স্মরণিকা
বই কালেকশন

Buy স্মরণিকা Online in Bangladesh

লেখক: সমুদ্রিত সুমি

2.57
(2 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: সমুদ্রিত সুমি
  • Publisher: নবকথন প্রকাশনী
  • Isbn: 9789849774440
  • Number Of Pages: 96
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2023
৳ 210৳ 28025% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

“ইহান ভাই!” অরিনের ডাকে আনমনে জবাব দেয় ইহান, “বল।” “আমার দিকে কি তাকানো যায় না? আমি কি দেখতে এতটাই খারাপ? ” “জোছনা বিলাসেই যেখানে ভয় হয়, সেখানে সূর্যের আলোয় শরীর পোড়ানো ইচ্ছে বা সাহস কে দেখায়?” “তবে তাকে লুকিয়ে কেন দেখো?” “মালির দায়িত্ব ফুলের যত্ন নেওয়া, ফুলকে নিজের বলে দাবি করা নয়। এমনকি ফুলের পাপড়ি ছুঁয়ে দেওয়াও তার জন্য নিষিদ্ধ, ঘোর বারণ।” “কিছু ফুল ছুঁয়ে দিলে দোষ কোথায়?” “দোষ হলেও মানা যেত! ছুঁয়ে দিলে দোষ নয় কলঙ্ক লেগে যাবে সুন্দর ফুলের গায়।” “এমনই যদি হয়, তবে আমি কলঙ্কিত হতে চাই তার ছোঁয়ায়।”

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

2.57
(2 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
50%
4
50%
3
0%
2
0%
1
0%
Fariha Fairuz
Fariha Fairuz ভেরিফাইড
18 Nov 2024

Valo chilo

Sakib
Sakib ভেরিফাইড
25 Nov 2023

#স্মরণিকা #পাঠ_অনুভূতি ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ স্মরণিকা •লেখকঃ সমুদ্রিত সুমি •ধরনঃ রোমান্টিক •প্রকাশনীঃ নবকথন প্রকাশনী •প্রচ্ছদঃ আভা তাজনোভা ইরা •মুদ্রিত মূল্যঃ ২৮০ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৯৬ •প্রকাশকালঃ অক্টোবর ২০২৩ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ কিছু শনিবারের জন্য আমি অপেক্ষা করে থাকি এরকম ভাবে বই পড়ার জন্য । এরকম শনিবারগুলো আসে, আবার চলেও যায় নীরবতার সাক্ষী নিয়ে । কিন্তু আমার পড়া হয় না । বই নিয়ে সেভাবেও বসে পড়া হয় না । তবুও আমি মানসিক ভাবে অপেক্ষায় থাকি কোনো বই পড়ার জন্য । একরাশ অনুভবে থাকার জন্য । আজকে শনিবার তাই ঘুমকে ছাড়িয়ে আমার বই পড়ার গল্প । বইকে কাছাকাছি রেখে জড়িয়ে ধরার গল্প । ♦পারিপার্শ্বিক দিকঃ ছোট একটা বই পড়বো হঠাৎ মনে হলো । এরকম পরিস্থিতিতে কোন উপন্যাস পড়া যায় ভাবতে ভাবতেই এই বইটার দিকে খেয়াল হলো । নিয়ে বসা হলো তখনই । ঠিক সকাল ১১টায় বইটি নিয়ে পড়তে বসা হলো । যখন সময়টা দুপুর প্রায় ১টার কাছাকাছি তখন বইটা পড়া শেষ হয়ে গেল । ♦নামকরণঃ একজন নারীর নিজের ভালোবাসাকে আলগোছে আঁকড়ে ধরে ছুঁয়ে থেকে থেকে জড়িয়ে ধরে রেখে তা স্মরণ করতে করতে স্মরণিকা হয়ে থাকার আখ্যান এটি । অনুভূতি, আবহ এবং কল্পনা সবকিছু নিয়ে ভাবতে মনে একসময় অনুভব চলে আসেই । তা জড়িয়ে রেখে ভালোবাসাকে অনুভব করে শুধু মনে রেখে দেয়ার নামই স্মরণিকা । এই উপন্যাসের নামকরণ ‘স্মরণিকা’র মতো এত অদ্ভুত সুন্দর হওয়ায় বিষয়টা বেশ ভালো লাগার মতোই । ♦ফ্ল্যাপে লেখাঃ “ইহান ভাই!” অরিনের ডাকে আনমনে জবাব দেয় ইহান, “বল ।” “আমার দিকে কি তাকানো যায় না? আমি কি দেখতে এতটাই খারাপ? ” “জোছনা বিলাসেই যেখানে ভয় হয়, সেখানে সূর্যের আলোয় শরীর পোড়ানো ইচ্ছে বা সাহস কে দেখায়?” “তবে তাকে লুকিয়ে কেন দেখো?” “মালির দায়িত্ব ফুলের যত্ন নেওয়া, ফুলকে নিজের বলে দাবি করা নয় । এমনকি ফুলের পাপড়ি ছুঁয়ে দেওয়াও তার জন্য নিষিদ্ধ, ঘোর বারণ ।” “কিছু ফুল ছুঁয়ে দিলে দোষ কোথায়?” “দোষ হলেও মানা যেত! ছুঁয়ে দিলে দোষ নয় কলঙ্ক লেগে যাবে সুন্দর ফুলের গায় ।” “এমনই যদি হয়, তবে আমি কলঙ্কিত হতে চাই তার ছোঁয়ায় ।” ♦প্রচ্ছদঃ মূলত এই প্রচ্ছদটি যখন প্রথম দেখা হয় তখন বেশ সাধারণ মনে হলেও একনাগাড়ে দেখতে থাকলে মাঝে মাঝে বেশ মায়াই লাগে যেন দেখতে । মনে হয় যেন একটি মেয়ের মনের অন্তরীক্ষে কতশত বেদনা জড়িয়ে ধরে আছে । কত নীরব বেদনা চোখ দিয়ে ঝরে পড়ে । এছাড়া বইটির পিছনের প্রচ্ছদটা যেন বেশি করে প্রিয় আমার । অদ্ভুত এক ধাঁচের মধ্যে থাকা ওই ফুলগুলো যেন নিঃসঙ্গতা উপহার দিয়ে যায় তাদের । এই প্রচ্ছদটা তাই অনেকক্ষণ ধরে দেখতে দেখতে মায়া লেগে যায় । ♦চরিত্র বিশ্লেষণ এবং টুকিটাকিঃ ছোট এই উপন্যাসের বেশ কয়েকটা চরিত্র আছে যাদের নিয়ে কথা বলতে বেশ ইচ্ছে করে । উপন্যাসে প্রথমেই আছে অরিন নামের মিষ্টি একটা চরিত্র । প্রজাপতির ন্যায় উচ্ছল, মিষ্টি প্রাণবন্ত স্বভাবের মেয়েটি হঠাৎ ভালোবাসতে শিখে । ভালোবাসায় নিজেকে মেলে ধরে ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে উঠে যেন । ভালোবাসার এক অদ্ভুত অনুভব তাকে বারংবার মনে করায় যেন । এছাড়াও আছে ইহান নামের একটি চরিত্র । যার কাছে ভালোবাসা মানেই ভালোবাসায় থাকা প্রতিটি মানুষের সুখী থাকার দায়বদ্ধতা । ভালোবাসা যেন পূর্ণতা পাওয়ার চেষ্টা এবং অদ্ভুত এক অনুভূতি । এছাড়াও উপন্যাসে আছে মারিয়াম নামের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি চরিত্র । ভাই বোনদের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখা এই মেয়েটি জানে নিজের ছোট বোনকে কিভাবে আগলে রাখতে হয় । অহনা বেগম এবং সুমন শেখ এর মতো আরো কিছু কিছু চরিত্র যেন উপন্যাসকে ধরে রাখে পুরোটা সময় । ♦প্রিয় চরিত্রঃ এই উপন্যাসের প্রিয় চরিত্র হিসেবে যখনই আমার মনে হয়েছে, তখনই যেন আমার লিখতে ইচ্ছে করেছে বারবার যে, এটা অরিনই হবে । অরিন’এর স্মরণিকা হয়ে ওঠার এই গল্পে ওকে ভীষণ প্রিয় এবং কাছের মনে হয় যেন । ভালোবাসা নামক মিষ্টি এবং কষ্ট আর পাওয়া পাওয়া সুখ-দুঃখের এই আখ্যানে কারো স্মরণে থেকে যাওয়াটা ভীষণ কাছের মনে হয় । তাই অরিন থেকে যাক এই উপন্যাসের প্রিয় চরিত্র হয়ে । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √উপন্যাসের পটভূমি এবং জীবনধারা বেশ সাধারণ এবং সচরাচর ঘটে যাওয়ার মতো হলেও তা যেভাবে উপন্যাসের দৃশ্যপট অনুযায়ী সাজানো হয়েছে তা বেশ ভালো লাগার মতো ছিল । বেশ একটা ঘটনায় তীব্রতা এবং গভীরতা নিয়ে আসার চেষ্টা ছিল । যদিও এই ধরনের পটভূমিতে যতটা অন্যরকম ভাবে গল্পকে সাজানো যায় ততটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে তা । এই উপন্যাসে তা বেশ দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । এছাড়া ঘটনার বেশ কয়েকটি প্রেক্ষাপট উপন্যাসে সামান্য দূরত্ব রেখে সৃষ্টি করা হয়েছে যার জন্য সামান্য সময়ে উপন্যাসে ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন বলে মনে হয়েছিল । √এই ধরনের উপন্যাসে দৃশ্যপট এবং বর্ণনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি বেশি থাকে বলে চরিত্রের আবহ কিংবা তাতে সে অনুযায়ী ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা খানিকটা কম থাকে বলে চরিত্র গঠনকে ভীষণ ধোঁয়াশা মনে হয় যেন । তা খানিকটা করা হয় উপন্যাসের গভীরতা সৃষ্টি করার জন্য বাকিটা করা হয় উপন্যাসের প্রতি আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য । যদিও সাময়িক ভাবে তা অস্বস্তিকর অবস্থাও তুলে ধরে । এই উপন্যাসেও চরিত্র গঠনে ওসমান এবং মিনা চরিত্রের মধ্যেকার রসায়ন এবং তাদের ঘটনার ঘনঘটার দৃশ্যপট বারবার পাল্টে গিয়ে পটভূমিতে আকর্ষণের জায়গাটিতে সামান্য একটু কম বলে মনে হয়েছে । ওখানে আরো একটু চরিত্রের গঠন কিংবা উপস্থিতি বাড়ানো যেতে পারতো । এছাড়া অরিন চরিত্রটির গঠন এবং উপস্থিতি বেশ সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে । উপন্যাসের ভারসাম্য আবহ তৈরি করার জন্য তার আবেগ, অনুভূতি এবং প্রতিটি নিঃশ্বাসের ছাপ কল্পনায় আসা দারুণভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে । ইহান চরিত্রটির মাঝে এক ধরনের ধোঁয়াশা এবং দূরে থেকেও কাছের কাছের রাখার এক চেষ্টা করা হয়েছে । যার ফলে তার চরিত্রের গঠন এবং উপস্থিতিতে তার একটা ধাঁচ রাখা হয়েছে । এছাড়াও তপু চরিত্রটি দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । ♦প্রিয় অংশঃ এই উপন্যাস কারো স্মরণিকা হয়ে ওঠার গল্প । স্মরণিকা হয়ে জীবনে ভালোবাসার অনুভবে থাকার গল্প । এই উপন্যাসের বেশ কয়েকটি প্রিয় অংশ এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা যেটি আমার প্রিয় অংশ তা হলো, অরিন’এর আপনমনে গেয়ে ওঠা ৬৮ পৃষ্ঠার সেই অংশটি । ওই অংশটুকু আমি দুইবার পড়েছিলাম শুধু অনুভব করে যাওয়ার জন্য । উপন্যাসের বিষণ্ণতা, নিঃসঙ্গতা এর এক অদ্ভুত সুর থাকে । এই সুরে যেন ভীষণ আপেক্ষিকতা । হয়তো এর এক মাধুর্য আবহ আমাকে বারবার এগুলো অনুভব করাতে চায় । তাই দুইবার পড়ে শুধু ভেবেছি । এছাড়াও উপন্যাসে ব্যবহৃত চিঠিগুলো আমার বেশ ভালো লেগেছে । উপন্যাসে চিঠি থাকলেই সেগুলো আমার প্রিয় হয়ে থাকে সবসময় । এখানেও যেন ঠিক তাই হয়েছে । এছাড়াও উপন্যাসের শেষ দৃশ্যপট আমার কাছে খুব প্রিয় বলে মনে হয়েছে । অরিন এর শেষ উক্তিটিও বেশ কাছের মনে হয়েছে । ♦অন্যান্য বিষয়ঃ √প্রকাশনীঃ প্রকাশনী হিসেবে নবকথন প্রকাশনী এর বই আমার বেশ অনেকগুলো পড়া হয়ে গেল । নবকথন প্রকাশনী প্রতিবারের মতোই বইয়ের বাঁধাই দারুণ ভাবে করেছে । বইটির প্রচ্ছদ এবং বইটিকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । প্রচ্ছদটি দেখতে দেখতে থাকলে বেশ মায়া দিয়ে ঘেরা মনে হয় । ছোট এই বইটা তাই হাতে নিয়ে ধরতে বেশ লাগে । বইটিতে টাইপিং মিস্টেক সেভাবে না থাকলেও বেশ কয়েকটি আছে । উপন্যাসের চরিত্রের নাম গঠনে টাইপিং মিস্টেক এসেছে কয়েকবার । জিহাদ এর নাম জাহিদ এসেছে বেশ কয়েকবার । এছাড়া উপন্যাসের দৃশ্যপট পরিবর্তনে কিংবা আবহ পরিবর্তনের এক সুরের টান আনার জন্য জলছাপের দারুণ এক খেয়াল থাকে । জলছাপের এই দূরত্বের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি বলে মনে হয় । উপন্যাসে জলছাপে পরিবর্তন কয়েক জায়গায় করা হয়নি । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ স্মরণিকা নামের এই উপন্যাসটি আমি একটা সময়ে দেখতাম ফেসবুকের নিউজফিডে গল্প হয়ে ঘুরে বেড়াতে । কি এক অদ্ভুত কারণে এটার একটা শব্দও আমার তখন পড়া হতো না । এই অদ্ভুত আলগোছে উপন্যাসের নামটিকে ভীষণ কাছের মনে হতো । লেখক সমুদ্রিত সুমি এর লিখনশৈলী সম্পর্কে একেবারেই কোনো ধারণা না থাকা আমার বইটি যখন আসে প্রথমেই নিয়ে ফেলি নামের এত সুন্দর একটা ছাপ থাকার জন্য । লেখকের উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহে অনুভূতি প্রকাশ করার চেষ্টা বেশ দারুণ । লেখক তা সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন । বর্ণনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি উপন্যাসে দারুণভাবে এনেছেন । অতীত এর ঘটনাপ্রবাহ কল্পনা করা এবং বর্তমান এর দৃশ্যপট একসাথে আনার চেষ্টা করা হয়েছে । তবে এক্ষেত্রে একই পৃষ্ঠায় সামান্য ফাঁকা রেখে দূরত্ব তৈরি করার একটু দরকার ছিল বলে মনে হয়েছে । লেখকের পরবর্তী বইয়ের জন্য শুভকামনা রইলো । ♦রেটিংঃ ৪/৫ ♦উপসংহারঃ ইদানিং সচরাচর বই না পড়তে পারা আমার কোনো বই পড়া শেষ হয়ে গেলে তখন মনে হতে থাকে পরবর্তী বইটি পড়ার জন্য যেন এত দূরত্ব কখনোই না আসে । এই দূরত্ব যেন আমাকে ধরেও না রাখে । অবসর সময়ে একটা বই যেন আবারও পড়া হয় আমার । তবুও আমি অপেক্ষা করি, নতুন কোনো বই পড়ার । নতুন কোনো বইয়ের ঘটনার ছন্দে নিজেকেই মেলে ধরার প্রতিটি পৃষ্ঠার আবহে এবং ভাঁজে ভাঁজে । কি অদ্ভুত তাই না, একজন মানুষের স্মরণিকা হয়ে জীবনভর স্মরণ করে যাওয়ার এক চেষ্টাকে দূর থেকে ভীষণ সুন্দর এবং আবেগের মনে হয় যেন! আসলেই অদ্ভুত, ভীষণ অদ্ভুত!

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)

বাবলি

বাবলি

৳ 400৳ 400
4.63(2)
কিনুন