চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি, বেলা শুনছো?
বই কালেকশন

Buy চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি, বেলা শুনছো? Online in Bangladesh

লেখক: তাহিনা নিভৃত প্রাণ

5.00
(1 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: তাহিনা নিভৃত প্রাণ
  • Publisher: নবকথন প্রকাশনী
  • Number Of Pages: 128
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Printed, 2025
৳ 240৳ 32025% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

বারিধারার নির্জন ‘কুঞ্জলতা’ বাড়িতে বাবা-মায়ের স্নেহে বেড়ে ওঠা চঞ্চল কিশোরী বেলা বোস। বাবার আদরে অভিমানী, মায়ের চোখে অস্থির ফুলের মতো বেলা।একদিন সেই নির্জন বাড়ির চিলেকোঠায় ভাড়াটিয়া হয়ে প্রবেশ করল রোদচশমা পরা এক বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া যুবক। গেইটের ভেতরে পা রাখতেই তার দৃষ্টি পড়ল ঝরে থাকা শিউলি ফুলের সাদা আস্তরণে। বুটজুতার তলায় ফুলগুলো চাপা দিতে দিতে তার মনে হলো–এ পথ যেন শুধু তার জন্যই সাজানো, কারও যত্নে বিছানো এক ভালোবাসার অর্ঘ্য।কিন্তু মুহূর্তেই ভেঙে গেল সেই ভাবনা। বারান্দা থেকে কিশোরী বেলা চিৎকার করে উঠল, “আব্বা, আব্বা! দেইখেন তো, কোন কানার ঘরের কানা আমার সব ফুল পিষা দিতাছে!”সেই ঘটনাই হয়ে উঠল সূচনা। পড়াশোনার ফাঁকে টিউশনি আর চাকরির প্রস্তুতি নেওয়া সেই যুবক কি শেষমেশ নিজের করে নিতে পারল তার ‘বেলা বোস’ নামের চঞ্চল প্রেমিকাকে?

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

5.00
(1 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Suzana
Suzana ভেরিফাইড
13 Nov 2025

▪️ বইয়ের নামঃ চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি, বেলা শুনছো ? ▪️ লেখকঃ তাহিনা নিভৃত প্রাণ ▪️ মুদ্রিত মূল্যঃ ৩২০ টাকা ▪️ প্রথম প্রকাশঃ অক্টোবর ২০২৫ ▪️ প্রকাশনীঃ নবকথন প্রকাশনী ▪️ পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১২৮ ▪প্রচ্ছদঃ ৮/১০ ▪️রেটিংঃ ৯.৫/১০ (নিসন্দেহে) 〰️ উৎসর্গঃ “আমার জীবনে এখন পর্যন্ত মন খারাপ করে দেওয়ার ঝুলিতে তাঁর অসংখ্য মন খারাপ করে দেওয়ার কথা রয়েছে ! তবুও এই বইটি আমি তাকেই উৎসর্গ করছি ! কারণ আমি জানি, এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভালো সে ছাড়া কেউ আমাকে বাসেনি !” 💠 বাড়ির নাম - কুঞ্জলতা ! চারপাশ জঙ্গলে ঘেরা ! রাতের আঁধারে নিঃসন্দেহে ভীতিকর লাগে ! অনির্বাণ ভাবতে থাকে এই বাড়ির সন্ধান সে পেয়েছে ভাড়া থাকার জন্য ? বাড়িতে এসে অদ্ভুত, চঞ্চল প্রকৃতির এক মেয়ের সাথে তার দেখা হয় ! তার নাম ছিলো বেলা বোস ! 💠 টপটপ করে বৃষ্টি পড়ছে ছাদের মেঝেতে ! বৃষ্টির জলে বেলার শ্যামলা মুখ আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে কেন ? চিলেকোঠার সেই ঘরের জানালা থেকে অদ্ভুত এই দৃশ্য উপভোগ করছে অনির্বাণ, এমন কিছু সে শুধু উপন্যাসে কল্পনা করেছে ! সে বাহিরে এগিয়ে এসে বেলার দিকে তাকালো, কপালের পাশে একগুচ্ছ চুল বেরিয়ে এসেছে ! সে সযত্নে কানের পাশে গুঁজে দিলো ! বেলা থমকে গেলো, ভড়কে গেলো ! তখন অনির্বাণের হুঁশ এসেছে ! সোডিয়ামের আলো এসে পড়েছে বেলার মুখে, অদ্ভুত সুন্দর দেখাচ্ছে তাকে ! অনির্বাণ মুগ্ধ, নিজেকে সংযত করে বলল, "আর কখনো ছাদে ভিজতে আসবে না,বেলা ! আমি নিজেকে ঠিক রাখতে পারব না তবে !" বেলা লজ্জায় দৌড় দিতে যেয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলো ! 💠 পরেরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বেলার মনে আসলো গতকাল রাতের কথা ! সে ভাবতে থাকে সেই খারাপ ছেলেটা কি এখনো বাড়িতে আছে ? বাবাকে না বললেও মাকে সে নিশ্চয়ই বলবে সেই চরিত্রহীন ছেলের কথা ! 💠 বেলার খুব কাছের এক বন্ধু পুষ্পিতা ! গরিব ঘরে তার জন্ম, ঠিকঠাক খেতে পারে না সেখানে পড়ালেখার খরচ চালাবে কি করে ! তাই তার পরিবার ভাবে তাকে বিয়ে দিয়ে দিবে ! শেষ মূহুর্তে এসে বেলার বাবা পুষ্পিতার সমস্ত দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় ! যখন সবকিছু হারিয়ে যাচ্ছিলো, ঠিক তখনই পুষ্পিতা নতুন করে এক স্বপ্ন দেখার কারণ খুঁজে পেলো ! 💠 একদিন হঠাৎ অনির্বাণের মা অসুস্থ হয়ে পড়ে, তাকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা মেডিকেল হসপিটালে নিয়ে আসা হয় ! পরদিন সকালে বাবু সাহেব অর্থাৎ বেলার বাবা তাকে প্রশ্ন করে তার মা কেমন আছে ? তিনি তার মাকে দেখতে যাবে ! তবে অনির্বাণ তো তার মায়ের কথা বলেনি, তাহলে তিনি কিভাবে জানলো ? 💠 একদিন আচমকা অনির অর্থাৎ অনির্বাণের স্টুডেন্টের খালামনি তার ব্যাচেলর বাসায় এসে উঠে ! এ ঘটনা দেখে বাবু সাহেব সহ তার পরিবারের সবাই বেশ চমকে যায় কারণ তারা অনিকে খুব ভালো, ভদ্র বলে চিনে ! সেই মহিলার সাথে কথা বলে জানা যায় মহিলা অনির এই ভদ্র স্বভাবের জন্য তাকে পছন্দ করে এবং সবার সামনে অনিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসে ! তবে অনি খুব ঠান্ডা মাথায় তাকে বুঝিয়ে বাসায় পাঠিয়ে দেয় আর সেই টিউশনিটি ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা করে ! তবে, এতো বড় ঘটনার মাঝে বেলা ছিলো এক নীরব দর্শক ! তাহলে তার মনে কি চলছে ? 💠 দেখতে দেখতে কয়েকবছর পেরিয়ে যায়, এর মাঝে অনি ও বেলার সম্পর্ক ও হয়ে গিয়েছিলো ! সবকিছু ঠিকঠাক ই চলছিলো, বেলা আর পুষ্পিতার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বাসা থেকে দূরে হোস্টেলে ঠাই হয় ! তবে একদিন বেলা আর অনির কথোপকথন বেলা বোসের বাবা বাবু সাহেব জানালার পাশ থেকে শুনে ফেলে আর তার কিছুক্ষণ পর বেলা বোসের মা অনিকের এসে জানায় এ বাড়ি ছেড়ে দিতে ! তবে কি বাবু সাহেব সব জেনে গিয়েছে ? এরপর তাহলে অনি আর বেলার কি হবে ? 💠 বেলা বোসের জন্য তার বাবা একটি বিয়ের প্রস্তাব আনে ! তবে আচমকা সেদিন তাদের টেলিফোনে একটি কল আসে, কিন্তু কার ? আর শেষ পর্যন্ত অনির্বাণ কি চাকরিটা পেয়ে বেলাকে নিজের করে নিতে পেরেছিলো ? অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, বহুদিন পর কোনো বই পড়ে আমি কেঁদেছি ! এখনকার যুগের কোনো লেখক বা লেখিকার বই পড়ে কাঁদতে পারিনি, অনেকদিন আগে হুমায়ুন আহমেদ স্যারের একটি বই পড়ে কেঁদেছিলাম আর আজকে এই বই পড়ে ! এক কথায় বলতে পারি,লেখার মান মারাত্মক ছিলো ! তাহিনা নিভৃত প্রাণ লেখিকার এই বই আমার প্রথম পড়া আর এই বই অবশ্যই আমার মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে ! 🔖 বইটি সবথেকে বেশি ভালো লাগার কারণ এখনকার যুগে রোমান্টিক জিনিসের নামে গার্বেজ কিছু শব্দ দিয়ে যে বিষয়গুলো লেখা হয় সেগুলো উপস্থিত ছিলো না এর মধ্যে ! থাকলে অবশ্যই আমার আর এই বই ছুঁয়ে ও দেখা হতো না ! লেখিকা খুব স্বাভাবিক ও মানসম্মত শব্দে যে সুন্দর রোমান্টিক মোমেন্ট গুলো এনেছে এগুলো বেশ ভালো লেগেছে আমার ! পড়ে মনে হয়েছে হ্যাঁ এইতো, খুব স্বাভাবিক শব্দে ও তো রোমান্টিক জিনিসটা ফুটানো যায় বইতে ! তারজন্য হয়তো বইটি আমার আরও বেশি ভালো লেগেছে ! আমার কাছে আরও ভালো লেগেছে বেলা আর পুষ্পিতার বন্ধুত্বটা ! মানে অনেক সুন্দর ছিলো ! তাছাড়া বইয়ের একদম শেষ একটি লাইন ও আমার বেশ মনে গেঁথেছে সেটি হচ্ছে «এই গান সেই সকল প্রেমিকাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছিল, যারা প্রেমিকাকে হারানোর ভয়ে কিংবা প্রেমিকাকে নিজের করে নিতে চাকরির পেছনে ছুটতে থাকে একটি প্রেমিক মন নিয়ে ! কিন্তু সব বেলার প্রেমিকের কপালেই কি চাকরি জোটে ?» 🔰 পছন্দের একটি লাইনঃ ❝আমি তোমাকে কখনোই ভুলতে পারবো না, সেই জন্য সেই চেষ্টা ও করিনি !

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

প্রশ্ন

কত পৃষ্টা এর এই বইটা

উত্তর

প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা 128। ধন্যবাদ।

প্রশ্ন

কত পৃষ্টা এর এই বইটা

উত্তর

প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা 128। ধন্যবাদ।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)

বাবলি

বাবলি

৳ 400৳ 400
4.63(2)
কিনুন