

Buy সতেরো নাম্বার বেডে খেদু মিয়া Online in Bangladesh
লেখক: অসীম হিমেল
- Author: অসীম হিমেল
- Publisher: অন্যপ্রকাশ
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2026
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
গতকাল বড়শিতে বড় একটা মাছ ধরলাম। চিন্তাও করতে পারবে না তুমি কত বড় মাছ, এত্ত বড় বলেই দুই হাত দিয়ে প্রসারিত করে বলল শিমুল।তোমার এই মাছ ধরা কবে থামবে, বলো তো? সারা দিন শুধু মাছ আর মাছ নিয়ে কথা বলো! খালি খাই আর খাই। আর এই যে সারা দিন বড়শি পেতে বসে থাকো, আর একটা দুইটা মাছ ধরতে পারলে মনে হয় অনেক কিছু করে ফেলেছ, মাছ ধরা নিয়ে এত উচ্ছ্বাস দেখাও, মনে হয় বিরাট কিছু করে ফেলেছ আর এদিকে আমার হাতটাও ভালো করে ধরতে পারো না? হাসতে হাসতে বলল রিয়া?কী বলো তুমি? আমি তোমার হাত ধরতে পারি না। বলেই রিয়ার হাত ধরে টান দিয়ে নিজের দিকে নিয়ে আসে শিমুল।ওহ্, এত জোরে কেউ হাত ধরে হাত ধরার মধ্যেও কিন্তু একটা আর্ট আছে।মাছ ধরাও একটা আর্ট। ছিপ ফেললাম আর মাছ ধরলাম, ব্যাপারটা এই না। ছিপ ফেলে মাছকে খেলিয়ে সেটা টেনে তুলে নিজের বালতিতে রাখার যে আনন্দ, সেটা দেখার মধ্যেও একটা সুখ আছে।সেটা যদি জীবনের ক্ষেত্রেও করতে পারতে, তাহলে জলের মাছের চেয়ে ডাঙার মাছ ধরে সেটা খাওয়ার আনন্দ অন্য সবকিছুর চেয়ে বেশি আনন্দের।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

সতেরো নম্বর খেদু মিয়া বইয়ের লেখক অসীম হিমেল। বইটা মেলা থেকে সংগ্রহ করতে পারিনি তবে মেলার শেষ দিন অনলাইনে অর্ডার করে দুদিন পর হাতে পাওয়ার পর পর ই পড়তে শুরু করলাম।নতুন বইয়ের গন্ধ মন টানছিলো পড়ার জন্য।ব্যস্ততার কারনে আগের মতো তেমন বই পড়া হয় না।এই বইটা পড়লাম… খেদু মিয়ার চরিত্র টা আমার কাছে কিছুটা মিসির আলীর মতোই মনে হলো। লেখক তার সাধারণ ভাষায় অসাধারণ লিখেছেন।শিমুলের অতিরিক্ত মাছ প্রীতি তার ভালোবাসা কে দূরে ঠেলে দেয়। রিয়া তার মৃত দেহ মাছের খাবারের জন্য নদীতে ভাসিয়ে দিতে বলে। আমার কাছে মনে হলো এটা ভালোবাসার নিরব প্রতিদান।আর ১৭ নম্বর বেডে যে ঘটনা গুলো ঘটেছে তা অলৌকিক… তবে মৃত মানুষের সাথে কথা বলা অলৌকিক হলেও এমন হয়। প্রিয় মানুষের মৃত্যুর পর মাঝে মাঝেই মনে হয় পিছন থেকে ডাকছে বা তার ছায়ার মতো কিছু দেখেছে।শিমুলের মেয়ে মাছ পছন্দ করে না… এটা শিমুলের প্রাপ্য ছিলো। সব শেষে লেখকের মতোই বলবো সত্যি ই প্রকৃতি কোন জিনিস কিভাবে ফিরিয়ে দিবে মানুষ তা বলতে পারে না।বই টা পড়ে ভালো লাগলো।লেখকের জন্য অনেক শুভকামনা।


"সতেরো নাম্বার বেডে খেদুমিয়া " অসীম হিমেলের লেখার অন্যতম শক্তি হলো সহজ কিন্তু গভীর ভাষা। সংলাপগুলো বাস্তবসম্মত এবং চরিত্রগুলো খুব জীবন্ত মনে হয়। অনেক জায়গায় এমন আবেগময় মুহূর্ত আছে যা পাঠককে ভাবিয়ে তোলে। জীবন, মৃত্যু ও মানবতার অর্থ কী????? সমাজে অনেক সময় মেয়েদের নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ কম থাকে। পরিবার, পরিস্থিতি বা সামাজিক চাপ রিয়াকে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যেতে বাধ্য করেছে। গল্পটি পড়ে মনে হয়েছে মানুষের জীবনে সহানুভূতি ও মানবিকতার কত বড় প্রয়োজন। হাসপাতালের পরিবেশ, রোগীর অসহায় অবস্থা , আবার পরিবেশ এবং পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে রোগী বা সমাজের কিছু অসাধু লোক সুযোগ এর অপব্যবহার করে। সব মিলিয়ে, “সতেরো নাম্বার বেডে খেদুমিয়া” গল্পটি মনে গভীর দাগ কেটেছে। এটি শুধু একটি গল্প নয়, বরং মানুষের জীবন, দুঃখ-কষ্ট এবং মানবতার একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। গল্পটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সময়ের নির্মমতা। " সময় কাউকেই ছেড়ে কথা বলে না"। মানুষের শক্তি, ক্ষমতা, অর্থ বা সামাজিক অবস্থান......সবই সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে যায়। গল্পটির ভাষা সহজ, সরল ও আবেগঘন। লেখক খুব সাধারণ ঘটনার মধ্য দিয়ে গভীর সামাজিক বার্তা তুলে ধরেছেন। সর্বোপরি, “সতেরো নাম্বার বেডে খেদুমিয়া” একটি শিক্ষামূলক ও মানবিক গল্প, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে জীবন ক্ষণস্থায়ী এবং সময়ের কাছে সমান। লাবণ্য . ঢাকা



"সতেরো নাম্বার বেডে খেদু মিয়া " লেখক অসীম Asim Himel সাসপেন্স পূন্য রহস্য উপন্যাস। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে পড়েছি। প্রতি পাতা পড়ার পর আরেক পাতা কখন পড়ব সতেরো নাম্বার বেডে খেদু মিয়া তেমন লেখা উপন্যাস। আত্মহত্যা করাকে লেখক খারাপ ও ক্ষতিকর কাজ বলে অভিহিত করেছে।স্বাস্থ্যসেক্টরের কিছু অসংগতির ব্যাপার লেখকের গল্পে ফুটে উঠেছে। একে অন্য র পছন্দ সত্য ভালোবাসা র অন্তরায় হতে পারে না এটা এই উপন্যাস এ প্রতিপাদ্র বিষয় যেমন রিয়ার মাছ না খেতে পারা। খেদু মিয়া র লজিক নিভর্ সমাধানে বরাবর মতো অভিভূত হয়েছি। আদিভোতিক কথাবার্তা লেখা কে আরো উপভোগ্য করেছে। রিভিউ আমি বড় করবো না সুশীল পাঠক বইটি পড়ে দেখলে জানতে পারবে "সতেরো নাম্বার বেডে খেদু মিয়া" উপন্যাসটি এক বৈঠক এ পড়ার মতো লেখা।আমার পড়া চমতকারএকটা উপন্যাস। বইটি অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে। বইটির কাগজ ভালোমানের আর পচছদ টি উপন্যাসের সাথে অনেক মানিয়েছে। লেখকের জন্য অনেক শুভকামনা।বই পরুন বই কিনুন। বইটি বইমেলা র অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী তে আর রকমারি তে পাওয়া যাচ্ছে।























