পারাপার
বই কালেকশন

Buy পারাপার Online in Bangladesh

লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

4.54
(4 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
  • Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
  • Isbn: 9788177568417
  • Number Of Pages: 452
  • Language: বাংলা
  • Edition: 7th Print, 2023
৳ 1140৳ 12005% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

'পারাপার' বইয়ের ফ্লাপের লেখা ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিল একত্রিশ বছরের তরুণ যুবা ললিত। সাময়িক সুস্থতার পর ছাড়া পেল হাসপাতাল থেকে তাকে নিতে এল বাড়িওলার ছেলে শম্ভ আর অভিন্নহৃদয় বন্ধু তুলসী।... সূচনার এই সামান্য আয়ােজন থেকে ‘পারাপার’ উপন্যাসের কাহিনিকে ধীরে ধীরে, কিন্তু আশ্চর্য নৈপুণ্যে, লেখক নিয়ে যান এক বিশাল ব্যাপ্ত জগতের মধ্যে— ঘটনার সংঘাতে যেখানে প্রত্যক্ষ ও অনুভব্য যাবতীয় অভিজ্ঞতা বদলে যায় প্রতি মুহুর্তে, গার্হস্থ্য আর অধ্যাত্ম হয়ে পড়ে একাকার। ললিত, ললিতের বুড়ি মা, তুলসী, মৃদুলা, সঞ্জয়, রিনি, আদিত্য, । শাশ্বতী, অপর্ণা, বিমান আর রমেন (যার চোখের দিকে তাকিয়ে আত্মহত্যায় মগ্ন দুঃখী মানুষও পায় ঈশ্বরের সান্নিধ্য), বিভিন্ন ও পরস্পরবিরােধী। এইসব চরিত্রের সংলগ্ন হয়ে এগিয়ে চলে জীবনএক বিচিত্র সমগ্রতার দিকে। দুঃখ থেকে আনন্দের, প্রত্যাখ্যান থেকে প্রেমের মৃত্যু থেকে জীবনের দিকে চলেছে মানুষের নিরন্তর ও তাৎপর্যময় পারাপার। পাঠককে সেই মহত্তম বােধের মুখােমুখি দাড় করিয়ে দেন শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় তাঁর এই আন্তরিক উপন্যাসে।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.54
(4 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
50%
4
50%
3
0%
2
0%
1
0%
Saad Bin Shahid
Saad Bin Shahid ভেরিফাইড
23 Feb 2021

Cursed myself for not finding out this book. One of the characters who is thought to have mental issues had a notion about society that is similar to mine. I'm just glad there is someone who thought like that about society.

Salman Mahadi
Salman Mahadi ভেরিফাইড
08 Dec 2019

কলেজ জীবনে যে ছিল ছাত্র ইউনিয়নের একজন নেতা, প্রায় সকলের সপ্নের মতো প্রিয় ব্যক্তিত্ব যে কিনা মানুষের মুক্তির কথা বলতো, যখন সুযোগ হতো মানুষদের শুনাতো সাম্যবাদের সুস্পষ্ট বয়ান। তার চারপাশে ঘিরে থাকা মানুষদের চোখমুখে তখন এক আশ্চর্য বিশ্বাসের রেখা বিপ্লবী চেতনায় ফুটে উঠতো! সকলের প্রিয় ব্যক্তিত্ব সেই ললিতের দুরারোগ্য ক্যান্সার হয়েছে। রোগ থেকে খানিকটা সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ললিতের বাড়ি ফেরা নিয়ে শুরু হয়েছে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এই আন্তরিক উপন্যাস পারাপার। এই উপন্যাসে প্রিয় লেখক তার নিজস্ব জীবন দর্শন ব্যাক্ত করেছেন চরিত্রগুলোর মাধ্যমে, সুনিপুণ হাতে, সাহিত্যের ভাষায়। এই উপন্যাসে তার সৃষ্ট চরিত্রগুলোর মধ্যে রমেন যার সংস্পর্শে এসে মানুষ প্রকৃত শান্তি খুঁজে পায়, আশা খুঁজে পায় বেঁচে থাকার, বিমান রক্ষিত মাঝে মাঝে যার মাথার ভেতর প্রকান্ড আকাশ ঢুকে পরে, সঞ্জয় যার সততা, নিষ্ঠা, কর্মক্ষমতা এই তিনটি গুণের মাধ্যমে বাহ্যিকভাবে জীবনে সবার থেকে সবচেয়ে বেশি সফল, তুলসী যে পৃথিবীর বুকে নিজেকে তুচ্ছজ্ঞান করে গালাগাল দেয় নিজেকেই, আদিত্য যে তার আদিম বনেদি পরিবার নিয়ে হীনমন্যতায় ভোগে, শাশ্বতী যার সরলতা স্থির দৃষ্টিসম্পন্ন কোনো মানুষের নজর কারে, অপর্ণা যে তার ধনি বাবার মস্ত কারখানার উত্তরাধিকারী হওয়া সত্ত্বেও নীরবে নিভৃতে এক পাগলকে ভালবেসে যায়, মৃদুলা যার প্রায় সমই কাটে একজন বখাটে মাস্তান ছেলের আতংকে। এসব চরিত্র পাঠকের মূল্যবান দৃষ্টি আকর্ষণ করবে নিশ্চিন্তে। পাঠককে দাঁড় করাবে সুবিশাল এক ব্যপ্ত জগতের যত বাস্তব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি। যে জগতে দুঃখ থেকে আনন্দের, প্রত্যাখ্যান থেকে প্রেমের, মৃত্যু থেকে জীবনের দিকে চলেছে মানুষের নিরন্তর ও তাৎপর্যময় পারাপার। প্রতি মূহুর্তে লেখকের আশ্চর্য নৈপুণ্যে উপমা বর্ণনায় সত্যিই বিস্ময় অনুভূত হয়!

Shadin Pranto
Shadin Pranto ভেরিফাইড
05 Oct 2019

ললিত এ উপন্যাসের কেন্দ্র। তাকে ঘিরেই রয়েছে কতগুলো মানুষ। আর সে সব মানুষের জীবন কথন ই উপন্যাসকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে নানা ঘটনায়। হাসপাতাল থেকে প্রায় দু'মাস পর ছাড়া পেল ললিত। ললিতকে নিয়ে যেতে এসেছে তার বাড়িওয়ালার ছেলে মাসলম্যান শম্ভু। ললিতের বন্ধু তুলসী। বাসায় ললিতের বুড়ো মা অধীর আগ্রহে বসে আছে ছেলের জন্য। শম্ভু এলাকার বেকারদের নেতা। ইদানীং সে পুলিশে চাকরি পেয়েছে। সারাদিন জিম আর এলাকায় নানা কাজের মধ্যে তার সময় কেটে যায়। ললিত দা কে বড্ড আপন ভাবে আত্মভোলা শম্ভু। ললিতের সেই কলেজ থেকে বন্ধুত্ব তুলসীর সঙ্গে। সাধারণ ঘরের ছেলে তুলসী সবসময় একধরনের আত্মদ্বন্দে ভোগে। বউকে সহজভাবে নিতে পারেনা, অতিসাধারণ এক আধগেঁয়ো স্কুলে পড়ায় কিন্তু বেতনটাও ঠিকভাবে পায় না। তুলসী যেন সর্বদা নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা ভেবে নেয়, বলতে গিয়েও বলা হয়ে ওঠে না মনের কথা। গরীবঘরের ছেলে সঞ্জয় স্রেফ নিজের চেষ্টা আর বউ রিনির কেরামতিতে বেশ ভালো অবস্থানে আছে। ক্যান্সার আক্রান্ত বন্ধু ললিতকে দেখতে যায় সে। 'কাঠ বাঙাল' শাশ্বতীকে ভালোবেসে বিয়ে করতে যাচ্ছে আদি কলিকাতার ব্যবসায়ীর ছেলে আদিত্য। সে শাশ্বতীর জন্যে বাড়ি ছাড়তেও একপায়ে রাজি, কেননা বাড়িতে শাশ্বতীকে মেনে নেবে না। সে শাশ্বতীকে নিয়ে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে ললিতের সঙ্গে। আদিত্যর যতো স্বপ্ন শাশ্বতীকে ঘিরে। ললিতসহ তার অন্যান্য বন্ধুরা প্রায়শই ভাবে পূর্ববঙ্গের জমিদারবংশের ছেলে রমেনের কথা। কতো স্মৃতিঘেরা রমেনকে নিয়ে। অথচ সেই রমেন আজ নিরুদ্দেশ। এদিকে, শাশ্বতী ললিতকে নিয়ে ভাবতে গিয়ে নিজেকে আবিষ্কার করে সে স্মৃতিরোমন্থন করছে। ভাবছে তার দিদির কথা যে পরিবারের সবকিছু পাল্টে দিয়েছিলো। চিন্তা করছে তার সাময়িক গর্তবাসী অর্ধপাগল বাবা, কুৎসিত বোন আর পরিবারের চাপে পিষ্ট ভাই কালীনাথেরর কথা। কিন্তু তার সবভাবনাকে ছাপিয়ে গিয়েছে একান্তই নিজস্ব কিছু স্মৃতি। শাশ্বতী যেন হঠাৎ সরে আসতে চাইছে আদিত্যের থেকে, আদিত্যের প্রতি কাজ করছে না কোনো অনুভূতি। শাশ্বতীর এ ভাবনা অনেকটা আদিত্যও বুঝে ফেলে। সে সিদ্ধান্ত নেয় শাশ্বতীকে অনেকটা জোর করে বিয়ে করার। কিন্তু বিয়েটা হলো না। শাশ্বতী হঠাৎ ললিতের বাড়ি আসে। কেন আসে সে নিজের তা বুঝতে পারেনা। হারিয়ে যাওয়া রমেন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী ফিরে আসে কলিকাতায় ।ফিরে আসে তার সেই প্রজাদের কাছে যাদের কাছে আজীবন সে ছোটকর্তা। সেই রমেণ কেন বিবাগী হয়েছিল? তা কী তার কর্মফল নাকি অন্যকিছু?রমেণ যায় বন্ধু ললিতের সঙ্গে দেখা করতে।সন্ন্যাসী রমেণের সঙ্গে মেলামেশা মানতে পারেনা ললিতের মা। শঙ্কায় ভোগে তার ছেলের আবার সন্ন্যাস হবার শখ জাগে। এদিকে,শাশ্বতীর কোনো কাজেই মন বসে না ললিতের সাথে দেখার করে আসার পর। কোথায় যেন একটা শূন্যতা বোধ করে সে।ললিতের ক্যান্সার সারবে তো? কিন্তু আদিত্যের ভাবনা বাদ বাদ দিয়ে কেন সে ললিতের দিকে আগাচ্ছে? আর ললিত,সে কী শাশ্বতীর কান্ড বুঝতে পারছে? বুঝলেই বা কি শাশ্বতী তার বন্ধু আদিত্যের ভালোবাসা, সে নিজে হয়তো বাচঁবেনা। মৃদুলাকে বড্ড ভালোবাসে বিভু।কিন্তু মৃদুলা আর তার পরিবারের চোখে বিভু তো প্রেমিক নয় গুন্ডা। তাই বিভুকে ফাঁকি দিয়ে রোগা-পটকা তুলসীকে বিয়ে করলো মৃদুলা। বিভু তা মানবে কেন? সে দেখে নেবে তুলসী আর মৃদুলার পরিবারকে। এ উপন্যাস পড়তে গিয়ে আবারো উপলব্ধি করলাম মানবমন বড্ড রহস্যময়। মানবের মনের বাঁকে বাঁকে লুকিয়ে আছে পারস্পারিক দ্বন্দ্ব। উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র যেন একএকটি মানব মনের প্রতিচ্ছবি।ললিত,রমেণ,সঞ্জয়, আদিত্য,মৃদুলা আর শাশ্বতীরা আমাদের চারপাশের ই মানুষ।তারা যেন প্রতিনিধিত্ব করছে আমাদেরই।

Jahidur Rahman
Jahidur Rahman ভেরিফাইড
25 May 2016

আগে একদিন লিখেছিলাম। আজকে আবার লিখছি। শীর্ষেন্দুর দুটা বই আমি বারবার পড়েছি। একটি যাও পাখি। আরেকটি পারাপার। চমৎকার একটি বই। শুরুতেই দেখা যায় উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ললিতের অনেক বড় অসুখ হয়। ললিত একসময় মিতু নামে একজনকে ভালোবাসতো। কিন্তু মিতুর বিয়ে হয়ে গেছে। এবং ললিত মিতুকে ভুলেও গেছে। উপন্যাসের সময়কালে মিতুকে ললিতের আর মনে পড়েনা, শুধু সেই সময় এর ললিতের জন্য কিছুটা মায়া হয়, যেই সময় সে মিতুর প্রতি দুর্বল ছিলো। এই বইয়ে যেই বিষয়টা আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে সেটা হলো ললিত, রমেন, আদিত্য, সঞ্জয় এবং তুলসীর বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব সম্পর্কটা যে কতো মধুর হতে পারে, কতো গভীর হতে পারে, তা বোঝা যায়। আরেকটি বন্ধু আছে ললিতের নামটা মনে পড়ছেনা, ললিত যার কাছে হীরো। পারাপারে কেন্দ্রীয় চরিত্র ললিত। তবে তার চেয়েও আমার বেশি ভালো লেগেছে রমেনকে। আদিত্যের প্রেমিকা শাশ্বতী। এক সময় আদিত্য শাশ্বতীর বিয়ের আয়োজন ও করা হয়। কিন্তু শাশ্বতীর অনিচ্ছা, এবং তাদের সেই বন্ধু যার নামটা আমি ভুলে গেছি, সেই বন্ধুর সহায়তায় বিয়েটা আর হয়না। ললিতদের বন্ধুত্ব, ললিত আর ললিতের মায়ের ছোট্ট সংসার, তুলসী মৃদুলার নতুন বিবাহিত জীবন, ললিতের মিতুর প্রতি দুর্বলতা এবং সেই দুর্বলতা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠা, আদিত্য শাশ্বতীর এক সময়ের প্রেম, ভাংগন, শাশ্বতীর নতুন করে ললিতের প্রতি প্রেম, ললিতের অসুখ ভালো করার জন্য শাশ্বতীর ব্যাকুলতা, সব মিলিয়ে অসাধারণ একটি বই। আশা করি সবারই ভালো লাগবে।‬‬

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)