

Buy ভালোবাসা আহমেদ Online in Bangladesh
লেখক: আহমেদ ফারুক
- Author: আহমেদ ফারুক
- Publisher: প্রিয়মুখ
- Isbn: 9789849139102
- Number Of Pages: 128
- Language: বাংলা
- Edition: দ্বিতীয় সংক্করণ ২০২১
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
এক ঝড়ের রাতে ঢাবির হলে থাকা নুপুর নামের এক মেয়ে হঠাৎ-ই ফেঁসে যায় পুলিশের কাছে। এই ঘটনায় কাউকে দোষ দেয়া যায় না। এমনকি পুলিশকেও। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই একদল অসহায় মানুষের ছুটে চলা। যেখানে নাজমুল পারে না নুপুরের সঙ্গী হতে। কিংবা প্রচ- ভালোবেসেও মুসলেম পারে না মহুয়াকে ফিরিয়ে আনতে। তাই তো সে খুন করে বসে এক উকিলকে। তবে অবাক করা ব্যাপার, জীবনের হিসেব মেলাতে না পারা বাঁকা আঙ্কেলও জীবনের হিসেব মিলিয়ে দেয় তার নিয়তি। তাঁর বিয়ে হয় ঘটনাক্রমে এক কাজের মেয়ের সাথে। মানুষের মুখরোচক গল্প থেমে যায় একসময়। কিন্তু কিছু গল্পে কোনো পাখা থাকে না। মানুষ সেসব গল্প নিয়ে মাথাও ঘামায় না। নিয়তি দূরে ঠেলে দেয় নাজমুল ও নুপুরকে। তারা অনেক দূরে থেকেই কাটিয়ে দেয় জীবন। ভালোবাসা এমনই, কোনো নিয়মের জালে ধরা দেয় না। এই উপন্যাসটা দ্রুত সিনেমা হিসেবে মুক্তি পাবে। পরিমার্জিত সংস্করণ হিসেবে প্রকাশের আগে অনেকটাই পরিবর্তন করা হলো।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

পড়ে জানাব

#priyomukh_rokomari_book_club_review_2021 বইয়ের নাম : ভালোবাসা আহমেদ লেখকের নাম : আহমেদ ফারুক বইয়ের ধরণ : সামাজিক প্রেমের উপন্যাস প্রচ্ছদ : আহমেদ ফারুক প্রকাশনী : প্রিয়মুখ প্রথম প্রকাশকাল : বইমেলা ২০১৫ দ্বিতীয় সংস্করণ : বইমেলা ২০২১ মুদ্রিত মূল্য : ২০০ টাকা পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১২৮ ১২/০৮/২০২১ইং, রাত প্রায় দশটা। বরমশাই অফিস থেকে ফিরেই ব্যাগ থেকে একটা প্যাকেট বের করতেই খুশিতে আত্নহারা। কারন এই প্যাকেটের জন্য অনেকদিন ধরেই অপেক্ষা করছিলাম। খুলেই হাতে পেলাম প্রিয় লেখকের প্রিয় বই। এই বইটি পড়ার আগেই প্রিয় হয়ে উঠেছিল। এত এত বই রিভিউ পড়েছি এই বইকে কেন্দ্র করে যার জন্য অস্থির হয়ে ছিলাম কখন হাতে বইটি পাবো। আমার অতি প্রিয় একজন আপু যয়নাব রুনু সিদ্দিক বলেছিল বইটি খুবই ভালো। উৎসাহটা মূলত সেখান থেকেই শুরু। "ভালোবাসা আহমেদ" বইয়ের নাম পড়েই প্রথমেই মনে হচ্ছিল বেশ রসালো প্রেমের একটি উপন্যাস পড়তে পারবো।কিন্তু পড়ার শুরুতেই কেমন জানি একটু এলোমেলো লাগলো। ধীরে ধীরে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা পড়তে গিয়ে আটকে গেলাম বইয়ের প্রতিটি চরিত্রের ভিড়ে। চরিত্রগুলো কখন মনের অজান্তে জীবন্ত হয়ে ক্রমান্বয়ে এগুচ্ছিল বুঝতেই পারিনি। উপন্যাসে বেশ কয়েকটি চরিত্র রয়েছে -বাঁকা আঙ্কেল, নাজমুল, নুপুর, লাবণী,ইবু ভাই, মুসলেম,মহুয়া, আবুল কাশেমসহ আরও অনেকে। লেখক প্রতিটা চরিত্রে সমান গুরুত্ব দিয়েছেন যা অন্য উপন্যাস থেকে কিছুটা ভিন্ন। মূল চরিত্রে নাজমুল ও নূপুর। কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে পার করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নাজমুল নামের চরিত্রটি, যা আমাদের আশেপাশে এমন নাজমুলের মতো নিভৃত পরোপকারী আছে বলেই কৃতজ্ঞতাবোধটা এখনো বিলুপ্ত হয়নি। অন্যদিকে নূপুর নামের হতদরিদ্র পরিবারের মেধাবী মেয়েটি - অপ্রত্যাশিত এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটা মানুষের জীবনে কিভাবে ধাপে ধাপে অনিশ্চয়তার কঠিন পরিণয় নেমে আসে বা আসতে পারে সেই জ্বলন্ত প্রমাণটাকে কথা সাহিত্যিক আহমেদ ফারুক নিপুণ হাতে ফুটিয়ে তুলেছেন। ছোট্ট ভুল বড় অঘটনের সহায়ক তা নূপুরের জীবন থেকে উপলব্ধি করা যায়। -বইয়ের আরেক মানুষ বাঁকা আঙ্কেল! চরিত্রে বেশ দোষ থাকলেও একটা সময়ে ঠিকই নিজেকে সঠিক অবস্থানে ফিরে আনতে সক্ষম হয়েছেন। ইবু, সহজ সরল জটিলতাহীন নির্ভাবনার একজন সুখী মানুষ! খুবই ইন্টারেস্টিং! ফুটে উঠেছে আরও একটি চরিত্র -সহজ সরল মুসলেম ভাই তার প্রিয় মানুষের জন্য কিভাবে হয়ে ওঠে ভয়ানক। মোট কথায় চরিত্রায়ন খুব ভালো ছিল। একদিকে যেমন নুপুরের মতো নিঃশর্ত ভালোবাসার চরিত্র ছিল তেমনি মহুয়ার মতো স্বার্থপর চরিত্রও ছিল। প্রতিটি চরিত্রে ফুটে উঠেছে বাস্তবতা। সবশেষে নূপুর আর নাজমুলের প্রেম এবং নুপূরের কষ্টের জীবনী , শেষ সময় হলেও নাজমুলের জানাজায় উপস্থিতি প্রতিটি ধাপেই মিশে আছে চমৎকার লেখনশৈলী যা পড়তে গেলে পাঠক প্রতিটি পৃষ্ঠায় মুগ্ধ হবেন বলে আমার বিশ্বাস। বইটি থেকে বেশ কিছু শিক্ষনীয় বিষয় আছে - ক. কোন ঘটনার কেন্দ্রে মূল বিষয়টি কি? ঘটনার আড়ালে সত্য কিংবা মিথ্যা দুটি দিকের সঠিক মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। ছোট একটা মিথ্যে জীবনকে পৌঁছে দেয় অতুল সমুদ্রে, ধ্বংশ করে মানুষটি মূল অস্তিত্ব। তাই এটা থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। খ.ভালোবাসা শব্দটি অনেক গভীরের। ভালোবাসা ধরে রাখার বস্তুু নয়, একজন মানুষ ভালবাসতে পারে তার সবটুকু দিয়ে , কিন্তুু ভালোবাসা ধরে রাখাটা কঠিনই বটে। বাস্তবতা অনেক নিষ্ঠুরভাবে আমাদেরকে বাঁচতে শেখায়। গ. প্রতিটি পেশা সম্মানজনক ও চ্যালেন্জও বটে। সাংবাদিক পেশাটি আরও বেশি চ্যালেংজিং। কোন ঘটনা জনসম্মুখে আনার আগে অবশ্যই সত্যতা যাচাই করা উচিত যা এই পেশার সাথে ওতোপ্রোতোভাবে সংযুক্ত। ঘ. দূর্বলতাও অনেক সময় প্রয়োজনের তাগিদে খুব বেশি ভয়ংকর হয়ে উঠে যা বইটি থেকে শিক্ষা নেয়া যেতে পারে। মোট কথায় -" ভালোবাসা " শব্দটি একেকজন একেক রূপে ফুটিয়ে তুলেন। এই বইয়ে নূপুরের ভালবাসায় হয়তো লেখক এই বইয়ের নাম দিয়েছেন "ভালোবাসা আহমেদ " নাজমুলকে লেখা ডায়েরিতে লেখাটি ছিল " নাজমুল, আমার ভালোবাসা আহমেদ, আজীবন তোমাকেই ভালোবাসি৷ " 'নূপুর'। কিন্তু আমার কাছে প্রশ্নটা থেকেই যায় - নাজমুল হাসান, নুপুরের ভালোবাসা আহমেদ! লেখক তার লেখার মধ্যে দিয়ে সত্যিই বুঝিয়ে দিয়েছে এমনও জীবন হয়, ভালোবাসাও এমন হয়! " ভালোবাসা আহমেদ " গল্পটিও বাস্তব থেকে নেয়া। যদিও লেখক গল্পের কারণে কল্পনা জুড়ে দিয়েছেন তবুও গল্পটির অনেক অধ্যায়েরই ভালোবাসার এই করুন বাস্তবতাটিকে আমি মেনে নিতে পারিনি। হয়তো আমার মতো অনেকেই সত্যিটা মেনে নিতে পারেননা। "সকল ভালোবাসা পূর্ণতা পাক "- মূলত সবাই এটাই চায়। সবশেষে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই Ahmed Faruq ভাইয়াকে এক দিনের মধ্যে বইটি হাতে পেলাম এবং সময় বাড়ানোর জন্য রিভিউ দিতে পারলাম। আলহামদুলিল্লাহ! লেখকের অটোগ্রাফ সহ বই পেয়েও খুশি। বইয়ে লেখক নিজেই চমৎকার প্রচ্ছদ করেছেন, যা প্রশংসনীয় বটে! "ভালোবাসা বিক্রির মতো অপরাধ এ পৃথিবীতে দ্বিতীয়টা নেই" পছন্দের লাইনটি মনে গেঁথে থাকবে... ধন্যবাদ ও শুভকামনা নিরন্তর। বুক_রিভিউ : সুলতানা ইসলাম ছন্দা তারিখ : ১৩/০৮/২০২১ ইং,চট্টগ্রাম

#priyomukh_rokomari_book_club_review_2021 বই: ভালোবাসা আহমেদ লেখক: আহমেদ ফারুক প্রকাশনী: প্রিয়মুখ প্রথম প্রকাশ: মুদ্রিত মূল্য: 200 রিভিউকারী: ঈস্তিমাম ইফাত ভালোবাসা আহমেদ একটু ব্যাতিক্রমী উপন্যাস, কারণ প্রথম যখন পড়তে শুরু করেছিলাম তখন আউলাঝাউলা লাগছিল। তবে যতো সামনে এগোলাম ততই মনে হলো প্রতিটা চরিত্র জীবন্ত। লেখক প্রথমেই “লেখকের কথা” অংশে বলে দিয়েছে “গল্পটা সত্য, কিন্তু যেহেতু উপন্যাস তাই কিছু অংশ কাল্পনিক”। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে পুরোটাই যেনো সত্য ঘটনা। যেকোনো উপন্যাস পড়ার সময় আমি ভাবতে থাকি, আসলেই কি এসব সম্ভব আমাদের বাস্তব জীবনে! এই উপন্যাসটির ক্ষেত্রেও তার ব্যাতিক্রম হয় নি। এবং শেষ পর্যন্ত মনে হয়েছে আসলে লেখক যতোটা সহজ করে লিখছে, বাস্তবতা ততটা সহজ নয়। আমার মনে হয় বইটিতে লেখক দুইটি মেসেজ ও দিয়েছে। ১.সত্য -মিথ্যা যাচাই না করে কাউকে দোষ দেয়া উচিত নয়। সামান্য একটা ভুল অনেক গুলো মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। একটা সুস্থ সুন্দর জীবন নিমিষেই ধংস করে দিতে পারে সামান্য কিছু সত্য মিথ্যায়। ২.কাউকেই দূর্বল মনে করা উচিত না। সবচেয়ে দূর্বল মানুষটাও প্রিয়জনের খাতিরে হয়ে যায় ভয়ানক, হয়ে উঠে নৃশংস। বইটিতে খুবই সাবলীলভাবে প্রতিটা চরিত্র তুলে ধরেছেন লেখক। প্রতিটা চরিত্রে সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। বইটিতে রয়েছে চরিত্রে দোষ থাকা বাঁকা আঙ্কেল যিনে শেষ বয়সে এসে হয়ে যায় পাক্কা সংসারী। আছে ইবুর মতো প্রাণচ্ছল সহজ একজন মানুষ। আছে নাজমুল যে কঠিন সময় ধৈর্য ধরে পারি দিয়ে পৌঁছে যায় জীবনের লক্ষ্যে। তার মতো নিভৃতে উপকারী মানুষ আমাদের সমাজে আছে বলেই হয়তো বিশ্বাস, ভরষা কিংবা ভালোবাসা আছে। নুপুর... আপনি খেয়াল করে দেখলে বুঝতে পারবেন আমাদের আশেপাশে এমন হাজার হাজার নুপুর আছে। যারা বিনা দোষে দোষী হয়, শাস্তি পায়।সামান্য একটু ভুলে শেষ হয়ে যায় তাদের সর্বস্ব, হারায় নিজের পরিবার কিংবা ভালোবাসা। আরও পাবেন সবচেয়ে সহজ সরল মুসলেম ভাই তার প্রিয় মানুষের জন্য কিভাবে হয়ে ওঠে ভয়ানক। আচ্ছা বহু বছর পর যদি আপনি আপনার কারো জানাযায় অংশগ্রহণ করেন, আর তখন জানতে পারেন জানযা অন্যকারো না আপনার প্রিয় মানুষটির জানাযা। তখন কেমন লাগবে! হয়তো জানা নেই আপনার আমার, কিন্তু এমনই একটি তিক্ত ঘটনা দিয়ে শেষ হয়েছে “ভালোবাসা আহমেদ”। লেখক তার লেখার মধ্যে দিয়ে সত্যিই বুঝিয়ে দিয়েছে এমনও জীবন হয়, ভালোবাসাও এমন হয়!।

আজই পড়ে ফেলুন না হলে মিস করবেন আনেক দারুণ 🥰

#priyomukh_rokomari_book_club_review_2021 📚বই পরিচিতি:- 📘বই:ভালোবাসা আহমেদ 🖊️লেখক: আহমেদ ফারুক 📘ধরণ: রোমান্টিক উপন্যাস 📑প্রকাশক: প্রিয়মুখ প্রকাশন 📓প্রচ্ছদ: আহমেদ ফারুক 📖পৃষ্ঠা:১২৮ 💠মূল্য: ২০০ টাকা রিভিউ লেখক:জাভেদ আব্দুল্লাহ কিছু বই সত্যি ব্যাতিক্রমী হয়ে থাকে।বইয়ে মনে হয় চুম্বকীয় কিছু একটা থাকে।এমনই সমৃদ্ধি লেখার সমষ্টি এই বইটি।যা শুরু করলে শেষ করা ছাড়া বিরতি নেওয়া কষ্টকর। 📚বইটি যা নিয়ে: আমরা মানুষ আমাদের জীবন একটা দৃশ্যপট।সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বিষাদ, হাসি কান্না নিয়েই আমাদের এই ক্ষনিকের জীবন।এমনি অনেক গুলো মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়ে রচিত "ভালোবাসা আহমেদ" বইটি।আরও বিস্তারিত জানতে হলে মুক্তো খুঁজে পাওয়ার ন্যায় ডুব দিতে বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠায়। 📚যাদের কে নিয়ে বইটি: লাবনী,ইবু, মোসলেম,মহুয়া, বাঁকা আঙ্কেল, নাজমুল, নুপুর, আবুল কাসেম সহ আরও অনেকের সমষ্টি এই বইটি। 📚সারসংক্ষেপ: আমার খুব পছন্দের একটি চরিত্র হলো নুপুরের চরিত্র। এই মেয়েটি দরিদ্র একটি পরিবার থেকে তার স্বপ্নের সাথে সাথে বেড়ে উঠছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি দু-একটা প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের খরচের পাশাপাশি পরিবারের চাহিদাও পূরণ করতো নুপুর। নাজমুল নামে এক সম্ভ্রান্তশালী ধনী পরিবারের ছেলের সাথে নুপুরের প্রণয় হয়। তার সবই ঠিকঠাক চলছিল।কিন্তু, কোন এক দুর্বিষহ ঝড় এসে তার জীবন কে তচনচ করে দিয়েছিল,এমন ঝড় যার কোন পূর্বাভাস নেই। অনেকটা এমন "কেউ মরে পাপে আর কেউ তাপে" নুপুরের বেলাও ঠিক তাই হয়েছিল। নুপুর তার প্রতিদিনের টিউশনি শেষ করে রাতে, হলে ফেরার পথে।কতিপয় অপরাধী মহিলাদের পুলিশ ধরার জন্য পিছু আসছিল,মহিলারা যখন নুপুরকে অতিক্রম করছিল,নুপুর সাতপাঁচ না ভেবে তাদের সাথে দৌড়াতে থাকে,পরিশেষে পুলিশ সবাই কে পতিতাবৃত্তি'র অভিযোগে গ্রেফতার করে।কয়েকদিন পর মুসলেকা দিয়ে সবাই মুক্তি দিচ্ছিল কিন্তু, নুপুর এটা করতে নারাজ কারণ সে তো এটা করে নি।সত্যিই করেনি।তারপর চলে গেলে বহুদূর,,, যা পাঠক কে বই থেকে খুজে নিতে হবে। কিছুদিন পর তার প্রেমিক নাজমুল যখন আসে, তখন নুপুর আর লজ্জায় তার সাথে দেখা করে নি,পরবর্তীতে নাজমুল তার বন্ধু ৪০ উর্ধ্ব বয়সী বাঁকা আংকেল সহ সবাই কে রেখে যায় প্রবাসে। রেখে যায় চিরকুট। যখন ফিরে আসছিল তখন সে ছিল বিখ্যাত ফটোগ্রাফার, এটা তার শখ ই ছিল এবং সফলও হয়েছিল। কিন্তু নুপুর কে আর পেলো না। পরবর্তীতে সাংবাদিক ইবু, সহজ সরল জটিলতাহীন নির্ভাবনার এই মানুষটি নুপুর কে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে। পরিশেষে, নাজমুলের দেখা হয়, নুপুরের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়। 📚বইটি পড়ার পর অনুভূতি: বইটি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। চরিত্রের সংখ্যা বেশি হলেও,কখনো হ-য-ব-র-ল হয়নি সবাই কে মিলাতে পেরেছি।কেননা,লেখক খুবই সাবলীল ও সহজ সরল ভাবে উপস্থাপন করেছেন। আশা করা যায়,বইটি যেকোন পাঠক পরে তৃপ্তি পাবেন পছন্দের একটি লাইন_____ যারা সহজে রেগে যায়,তাদের অনেক কিছু হারাতে হয়।























