

Buy প্রেম অপ্রেমের চৈত্রমাস Online in Bangladesh
লেখক: মৌরি মরিয়ম
- Author: মৌরি মরিয়ম
- Publisher: অধ্যয়ন প্রকাশনী
- Isbn: 9789849996361
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2025
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
প্রেম অপ্রেমের চৈত্রমাস’ উপন্যাসে প্রেম ও অপ্রেমের মধ্যে দোলাচল, ভালোবাসা ও বিচ্ছেদের মধ্যে টানাপোড়েন, আর চৈত্র মাসের রুক্ষতায় মিশে আছে জীবনের রঙিন সব উপাখ্যান।যেখানে আছে ধ্রুব ও রঞ্জনের মতো মানুষ যারা খোলা বইয়ের মতো, কিন্তু পৃষ্ঠাগুলো সাদা। আছে দস্যি ছেলে উৎসব, বিশ্বপ্রেমিক নওশাদ ওআধিপত্য বিস্তারকারী ইকবাল। এছাড়াও আছে পারফেকশনিস্ট পল্লবী, আহ্লাদী ছোঁয়া, আউলা মাস্টার অরিন ও জনমদুঃখী ফাল্গুনী।এদের সবার সুখ, দুঃখ, আবেগ, আকাঙ্ক্ষা, হতাশা আর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে সম্পর্কের নানান মাত্রা।প্রেম কখনও আলোয়, কখনও অন্ধকারে হাঁটে। চৈত্রমাসের রুক্ষ হাওয়ায় যেমন নতুন পাতার জন্ম হয়, তেমনি প্রেম ও অপ্রেমের চৈত্রমাসেও নতুন করে বাঁচার স্বাদ খুঁজে পায় চরিত্রগুলো।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

josssss
মৌরি আপুর আরেকটি বই সংগ্রহ করে ফেললাম। পড়ার অপেক্ষায় আছি🥰

#অনুভূতি_কথন বই- প্রেম অপ্রেমের চৈত্রমাস লেখিকা- মৌরি মরিয়ম জনরা- রোম্যান্টিক উপন্যাস পৃষ্ঠা- ২৮৩ প্রচ্ছদ- ফারিহা তাবাসসুম প্রকাশনী- অধ্যয়ন আমাদের প্রত্যেকের জীবনের গল্প আলাদা। চাওয়া - পাওয়া, আনন্দ - বেদনা। তবে জীবনকে উপভোগ করতে সবচেয়ে বেশি যেটার প্রয়োজন সেটা হলো 'বন্ধু'। গল্পটা ৫ বন্ধুর। নওশাদ এবং অরিন, ছোটবেলা থেকে একসাথে তাদের বেড়ে ওঠা। মায়েরা বেষ্টফ্রেন্ড হওয়ায় তাদের স্কুল, কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় ও একই। দিনের অর্ধেক সময় যায় ঝগড়া করতে করতে, কিন্তু দুইজনের আবার দুইজন ছাড়া চলেও না। পল্লবী, ডিআইজি বাবার একমাত্র মেয়ে। মা হীন পল্লবী বাবার চোখের তারা। ছোঁয়া মফস্বলের মেয়ে, পড়াশোনার জন্য ঢাকায় থাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ে তার বেশির ভাগ সময় কাটে ক্রাশ উৎসবকে দূর থেকে দেখেই। রঞ্জন, অভাগা প্রেমিক বলবো তাকে আমি। তবে ভালোবাসার মানুষকে সুখে দেখতে তার নেয়া উদ্দ্যোগটা সবচেয়ে সুন্দর ছিলো। ৫ বন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরে যায় সুন্দরবন। অরিন যেখানে, ঝামেলা সেখানে। পল্লবী আর ছোঁয়া সেই টেনশনেই অস্থির। নওশাদ তার ভালোবাসা লাবন্যকে ইম্প্রেস করতে করতেই বলা যায় ট্যুর পার করে দিলো। দূর থেকে দেখা ক্রাশ এই ট্যুরে ছোঁয়ার খুব কাছে চলে এলো। আর পল্লবীর জীবনে এলো হলিউডের হিরো "ধ্রুব"। হলিউডের হিরোদের মতো দেখতে হলেও তার জীবনের গল্প ছিলো অন্যদের চেয়ে একদম আলাদা। যার যার মতো সুন্দর সময় কাটিয়ে যখন তারা ঢাকা ফেরত এলো তখন শুরু হলো ভালোবাসার পরিণতির দিকে যাওয়ার গল্প। কার ভালোবাসা কাকে কতোটা কাঁদালো আর কতোটা হাসালো সেটাই জানবেন বইটা পড়ে। গল্পের আরেকটা সুন্দর অংশ হলো ফাল্গুনী এবং ইকবাল। ইকবালের মতো ভালোবাসতে পারা মানুষ আমাদের সমাজে খুব কমই আছে। যে আবেগে নয়, বাস্তব বুঝে চলে। মা এবং বউকে সম্মান করতে জানে। কে তাকে ভালোবাসে আর কে তাকে শুধুই টাকার মেশিন ভাবে সেটাও সে জানে। খুব অল্প সময়ের জন্য হলেও অভাগী ফাল্গুনীর জীবনে ফাগুনের সব রঙ নিয়ে এসেছিলো 'ইকবাল'। আর ইকবালের সাথে আরেকজন ছিলো তিনি হলো দিলু। ইকবালের ছোট বোন। যে ঠিক মায়ের মতো ছোট ফাল্গুনীকে আগলে নিয়েছে তার চরম দু:সময়ে। 🥹 মৌরি আপুর লেখার বিশেষত্ব হলো তিনি যখন কোন গল্প লিখেন তখন মনে হয় যেন আমি সেই সময়টাতে আছি। প্রকৃতির নিখুত বর্ণনা তো থাকেই সাথে থাকে ছোট ছোট পাঞ্চ লাইন। যেটা আপনাকে হাসাবে, কাঁদাবে। যারা মৌরি আপুর অন্য লেখা পড়েছেন তাদের তো ভালো লাগবেই আর যারা আপুর কোন বই ই পড়েননি তাদের কাছে পুরাই মাখনের মতো লাগবে। নতুন অভিজ্ঞতা বলতে পারেন। পুরাতন পাঠকের শুধু ভালো লাগার কারণ আমরা মৌরি আপুর লেখা সম্পর্কে জানি তাই এমন লেখাই আশা করি। ❤️ মৌরি আপু, আপনার কাছে রিকোয়েস্ট এরপরে ডাউস সাইজের বই আনবেন। মিনিমাম ৬০০ পাতার। কিভাবে লিখবেন জানি না, তবে লিখবেন। দেড় দিনে আমি এই বই পড়ে শেষ দিলাম তাই মনটা ভরে নাই। মনে হলো, "শেষ হইয়াও হইলো না শেষ"। 🥺 বইটা উৎসর্গ করা হয়েছে 'ঐতিহ্য'কে। বড় হয়ে বইটা পড়লে আশা রাখি ঐতিহ্যের ভালো লাগবে। 😍 হ্যাপি রিডিং। 🌺
বইটি শেষ করার পর কিছু মিষ্টি অনুভূতি আমাকে ঘিরে থাকল অনেকটা সময় জুড়ে। ধ্রুব-পল্লবী’র ভুল বোঝাবুঝিতে আমি কষ্ট পাচ্ছিলাম আবার উৎসব-ছোঁয়া’র দুষ্টু-মিষ্টি প্রেমে বিভোর হয়ে রইলাম। অরিন-নওশাদ দুজন দুজনকে ভালবেসেও যখন বুঝতে পারছিল না তখন আমার ভীষণ রাগ হচ্ছিল। তবে ফাল্গুনির জন্য বুকের মধ্যে একধরনের মায়ার জন্ম হলো। কি ভীষণ দুঃখী একটা মেয়ে! সব পেয়েও সে কিচ্ছুই পেল না। আর রঞ্জনের মতো মানুষেরা চিরকালই নিঃসঙ্গতাকে সঙ্গী করে বেঁচে রয়। এই যে বইয়ের প্রতিটি চরিত্রকে নিয়ে পাঠকের আলাদা আলাদা করে ভাবনা, তাদের কষ্টে কষ্ট পাওয়া, আনন্দে আনন্দিত হওয়া এই বিষয়গুলো খুবই সুন্দর। আর এটা একমাত্র মৌরি আপুকে দিয়েই সম্ভব। তাঁর লেখা পাঠককে বাধ্য করে। মৌরি আপুর সবগুলো বই পড়া হয়েছে। আপু তাঁর বিভিন্ন বইয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর জায়গাগুলো তুলে ধরে। এই বিষয়টা আমার ভীষণ ভালো লাগে। আপুর জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা।

এই বইটা সম্পর্কে আপু যখন প্রথম ধারণা দিয়েছিল যে এটায় বন্ধুমহল থাকবে একটা, আর পাশাপাশি ঘুরাঘুরি আছে তখনই আমি বুঝে গিয়েছিলাম এটা একটা চমৎকার বই হবে। আপু এসব জনরা লেখায় সবসময়ই বেস্ট আমার কাছে। এই বই পড়তে শুরু করার পর সেটা আরও একবার প্রমাণিত হয়েছে। চারটা জুটি একসাথে লেখা এবং তাদের আলাদাভাবে পাঠকদের মনে জায়গা করানো আমার কাছে মনে হয় অনেক টাফ একজন লেখকের জন্য। কিন্তু আপু এমনভাবে লিখেছে প্রতিটা জুটি যে ভালো লাগতে বাধ্য। সবার জীবনের ভিন্ন ভিন্ন গল্প থেকে তাদের পূর্ণতা লাভের জার্নিটা আসলেই প্রেম অপ্রেমের চৈত্রমাস ছিল। নামটা একেবারে স্বার্থক যেন! যদিও আমার সবগুলো জুটিই পছন্দ হয়েছে। কিন্তু ধ্রুব-পল্লবী আমার প্রিয় জুটি হয়ে গেছে পড়তে পড়তে মনের অজান্তেই! ওরা একদম আদর আদর একটা জুটি। আর যদি এককভাবে কোনো একটা চরিত্র পছন্দের কথা বলা হয় তাহলে আমার জন্য সেটা রঞ্জন। এই চরিত্রটার আবেদনই অন্যরকম,ভিন্নরকম!























