

Buy দি এক্সরসিজম অভ অ্যা মিস্টেরিয়াস গার্ল Online in Bangladesh
লেখক: মহিউদ্দিন মোহাম্মাদ যুনাইদ
- Author: মহিউদ্দিন মোহাম্মাদ যুনাইদ
- Publisher: বেনজিন প্রকাশন
- Isbn: 9789849838296
- Number Of Pages: 184
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
নিখোঁজ ডগলাসের বাসায় নরফোক কাউন্টি পুলিশ উদ্ধার করে চারটা মৃতদেহ। নৃশংসভাবে খুন হওয়া ডগলাস ও ওর স্ত্রী জনাকে তৎক্ষণাৎ শনাক্ত করতে পারলেও, বাকি দুইটা মৃতদেহকে সনাক্ত করা গেল না। অল্পবয়সী একটা মেয়ে লাশের অটপ্সি করতে গিয়ে দুইটা করোনার হাউজে আরও চারটা মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। মেয়েটার লাশের পাশেই পাওয়া গিয়েছিল সপ্তদশ শতাব্দীর ভ্যাটিকানের দামী একটা ক্রুশিফিক্স। ক্রুশিফিক্স পরিচয় উদ্ধার করার সময় বের হয়ে আসে ব্র্যাভেরিয়ার ফাদার থিওফিলাস রাইসিঞ্জারের এক্সরসিজমের গোপন কাহিনি এবং মেয়েটার ভয়ঙ্কর নির্মম ইতিহাস! অন্যদিকে সহকারী করোনার ইথান কালাহানের জ্ঞান ফিরে আসলে বের হয়ে আসে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করা টিমোথি ও জুডিথের মৃত্যুর কাহিনি। ডেভিলকে স্বেচ্ছায় আত্মা দান করা মেয়েটাকে ঘিরে ক্রমাগত নির্মম মৃত্যুর ঘটনা থামাতে ফাদার আলফানসো ভ্যাটিকানের নির্দেশে ক্যাথলিক এক্সরসিজম রিচ্যুয়ালের মাধ্যমে একে আবার কবরস্থ করতে চাইলেন। কিন্তু মেয়েটার দেহ দখল করে রাখা কুখ্যাত ডেমন অ্যাবেজেথিবু তার শিষ্যদের নিয়ে বাধা দেয় সেই কাজে। ফাদার আলফানসো নিরুপায় হয়ে এক্সরসিজম রিচ্যুয়ালের কাজ শেষ করার জন্য ক্যাথলিক চার্চের গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেলের কাছে সাহায্য চাইলেন। ফাদার আলফান্সো কি শেষ পর্যন্ত সমস্ত বাধা অতিক্রম করে লাশটাকে আবার কবরস্থ করতে পেরেছিলেন?
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
এই বইটি লেখা ভালো বাট বইটির ছোট বই, দেখতে ভাল না।
এই বই এ এক সাথে অনেক রহস্যের কথা লিখা হয়েছে। অনেক রহস্য অমিমাংসিত রয়ে গেছে। কিছু অপ্রাসঙ্গিক কথাও যুক্ত করা হয়েছে। শেষটা ভালো লাগেনি।

========= বইয়ের কাহিনী/সার-সংক্ষেপ ========= মিস্টার ডগলাস ডোনাভান; সলেমন ক্রেমার অফিসে প্যাটেন্ট ক্লার্ক হিসেবে ছোট একটি পোস্টে চাকরি করছেন দীর্ঘদিন ধরে। খুব মিশুকে লোক না বলেই কারোও সাতে নেই পাঁচে নেই টাইপের একজন মানুষ। কিন্তু কয়েকদিন ধরে হঠাৎই অফিসে না আসায় মিসিং রিপোর্টের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তার খোঁজে বাড়িতে যায় কাউন্টি পুলিশ। উদ্দেশ্য খোঁজ-খবর নেয়া। কিন্তু সেখানে যেয়ে প্যাট্রোল অফিসার মারিয়া ও ট্যানিস আবিষ্কার করে বসে ডগলাস ও তার স্ত্রীসহ মোট চারজনের কিছুটা অস্বাভাবিক লাশ! সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো অতিরিক্ত দুটো লাশের মধ্যে পাওয়া একজন তরুণীর লাশ। যার বয়স আনুমানিক বিশের কোঠায় এবং তাকে কেউই সনাক্ত করতে পারছিলো না। এমনকি তরুণীর লাশের শরীরে নেই কোন অপঘাতে মৃত্যুর আলামত। আবার সেই লাশের কাছেই আবিষ্কৃত হলো সপ্তদশ শতাব্দীর পুরনো ভ্যাটিকানের ব্যতিক্রমী দামী একটি ক্রুশিফিক্স। যার ইতিহাস জড়িয়ে আছে ব্রাভেরিয়ার ফাদার থিওফিলাস রাইসিঞ্জার ও তার কর্তৃক সম্পাদিত কোন এক গোপন এক্সরসিজমের। আবার সেই মেয়েটির লাশ মর্গে আনার পর থেকেই ঘটে যাচ্ছে একের পর এক ব্যাখ্যাতীত নানা ঘটনার পাশাপাশি অকাল ও ভয়ংকর সব মৃত্যু। কি সেই লাশের পরিচয়, তার সাথেই বা কি ঘটেছিলো? ফাদার আলফান্সো কি পারবে এই ঘটে যাওয়া ভয়ংকর ঘটনাগুলোর সমাধান করতে? নাকি পরাজিত হবেন নরকের ডেমনদের কাছে? ========= পাঠ প্রতিক্রিয়া ========== এই লেখকের প্রথম কোন উপন্যাস আমি পড়লাম। হরর উপন্যাস হিসেবে বইটি ভালোই উপভোগ করেছি। আর বইয়ের কলেবরও খুব বেশি বড় না বিধায় মোটামুটি বলা যায় এক বসাতেই শেষ করার মতোই বই। বইটি শুরু করলেই প্রথমেই যেটা মনে হবে বইটি বোধয় অনুবাদকৃত উপন্যাস। কিন্তু না; বইটি লেখা হয়েছে সম্পূর্ণ পশ্চিমা পটভূমি, আবহ, পরিবেশ, চরিত্রায়ন ও ধর্মবিশ্বাসকে কেন্দ্র করে। রয়েছে পশ্চিমা বা খ্রিস্টীয় মতাদর্শের এক্সরসিজম রিচ্যুয়ালের বিভিন্ন অলৌকিক বর্ণনা। আমার কাছে মনে হয়েছে বিদেশী বা পশ্চিমা সেই আবহটুকু লেখক পুরোপুরিই তৈরি করতে পেরেছেন এবং এক্ষেত্রে তিনি বাহবা পাওয়ার যোগ্য। চরিত্রায়নের কথা বলতে গেলে খুব বেশি পরিমাণে চরিত্রের ঘনঘটা নেই। কাহিনী বর্ণনার স্টাইল আমার কাছে মোটামুটি লেগেছে। হরর জনরার বই হিসেবে বইটি পড়তে কারোও খারাপ বলে আমার মনে হয় না। তবে বিশেষ করে কিশোর বয়েসী পাঠক-পাঠিকাদের জন্য আমার মতে এটি একটি দারুণ হরর বই। প্রোডাকশনঃ বইয়ের প্রচ্ছদ আমার কাছে মোটামুটি লেগেছে। ফন্ট সাইজ, পৃষ্ঠার কোয়ালিটি ঠিকঠাক আছে। দুই-একটি ছাড়া তেমন বানান ভুলও চোখে পড়েনি। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৬.৫/১০।

পাঠ-প্রতিক্রিয়া: বই: দা এক্সরসিজম অভ অ্যা মিস্টেরিয়াস গার্ল। লেখক:মহিউদ্দিন মোহাম্মদ যুনাইদ। গল্পের শুরু হয় নিখোঁজ ডগলাসের বাসায় নরফোক পুলিশের উদ্ধার করা চারটি মৃতদেহ দিয়ে।প্রথম প্রথম ঘটনা এমনভাবে শুরু হয় যেনো কোনো সিরিয়াল কিলিং বা ডিটেক্টিভ স্টোরির মার্ডার কেসের বিবরণ পড়ছি।গল্প একটু এগুলেই আস্তে আস্তে বুঝা যায় আসলে এগুলো সাধারণ কোনো মার্ডার কেস নয় এবং এমন একটি অল্পবয়সী মেয়ের লাশ পাওয়া যা পুলিশ শনাক্ত করতে ব্যার্থ হয়।পরবর্তী ঘটনাগুলো এই রহজন্যক অল্পবয়সী মেয়েকে ঘিরে আবর্তিত হয় এবং ধীরে ধীরে একটার পর একটা ঘটনার জট খুলতে থাকে। যারা (ড্রাকুলা,দা এক্সরসিস্ট ইত্যাদি)হরর উপন্যাসগুলোর মতো স্বাদ পেতে চান তাদের জন্য বইটি অবশ্যই পড়ার জন্য রেকমেন্ড করবো। বইটির ফ্ল্যাপের ছবি পোস্ট এ দিয়ে দিয়েছি। পারসোনাল রেটিং:৪.৫/৫ আর লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ। ❤️ তিনি আমার একটি পোস্টে বইটি কেমন লেগেছে তা জানানোর জন্য বলেছিলেন। সরি ভাইয়া একটু দেরী হয়ে গেলো আসলে এতো বই কেনা হয়েছে সেগুলো পড়তে পড়তে এটার রিভিউ দিতে গিয়ে দেরী করে ফেললাম।🙏

ডেভিলের সাথে খ্রিষ্টীয় চার্চ ও ভ্যাটিক্যানের অলৌকিক এক যুদ্ধের কাহিনির উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে এই অসাধারণ উপন্যাসটা। যা পাঠক পড়তে শুরু করলে প্রথম পাতা থেকে শেষ পাতা পর্যন্ত একটানা পড়ে যেতে বাধ্য হবে। মহিউদ্দিন মোহাম্মাদ যুনাইদের আগের উপন্যাসগুলোর বেশিরভাগই রহস্য উপন্যাস ছিল। যার কারণে রহস্য উপন্যাস লেখা সিদ্ধহস্ত উনার এই নতুন উপন্যাসটা যে টানটান উত্তেজনাময় হবে সেটা আগে অনুমেয় ছিল আমার। মেলার প্রথম দিকে কিনে ফেলেছিলাম এটা আমি। সামহ্যোয়ারইন ব্লগের অন্যতম সেরা গল্পকার মোহাম্মাদ যুনাইদ ইতোমধ্যেই ব্লগের একজন গল্পের জাদুকর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। যারা উনার নমানুষ কিংবা কলুষ পড়েছেন, তারা খুব ভালো করেই জানেন কতটা দুর্দান্ত করে একেকটা প্লট উনি তৈরি করেন! যারা সত্যিকার অর্থেই টানটান উত্তেজনাময় থ্রিলার পড়তে চান কিংবা হরর উপন্যাস পড়তে চান, তাদের জন্য এবারের বইমেলার অন্যতম সেরা বই এটা। বেনজিন প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই বইটা এসেছে পেপারব্যাক সংস্করণে, যেটা ইতোমধ্যে পাঠকদের মধ্যে বিপুল জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করেছে। এবারের বইমেলায় যে কয়টা বই সংগ্রহ করেছি তার মধ্যে অন্যতম সেরা বই ছিল এটা। বইটা একটা প্লাস্টিকের প্যাকেটের ভেতরে রাখা ছিল এবং তার সাথে ছিল একটা দারুণ বুকমার্ক। বেনজিন প্রকাশনকে ধন্যবাদ এত সুন্দর করে প্যাকিং ও ফ্রি বুকমার্ক উপহার দেওয়ার জন্য।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
Hard cover or paper back?
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি পেপারব্যাক। ধন্যবাদ।
এটার হার্ড কভার আছে?থাকলে প্রাইজকত?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির হার্ড কভার নেই।
বইটির পেজ কত?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ১৮৪। ধন্যবাদ।
Hard cover or paper back?
প্রিয় গ্রাহক, জি, বইটি পেপারব্যাক। ধন্যবাদ।























