভারত)
- Isbn: 8172931212
- Number Of Pages: 266
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 1931
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
‘অপরাজিত’ বইয়ের কিছু কথাঃ দুঃখের নিশীথে তাহার প্রাণের আকাশে সত্যের যে নক্ষত্ররাজি উজ্জ্বল হইয়া ফুটিয়াছে- তা সে লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিয়া যাইবে… আজিকার দিন হইতে অনেকদিন পরে—হয়ত শত শত বৎসর পরে তাহার নাম যখন এ-বছরে-ফোঁটা-শালফুলের মঞ্জরীর-মত-কোথায় মিলাইয়া যাইবে,… তখন তাহার কত অনাগত বংশধর কত সকলে, সন্ধ্যায়, মাঠে, গ্রাম্য নদীতীরে, দুঃখের দিনে, শীতের সন্ধ্যায় অথবা অন্ধকার গহন নিস্তব্ধ দুপুর-রাত্রে, শিশির-ভেজা ঘাসের উপর তারার আলোর নিচে শুইয়া শুইয়া তাহার বই পড়িবে— যে বিশ্বের সে একজন নাগরিক, তা ক্ষুদ্র, দীন বিশ্ব নয়-লক্ষ কোটি আলোকবর্ষ যার গণনার মাপকাঠি, দিকে দিকে অন্ধকারে ডুবিয়া ডুবিয়া নক্ষত্রপুঞ্জ, নীহারিকদের দেশ, অদৃশ্য ঈথারের বিশ্ব যেখানে মানুষের চিন্তাতীত কল্পনাতীত দূরত্বের ক্রমবর্ধমান পরিধিপানে বিস্তৃত –সেই বিশ্বে সে জন্মিয়াছে… কত নিশ্চিন্দিপুর, কত অপর্ণ, কত দুর্গ দিদি-জীবনের ও জন্মমৃত্যুর বীথিপথ বাহিয়া ক্লান্ত ও আনন্দিত আত্মার সে কি অপরূপ অভিযান... শুধু আনন্দে, যৌবনে, জীবনে, পুণ্যে ও দুঃখে, শোকে ও শাস্তিতে। …এই সবটা লইয়া যে আসল বৃহত্তর জীবন–পৃথিবীর জীবনটুকু যার ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ মাত্র… সে জীবনের অধিকার হইতে কাহারও বঞ্চনা করিবার শক্তি নাই—তার মনে হইল সে দীন নয়, দুঃখী নয়, তুচ্ছ নয়—এটুকু শেষ নয়, এখানে আরম্ভও নয়। সে জন্ম-জন্মান্তরের পথিক-আত্মা, দূর হইতে কোন সুদূরের নিত্য নূতন পথহীন পথে তার গতি, এই বিপুল নীল আকাশ, অগণ্য জ্যোতিলোক, সপ্তর্ষিমণ্ডল, ছায়াপথ, বিশাল অ্যান্ড্রোমিডা নীহারিকার জগৎ বহির্ষদ পিতৃলোক—এই শত সহস্ৰ শতাব্দী তার পায়ে-চলার পথ—তাঁর ও সকলের মৃত্যু দ্বারা অস্পষ্ট সে বিরাট জীবনটা নিউটনের মহাসমুদ্রের মত সকলেরই পুরোভাগে অক্ষুন্নভাবে বর্তমান-নিঃসীম সময় বাহিয়া সে গতি সারা মানবের যুগে যুগে বাধাহীন হউক।…
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

বিভূতিভূষণের প্রথম এবং সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস "পথের পাঁচালি"তে আমরা যে ছোট্ট অপুকে দেখি,তারই পরিণতির গল্প হলো "অপরাজিত"।পথের পাঁচালী যারা পড়েছেন, তাদের হয়তো মনে থাকবে যে গল্পটি শেষ হয় সদ্য-কিশোর অপুর নিজেকে পৃথিবীর সামনে একা আবিস্কার করার মধ্যে দিয়ে। অপরাজিত গল্পটির সমাপ্তিও তেমনই একটি নতুন যাত্রার সূচনায়। তবে ততদিনে অপু তার জীবন-মধ্যাহ্নে, যে কারণে আগের গল্পের সেই কাঁচা ছেলেটির চাইতে অনেক বেশি পোড় খাওয়া ও পরিণত একজন মানুষরূপে আমরা তাকে দেখতে পাই এ উপন্যাসে। নিশ্চিন্দিপুর নামের এক প্রত্যন্ত গ্রামে দারিদ্রের কষাঘাতের মধ্যেও প্রকৃতঘনিষ্ঠ আনন্দময় জীবনে বেড়ে উঠছিলো দুই হরিহর আত্মা-অপু এবং তার বোন দুর্গা।বৃষ্টিতে ভিজে জ্বরে পড়ে দুর্গার মৃত্যু হয়।পিতা হরিহর গ্রাম থেকে চলে আসেন কাশীতে। সেখানে তার মৃত্যু হয়। মাতা সর্বজয়া অপুকে নিয়ে শহরে চলে আসেন।সেখান থেকেই এ উপন্যাসের সূচনা।এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র অপু, মিষ্টি চেহারার খামখেয়ালী এক ছেলে। পড়তে ভালবাসে খুব। লেখাপড়াতেও তার ছাপ ফেলে সে।বহু অভাব-দুঃখ-কষ্টের মধ্যেও সে তার লেখাপড়া চালিয়ে গেছে।তার সম্পর্কে তার মাস্টার মশাই বলছেন, “ভাবময় স্বপ্নদর্শী বালক, জগতে সহায়হীন, সম্পাদহীন ! হয়ত একটু নির্বোধ, একটু অপরিণামদর্শী, কিন্তু উদার, সরল, নিষ্পাপ, জ্ঞানপিপাসু ও জিজ্ঞাসু ।” অদম্য আগ্রহে কলেজের পাঠ শেষ করে সে, কিন্তু বিধি বাম! বাধা হয়ে আসে দারিদ্র্য-অর্থকষ্ট-অভাব, পুরো উপন্যাস জুড়েই যা তাড়া করেছে অপুকে।ইতোমধ্যে তার মায়ের মৃত্যু হয়।জঠর জ্বালা মেটাতে কাজের খোঁজে বেড়িয়ে পরে সে। কখোনো ছেলেমেয়েদের পড়ানো, কখোনো পত্রিকা বিক্রয়,লেখালেখি,লোহালক্কড়ের ব্যবসায় নেমে খাওয়া-পরার খরচ মেটায় সে।অপুর বোহেমিয়ান জীবনে সুরের ঝংকার নিয়ে আসে, অপর্ণা-তার সহধর্মিণী। উপন্যাসে অপুর সাথে অপর্নার পরিচয় ও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়াটুকু বেশ নাটকীয়।অপুর শূণ্যজীবনে অপর্ণা যেন আশা ও স্বপ্নের বাতি হিসেবে এসেছিল।আহা! সে কী ভালোবাসা, অভিমান, একে অপরের প্রতি আবেদন! বইটি না পড়লে তা জানা যাবে না।নিশ্চিন্দিপুরের জীর্ণকুটিরে অশ্রু লুকিয়ে পরম মমতায় সংসার গুছিয়ে নেয় বাবা-মা'এর অতি আদরের অপর্না। চাঁপাফুলের আকুল করা ঘ্রাণে অপু-অপর্নার প্রেম,ভালোবাসা,অভিমান,চিঠির জবাব না দিয়ে অপুর ছন্নছাড়া জীবণ,খুনসুঁটিতে ভরপুর সংসারের চমৎকার চিত্রায়ন পাওয়া যায় উপন্যাসটিতে।বড্ড টানাপোড়েনের সংসারে, কলকাতার একরুমের কামরায় বিকেলের শেষে অপর্ণার ছোঁয়ায় অপুর জীবন ভালোবাসার ছাঁদে বাধা পড়ে।তবে অদৃষ্টের নির্মম পরিহাস,সন্তান জন্মের সময় অপর্ণার মৃত্যু অপুকে একা করে দেয়।পুত্র কাজলকে নিয়ে আশায় বুক বাঁধে অপু।অপু যে অনিন্দ্যসুন্দর পরিবেশ,যে আনন্দ, যে প্রকৃতির সান্নিধ্যে বড় হয়েছে- কলকাতায় তার ছেলের এসবের অপূর্ণতা অপুকে বড় ভোগায়। তাই সে এক সময় ফিরে আসে শিকড়ে-- নিশ্চিন্দিপুরে। হয়ত বা সেই আগের মত নেই অনেক কিছুই,তবুও সেই শিকড়ে, সেই একই ভাবে বেড়ে উঠতে থাকে আরেক অপু! কিশোর থেকে এক দৃঢ় পুরুষ হয়ে ওঠার জীবনযুদ্ধে টিকে থাকা একজন মানুষের গল্প অপরাজিত।ঈষৎ বৃহৎ উপন্যাসটিতে মোটা দাগে যেটা চোখে পরে, সেটা হল অপুর অসাধারণ জীবনবোধ-তার হার না মানা মনোভাব।মা,স্ত্রী,বন্ধুদের জন্য তার বুকভরা ভালোবাসা।জীবনের অনেক বাধা পেরিয়েও তার মধ্যে নৈরাশ্য বাসা বাঁধে নি,তার অনুপ্রেরণা তার আবাল্য সাথী, তার বিস্ময়ের বস্তু-প্রকৃতি।প্রকৃতির বিশালতায় সে মুগ্ধ হয়েছে, প্রকৃতি থেকে সে অকৃপণ হস্তে আহরণ করেছে তার জীবন-সঞ্জীবনী,বিস্ময়াবিষ্ট হয়ে সে আবিষ্কার করেছে প্রকৃতি ও মানব জীবনের অখণ্ড-অভিন্ন সম্পর্কের চিরায়ত তাৎপর্য,শ্রবণ করতে পেরেছে প্রকৃতির মাঝে আপন সত্তাকে খুঁজে নেওয়ার আহ্বান।লেখকের একটি কথা থেকে কিছুটা হলেও সে ধারণা পাওয়া যায়-"সে জন্ম-জন্মান্তরের পথিক-আত্মা, দূর হইতে কোন সুদূরের নিত্য নূতন পথহীন পথে তার গতি, এই বিপুল নীল আকাশ, অগণ্য জ্যোতিলোক, সপ্তর্ষিমণ্ডল, ছায়াপথ, বিশাল অ্যান্ড্রোমিডা নীহারিকার জগৎ বহির্ষদ পিতৃলোক—এই শত সহস্ৰ শতাব্দী তার পায়ে-চলার পথ—তাঁর ও সকলের মৃত্যু দ্বারা অস্পষ্ট সে বিরাট জীবনটা নিউটনের মহাসমুদ্রের মত সকলেরই পুরোভাগে অক্ষুন্নভাবে বর্তমান-নিঃসীম সময় বাহিয়া সে গতি সারা মানবের যুগে যুগে বাধাহীন ।…" এছাড়া ভালো লেগেছে অপুর জীবনের বড় বড় দুঃখ আর অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভালোলাগার প্রাপ্তির বর্ণনা।অপুকে মনে হয়েছে আমাদের নিত্যকার জীবনে অতি সাধারণ,অতি আপনার, অতি পরিচিত কেউ--কিন্তু কোথায় যেনো আমাদের সব্বাইকে ছাড়িয়ে সে মহিমান্বিত-জীবনযুদ্ধে অপরাজিত এক রথের সারথি !

#রকমারি_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_জুন আনন্দ প্রকাশনীর মুদ্রণে প্রকাশিত অপরাজিত বইটির বাইন্ডিং যেমন চমৎকার তেমনি বইটির পৃষ্ঠার মানও উন্নত। তবে আনন্দ প্রকাশনীর বইয়ে খুব কমই বুকমার্ক ফিতা পেয়েছি। তবুও না কিনে পারি না। দাম? বাংলাদেশি টাকায় ৩৬০ টাকায় রকমারি থেকে পাওয়া যায়। "আপু, সেরে উঠলে আমায় একদিন রেলগাড়ি দেখাতে নিয়ে যাবি?" আহা! কী মধুর, হৃদয়স্পর্শী আকুল আবদার। কিন্তু হলো নাতো দুর্গার রেলগাড়ি দেখা! "পথের পাঁচালী" উপন্যাসটিতে অপুর বোন দুর্গা; অপুর জীবনের শুরু আর দুর্গার শেষ। তারপর আসে "অপরাজিত"। লেখকের লেখার এত বিচিত্রময়তা আর নৈপুণ্যে আমি প্রেমেই পড়ে যাই। এখন এমন অবস্থা যে, বিভূতিভূষণ ছাড়া চলেই না! যাহোক। সেই অপু-যে কিনা দিদি ছাড়া কিচ্ছুটি বুঝতো না, সারাদিনের যত খুনসুঁটি, আদর, আবদার সবই ছিল সেই দিদির সাথে। কিন্তু চলে গেল সে! বাবা! বাবা তো তার বড়ই ভালোবাসার ছিল। যার প্রতিটা পদাঙ্ক অনুসরণে চলত অপুর দিনরাত, যার বই লুকিয়ে পড়ে কেটেছে ওর শৈশব। সেও কি অপুকে রেখে চলে যেতে পারল? অপুর জীবনধারায় একে একে যায় তার দিদি, বাবা, মা। জীবনকে সে নিজ ছন্দেই সাজিয়ে নেয়। সবকিছুর মাঝে আবারও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। অপর্ণা। তার সহধর্মিণী। অপুর শূণ্যজীবনে অপর্ণা যেন অন্ধকারের বাতি হিসেবে এসেছিল। আহা! সেকী ভালোবাসা, অভিমান, একে অপরের প্রতি আবেদন তা বইটি না পড়লে জানা যায় না। তবে অপুর সেই ছন্নছাড়া প্রকৃতিটিকে যেন অপর্ণা ধরে-বেঁধে রেখেছে! কিন্তু হায়, বিধাতা বোধয় অপুর সেই মনে অপূর্ণতাকে পূরণের জন্য নিয়ে গেলেন অপর্ণাকে। বাঁধনছাড়া মুক্ত পাখি যেভাবে উড়ে যায়, সেভাবেই জোড়াছাড়া পাখির কষ্ট নিয়ে উড়ে বেড়ায় এখানে-সেখানে। তার পূর্বজীবনের সেই ইচ্ছা পূরণ করলেন বিধাতা। একে একে লেখকের প্রকৃতির উদীয়মান ঔজ্জ্বল্যের বর্ণনা আর অপুর সেই জীবনস্রোত তা যে পড়েনি সে বুঝবে না। লেখকের একটি কথা থেকে কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যায়-"সে জন্ম-জন্মান্তরের পথিক-আত্মা, দূর হইতে কোন সুদূরের নিত্য নূতন পথহীন পথে তার গতি, এই বিপুল নীল আকাশ, অগণ্য জ্যোতিলোক, সপ্তর্ষিমণ্ডল, ছায়াপথ, বিশাল অ্যান্ড্রোমিডা নীহারিকার জগৎ বহির্ষদ পিতৃলোক—এই শত সহস্ৰ শতাব্দী তার পায়ে-চলার পথ—তাঁর ও সকলের মৃত্যু দ্বারা অস্পষ্ট সে বিরাট জীবনটা নিউটনের মহাসমুদ্রের মত সকলেরই পুরোভাগে অক্ষুন্নভাবে বর্তমান-নিঃসীম সময় বাহিয়া সে গতি সারা মানবের যুগে যুগে বাধাহীন হউক।…" বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে ছড়িয়ে পড়ুক অপুর মতো হাজারও একাকীত্বকে সঙ্গী করে নেওয়া, প্রকৃতির মাঝে নিজেকে খুঁজে নেওয়া মানুষের আহ্বান, ছড়িয়ে পড়ুক তাদের বিপুলতা।
#রকমারি_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_মে অপরাজিত বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় 'অপরাজিত' উপন্যাসে অপুর সাথে অপর্নার পরিচয় ও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়াটুকু বেশ নাটকীয়।অপুর শূণ্যজীবণে অপর্নার আকস্মিক পদার্পন অপুর একমাত্র আশা ও স্বপ্নের বাতিঘর হয়ে উঠে।নিশ্চিন্দিপুরের জীর্ণকুটিরে অশ্রু লুকিয়ে পরম মমতায় সংসার গুছিয়ে নেয় বাবা-মা'এর অতি আদরের অপর্না। ভালোবাসা,খুনসুঁটি, অভিমান সবমিলিয়েই অপু আর অপর্নার সংসার।চাঁপাফুলের আকুল করা ঘ্রাণে অপু-অপর্নার প্রেম,চিঠির জবাব না দিয়ে অপুর ছন্নছাড়া জীবণ,খুনসুঁটিতে ভরপুর সংসারের চমৎকার চিত্রায়ন।বড্ড টানাপোড়েনের সংসারে, কলকাতার একরুমের কামরায় বিকেলের শেষে অপর্নার ছোঁয়ায় অপুর জীবণ ভালোবাসার ছাঁদে বাধা পড়ে।কিন্তু শেষটুকু বড্ড করুণ,সন্তান জন্মের সময় অপর্নার মৃত্যু অপুকে পুণরায় সর্বহারাদের দলে ঠেলে দেয়।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
কত তম ইডিশন পাওয়া যাবে এই বইটার? আপনাদের কাছে। এবং এই বইটা available আছে কিনা আপনাদের স্টক এ।
বইটির ২০তম মুদ্রণ এখন পাওয়া যাচ্ছে।
কত তম ইডিশন পাওয়া যাবে এই বইটার? আপনাদের কাছে। এবং এই বইটা available আছে কিনা আপনাদের স্টক এ।
বইটির ২০তম মুদ্রণ এখন পাওয়া যাচ্ছে।























