

Buy তোমার নামে সন্ধ্যা নামে Online in Bangladesh
লেখক: সাদাত হোসাইন
- Author: সাদাত হোসাইন
- Publisher: অন্যপ্রকাশ
- Isbn: 9789845027342
- Number Of Pages: 224
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2021
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"তোমার নামে সন্ধ্যা নামে" বইয়ের ভূমিকার থেকে নেয়া:উপন্যাসটি লেখার পেছনের ঘটনা মজার। পাক্ষিক অন্যদিন পত্রিকার ঈদসংখ্যার জন্য গত ক বছর ধরে প্রতিবারই একটি উপন্যাস লিখি আমি। সেই উপন্যাসই পরবর্তীসময়ে অন্যপ্রকাশ থেকে বই আকারে প্রকাশিত হয়। এবারও লিখছিলাম। কিন্তু উপন্যাসটি শেষ করা হয় নি। শেষ না করার কারণ মহামারি করােনা। করােনার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে এবার অন্যদিন ঈদসংখ্যা বের হলাে না। কিন্তু এই খবর যতদিনে জেনেছি, ততদিনে উপন্যাসের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ লেখা শেষ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লেখা জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় লিখতে হচ্ছিল একটান। দমবন্ধ পরিস্থিতি। ঠিক সেই মুহুর্তে পত্রিকা বের হচ্ছে না শুনে যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম। ল্যাপটপ বন্ধ করে মনের আনন্দে অবসর কাটাতে লাগালাম। তারপর দীর্ঘসময় কেটে গেল। মাথা থেকে হারিয়ে গেল এই উপন্যাসও। কিন্তু হঠাৎই একদিন অন্যপ্রকাশের মাজহারুল ইসলাম বললেন, ‘উপন্যাসের কী খবর? আমি চমকে উঠে বললাম, কোন উপন্যাস ?' তিনি আমাকে স্মরণ করিয়ে দিলেন। আমি ল্যাপটপে খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কার করলাম, সেই ফাইল আমি খুঁজে পাচ্ছি না। কী নামে সেভ করেছিলাম তা-ও মনে নেই। বহু তত্ত্ব-তালাশের পর অবশ্য সেই ফাইল খুঁজে পাওয়া গেল। কিন্তু ততদিনে উপন্যাসের অসমাপ্ত অংশের কী গল্প আমি ভেবে রেখেছিলাম, চরিত্রগুলাের পরিণতি কী হবে, সমাপ্তি কী, এসবই আমি বেমালুম ভুলে গিয়েছি! ফলে লেখাটা আবারও পড়তে হলাে। একবার, দুবার, বহুবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই বহুবার পড়তে গিয়েই নতুন গল্প মাথায় চলে এল। তবে তা আগের লেখা বাদ দিয়ে নয়। বরং সেই আগের লেখার সঙ্গেই যুক্ত হলাে নতুন ঘটনা-প্রবাহ, নতুন সূচনা-সমাপ্তি, সঙ্গে দারুণ কিছু চরিত্রও। কিন্তু এতে কি গল্পের শ্রীবৃদ্ধি হয়েছে ? এই প্রশ্নের উত্তর পাঠক দিতে পারবেন না। কারণ, তারা সেই প্রথম অংশ পড়ার সুযােগ পান নি। তবে আমার কেন যেন মনে হচ্ছে, 'তােমার নামে সন্ধ্যা নামে’র শ্রীবৃদ্ধি ঘটেছে।-সাদাত হােসাইন
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

পড়ি নাই 🤣 গিফট দিয়ে দিছি 🤣

খুবই সুন্দর একটি বই।উপন্যাস প্রেমিদের নিরাস করবে না
It is just amazing thrillar & excitemental book. I realy like it. And i will read it again & again.

অনেক অনেক সুন্দর রোমান্টিক উপন্যাস।

রায়হান, অন্তু, সজলকে চাপিয়ে ফজলু মিয়ায় যেনো হয়ে উঠলেন এই উপন্যাসের নায়ক! যেই মানুষটা সবার কাছে যেনো এক বিরাট ভয়ের প্রতীক। অথচ সেই কিনা বড় কিছু মনুষ্যত্বপূর্ণ কাজ করে গেছেন। হোক না আড়ালে। অনেক অপকর্মেও সে সরাসরি জড়িয়ে ছিলো। কত মানুষকেই সে পৃথিবী থেকে সরিয়েও দিয়েছে। 'কে কাকে কতটুকু ভালোবাসে তার ওপর সম্পর্ক নির্ধারিত হয় না। সম্পর্ক নির্ধারিত হয় কে কাকে কতটুকু শ্রদ্ধা করে তার ওপর। ভালোবাসাহীন শ্রদ্ধার সম্পর্কও টিকে যেতে পারে। কিন্তু শ্রদ্ধাহীন ভালোবাসার সম্পর্ক কখনো টেকে না'। কথাটা নদী বলেছিলেন রায়হানকে। রায়হান নদীর চলচ্চিত্রের পরিচালক। তার ভালোলাগা আর নদীর মায়েরও ভালোলাগা ছিলো রায়হানকে ঘিরে। কিন্তু রায়হান তার চলচ্চিত্রের প্রযোজক ফজলু মিয়ার কাছে নদীকে নিয়ে যাওয়া আর ফজলু মিয়া কর্তৃক নদীকে অপমান করার কারণে রায়হানের প্রতি উদাসীন হয়ে পড়েন। সেই সুবাদে আর মঞ্চ নাটকের কাজ করার সুত্রে জড়িয়ে পড়ে সজলের সাথে। সজলকে বিয়েও করেন নদী। যদিও সেই বিয়ে টিকেনি। আর্থিক টানাপোড়েনসহ নানান জঠিলতায় সংসার স্থায়ী হয়নি। তাদের ঘর জুড়ে আসেন রুনি। রুনির অপহরণসহ নানান কারণে আবারও সজলের কাছাকাছি যান নদী। সবমিলিয়ে দারুণ রোমাঞ্চকর এক কাহিনী। নদীর ছোট বোন নিতু তারই ক্লাসমেট অন্তুর সাথে জড়িয়ে পড়েন কিছু সমস্যায়। নদীর এবরশন পরে আকিবের স্কুলে শিক্ষকতা করা। সবমিলিয়ে নিষ্ঠুর কিছু গল্প। নিতুর 'ও যদি আমায় নিয়ে কোথাও চলে যেতে পারে?' 'এমন অচেনা কোথাও'। এমন হৃদয়বিদারক আকুতি সত্যি খুবই খারাপ লাগার। পরে নিতুর সন্তান নেয়ার অক্ষমতা আর অন্তুকে না পাওয়া; সবমিলিয়ে একজন মেয়ের জীবনে কত ঝড় আসতে পারে, তার ক্ষানিকটা ধারণা পাওয়া যায়। 'এই জীবনে এই মেয়েটার চোখে যে নোনা জলের সমুদ্র সে এঁকে দিয়েছে, সেই সমুদ্র কি কখনো মুছে দিতে পারবে?' হেলাল আর খলিফারও কত গল্প। ফজলু মিয়ার ভয়ে যারা তটস্থ থাকতো। খলিফার বাবাকেও মেরেছে ফজলু মিয়া। পরে হেলালকেও। খলিফার বোন আফিয়া বিশ্বাস করতো যে তার বাবাকে ফজলু মিয়া মেরেছে। যদিও খলিফা সেটা কিছু সময়ের জন্য ভুলে থাকতে চাইতো। যদিও সে ওটাই বিশ্বাস করতো। ফজলু মিয়াকে ক্রসফায়ারে মেরেছে পুলিশ। অথচ যেই পুলিশের সাথে তার ছিলো প্রচুর দহরমমহরম। পুলিশ তাকে ভয়ও পেতো। মানুষের নিজস্ব শক্তির জোয়ার কমলে তাকে এভাবেই ছেড়ে যেতে হয় পৃথিবী। ছেড়ে যেতে বাধ্য করে। অথচ ফজলু মিয়ার অনেক ভালো গুণও ছিলো। সমস্যা হচ্ছে, গুণের চেয়ে দোষের পাল্লা ভারী হলেই বিপদ। সর্বোপরি 'তোমার নামে সন্ধ্যা নামে' উপন্যাসটা দুর্দান্ত চমতকার আর রোমাঞ্চকর। দারুণ এক ঘোরেই পড়া শেষ হলো।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
yellow cover book available?
দুঃখিত, নেই
বইটা কী ভালো হবে?
বইটি রোমান্টিক উপন্যাস ধরণের সংগ্রহে রাখার মত বেশ চমৎকার একটি বই, নিঃসন্দেহে কিনতে পারেন
এই বই এর কি একটি খণ্ড ? নাকি এর আগে আরো পার্ট আছে ? সাদাত হোসাইন এর এই বইটি আরো দুইটা কালার এর দেখেছি ৩ টা বই কি এক নাকি ৩ টা আলাদা ?
প্রিয় গ্রাহক, এই বইয়ের একটিই খন্ড, আর পার্ট নেই। ৩ টা বই-ই এক। শুধু কভারের রঙ ভিন্ন।
How many page
Dear customer, a total of 224 pages of the book, thanks.























