

Buy মনে মনে প্রধানমন্ত্রী (১০ কপি) Online in Bangladesh
লেখক: আবিদ ইকবাল
- Author: আবিদ ইকবাল
- Publisher: সত্যায়ন প্রকাশন
- Number Of Pages: 160
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
বটতলার পাগলদের তো আমরা কমবেশ সবাই চিনি। যখন যা মনে আসে বলে বেড়ায়, উদোম গায়ে ঘুরে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে। কেউ তাকে পোশাক পরতে বললে সে তেড়ে আসে। ইদানীং কিছু পাগলের আমদানি হয়েছে যারা নিজেদের শিক্ষিত বলে দাবি করে, তাদেরকেও ওরকম প্রলাপ বকতে দেখা যায়। এই পাগলরা বলে, তুমি আস্ত একজন পুরুষ, একজন টগবগে যুবক, তাতে কী হয়েছে? কাল সকালে ঘুম থেকে ওঠে ‘মনে মনে’ নিজেকে তুমি নারী ভাবলে। ব্যস, তুমি নারী হয়ে গেলে। একটু মেক-আপ করো, শাড়ি প্যাঁচাও, রংঢং করে হাঁটো—কেল্লাফতে! আবার একজন নারী, যার বয়স ত্রিশ ছুঁই ছুঁই, বিয়ের পাঠ চুকিয়ে এখন দু বাচ্চার মা, তাকে বলবে—‘তোমার কি নিজেকে পুরুষ পুরুষ মনে হয়? অত ভাবা-ভাবির কিছু নেই। তুমি পুরুষই। তোমার শারীরিক গড়ন যেমনই হোক না কেন, তুমি দু বাচ্চার মা হয়েছ তাতে কী, তুমি পুরুষ। একটু জিন্স-টি শার্ট পরো, বেটা বেটা কণ্ঠে কথা বলো—তোমাকে পুরুষ বলতে বাধ্য হবে সবাই।’ অবশ্য এরকম পাগলদের আমরা সচরাচর দেখতে পাই না। এরা ঘাপটি মেরে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মিলনায়তনে, মিডিয়ার সাব-এডিটরের ডেস্কে, বুদ্ধিজীবীর মুখোশে টিভির টক-শোতে। মানববিধ্বংসী এ লোকগুলো একের পর এক চিকন চালাকি করে যাচ্ছে। সেই চালাকির নাড়ি-নক্ষত্র ঘেঁটে দেখাবে আমাদের এই মনে মনে প্রধানমন্ত্রী বইটি। এ স্মার্ট বুক আপনাকে বর্তমান বিশ্বের চালাকিগুলো ধরতে একটু হলেও সহায়তা করবে। বাঁচতে হলে, আগামী প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে আপনাকেই পড়ে দেখতে হবে মনে মনে প্রধানমন্ত্রী।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

বই রিভিউ বই: মনে মনে প্রধানমন্ত্রী লেখক : আবিদ ইকবাল প্রকাশনী : সত্যায়ন প্রকাশন বিষয় : ইসলামি গবেষণা পৃষ্ঠা : ২৬০, কভার : পেপার ব্যাক, রেটিং:১০/১০ মনে মনে প্রধানমন্ত্রী এই বইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র একটি মেয়ে তার নাম ফারিহা । ফারিহা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ইংরেজি বিভাগে পড়ে। ফারিহা তার মার কাছ থেকে তিনটি প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন। তার মা তাকে তৃতীয় প্রতিশ্রুতিতে বলেছিলো আজ কাল বাঁচতে হলে চোখ কান খোলা রেখে চলতে হয়।আর ঠিক এই কাজ টাই করেছে এই বইটি, বন্ধ থাকা। চোখ, কান,খুলে দিয়েছে একদম খুলে দিয়েছে কিছু পরিচিত মুখের আড়ালে থাকা হায়নার চরিত্র।মনে মনে অনেকে অনেক কিছুই হতে চায় বলতে চায় আসলে কি মনে মনে ব্যাপারটাই কি সব? চলতে ফিরতে আজ আমাদের জন্য কত ফাঁদ পেতে রাখা হয়েছে তা আমরা চোখ কান বন্ধ থাকার কারণে উপল্ধি করতে পারিনা। কত শত শিকারি তীর তাক করে আছে আমাদের দিকে আমরা বুঝতে পারিনা। কি ভাবে সকল ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে আমাদের বিরুদ্ধে আমরা টের পাইনা। বন্ধ থাকা চোখ ও ঘুমন্ত বিবেক কে জাগিয়ে তুলতে কাজ করেছে এই মনে-মনে প্রধানমন্ত্রী বইটি সকল ষড়যন্ত্র থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এই বইটি।মনে মনে করার যে ভাইরাস, এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে ভ্যাকসিন হিসেবে কাজ করবে এই বইটি। বাঁচতে হলে এবং আগামী প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে আপনাকেই পড়ে দেখতে হবে মনে মনে প্রধানমন্ত্রী বইটি।ছোট্ট বইটি খুব সহজ সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে চলমান সব নীলনকশার চিত্র। আশা করি বইটি পড়ে নিরাশ হবেন না বরং বইটি পড়ে অনেক কিছুই জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
" মনে মনে প্রধানমন্ত্রী " বইটির নাম দেখামাত্রই খুব কৌতুহলী হয়ে পড়ি। কী অদ্ভুত নাম এটা! কী রয়েছে এর ভিতর? মস্তিষ্কের প্রতিটি নিউরন ব্যস্ত হয়ে পড়ে এর আদ্যপান্ত পড়ে দেখার জন্য। পরিশেষে পড়ে শেষ করলাম বইটি। .বইটির অনন্য একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, লেখক বইতে একটি ঘটনাকেই তার আলোচনার কেন্দ্রে রাখেননি, বরং কয়েকটি টুকরো টুকরো গল্পে অনেকগুলো ঘটনাকে সুন্দর এবং সাবলীল ভাষায় তুলে ধরেছেন। ছয়টি গল্পের সমন্বয়ে লিখিত এই পাণ্ডুলিপিটির প্রতিটি গল্পই আমার ভিতরে নতুন নতুন চিন্তা এবং অনুভূতির জন্ম দিয়েছে। আমাকে ভাবতে শিখিয়েছে এই প্রজন্মের বেহাল দশা নিয়ে, শুধু ভাবতেই না, ধ্বংসাবশেষ এই প্রজন্মকে তার বেহাল দশা থেকে উত্তরণের পথও বাতলে দিয়েছেন আবিদ ইকবাল তার এই বইতে। .সত্যিই, বইটি পড়ার পরেই আমি বুঝেছি, এর প্রতিটি পাতায় কৌতুহলের ছড়াছড়ি। পাঠকের কল্পনাশক্তিকে সীমার বাহিরে টেনে নিয়ে নতুন এক ভাবনার জগতের সাথে সেতুবন্ধন তৈরি করে দিয়েছে আবিদ ইকবালের এই অসম্ভব সৃষ্টি। এতে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের ঘুণে ধরা প্রতিটি বিষয়ের সূক্ষ্ম, সাবলীল এবং গুণগত সমালোচনার পাশাপাশি ছাত্র এবং তরুণসমাজের সংকটকালীন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পাঠশালার হাতেখড়ি শিক্ষা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত যতধরনের গলত রয়েছে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরেছেন লেখক তার এই সাহিত্য শিল্পে। এছাড়াও শিক্ষা ব্যবস্থার এই করুণ দশার নেপথ্যে কে বা কারা দায়ী, সে বিষয়টিও স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে মনে মনে প্রধানমন্ত্রীতে। সম্প্রতি আলোচিত এবং বিতর্কিত "ট্রান্সজেন্ডার" ইস্যুটিকে খুব সাদামাটা এবং সকল শ্রেণীর পাঠকের জন্য বোধগম্য করে গল্পে গল্পে তুলে ধরেছেন জটিল বিষয়টিকে। সত্যায়ন প্রকাশনীর এই অসামান্য কাজকে আমি মলাট বদ্ধ একটি বই-ই বলবো না শুধু, বরং ঘুটঘুটে অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজের পথহারা পথিকদের জন্য মনে মনে প্রধানমন্ত্রী একটি ধ্রুব তাঁরা। যার দিকে দৃষ্টি রেখে একজন পথিক তার গন্তব্যে নিরাপদে পৌঁছে যেতে পারবে ইনশাআল্লাহ ।
আসসালামু আলাইকুম। "মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" বইটি বর্তমান সময়ের সবার জন্য খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ বই। মনে মনে চাইলেই যেমন প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায় না ঠিক তেমনি মনে মনে চাইলেই কেউ নারী থেকে পুরুষ অথবা পুরুষ থেকে নারী হতে পারেনা এমনকি অপারেশনের মাধ্যমেও না।আল্লাহর সাথে তর্কের সময় ইবলিসের প্রথম প্রতিশ্রুতি ছিলো,"আর মানুষেরা আমার আদেশে আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃত করবে।"(সূরা নিসা আয়াত ১১৯) এই বইটিতে যা আছে::- ১.জোড়া খুন :- এখানে তুহিনের এক টান টান উত্তেজনার মাধ্যমে ক্লাসের সবার সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বুদ্ধিজীবী মেডামের মুখশ খোলার এবং জোড়া খুনের এক সত্য ও নির্মম ঘটনা। এই ঘটনায় উঠে আসে দুই জমজ ভাইয়ের মধ্যে ব্রুস থেকে ব্রেন্ডা হওয়ার গল্প এবং পরিশেষে দুই ভাইয়ের আত্মহত্যা। ২.ফন্দি:- এখানে মূলত উক্ত জোড়া খুনের দুই জমজ ভাইয়ের এমন করুণ পরিণত কেন হলো তা এখানে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে ৩ টি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং প্রজন্মকে বাঁচাতে কি করণীয় তাও নলা আছে। ৩.ছাড় নেই:- তাহমীদ রেজা বিভিন্ন শ্রেণীর বই গবেষণা করে পেয়েছেন কারিকুলামে শুধুই যে ট্রান্সজেন্ডার বা সমকামি মতবাদ গেলাচ্ছে তাই নয় বরং কিভাবে গেলাচ্ছে নারীবাদ, প্রেম, ফ্রি-মিক্সিং শারীরিক শিক্ষা নামে লজ্জাহীনতার শিক্ষা ইত্যাদি। আর এই কারিকুলাম থেকে বাচাতে ভিন্ন এক সমাধান পাবেন এইখানে। ৪.হিজড়া চেনেন? :- হিজড়া আর ট্রান্সজেন্ডারের মধ্যে কোনটা সহজবোধ্য? অবশ্যই হিজড়া। কিন্তু কিছু অতি পন্ডিত হিড়জা আর ট্রান্সজেন্ডার দুটো শব্দের মধ্যে ট্রান্সজেন্ডারকে অতিরঞ্জিতভাবে প্রকাশ করছে। অথচ এ দুটো শব্দ তো সমার্থক শব্দ না। হিজরা জন্মগত শারীরিক সমস্যা আর ট্রান্সজেন্ডার এটা মানসিকগত সমস্যা। ৫.নাচেরে মিডিয়া নাচে:- জাভেদ সাহেব খবরের কাগজে সমকামিতার শিরোনাম দেখে তার মেয়ে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে কিছু মিডিয়া ঘুরে দেখেন যে তারা আকর্ষণীয় ভাবে শিরোনাম করে সমকামিতা প্রচার করছে যার দুটো ঘটনা বইটিতে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই সুন্দর সমাজেও কিভাবে ছড়িয়েছিল পশ্চিমা অসুখ তা জানতে পারবেন। ৬.মাতাল হাওয়া:- এখানে পাবেন সমসাময়িক ফিতনার সমাধান,বাংলাদেশকে জাতিসংঘের মাপকাঠিতে ভালো করার কৌশল-ফন্দি ও প্রক্রিয়া এবং পরিশেষে এক ব্যক্তিকে সমকামী বা ট্রান্সজেন্ডারের ফাদে ফালানোর কৌশল।
" মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" বর্তমানে একটি সাড়াজাগানো বই হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। উদীয়মান কথাসাহিত্যিক আবিদ ইকবাল অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বইটিতে বর্তমান সমাজের এক ভয়াবহ বিকৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই বিকৃতির নাম ট্রান্স★ন্ডার ও স★কামিতা। সমাজের প্রতিটি স্তরে এই নোংরামিকে ছড়িয়ে দেয়ার যে সূক্ষ্ণ ষড়যন্ত্র চলছে, সেটিই ফাঁস করা হয়েছে এই বইয়ের প্রতিটি গল্পে। এই গল্পগুলো, আমাদেরকে বর্তমান বাস্তবতার সাথে পরিচিত করাবে। মনে হবে যেন সেগুলো আমাদের জীবনেরই সত্য গল্প। ট্রান্স0ন্ডার ও স0কামিতা যেন বর্তমানে ভাইরাসের ন্যায় সমাজের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়ছে, যা পুরো সমাজকে কলুষিত করার জন্য যথেষ্ঠ। আর এই এজেন্ডা বাস্তবায়নের নেপথ্যে কাজ করছে বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা ও এনজিও, যাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এইসব বিকৃত কালচারকে সমাজে স্বাভাবিক করে তোলা, যাতে এক সময় সমাজের মানুষগুলো আর এসব অসুস্থ চিন্তাভাবনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করে। শুধু স্বাভাবিকীকরণের প্রচেষ্টাই নয়, বরং আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে ট্রান্স★ন্ডার নামক এই এলিয়নদের জন্য সামাজিক সম্মান ও নিরাপত্তার জোরালো দাবি জানানো হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে এর ভয়াবহতা কল্পনাকেও হার মানাবে। প্রতিটি পরিবারে নেমে আসবে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা এবং সমাজে বিরাজ করবে চরম অরাজকতা। আরও ভয়াবহ বিষয় বিষয় হচ্ছে, এই এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাঠ্যপুস্তককে টার্গেট করা হয়েছে, যাতে কোমলমতি শিশুদেরকে খুব সহজেই এই নোংরামির সাথে পরিচিত হতে বাধ্য করা যায় এবং এই প্রজন্মকেই ভবিষ্যতে ট্রান্স★ন্ডার ও স★কামী হিসেবে গড়ে তোলা যায়, ফলশ্রুতিতে এই পশ্চিমা সংস্থাগুলোর লক্ষ লক্ষ ডলারের অনুদান প্রেরণ সার্থক হবে। এই পরিস্থিতিতে নিজের সন্তান, পরিবার ও সর্বোপরি সমাজকে বিকৃতির হাত থেকে বাঁচানোর জন্য গণসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। এই বইটিই হতে পারে সেই সচেতনতার প্রথম ধাপ। বইটি আকারেও যেমন ছোট, তেমনি একবার পড়তে বসলে পাঠকের শেষ না করা পর্যন্ত উঠতে মন চাইবেনা। তাই প্রতিটি সচেতন পাঠকের জন্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ বইটি পাঠ করা অন্যতম একটি দায়িত্ব যা পাঠকের চিন্তা ভাবনার অলিগলিতে এক অন্যরকম ঝড় তুলবে, এক অদ্ভুত শিহরণ জাগাবে।
"মনে মনে প্রধানমন্ত্রী" বইটি আকারে ছোট হলেও আলোচনার বিষয়বস্তু ব্যাপক,ঠিক তেমনি বইটি ওজনে হালকা হলেও লিখিত কথা/বার্তা খুবই ওজনসম্পন্ন। এত সুন্দর করে একটা আধুনিক সমস্যাকে চিহ্নিত করা এবং তার কারণ ও প্রতিকার লিখা হয়তো দুনিয়ার খুব কম বইতেই পাওয়া যাবে। আধুনিক সমাজে ট্রান্সজেন্ডার ইস্যু নিয়ে যে এত আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে এবং তা ছাড়িয়েও যে বিভিন্ন প্রকার রাজনীতি চলছে তার বিরুদ্ধে সুন্দর একটি উপস্থাপনা বলা যায়। আমরা অনেকেই না জেনে বুঝে অনেক মতামত দিয়ে ফেলি এই ইস্যুতে কিন্তু এই বই টা পড়লে বুঝতে পারবেন ট্রান্সজেন্ডার ইস্যু টা আসলে কত বড় অথবা এই ইস্যু থেকে সমাজ কি ক্ষতির দিকে এগুচ্ছে কিনা? কেন, কিভাবে, কখন ছড়িয়ে পড়লো এর বীজ। বইটি থেকে আমরা জানতে পারি * ট্রান্সজেন্ডার বিষয় টার শুরু কিভাবে হয়। * জানতে পারি একজন/কিছু মানুষের কিছু ভিত্তিহীন মনগরা ধারণা থেকে কিভাবে সমাজে বিষ ঢুকিয়ে দিতে পারে! *কিভাবে বড় থেকে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমাজ নষ্ট করার বীজ বপন করা হয়। *আমরা কিভাবে মিডিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কোনো বিশেষ বিষয়ের দিকে স্বাভাবিক হয়ে যাই। *কিভাবে আস্তে আস্তে সমাজ পচা বিষ আমাদের মনে প্রাণে ঢুকিয়ে অবৈধ জিনিষকেও বৈধ করে তুলে। বইটিতে শুধু সমস্যা নিয়েই কথা বলা হয়নি সাথে সমাধান নিয়েও সুন্দর ছক অঙ্কন করা হয়েছে আমাদের কি করার আছে এইসব ক্ষেত্রে। যেমন- *কেন এবং কিভাবে আমাদের ছোটদের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষার উপকরণ নিয়ে খেয়াল রাখতে হবে। *কিভাবে আমরা নিজেদের মধ্যে ঐকতা এনে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করতে পারি। *কিভাবে নিজেরা পরিবার নিয়ে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন করতে পারি যা সমাজ, দেশ তথা বিশ্বকেও বড় ক্ষতির থেকে রক্ষায় সহায়তা করবে। সর্বোপরি এটি স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি বই সমাজকে সচেতনতার দিকে ধাবিত করতে। শুধু সময় কাটানোর জন্যে হলেও বইটি পরে দেখা দরকার সবার তাতে মস্তিষ্কের ১টা তালা হলেও খুলবে আশা করি।























