

Buy বিশ্বাসঘাতক Online in Bangladesh
লেখক: নারায়ণ সান্যাল
- Author: নারায়ণ সান্যাল
- Publisher: দে’জ পাবলিশিং (ভারত)
- Isbn: 9788129508683
- Number Of Pages: 256
- Language: বাংলা
- Edition: 3rd Edition, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
“বিশ্বাসঘাতক” বইয়ের প্রথম ফ্ল্যাপের কথা: ‘পারমাণবিক শক্তি ব্যাপারটা সম্বন্ধে আমাদের ভাসা-ভাসা ধারণা আছে। হিরোশিমা এবং নাগাসাকিতে তার নারকীয় কাণ্ডকারখানার কথাও শুনেছি। কিন্তু মোদা ব্যাপারটা যে কী, তা আমরা জানতাম না।জানার প্রয়োজন এতদিন বোধ করিনি। যা ছিল একান্ত গোপন তার অনেকটাই আজি জনসাধারণকে জানতে দেওয়া হয়েছে । চিন, ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর- পৃথিবীর আটটি দেশ এ তথ্য জেনে ফেলেছে।অট্যাম বোমা ফাটিয়েছে। বিদেশি ভাষায় পপুলার সায়েন্স-জাতীয় বইয়ে এ আলোচনা দেখেছি। বাংলা ভাষায় সে আলোচনা আমার নজরে পড়েনি। গত পচিশ-ত্রিশ বছর এ-বিষয়ে অজ্ঞ ছিলাম--তা দুনিয়ার অনেক বৈজ্ঞানিক-তথ্যের বিষয়েই তো কিছু জানি না, কী ক্ষতি হয়েছে তাতে ?—ভাবখানা ছিল এই। এতদিনে মনে হচ্ছে-ক্ষতি হয় । “বিশ্বাসঘাতক” বইয়ের পরবর্তী ফ্ল্যাপের কথা: শেষে জনৈক বৈজ্ঞানিক একক প্রচেষ্টায় একটি গোপন তথ্য রাশিয়ায় পাচার করেন। মানব-সভ্যতার ইতিহাসে আর্থিক মূল্যমানের দিক থেকে এটাই নাকি সবচেয়ে বড় জাতের বিশ্বাসঘাতকতা। উপজীব্য। গ্রন্থটিকে উপন্যাস বলতে বাধে, কারণ উপন্যাসে কেমিস্ট্রির বিজ্ঞান-গ্রন্থে রোমান্টিক প্ৰেম-কাহিনি অপাংক্তেয় । গোয়েন্দা যেখানে অপরাধীকে চিহ্নিত করছে না, অপরাধী স্বয়ং এগিয়ে আসছে ধরা দিতে—ডস্টয়েভস্কির ‘ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট’-এর নায়কের মতো—সেখানে গোয়েন্দা কাহিনির প্রশ্নই ওঠে না। তাহলে প্রকাশক হিসাবে এর জাতনির্ণয় করি কীভাবে ? প্রশ্নটা আমরা লেখকের কাছে পেশ করেছিলাম। শুনলাম, তিনি নিজেই নাকি কৌতুহলী: গ্রন্থগারিক একে কোন আলমারিতে স্থান দেন।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
বই পড়ে তার সারাংশ লিখার অভ্যেস টা স্কুলে মাষ্টারমশাই এর বেতের ভয়ে যাও কিছুটা রপ্ত করেছিলাম, স্কুল থেকে বের হয়ে আসার পর সে অভিযোগ এর আঙুল আর কেউ তুলতে পারবেন না। তারপরও নারায়ন সান্যাল এর "বিশ্বাসঘাতক" পড়বার পর মনে হলো, নিচের কথা টুকু লিখে ফেলি। নিজের বিবেকের কাছে যদি প্রশ্নবিদ্ধ হই কোনদিন, তবে এই অংশটুকু পড়ে নিয়ে বুঝে নেবো, কতটুকি বিক্রি করেছি, আর কতটুকু পড়ে আছে বিক্রয়ের উপযুক্ত? আমি শৈশব থেকেই জেনে এসেছি, বই মূলত দুই ধরনের, পাঠ্যপুস্তক বা পড়ার বই আর অপাঠ্যপুস্তক বা না পড়ার বই। এই গল্পটুকু না হয় অন্য কোনদিন হবে। তবে প্রসঙের অবতারনা অপ্রাসঙ্গিক নয়। আজ এবেলায় এসে জানি, জীবনকে যাপন করবার জন্য যে জ্ঞ্যান টুকু দরকার: জীবন বোধ এবং জীবন দর্শন, তা ঐ পাঠ্যপুস্তকে আপনি পাবেন না। একে খুজে নিতে হলে সরনাপন্ন হতে হবে এই সব না পড়ার বই এর৷ বিজ্ঞানের খুব জটিল কিছু বিষয়কে খুব সরল ভাবে উপস্থাপন করে গেছেন সান্যাল বাবু, যদিও বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা উনার উদ্দেশ্য ছিলো না। তবে সে দায়িত্ব কাধে তুলে নিয়ে বিদ্যালয়ে, গবেষনাগারে কর্মরত আছেন যে সব শিক্ষা গুরু, তাদের অবশ্য পাঠ্য হওয়া উচিত এই অপাঠ্যপুস্তক। বিজ্ঞানের জটিল বিষয় গুলোকে সহজে কি করে উপস্থাপন করতে হয় তার শিক্ষা, এডভান্স ফলিত রসায়ন দ্বিতীয় পত্রে খুজে পাওয়া যাবে না। তা বুঝতে হলে আপনাকেও আশ্রয় খুজতে হবে এসব অপাঠ্যপুস্তকেই। আজীবন বিজ্ঞানের ছাত্রের গুরুদক্ষিণার এহেন প্রয়োগ দেখে যে সকল শিক্ষা গুরু খুব করে চটছেন, আমায় না হয় আধবেলা কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকার অথবা ক ঘা বেত্রাঘাতের শাস্তি দিয়ে দেবেন। আমি মাথা পেতে নেবো। এই গল্পখানি, বিশ্ব ইতিহাসের গল্প। না পারমানবিক বোমার গল্প টা নয়। তারও আরও আগে, অনেক আগে চলে যেতে হবে আপনাকে। ঈশ্বর, ভগবান, সৃষ্টিকর্তা কিংবা বিগ ব্যাঙ, যার হাত ধরেই চলুন না কেন, এই বিশ্বভ্রমাণ্ড সৃষ্টি হয়েছিলো মানুষ সহ অন্য সকল জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল হিসেবেই। অত:পর আমরা একদিন টেনে দিলেম এর মধ্যে মানচিত্রের রেখা। এবারে আসলো সেই মানচিত্রকে রক্ষা করার পালা, আর তার পালাবদলে কেউ হয়ে গেলাম রাজা কেউ পুরোহিত৷ এবারে শুরু হলো আকার খেলা। নিজের মানচিত্রের রেখাটুকু টেনে লম্বা করতে হবে, অন্যের মানচিত্রের রেখা টুকু মুছে দিতে হবে ইরেজার দিয়ে। এই আকা মোছার খেলায় মানুষ হয়ে গেলো যুদ্ধাস্ত্র আর বিসর্জন দিলেম বিবেক। কিন্তু তাতেই কি ক্ষান্ত হলো যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা? এই ক্ষিদা ত অপরিসিম। এই অপরিসীম ক্ষিদা মেটাতে এবারে দরকার পরলো আগ্নেয়াস্ত্রের। রাজারা এবারে দারস্ত হলেন বিজ্ঞানীদের। এই লোক গুলো আপাত বেখায়ালি, রাজাদের নীতি এরা কতটা বুঝলেন তা অনেক পরের বিবেচনা, তার আগেই এরা তৈরি করে ফেললেন ভয়াবহ সব অস্ত্র। তারপর ইতিহাস গরিয়ে প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এবারে আর অস্ত্রে চলবে না রাজা মশাইয়ের এবারে চাই ব্রহ্মাস্ত্র । গল্পটা সেই ব্রহ্মাস্ত্র তৈরির। কথা হচ্ছিলো বিশ্বাসঘাতকের। ইতিহাস যেহেতু বিজয়ীর পক্ষে লিখা হয়, বিজয়ী পক্ষ বিশ্বাসঘাতক হিসেবে তর্জনী তুললেন এমনি এক বিজ্ঞানীর দিকে। কিন্তু বিশ্বাসঘাতক আসলে কে? সেদিন, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে মানচিত্রের রেখা যিনি একেছিলেন তিনি কি পৃথিবীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন নি। রাজা কিংবা পুরোহিতেরা যেদিন মানুষ কে বলে দিলেন যুদ্ধাস্ত্র সেদিন কি মানবতার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা হয় নি? বিজ্ঞানী যে দিন মানব কল্যানে জ্ঞ্যানের সাধনা করার ব্রত কে উপেক্ষা করে রাজার কাছে ভেট দিলেন অগ্নেয়াস্ত্র সেদিন কি বিজ্ঞানের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা হয় নি? কিংবা আমেরিকা যেদিন ক্যাপিটালিজম এর দামে কিনে নিলেন হাজার খানেক বিজ্ঞানীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল, পারমানবিক বোমা সেদিন কি বিশ্বমানবতার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা হয় নি? বিশ্বাসঘাতকতা মিশে আছে এর আবিষ্কারক এর নামেও। গুগুল মহাশয় পর্যন্ত নির্দ্বিধায় বলে দিচ্ছেন মার্কিন বিজ্ঞানী রবার্ট ওপেনহেইমার। কি তাচ্ছিল্য, কি ভয়ানক অবমাননা পৃথিবীর সবচাইতে উজ্বল মস্তিষ্ক গুলোর প্রতি। কিন্তু সে প্রশ্ন কে করবে? পরমানু বোমার দায় নিছক এক লক্ষ জীবন কেড়ে নেয়ার কিন্তু তা মানুষের উপর প্রয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে গোটা মানব সম্প্রদায়ের বিবেক কে বিক্রি কিরে দিয়েছিলেন যে অসীম ক্ষমতাধর তার দাম চুকানো আজও বাকি। তাই আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানের নামে চলে আসছে বিশ্বাসঘাতকতার মূলনকশা। তাই আজো পর্যন্ত কর্কট রোগের প্রতিষেধক বাজারে এসে পৌছে নি। তাই আজো পর্যন্ত মাটি খুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানি দিয়ে চলছে পথের চাকা। হয়তো খবর নিলে পাওয়া যাবে এরাও ক্যাপিটালিজম এর দামে বিক্রি হয়ে ফাইল চাপা হয়ে আছে কোন গুদামঘরে। হয়তো কোন বিশ্বাসঘাতকের অভাবে। ক্যাপিটালিজম বা কম্যুনিজম এর বিতর্কটা আমার বা আপনার তো ছিলো না। ছিলো না কোন বিজ্ঞানী বা দার্শনিকের। তবু বিশ্বাস এর ঘাত কোন দিন কার্ল মার্ক্স কে বিদির্ন করলে কোনদিন করেছে ডক্টর ক্লাউস ফুক্স কে৷ কোন দিন কেউ বলে নি সম্রাট অশোক কিংবা জুলিয়াস সিজার বিশ্বমানবতার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। কোন দিন কেউ বলেনি মোঘল শাষক কিংবা অটোমান বিশ্বপতিদের হাতে লেগে আছে লোহিত দাগ। তাই তর্জনী তুলে যখন চিহ্নিত করি কোন বিশ্বাসঘাতকের দিকে, আমি জানি বাকি তিনটি আঙুল প্রশ্নবিদ্ধ করে আমার বিশ্বাসযোগ্যতাকেই। তাই যদি গল্প শেষে জিজ্ঞেস করেন কি ছিলেন এ বিশ্বাসঘাতক? আমি মাথা নিচু করে অপরাধ স্বীকার করে নেবো।
এক কথায় অসাধারণ একটি উপন্যাস এই বইটি।
বিশ্বাসঘাতক- নারায়ণ স্যানাল বইটিকে কোন শ্রেণীতে ফেলা যায় ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। তবে স্পাই থ্রিলার বলা যায়। বইটির বিষয়বস্তু হলো- আমেরিকার মানহাটন প্রজেক্টে উৎপন্ন এটম বোমা তৈরির তথ্য চুরি করে রাশিয়ায় কে পাঠিয়ে দিয়েছে সেটা উদঘাটন। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাটকতার কাহিনী নিয়েই আবর্তিত এই উপন্যাস। যদিও ইতিহাসের পাঠক মাত্রই এর উত্তর জানবেন। তবে যারা জানেন না তাঁদের জন্য বইটি হতে পারে অসাধারণ একটি থ্রিলার ও গোয়েন্দা বই। বইটিতে অনেক বিজ্ঞানীদের হালচাল ও তাঁদের সমকালকে উপলব্ধি করা যাবে। আর এজন্য এই বইটা আমার প্রিয়। যেমন- রাদারফোর্ড, অটো হান, হাইজেনবার্গ, রিচার্ড ফাইনম্যান, ফার্মি, আইনস্টাইন, আইরিন কুরি, ওপ্যানহাইমার সহ আরো বহু বিজ্ঞানীর জীবন ও সাধনাকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখা যাবে। আর এটাই আমার কাছে একমাত্র আকর্ষণ।

বইয়ের নামঃবিশ্বাসঘাতক লেখকঃনারায়ণ সান্যাল প্রকাশনীঃদে'জ পাবলিশিং মূল্যঃ ৩৬৯টাকা আমার পড়া নারায়ণ সান্যালনএর সেরা একটি উপন্যাস।বিজ্ঞান, রাজনীতি, গুপ্তচরবৃত্তি, ঘটনা ও কল্পকাহিনী, প্রেম এবং বিশ্বাসঘাতকতার এক অগণিত কাহিনী, সমস্ত সুন্দরভাবে শ্বাস-প্রশ্বাসের নাটকীয় থ্রিলার তৈরি করে মিশে গেছে কাহিনীর সাথে। সে তরল সৈনিকতার বিবরণ হোক, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাস ও বর্ণন, মরিচা বুদ্ধি এবং কৌতুক, আকর্ষণীয় চরিত্রগুলির উদ্দীপনা (তাদের বেশিরভাগ খ্যাতিমান পদার্থবিদ এবং নোবেল বিজয়ী!) এবং ১৯৩০-এর দশকের রাজনৈতিক জঙ্গলে উপস্থাপিত উপাখ্যান - লেখক একটি চমত্কার কাহিনী বোনা হয়েছে যা আমাকে শেষ কথা পর্যন্ত বইটিতে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল।মার্কিন সরকারের অতন্দ্র-প্রহরা ভেদ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে জনৈক বৈজ্ঞানিক একক প্রচেষ্টায় একটি গোপন তথ্য রাশিয়ায় পাচার করেন। মানব-সভ্যতার ইতিহাসে আর্থিক মূল্যমানের দিক থেকে এটাই নাকি সবচেয়ে বড় জাতের বিশ্বাসঘাতকতা।এমনই এক অসাধারণ ইতিহাস তুলে এনেছেন লেখক।মোট কথায় অসাধারণ এক বই।

মার্ক টোয়েন মতে, "Truth is stranger than fiction "। নারায়ণ স্যানালের "বিশ্বাসঘাতক " পড়তে কথাটা মাথায় চক্কর দিচ্ছিল এবং একইসাথে মাথাও চক্কর দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিলিয়ন ডলারের পারমাণবিক বোমা পুরো তথ্য সোভিয়েট ইউনিয়নের হাতে আসে পুরোপুরি নিখরচায়! আর এই তথ্য পাচার করেছিল "প্রজেক্ট ম্যানহাটন "(পারমাণবিক বোমা তৈরির প্রকল্পের নাম)।এর সাথে জড়িত বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদেরই কেউ!এতো নিরাপত্তা, এতো ফন্দিফিকিরের পরেও কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রহ্মাস্ত্র আণবিক বোমার তত্ত্ব হাতছাড়া হল? যাঁদের উপর সন্দেহ তাঁদের অন্যতম প্রধান ওপেনহাইমার। যিনি স্বয়ং পারমাণবিক বোমার উদ্ভাবক বলে খ্যাত! আর যিনি এই 'মহৎ' কর্মটি বিবেকের দায়ে করেছিলেন তিনি তো প্রথম থেকে শেষঅবধি ছিলেন নিষ্পাপ, সন্দেহের এক্কেবারে বাইরে। ভাবুন তো বিষয়টা। টানটান উত্তেজনায় ভরপুর জনপ্রিয় যেকোনো থ্রিলারকে হার মানিয়ে দিতে প্রস্তুত এই বই।মূলত,এটি শুধু পারমাণবিক বোমার তথ্য পাচার নিয়ে নয়। মোটাদাগে বললেও দ্বিতীয় মহাযুদ্ধককালীন এবং যুদ্ধত্তোর আন্তর্জাতিক রাজনীতি, ইতিহাস আর ধ্বংসপ্রলয়ের উল্লাসে মেতে ওঠাদের কাহিনী শুনিয়েছেন লেখক।এতো বৈজ্ঞানিক প্রস্তরতুল্য সব টার্মের কথা আছে বইতে।লেখক অনেকটাই মেদহীনভাবে লিখেছেন।জটিল বিষয়আশয় নিয়ে জানাতে বসলে অনেক লেখক ভজঘট পাকিয়ে ফেলেন।তখন কাহিনী হয়ে যায় ধীর।নারায়ণ স্যানাল এইখানেই টেক্কা মেরেছেন।পাঠককে বিরক্ত করেন নাই। তবুও বিজ্ঞানের টার্মগুলো নিয়ে আধাজ্ঞান থাকায় ভালো করে বুঝি নাই। মাথায় গেছে, মগজে প্রবেশ করেনি। তবুও বলবো নারায়ণ স্যানাল ঘটনার নাটকীয় বর্ণনা দিতে যতটা আগ্রহী ছিলেন,বৈজ্ঞানিক তত্ত্বগুলোকে সহজভাবে উপস্থাপনে ততটা জোর দেন নি বলেই মনে হয়েছে।তাতে বইটির পুরো রস আস্বাদন থেকে বঞ্চিত হয়েছি আমি নাদান পাঠক। ইয়ে, মানে বলতে ভুলে গেছি এটি কিন্তু উপন্যাস!























