রাধেয়
বই কালেকশন

Buy রাধেয় Online in Bangladesh

লেখক: মাহমুদুর রহমান

4.05
(13 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: মাহমুদুর রহমান
  • Publisher: নালন্দা
  • Isbn: 9789849382355
  • Number Of Pages: 115
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2019
৳ 349৳ 40013% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

"রাধেয়" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: রাধেয় একটি উপন্যাস, যাকে বলে ‘ফিকশন’। আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে বলতে হবে পুরাণ আশ্রিত উপন্যাস। মহাভারত অনুসরণ করে লেখা এ উপন্যাসে মুখ্য চরিত্র কর্ণ। মহাভারতে অনেকটা আড়ালে পড়ে যাওয়া কর্ণকে খুব কাছ থেকে দেখার চেষ্টা। তবে উপন্যাসের কর্ণ কেবল দেবতার পুত্র নয়, সে দোষে-গুণে একজন মানুষ। মহাভারতে যে মানুষটি নানা সময়ে নিয়তি, পিতা-মাতা, রাজবংশ কর্তৃক চালিত, উপন্যাসে সে খুঁজে ফেরে তাঁর নিজের জীবনের অর্থ। সমাজ, রাজ্য, প্রচলিত নিয়মের সঙ্গে তার যে দ্বন্দ্ব, তা ছাপিয়ে আপন ধর্ম (কর্তব্য) নিয়ে নিজের সঙ্গে লড়াই করে যাওয়া একজন মানুষের গল্প বলা হয়েছে এ উপন্যাসে। কর্ণের মতাে মানুষ প্রতি যুগেই থাকে। যে লড়ে যায় নিজের স্বপ্নের জন্য, মর্যাদা লাভের জন্য। কেউ হেরে যায়, কেউ জয়ী হয়। কর্ণ সে-সব লড়াকু মানুষের প্রতিভূ। কর্ণের সংগ্রামের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সর্বকালের মানুষের সংগ্রাম। নিয়মের বিরুদ্ধে যাওয়া প্রতিটি মানুষই একজন কর্ণ।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.05
(13 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
69%
4
15%
3
15%
2
0%
1
0%
Arya Rahul
Arya Rahul ভেরিফাইড
29 Apr 2023

যদি কারো মহাভারত বা মহাভারতের কোনো চরিত্র সম্পর্কে জানতে ইচ্ছে হয় তবে সরাসরি মহাভারত পড়ুন।সরাসরি সত্যতা জানতে পারবেন। এধরনের বইতে অনেক ভুল ভ্রান্তি থাকতে পারে। অনেক মনগড়া কাহিনি তুলে দিতে পারে। অতএব এধরনের বই পড়ার কোনো মাহাত্ম্য নেই।

Najmul Hasan Sajib
Najmul Hasan Sajib ভেরিফাইড
20 May 2021

#অনুভূতির_প্রকাশক "নিয়তির লিপি দ্বারা চালিত আমরা সকলে। ধর্মের গতিও অতি সূক্ষ্ম। সে সূক্ষ্ম গতি আর নিয়তি আমাদের টেনে নিয়ে যায় অমোঘ কোনো সমাপ্তির পানে। যা ঘটবে, তা নিবারণ করার সাধ্য আমাদের কারও নেই"! রাধেয়.... মহাকাব্য 'মহাভারত' এর সবচেয়ে অবহেলিত, অসহায় চরিত্র স্মরণ করলেই ভেসে ওঠে রাধেয় 'কর্ণ' এর নাম । সমাজ, রাজ্য, প্রচলিত নিয়মের সঙ্গে তার যে দ্বন্দ্ব, তা ছাপিয়ে আপন ধর্ম(কর্তব্য) নিয়ে নিজের সঙ্গে লড়াই করে যাওয়ার একজন মানুষের গল্প বলা হয়েছে এই উপন্যাসে। . . ১. ঋষি দুর্বাশাকে বছর যাবৎ সেবা করার পর কুন্তিকে তিনি একটি বরপ্রাপ্ত করেন। এ বর প্রয়োগের ফলে যেকোনো দেবতাকে স্মরণ করলে তার সামনে উপস্থিত হবে এবং দেবতা তাকে পুত্রসন্তান দান করবেন। কিশোরী কুন্তী কৌতূহলপ্রবণ হয়ে একদিন আহ্বান করেন সূর্যদেবকে।কৌতূহলে আহ্বান করার পরেও পুত্র সন্তান চাননি কুন্তী।বিকল্প না থাকায় এই ভুলের পর পুত্র সন্তান লাভ করল কুন্তী,সূর্যদেবের কৃপায় অটুট রইল তার কুমারিত্ব। কুন্তীর কৌতূহলের ফলেই জন্ম হয় মহাভারতের সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং চরিত্র 'কর্ণ'র। . লোকলজ্জার ভয়ে কুমারী কুন্তী সন্তানকে নদীর জলে ভাসিয়ে দেন।সূর্য-পুত্রকে রক্ষা করেন স্বয়ং সূর্যদেব। কুড়িয়ে পাওয়া কর্ণ মানুষ হতে থাকেন হস্তিনাপুরে, পিতা অধিরধ ও মাতা রাধার গৃহে। মাতা রাধার পুত্র বলে 'রাধেয়' নামেই বইটার নামকরণ। . ছোটবেলা থেকেই অস্ত্রের প্রতি অনির্বাণ আকর্ষণ কর্ণের । কিন্তু জাতিতে সূতপুত্র বলে সমাজে নেই অস্ত্রবিদ্যায় অনুমতি। অস্ত্রবিদ্যা শুধু ক্ষত্রিয় আর ব্রাহ্মণ্যের অধিকার ! কিন্তু দমে যায়নি কর্ণ। অস্ত্রবিদ্যার আশায় গৃহ ত্যাগ করেন একসময় । মিথ্যে বলে শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন পরশুরামের!গুরুর কাছে শিক্ষা সমাপ্তির আগে ধরা পড়েন কর্ণ। পরশুরাম তাকে উদ্দেশ্য করে বলে সংকটকালে কর্ণের বিদ্যা কাজ করবে না... . ২. বিচিত্রবীর্যের পুত্র পাণ্ডুর সহিত বিয়ে হয় কুন্তীর। পাণ্ডু ছিলেন হস্তিনাপুরের মহারাজ। কিন্তু এক ঋষির অভিশাপে বনবাসে গমন করেন মহারাজ পাণ্ড এবং তার দুই স্ত্রী কুন্তী ও মাদ্রী। তখন হস্তিনাপুরের রাজা হন পাণ্ডুর জৈষ্ট্য ভ্রাতা ধৃতরাষ্ট্র, তিনি ছিলেন জন্মান্ধ। . ঋষি থেকে প্রাপ্ত বর প্রয়োগে দেবতাদের কল্যাণে কুন্তী ও মাদ্রী ৫জন সন্তান লাভ করেন। যুধিষ্ঠির,ভীম, অর্জুন, নকুল ও সহদেব যারা পঞ্চপাণ্ডব নামে পরিচিত হয়।হস্তিনাপুরের মহারাজ ধৃতরাষ্ট্র গান্ধারীকে বিয়ে করেন। গান্ধারী প্রসব করেন এক মাংসপিন্ড, সেখান থেকে জন্ম নেয় দুর্যোধন, দুঃশাসনসহ ১০০পুত্র ও এক কন্যা। . এই পাণ্ডব ও কৌরব বংশের যুদ্ধ নিয়েই রচিত হয় মহাভারতের কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ। . ৩. অস্ত্রবিদ্যার জ্ঞান সমাপ্ত করে রাজপুত্রেরা ফিরে আসে হস্তিনাপুরে, আয়োজন করা হয় এক অস্ত্রক্রীড়ার। যাতে করে হয়ে যাবে তাদের যোগ্যতার প্রমাণ। সব রাজপুত্ররাই দেখায় তাদের বাহুবল। দ্রোর্ণাচার্যের প্রিয় শির্ষ্য অর্জুনের সামনে একসময় এসে হাজির হন প্রতিযোগিতা উপভোগ করা রাধেয় 'কর্ণ'। কর্ণের বাহুবলে মুগ্ধ হয়ে দুর্যোধন কর্ণকে অঙ্গরাজ্যের রাজা ঘোষণা করে। কর্ণ প্রতিজ্ঞা করে জীবনে সবসময়ই তিনি দুর্যোধনের সহিত থাকবেন। পান্ডবদের আগুনে পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনায় কর্ণ দুর্যোধনের সাথে ছিলেন কিন্তু তার মিত্রের এই অধর্ম মন থেকে মনে নিতে পারেননি। দুর্যোধনের কাছে করা প্রতিজ্ঞা রক্ষার্থেই কুরুযুদ্ধে ভাইদের বিপক্ষে অংশগ্রহণ করেন কর্ণ। রাজকুমারী দ্রৌপদীর স্বয়ম্ভর সভায় কঠিন এক পরিক্ষার আয়োজন করা হয়। অর্জুন আর কর্ণ সে প্রতিযোগিতা জিততে সক্ষম। যখন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে অগ্রসর হবেন কর্ণ, তখন রাজকুমারী সূতপুত্রকে বিয়ে না করার অনীহা প্রকাশ করলেন। সূতপুত্র বলে কর্ণের বাহুবলকে অবজ্ঞা করলেন দ্রৌপদী।ব্রাহ্মণবেশে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ায় দ্রৌপদীকে জয় করলেন অর্জুন। মাতা কুন্তীর আজ্ঞানুসারে পঞ্চপান্ডবের সহিত বিয়ে হয় রাজকুমারী দ্রৌপদীর। . ৪. ইন্দ্রপ্রস্থে যুধিষ্ঠিরের রাজ্য অভিষেক অনুষ্ঠানে দুর্যোধনকে অপমান করায় হস্তিনাপুরে এক দ্যূতক্রীড়ায় আয়োজন করা হয়! ছল করে পুরো দ্যূতক্রীড়ায় জয়লাভ করে দুর্যোধন।যুধিষ্ঠিরের পরাজয়ে পঞ্চপাণ্ডব ও দ্রৌপদীকে হতে হয় দাস এবং দ্রৌপদীকে অপমান করা হয়, রাজসভায় সকলের সামনে কেশ ধরে নিয়ে এসে বস্ত্রহরণ করা হয়। পুনরায় দ্যূতক্রীড়ায় হেরে বার বছরের বনবাস এবং এক বছরের অজ্ঞাতবাসে গমন করে পঞ্চপাণ্ডব ও দ্রৌপদী। . তেরোবছর পর কুরুযুদ্ধের আগে শান্তিচুক্তির জন্য শ্রীকৃষ্ণ আগমন করেন হস্তিনাপুরে। কিন্তু শান্তিচুক্তি ব্যর্থ হয়। আরম্ভ হয় কুরুযুদ্ধের যুদ্ধ! .যুদ্ধে প্রথমে কর্ণ অংশ নিতে পারেনি, মহামতিম ভীষ্ম ও গুরু দ্রোণের মৃত্যুর পর সেনাপতি হিশেবে কর্ণ অংশ নেন। যুদ্ধের পূর্বে কৃষ্ণ তাকে জানিয়েছিলেন তার জন্মপরিচয়।হোঁচট খেয়েছিলেন কর্ণ তবুও প্রতিজ্ঞায় তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দেবরাজ ইন্দ্রকে দান করতে হয় তার কবজ-কুণ্ডল। . অনুজ অর্জুনের সাথে মুখামুখি কর্ণ যুদ্ধে। কে শ্রেষ্ঠ? প্রমাণ হবে আজ। যুদ্ধ হল অনেক্ক্ষণ একসময় শ্রীকৃষ্ণ রথ নিয়ে বের হয়ে গেল যাচ্ছে কুরুক্ষেত্রের মূল থেকে। পিছুপিছু ধাওয়া করল কর্ণ। একসময় রথের চাকা আটকে গেল মৃত্তিকায়। অর্জুন একসময় তীর ছুঁড়ে কর্ণের বুকে কর্ণ তখন রথের চাকা বের করতে ব্যস্ত। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে কর্ণ। মৃত্যুর পূর্বে শ্রীকৃষ্ণের সাথে অনেকক্ষণ কথোপকথন হয় কর্ণের। কর্ণের জীবনের ভুল-ভ্রান্তি,অর্জন ইত্যাকার বিষয়ে কথা বলেন কৃষ্ণ। . . কুরুক্ষেত্রের সতেরোতম দিনে কর্ণ মৃত্যুবরণ করেন। কর্ণের পরিচয় পঞ্চপাণ্ডবের সামনে প্রকাশ পেলে যুধিষ্ঠির বলল, 'এ সত্য আগে প্রকাশ জলে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধই হতো ".... . . . . ৬. আমার অনুভূতি ~ মহাভারতের কাহিনি আগেই আমার ভালোই জানা ছিল। তাই অনেক জায়গায় কিছু নতুন তথ্য পেয়েছি।মহাভারতের অন্য চরিত্রগুলোকে নিয়ে বই লেখা হলেও কর্ণকে নিয়ে সম্ভবত এটাই প্রথম। কর্ণকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে উপন্যাসে। . লেখকের প্রথম বই পড়লাম ।বেশ ভালোই লেগেছে। লেখকের ভাষাশৈলী ও শব্দচয়ন বেশ ভালো।ভারী কিছু শব্দের ব্যবহার সাথে এর অর্থও নোটে দেওয়া ছিল।পড়তেও সহজ হয়েছে। পুরাণিক একটা চরিত্র নিয়ে উপন্যাস লেখাটা অনেক কঠিন কাজ। তবে লেখক তার কাজে সফল। শেষের দিকটাই লেখক বেশ তাড়াহুড়ো করেছেন বলে মনে হল। একটু সময় নিয়ে লেখাটা আরো বাড়ালে বেশ ভালো হতো।। . . . নিয়মের বিরুদ্ধে যাওয়া প্রতিটি মানুষই একজন কর্ণ।কর্ণরা ফিরে আসে বারবার। চলে যায় নিভৃতে... বই ~ রাধেয় লেখক ~ মাহমুদুর রহমান প্রকাশনী ~ নালন্দা মূল্য ~ ২৫০/- পৃষ্ঠা ~ ১১৫ প্রথম প্রকাশ ~ সেপ্টেম্বর,১৯ © নাহাস মুহাম্মদ

jheelam biswas
jheelam biswas ভেরিফাইড
10 Apr 2021

অতটা ভাল লাগেনি যতটা ভেবেছিলাম। নতুন কিছুই নেই,জানা কাহিনীর পুনরাবৃত্তি। লেখনিও ততটা শক্তিশালী নয়। পরিসর ও অনেক কম, তাই সব কিছু তাড়াহুড়ো লেগেছে।

Kazi Mahamud Al Masum
Kazi Mahamud Al Masum ভেরিফাইড
09 Apr 2021

Good for knowing about KARNA! But from my perspective this book can be more exciting for those who haven't read Mahabharata before.

Walid Prottoy
Walid Prottoy ভেরিফাইড
23 Aug 2020

সুপাঠ্য এবং সুখপাঠ্য ।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)

নূর

নূর

৳ 220৳ 220
5.00(7)
কিনুন