

Buy রহস্যলীনা- ৪ Online in Bangladesh
লেখক: ফৌজিয়া খান তামান্না
- Publisher: চলন্তিকা
- Isbn: 9789849757726
- Number Of Pages: 208
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 2023
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
একে একে রহস্যলীনার তিনটি সংখ্যার পরে সময় নিয়ে হলেও রহস্যলীনা ৪ আত্মপ্রকাশ করল। এ সংখ্যার বিষয়বস্তু পৈশাচিক, পিশাচ কাহিনি নয়। লেখা আহবানের সময়, এ সংμান্ত আমার নানান পোস্ট ও লাইভে এই বিষয়টি আমি কয়েকবার ব্যাখ্যা করেছি। পিশাচ কাহিনি হলো, পিশাচ নামক দানবদের নিয়ে কাহিনি। আর গল্পে পৈশাচিকতা হলো, যেকোনও ধরনের গল্পের মধ্যে পৈশাচিকতা তুলে ধরাÑতাতে পিশাচ নামক দানবের উপস্থিতি না থাকার সম্ভাবনাই বেশি, আবার থাকতেও পারে। পৈশাচিক বিষয়ের উপস্থিতি নানাভাবেই হতে পারে। যে কোনও বর্ণনায় গা রিরি করার ব্যাপার থাকা, কলজে ধরে টান মারার মতো একটি হাহাকার থাকা, ব্যাখ্যাতীত ও অবর্ণনীয় অপ্রাপ্তি, হারানোর যন্ত্রণা এরকম অনেক কিছুতেই পৈশাচিক অনুভ‚তিতে পাঠক আচ্ছণড়ব হতে পারে। সহজভাবে বলতে চাই, পিশাচ কাহিনি যতটা নির্ভেজাল ভ‚তুড়ে ও ভয়ানক হতে পার; ঠিক তেমনিভাবেই পৈশাচিক কাহিনি পিশাচের উপস্থিতি ছাড়াই তারচেয়েও দ্বিধান্বিত ভয়াবহ অনুভ‚তি দিতে সক্ষম। রহস্যলীনা ৪ এর মাধ্যমে দেখতে চাই, এবারের লেখকরা এই কষ্টকর প্রচেষ্টায় কতটা সফল হয়েছেন।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
#রহস্যলীনা_৪_পৈশাচিকতা রহস্যলীনা ১,২,৩ এর ব্যাপক সফলতার হাত ধরে এবারে চলে এলো রহস্যের নতুন এক অধ্যায় নিয়ে "রহস্যলীনা ৪"। এবারের বিষয়বস্তু হচ্ছে পৈশাচিকতা। ১৪ জন পাঠকপ্রিয় নারী লেখকের সমন্বয়ে এবারের রহস্যলীনার যাত্রা শুরু। ১. উঁকুন : ফৌজিয়া খান তামান্না " তুই জানিস না হিয়া। অপমান আর জেদের কাছে ঘিন্না পিত্তা সব ভাইসা যায়।" সামন্য এক চুলের কীট উঁকুনও যে কারও ভয় ও মৃত্যুর কারণ হতে পারে এটা হয়ত সকলেরই ধারনার বাইরে। কিন্তু এমনই কিছু হয়েছে 'রহস্যলীনা ৪' এ লেখক ও সম্পাদক ফৌজিয়া খান তামান্না'র ' উঁকুন' গল্পটিতে। একটি উঁকুন যে কিনা কথা বলতে পারে,হাসতে পারে আবার প্রতিশোধও নিতে পারে। কিন্তু কীভাবে? রত্নাই বা এই ভয়ংকর জিনিস দিনের পর দিন নিজের মাথায় নিয়ে কেন ঘুরছে? রহস্যলীনা সিরিজের সকলের পরিচিত চরিত্র 'হিয়া'। জন্মান্ধ হিয়ার পাশাপাশি 'রহস্যলীনা ৪' এ আসছে তারই বাল্যবন্ধু শারিরীক প্রতিবন্ধী রত্না। প্রচন্ড গা ঘিনঘিন ও পৈশাচিক অনুভূতি নিয়ে হিয়া ও রত্নার এবারের গল্পটির রহস্য উন্মোচন করতে পড়তে হবে রহস্যলীনা সিরিজের চতুর্থ বই 'রহস্যলীনা ৪' ভয়ের জগতের এক অন্যরূপ পৈশাচিকতা। ২. মুখরোচক : শারমিন আন্জুম "পাকের ঘরের তালা! সে কেমন কথা? এই বাড়িতে সকাল-সকালই বড় মায়ের রান্না টা শেষ করে পাকের ঘরে তালা দিতে হয়। " সদ্য বিবাহিত আফরিন তার স্বামী মাহেদের সাথে তাদের দাদিজানের জমিদার বাড়িতে আসে। কিন্তু আফরিন ধীরে ধীরে এই বাড়ি সম্পর্কে ভয়ংকর কিছু জানতে পারে। এ বাড়িতে সবার খাবার হোটেল থেকে আসে কারও জন্য রান্না করার নিয়ম নাই। কিন্তু কেন? বাড়ির পাশে মাদ্রাসার বাচ্চাদেরই বা কাহিনি কি? আফরিন কেন কোন খাবারই মুখে দিতে পারে না? অভিনেত্রী জারার ই বা এর সাথে সম্পর্ক কি? সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে জনপ্রিয় লেখক শারমিন আন্জুমের "মুখরোচক " গল্পে। ৩. ওয়ারলক : রুকসাত জাহান "স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের বরযাত্রী হওয়া টা তো সহজ কথা নয়। ভালোবাসার ঘৃণার মাঝে সরু একটা লাইন থাকে_ আজ যে প্রিয় কাল তার দিকে হয়তো ফিরেও তাকাতে ইচ্ছে হয় না। " জি ইসমানুর আনিসের প্রথম স্ত্রী জীবিত এবং বহাল তবিয়তে থাকার পরও তার শাশুড়ী জোহরা নিজের ছেলে আনিসের দ্বিতীয় বিয়ে দেন। কিন্তু কেন? আর ইসমানুর আর আনিসই বা কেন এতে সম্মতি দিয়েছিলো। তারপর শুরু হয় মৃত্যুর মিছিল প্রতি পনেরো দিন পর পর আনিসদের বাড়িতে একটা করে অপমৃত্যু। কি রহস্য এর পেছনে? সত্যি কি আরজুর উপর কোন ছায়া আছে? নাকি কাহিনি অন্য কিছু? ৪. ইউরেকা : সুস্মিতা জাফর "সব মানুষের মনের ভেতরটা কি এক রকম নোংরা? দুনিয়াতে কি একজন সুন্দর মনের মানুষ নেই। " রাতুল আপাতত দৃষ্টিতে একজন স্পেশাল চাইল্ড মনে হলেও আদতে সে তা নয়। নিজের বাবা মায়ের সাথে অস্বাভাবিক থাকলেও পোষা বিড়াল লাইকা ও গাপ্পি ফিসগুলোর সাথে সে সম্পূর্ণ ভিন্ন একজন কিন্তু কেন? এমনই এক সময় রাতুলের জীবনে আগমন ঘটে মুস্তারিন রায়হানের। রাতুলের প্রিয় শিক্ষীকা। কিন্তু তার দেয়া প্রজেক্ট সফল করতে রাতুল কি করেছিলো, যা দেখে সবাই হতবাক? রাতুল কি কারণে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলো সবার কাছ থেকে? উত্তর মিলবে সুস্মিতা জাফরের 'ইইরেকা' গল্পে। ৫. কাঠগোলাপ : ইশিতা আদনিন "কোন উত্তর না দিয়ে সদর দরজা দিয়ে পা বাড়ালাম বাবার বাসার ঠিকানায়। পেছনে পড়ে রইল আমার সাধের কাঠগোলাপ। ভালোবেসে নীতুকে বিয়ে করেছিলো শিহাব। তাদের ১০ বছরের সংসার জীবনের একমাত্র আলোর উৎস সিয়াদ।কিন্তু হঠাৎ এমন কি হলো যে নীতু তার সংসার ছেড়ে তার প্রিয় কাঠগোলাপের বাগান ছেড়ে বাবার বাসায় চলে গেলো? সায়ান কে? কি আছে ওই কাঠগোলাপের বাগানে যেখানের মাটিতে রক্তের সাথে মিশে আছে অনেক অনেক রহস্য আর কারও পৈশাচিকতার প্রমাণ। জানা যাবে লেখক ইশিতা আদনিনের কাঠগোলাপ গল্পে। ৬. সেই মেয়েটা : সুস্মিতা মিলি " অভি যাচ্ছিস কোথায়,তুইও আয়,খুব ক্ষিধারে খুব ক্ষিধা! মাংস খাব।" অভি, জাহেদ,সায়েম, মিঠু খুব ছোটোবেলা থেকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কিন্তু বিনাকোন কারণে হঠাৎ গায়েব হয় সায়েম ও জাহেদ তারপর একদিন তাদের লাশ পাওয়া যায়। লাশগুলোর অবস্থা খুবই ভয়ানক ও বিকৃত ছিলো যা দেখে যেকোন মানুষের মাথা ঘুরে যাবে। কিন্তু কেন? এই অপমৃত্যুর পিছনের রহস্য কি? মিঠু আর অভি কি এই খুনের সাথে কোনভাবে জড়িত নাকি তারাও একই পথের পথিক হতে যাচ্ছে? জানা যাবে লেখক সুস্মিতা মিলির 'সেই মেয়েটা' গল্প থেকে। ৭. নিরালোকের দেবযোনি : তামান্না স্মৃতি "লোক দেখানো লুতুপুতু প্রেমটা আসলে মিথ্যে। দুজন নারী পুরুষ একে অপরের শরীরের প্রেমে পড়ে বলেই তাদের মাঝে হৃদয়ের সম্পর্ক তৈরি হয়।" শম্পা নামের একটি মেয়ের লাশ পাওয়া যায়। লাশের শরীরে নাকি বিন্দু পরিমাণ রক্ত অবশিষ্ট ছিলো না। এই ঘটনায় সন্দেহ করা হয় রাজপুত্রের মতো দেখতে তারই সহকর্মী তৌসিফকে। কিন্তু তৌসিফ আর নৈপুণ্য একে অপরকে ভালোবাসে। শম্পা এদের মধ্যে কীভাবে এলো? হিয়া নামের মেয়েটির এইসবের সাথে সম্পর্ক কি? হঠাৎ মৃত্যু ঘটে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা রায়হান সাহেবের। হিয়ার বিড়াল ম্যাও কাদের দেখে অস্বাভাবিক আচরণ করে? এই সব রহস্যের পুটলি নিয়ে রচিত তামান্না স্মৃতির ' নিরালোকের দেবযনি' পিশাচ কাহিনিতে। ৮. খুশবু : সালসাবিলা নকি " আচ্ছা পিশাচ বলে কি কিছু থাকতে পারে? তুই বিশ্বাস করিস?" নিজের একসময়ের প্রিয় বন্ধু ডাঃ জাফরের দিকে প্রশ্নটি ছুড়ে দিলো খোরশেদ। সুরভী আর মোরশেদের ২ বছরের মেয়ে খুশবু। যাকে কিনা পিশাচ বলে ভাবছে খোরশেদ। কিন্তু কেন? এতটুকু একটা বাচ্চা কি পিশাচ হতে পারে? জাফর ই বা ২০ বছর ধরে সুরভি আর খোরশেদের উপর কিসের অভিমান পুষে রেখেছে? ডাঃ ইরিনা কি এরসাথে কোনভাবে সম্পৃক্ত? খুশবু কি আসলেই কোন পিশাচ নাকি শুধুই একটা ষড়যন্ত্রের শিকার? থ্রিলার লেখক সালসাবিলা নকির "খুশবু" গল্পে এ কোন ধরনের পৈশাচিকতা ফুটে উঠেছে? ★ এছাড়াও বইটিতে জনপ্রিয় আরও ছয়জন লেখকের চমৎকার রগরগে পৈশাচিক বর্ননায় ভয়ংকর আরও ৬টি গল্প রয়েছে। যেগুলো দূর্বল চিত্তের পাঠকদের জন্য সতর্কীকরণ।

























