

Buy মল্লিকা Online in Bangladesh
লেখক: নাজনীন মোসাব্বের
- Author: নাজনীন মোসাব্বের
- Publisher: অনুজ প্রকাশন
- Number Of Pages: 64
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
সত্তর দশকের শেষের দিকে, আমার জীবনের মধুময় সময় অতিক্রম করেছি। এ সময়টাতে প্রচুর রেডিয়ো নাটক শুনতাম ও চোখে দেখা কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার 'মল্লিকা'কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এখানে একটা মজার বিষয় শেয়ার করতে চাই, আমার মরহুম পিতা জনাব নুরুল মোনেম (তদানীন্তন অবসর প্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী সচিব, বহিঃর্সম্পদ বিভাগ) ঐ সময়ে আমাকে বাসার একমাত্র ছোট্ট রেডিয়োটিকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে রেখে এ ঘর থেকে ও ঘর বেড়িয়ে বেড়িয়ে 'নাটক শোনা'কে বিস্ময় প্রকাশ করে 'রেডিয়ো পিকিং' বলে আখ্যায়িত করেছেন। বাবা আমার অবাকই হতেন, ঐ একমাত্র রেডিয়োটির ভাগীদার আমি-ই যেন! এখন মনে হয় নিঃসন্দেহে এই ডাকটি তাঁর আদরের ছিল। চ্যানেল ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ছোট্ট রেডিয়োতে শোনা বিভিন্ন দেশ-বিদেশের নাটকগুলো এখনো আমার মস্তিষ্কে স্মৃতির মনিকোঠরে চমকিত করে। এগুলোর সাথে আমার কল্পনার আয়না, চিন্তাশক্তি ও কিছু সত্য ঘটনা সংমিশ্রণ ঘটিয়ে 'মল্লিকা'কে আবিষ্কার করা হয়।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

মল্লিকা – রিভিউ লেখক: নাজনীন মোসাব্বের “মল্লিকা” একটি আবেগঘন ও অন্তর্মুখী উপন্যাস, যেখানে নারীর মনোজগত, ভালোবাসা, বেদনা এবং আত্মপরিচয়ের অনুসন্ধান অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র মল্লিকা—যার জীবনের অভিজ্ঞতা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং সমাজের বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া পুরো কাহিনিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। লেখক মল্লিকার মাধ্যমে একাধারে একজন নারীর ব্যক্তিগত সংগ্রাম এবং বৃহত্তর সামাজিক কাঠামোর সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে ধরেছেন। এই বইয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো এর ভাষা ও বর্ণনা। নাজনীন মোসাব্বের অত্যন্ত সহজ কিন্তু হৃদয়স্পর্শী ভাষায় গল্পটি বলেছেন, যা পাঠককে সহজেই চরিত্রের আবেগের সঙ্গে সংযুক্ত করে। সংলাপগুলো স্বাভাবিক এবং জীবন্ত, ফলে গল্পটি বাস্তব মনে হয়। থিমের দিক থেকে “মল্লিকা” ভালোবাসা, আত্মসম্মান, ত্যাগ, এবং সমাজে নারীর অবস্থান—এই বিষয়গুলোকে গভীরভাবে অনুসন্ধান করে। বিশেষ করে, নারীর আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন এবং নিজের জায়গা খুঁজে পাওয়ার সংগ্রাম এই উপন্যাসের মূল আকর্ষণ। তবে, কিছু ক্ষেত্রে কাহিনির গতি ধীর মনে হতে পারে, বিশেষ করে যেখানে আবেগ ও বর্ণনা বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। কিন্তু এই ধীরতা আসলে গল্পের আবেগকে আরও গভীর করে তোলে।

"মল্লিকা—একটি নাম, যেখানে লুকিয়ে আছে ভালোবাসার সৌরভ, অনুভূতির গভীরতা আর জীবনের সুর। প্রতিটি পৃষ্ঠা যেন হৃদয়ে ফুটে ওঠা একেকটি মালতী ফুল। #মল্লিকা #বাংলাসাহিত্য #ভালোবাসারগল্প #বাংলাগল্প #পাঠকেরজগৎ #বইপড়ুন #বইপ্রেমী"



আদাব ম্যাম। আপনার "মল্লিকা " বইয়ের গল্পগুলো আসলেই আমার ভালো লেগেছে।তবে "অবন্তী " গল্পটা মন ছুয়ে নিয়েছে।অনেক ভালো লেগেছে পড়ে 💜।
অসাধারণ, বইটি ছোট হলেও গল্পের মধ্য অনেক কিছু তুলে ধরেছে লেখিকা। সত্যিই গল্পটা পড়ে অভিভূত হলাম। চাইলে আপনারাও নিতে পারেন।


খুব বেশিই কি আমাদের চাওয়া? এক চিমটি ভালোবাসা কিংবা এক বিন্দু সুখ!! তাহলে জীবনের দর্পনে কেন তার বিভৎস ছায়া? সুখের মিছিলে শামিল হওয়ার তাড়নায় হয়ে যায় সুখের অসুখ। এক চিমটি ভালোবাসার আশায় কখন যেন ব্যারিকেড এসে হয় ভালোবাসার অবরোধ। এসব শুধু এক মল্লিকার কথা বলে না। বলে আমাদের সবার কথা। সুবোধ বালকের বেশে পথ চলতে চলতে কখন যেন মাহিনের মতো চামড়া থেকে বোধ খসে পড়ে। সেই বোধের বোঝা বয়ে নিয়ে নির্বোধ হয় মল্লিকারা। সরল পথে,সুন্দর ভাবনায় মহৎ কাজ করার মনোবাসনা মানুষের মাঝে আছে বলেই পৃথিবী আজো সুন্দর। কিন্তু সেই বৃহত্তর মহান কিছু যদি নিজের ব্যক্তিগত ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় সে অবেলায় কি অবন্তীরা মহৎ হতে পারে? নাকি জীবনজুড়ে লালিত ভাবনায় চিড় ধরে হঠাৎ? সত্য মিথ্যার ধূম্রজালে আটকে যাওয়া গ্রামের সাধারণ মেয়ে 'উল্কা' কি উতরে যেতে পেরেছিল? কার ভুলের মাশুল গুনতে হচ্ছে তাকে? ভালোবাসতে বাসতে ও অনুভূতিটা কেমন ধরা যায় না। প্রত্যাশার অনুপস্থিতি সৌম্যদের মনের আকাশে মেঘ জমায় অথচ সংজ্ঞায়িত করার কোন অবকাশ নেই। এমন গুমোট আবহাওয়ায় প্রত্যাশারা কি তাদের মনে জায়গা দেয় নাকি ছুড়ে ফেলে অতীতের কোন কালো অধ্যায়ে? 'বাবা' দুই অক্ষরের একটা শব্দ। অথচ কত আবেগ,কত তৃপ্তি। এই গভীর অনুভূতির খোঁজে সারাজীবন হন্যে হয়ে ফিরছে মালিহা। জীবনের কি এতটুকু সক্ষমতা নেই এই পবিত্র অনুভূতির মূল্য দিতে? মনস্তাত্ত্বিক সকল বিষয় আর জীবনের চিরাচরিত অথচ তীব্র কিছু সত্যতার সাক্ষী হয়ে এসেছে প্রতিটা চরিত্র। গল্পগুলো যেন আমাদেরই কথা বলে। ব্যক্তিগত রেটিং ৮/১০ দেব। জীবন পড়তে ভালোবাসেন এরকম যে কাউকেই গল্পগুলো ভীষণভাবে আটকে রাখবে। 'মল্লিকা'র সাথে পাঠকের যাত্রা সুন্দর হোক। লেখকের জন্য অনেক শুভকামনা।























