মাধুকরী
বই কালেকশন

Buy মাধুকরী Online in Bangladesh

লেখক: বুদ্ধদেব গুহ

4.38
(9 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: বুদ্ধদেব গুহ
  • Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
  • Isbn: 9788170663799
  • Number Of Pages: 632
  • Language: বাংলা
  • Edition: 22th Edition, 2015
৳ 1800৳ 1800
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

“মাধুকরী” বইয়ের প্রথম ফ্লাপের কথা:থু ঘোষ চেয়েছিল, বড় বাঘের মতো বাঁচবে। বড় বাঘের যেমন হতে হয় না। কারও উপর নির্ভরশীল—না নারী, না সংসার, না গৃহ, না। সমাজ-সেভাবেই বাঁচবে সে, স্বরাট, স্বয়ম্ভর হয়ে । তার বন্ধু ছিল তথাকথিত সভ্য সমাজের অপাঙক্তেয়রা। পৃথু ঘোষ বিশ্বাস করত, এই পৃথিবীতে এক নতুন ধর্মের দিন সমাসন্ন। সে—ধর্মে সমান মান-মৰ্য্যদা এবং সুখ-স্বাধীনতা পাবে প্রতিটি নারী-পুরুষ। বিশ্বাস করত, এই ছোট্ট জীবনে বাঁচার মতো বাঁচতে হবে প্রতিটি মানুষকে। শুধু প্রশ্বাস নেওয়া আর নিশ্বাস ফেলা বাঁচার সমার্থক নয় । কিন্তু সত্যিই কি এভাবে বাঁচতে পারবে পৃথু ঘোষ ? সে কি জানবে না, বড় বাঘের মতো বাঁচতে পারে না কোনও নরম মানুষ ? জন্ম থেকে আমৃত্যুকাল অগণিত নারী-পুরুষ-শিশুর হৃদয়ের, শরীরের দোরে-দোরে হাত পেতে ঘুরে-ঘুরে বেঁচে থাকাই মানুষের নিয়তি ? এই পরিক্রমারই অন্য নাম মাধুকরী ? এক আলোড়ন-তোলা কাহিনীর মধ্য দিয়ে জীবনের নতুন ভায্যেরই এক অসাধারণ ভাষারূপ এ-যুগের অন্যতম জনপ্রিয় কথাকার বুদ্ধদেব গুহর এই বিশাল, বৰ্ণময়, বেগবান উপন্যাস। এ শুধু ইঞ্জিনিয়ার পৃথু ঘোষের বিচিত্র জীবনকাহিনী নয়, নয় “উওম্যানস লিব’-এর মূর্ত প্রতীক তার স্ত্রী রুষার দ্বন্দ্বময় জীবনের গল্প, এমনকি, জঙ্গলমহলের অকৃত্রিম কিছু শিকড় খুঁজেফেরা মানুষের অজানা উপাখ্যানও নয়। এ-সমস্ত কিছুর মধ্য দিয়ে। তবু এ-সমস্ত কিছুকে ছাপিয়ে “মাধুকরী” এই শতকের মানুষের জীবনের যাবতীয় অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আগামী প্রজন্মের মানুষের সার্থকভাবে বেঁচে থাকার ঠিকানা । এই কারণেই বুঝি এ-উপন্যাস উৎসর্গ করা হয়েছে 'একবিংশ শতাব্দীর নারী ও পুরুষদের হাতে। সাধারণ পাঠকের মন ও বুদ্ধিজীবী পাঠকের মনন—দু-তন্ত্রীতেই একসঙ্গে ঝঙ্কার তোলার উপন্যাস “মাধুকরী”। এর কাহিনী, ভাষা, স্টাইল, জীবনদর্শন, শ্ৰীলতা-অশ্লীলতার সীমারেখা-সবই নতুন । জীবনের প্রতি আসক্তি ও আসক্তির মধ্যে লুকিয়ে-থাকা বিতৃষ্ণাকে যে-চমকপ্ৰদ ভঙ্গিতে ছড়িয়ে দিয়েছেন বুদ্ধদেব গুহ, যে-নৈপুণ্যে বর্ণনায় এনেছেন সূক্ষ্মতা, যে-কুশলতায় ছোট-বড় প্রতিটি চরিত্রকে দেখিয়েছেন চিরে-চিরে, যে-দক্ষতায় দেশি-বিদেশি অজস্ৰ কবিতার ব্যবহার-সে-সবই এক ভিন্নতর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয় পাঠককে । বাংলা সাহিত্যে ব্যতিক্রমী সংযোজন ‘মধুকরী” ।“মাধুকরী” বইয়ের নতুন মুদ্রণের ভূমিকা:“মাধুকরী” পুস্তকাকারে প্রথম প্রকাশিত হয় সাতাশির বইমেলাতে। দশ বছর পরে এই রয়্যাল সংস্করণ প্রকাশিত হচ্ছে। গত দশ বছরে এই উপন্যাস বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে।‘মধুকরী’ উৎসর্গ করেছিলাম “একবিংশ শতাব্দীর নারী ও পুরুষদের”। তখন অনেকেই মন্তব্য করেছিলেন এই বলে যে, “দশ বছর পরে এই উপন্যাসের অস্তিত্ব থাকবে তো ?’ অগণ্য পাঠক-পাঠিকা। তাদের উষ্ণ হৃদয়ের ও বিনম্র শ্রদ্ধার যে-পুরস্কার দিয়েছেন তা আমার শিরোধার্য। ‘মধুকরী’ হারিয়ে যাবার মতন উপন্যাস নয়। কোনও পুরস্কারই কোনও উপন্যাসকে কালজয়ী করে না, করেন। শুধু পাঠক-পাঠিকারাই। এই সরল সত্যটিই পুরস্কারের ভারে নুযুঁজ অনেক লেখকই বোঝেন না। সেটা দুঃখের কথা।“মাধুকরী" রয়্যাল সাইজ-এ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে অক্ষর বড় হয়েছে অনেক। পড়তে সুবিধে হবে অবশ্যই। কিন্তু দামও হয়ে গেছে দুশো টাকা। এই দাম দিয়ে বই কিনবেন। কিনা তা অনেকেই ভাববেন । কিন্তু সবিনয়ে বলব, অন্যান্য অনেক জিনিসের থেকে বইয়ের দাম এখনও তুলনামূলকভাবে কম। নিজের জন্যেই কিনুন অথবা প্রিয়জনকে উপহারই দিন ‘মধুকরী’ তিনপুরুষ ধরে পড়তে পারবেন। শিক্ষিত মানুষের কাছে প্রকৃত ভাল উপন্যাসের মতন আজীবন সঙ্গী আর কিছু নেই। এ ছাড়া অপারক লেখকের আর কীই বা বলার আছে! আপনাদের কাছে অশেষ কৃতজ্ঞ ।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.38
(9 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
78%
4
22%
3
0%
2
0%
1
0%
Abu Yousuf Akash
Abu Yousuf Akash ভেরিফাইড
15 Apr 2021

"প্রীতি, প্রেম, কাম, অপত্য, ভক্তি, শ্রদ্ধা, ঘৃণা, বৈরিতা, ক্রোধ, সমবেধনা এবং এমনকি ঔদাসীন্যরও বোধগুলিকে দেওয়ালি রাতের অসংখ্য প্রদীপের কম্পমান শিখারই মতো অনুভূতির দ্বিধাগ্রস্ত আঙ্গুলে ছুঁয়ে ছুঁয়ে জীবনকে পরিক্রম করে যেতে হয়.. এই পরিক্রমারই আরেক নামই কি মাধুকরী?" উপন্যাস টি কেনার আগে ভাবলাম, এতো বড় উপন্যাস (৬৩২ পৃষ্ঠার), শেষ করতে পারবো তো? তাও আবার এই লেখকের সাথে আমি একদম অপরিচিত একজন পাঠক.. যদিও এর আগে "সাতকাহন", "দূরবীন", "পার্থিব" এর মতো বাঘা বাঘা উপন্যাস শেষ করলাম নিমেষেই... তাই আর না ভেবে, লেখকের প্রথম বই হিসেবে শুরু করে দিলাম এই বিশাল, বর্ণময়, বেগবান উপন্যাস.. উপন্যাস টির গুডরিডস রেটিং ছিলো ৫ এ ৪.. কিন্তু উপন্যাসটি মোটেও ৫ এ ৪ পাওয়ার মতো একটি উপন্যাস নয়.. দিনশেষে উপন্যাসের প্রত্যেকটি কথা পাঠকের জীবনের সাথে মিলে যাবে.. তা উপন্যাসটি না পড়লে আপনি কখনোই উপলব্ধি করতে পারবেন না.. বুদ্ধদেব গুহ অনেক উচ্চমানের লেখক, তাঁর লেখনী, জীবন সম্পর্কে চিন্তাধারা অনেক গভীর, এমনকি অন্যান্য লেখকের উপন্যাসের মতো তাঁর উপন্যাসের লেখা ওতোটাও সাবলীল নয়.. ভাষার কঠিনত্বের কারণে কিছু কিছু লেখা আমার থেকে ২ বারের উপর পড়তে হলো... নারী ও পুরুষের যৌনতা, শ্লীলতা, অশ্লীলতা লেখক খুব সুনিপুণ ভাবে পাঠকের কাছে তুলে ধরেছেন.. কিছু কিছু বই পড়ার কিছু সঠিক সময় রয়েছে.. অসময়ে এইরকম বই পড়লে কিছু পাঠকের কাছে ভালো নাও লাগতে পারে অথবা লেখকের ভাবধারা নাও বুঝতে পারেন.. তাই আমি মনে করি এই কারণে কিছু পাঠক এই উপন্যাস টাকে Underrated করে থাকতে পারে.. আমার কাছে তা একদমেই মনে হয় নি... ☺️ এইবার আসি উপন্যাসের কথায়.. ভারতীয় মধ্যপ্রদেশ কে ঘিরে, বেশকিছু কাল্পনিক স্থান, মানুষের নাম, বাস্তবিক স্থান, মানুষের নামের উপর ভিত্তি করে সমাজকেন্দ্রিক, নারী পুরুষের সম্পর্কের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা, দাম্পত্য কলহ, সমাজের উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষদের মন-মানসিকতার ভেদাভেদ, মধ্যপ্রদেশের সস্কৃতি, ধর্ম, অরণ্যের জীবন যাপন নিয়ে এই উপন্যাস.. লেখক উপন্যাসের প্রথমেই বলেছেন, "একবিংশ শতাব্দীর নারী ও পুরুষদের জন্য.." উপন্যাসেও উচ্চবিত্ত সমাজের কিছু আধুনিক মনমানসিকতার পরিচয় পাওয়া যাবে... উপন্যাসের কিছু মূল চরিত্র, কাহিনী নিয়ে কিছু আলোচনা.. মূল চরিত্র- পৃথু ঘোষ.. স্ত্রী (রুষা), ছোট ছেলে (টুসু), বড় মেয়ে (মিলি) নিয়ে তাঁর ছোট্ট একটি সংসার.. মধ্যপ্রদেশের একটি কোম্পানিতে উচ্চপদে চাকরি করে... কিছুটা ভাবুক, ভবঘুরে, কবিতা ভালোবাসেন, একাকিত্ব প্রিয়, দার্শনিক, অসম্ভব প্রকৃতি প্রেমী, সংসারের প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীন, কিছুটা অদ্ভুত স্বভাবের ও বটে.. এই কারণে তাঁর স্ত্রী তাকে "অদ্ভুত বাজে লোক" বলে.. বন্ধুরা "আজিব আদমি", অফিসে "পাগলা ঘোষষা" নামে পরিচিত.. লেখক এই চরিত্রের মাধ্যমে তাঁর জীবন ও সমাজ সম্পর্কে গভীর, দার্শনিক চিন্তাধারা তুলে ধরেন... পৃথুর সবচেয়ে আকর্ষনীয় যে দিকটি, সে সমাজে অনেক উচুপদে অবস্থান করলেও, তার মেলামেশার খাতায় ছিলো সকল শ্রেণীর মানুষ.. কখনোই সমাজের কোনো মানুষকেই আর্থিক দিক, শিক্ষাগত দিক দিয়ে বিচার করতো না.. বরং সমাজের প্রতিটি মানুষকে সে আত্মিক দিক দিয়েই বিচার করতো.. তার কাছে মানুষের মন টাই আসল.. মানুষের মনেই প্রতিটি মানুষের আসল পরিচয়, যতই সমাজে উচ্চবিত্তের আসনে অবস্থান করুক না করুক.. যেকোনো নারী ও পুরুষের সম্পর্কের মধ্যে শারিরীক সম্পর্কের চেয়ে মনের সম্পর্কই যে বড় তা লেখক পৃথু ঘোষ, তাঁর স্ত্রী রুষার মাধ্যমে পাঠককে দেখিয়ে দিয়েছেন.. পৃথুর স্ত্রী রুষা.. আধুনিকা, শিক্ষিতা, অহংকারী, স্বাধীনচেতা, অসম্ভব সুন্দরী একজন মহিলা.. লেখক একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক নারী চরিত্রের ধারণা দিয়েছেন এই চরিত্রের মাধ্যমে.. পৃথু-রুষার দাম্পত্য সম্পর্ক টি দ্বন্দে থাকার ফলে পৃথুকে ত্যাগ করে বিনোদ ইদুরকার নামে এক ব্যবসায়ীর সাথে সংসার করার চেষ্টা করেছিলেন.. পরবর্তীতে এর কর্মফল ভোগ করতে হয়েছিলো... পৃথুর প্রথম জীবনের প্রেমিকা হলো কুর্চি.. উপন্যাসের ২ টি গুরত্বপূর্ণ নারী চরিত্রের (কুর্চি, রূষা) মধ্যে একটি.. মূলত এই ২ চরিত্রের মাধ্যমে লেখক সমাজে ২ শ্রেণীর নারীদের মধ্যে পার্থক্য দেখিয়েছেন.. একজন নারী সমাজের উচ্চবিত্তে আসন গ্রহন করলে তার মনমানসিকতা কেমন হবে, আরেকজন নিম্নবিত্তে অবস্থান করলে তার মনমানসিকতা কেমন হবে.. তাও লেখক দিনশেষে বলেছেন "রুষার মধ্যেও কুর্চি রয়েছে, কুর্চির মধ্যেও রুষা রয়েছে.." পৃথুর সাথে উপন্যাসে বেশকিছু জায়গায় কুর্চির সাথে প্রেম, ঝগড়া, সম্পর্কের জটিলতা দেখতে পাই.. সমাজের বেশিরভাগ মানুষ দরিদ্র থেকে ধনী হলে, তারা তাদের শিখড়, অতীত কে ভুলে যান.. কিন্তু কিছু কিছু মানুষ তা মনে রাখেন.. পৃথুর বন্ধু ভুচু তাদের মধ্যে একজন.. লেখক এই চরিত্রটিকে পরিশ্রমী, ভালো মনের একজন মানুষ হিসেবে পাঠকের কাছে তুলে ধরেছেন.. উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র ঠুঠা বাইগা (আদিবাসী).. পৃথুকে ছোটবেলা থেকে কোলে পিঠে মানুষ করেছেন.. শিখড়সন্ধানী এই মানুষটাকে ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত পৃথু আদিম চিরন্তন ভারতবর্ষ কে যেন নিত্যনতুন করে আবিষ্কার করেন... কলেরার তান্ডবে হারিয়ে যাওয়া নিজের গ্রাম কে সারা উপন্যাস জুড়েই খুঁজেই গিয়েছেন এই মানুষটি... এছাড়াও মধ্যপ্রদেশীয় বেশকিছু স্থান (টাইগার প্রজেক্ট, মান্দলা, ভোপাল, কানহা রেঞ্জ, মুক্কি, সুফকর, ভাইসেনঘাট...) সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাবেন... শিকারী দের কারণে বন্যপ্রাণীদের যে সংকাটপন্ন অবস্থা তা সম্পর্কেও জানতে পারবেন.. বেশকিছু স্থানীয় বন্য পুশু পাখি (বারশিঙ্গা, কুটরা, চিতল হরিণ, গাউর বা ইন্ডিয়ান বাইসন, নীল গাই, বড় বাঘ...) সম্পর্কে ও ভালোভাবে ধারণা পাবেন.. আদিবাসীদের সস্কৃতি, চলাফেরা সম্পর্কে ও ধারণা পাবেন... উপন্যাসে বিশেষ ও ব্যতিক্রমধর্মী যেসব দিক আমার কাছে আকর্ষনীয় লেগেছে তা হলো- লেখক সারা উপন্যাস জুড়েই জীবন সম্পর্কিত বিভিন্ন কবির কবিতা তুলে ধরেছেন.. স্থানীয় বেশকিছু গজল, সঙ্গীত ও উপন্যাসে আমি দেখতে পেয়েছি.. লেখক কিছু বিদেশি লেখকের বই থেকে বিভিন্ন কথা ও কবিতা ও এই উপন্যাসে সংযুক্ত করেছেন... এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ২ টি বই হলো- The prophet (kahil Gibran), The Illusion (Richard Bach).. Illusion থেকে নিজের সন্তানদের নিয়ে লেখা যে কবিতা টা লেখক তুলে ধরেছেন তা আপনার চিন্তাধারাকেই বদলে দিবে..

Galiba Yesmin
Galiba Yesmin ভেরিফাইড
29 Apr 2020

“বুদ্ধদেব গুহ”-একজন ভারতীয় বাঙালী লেখক। তিনি মূলত বন, অরণ্য এবং প্রকৃতি বিষয়ক লেখার জন্য পরিচিত। বহু বিচিত্রতায় ভরপুর এবং অভিজ্ঞতাময় তার জীবন। ইংল্যান্ড, ইউরোপের প্রায় সমস্ত দেশ, কানাডা, আমেরিকা, হাওয়াই, জাপান, থাইল্যান্ড ও পূর্বআফ্রিকা তার দেখা। পূর্বভারতের বন-জঙ্গল, পশুপাখি ও বনের মানুষের সঙ্গেও তার সুদীর্ঘকালের নিবিড় ও অন্তরংগ পরিচয়। সাহিত্য-রচনায় মস্তিষ্কের তুলনায় হৃদয়ের ভূমিকা বড়- এই মতে তিনি বিশ্বাসী। মাধুকরী উপন্যাসে কেন্দ্রীয় চরিত্র পৃথু ঘোষকে সবাই আড়ালে ‘পাগলা ঘোষসা’ বলে কারণ তিনি কি করেন কি করেন না কার সাথে চলেন কার সাথে চলেন না এসব কিছুই তার ঠিক ছিল না , বিলেত ফেরত ইঞ্জিনিয়ার ভালোবাসতো কবিতা লিখতে আর জঙ্গলে ঘুরতে, পরিপূর্ণ পরিবার থাকা সত্ত্বেও তিনি ছুটতেন প্রাক্তন প্রেমিকের কাছে একটু ভালবাসা পাওয়ার আশায় এবং বাঁচতে চেয়েছিল বড় বাঘের মতো। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে অঙ্গ হারানোর পর তিনি বুঝতে পারলেন ভালবাসা এবং নিজের সুখের পিছনে ছুটতে ছুটতে তিনি কতো দূর চলে গেছেন যেখান থেকে ফিরে আসা সম্ভব না এবং তার স্ত্রীও একই ভুল করে তার থেকে অনেক দূরে চলে গেছে। সুখের পিছে ছুটে ঘরের সুখকে পা দিয়ে পিষে ফেলেছে। এছারাও অন্যান চরিত্র কুর্চি, বিজলী, ভুচু, শামীম, সাবির, দিগা পাড়ে, ঠুঠা বাইগা, গিরিসদা তাদের নিয়েও অনেক ছোট-বড় ঘটনা জড়িয়ে রয়েছে উপন্যাসে। উপন্যাসটি পড়ার শুরু করার পর থেকেই ভাল লাগছিল কারণ প্রত্যেকটা চরিত্র খুব আকর্ষণীয়, তার সাথে জঙ্গলের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার বর্ণনা, নানান রকম পাখি – গাছ – পশুর বর্ণনা, দল নিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে শিকার করা, ডাকাত দলের সাথে লড়াই সব কিছুই যেনো চোখের সামনে ভাসছিল। চরিত্র গুলো যেনো আমার চোখের সামনেই কথা বলছে, খাচ্ছে ,হাঁটছে, হাসছে , অভিমান করছে এমন অনুভব হচ্ছিল কারণ লেখক ততটুকু পরিশ্রম করেই লিখেছেন তা আপনারা বইটি পড়ার সময় বুঝবেন। আর একটা বিষয় হচ্ছে এই উপন্যাসে অনেক লেখক-কবিদের নিয়ে এবং বাংলা সাহিত্য নিয়ে ‘বুদ্ধদেব গুহ’ অনেক আলোচনা করেছেন। বইটি পড়ে প্রায় মাঝামাঝি আসার পর থেকে খারাপ লাগছিল কারণ উত্থানের পর এমন নির্মম পতন মেনে নেয়া যায় না। পড়তে পড়তে চরিত্রের অনুভূতি গুলো অনুভব করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছিলাম বুঝতে পারছিলাম কেনো অনেকে বলেছিল- তারা মাধুকরী পড়া শুরু করেছে কিন্তু শেষ করতে পারেনি। লেখক এই উপন্যাসে বোঝাতে চেয়েছেন- মানুষ মাত্রই প্রকৃতির অংশ, মানুষ সামাজিক জীব তাই একা বেঁচে থাকা কখনোই সম্ভব না, জীব জন্তু পাখি তাদেরও অনুভূতি আছে, মানুষ হয়ে আমরা শুধু প্রকৃতির ক্ষতিই করছি, নিজের সুখকে বড় করে দেখলে বা নিজের সুখ খোঁজার জন্য দ্রুত বেগে ছুটে চললে জীবনে সব কিছু হারাতে হয়, পরিবার- সংসারের-সন্তানের মধ্যেই আসল সুখ লুকানো থাকে শুধু একটু সময় দিয়ে খুঁজে নিতে হয়, যাই হোক না কেন! স্বামী স্ত্রীর মাঝে সুন্দর সম্পর্ক ধরে রাখা উচিৎ। এক কথায় বলতে গেলে – মাধুকরী হচ্ছে সামাজিক মানুষের জীবনধারার অভিধান সরূপ। বইটা পড়া শুরু করার পর মনে হচ্ছিল খুব জমপেশ একটা পর্যালোচনা লিখতে পারবো কিন্তু পড়া শেষ অরতে করতে উপন্যাসের অনুভূতি গুলো এমন ভাবে মনে দাগ কেটেছে যে এখন এতো গুলো ঘটনা মিলিয়ে গুছিয়ে পর্যালোচনা লিখতে পারছি না, ভাষা পাচ্ছি না, তল পাচ্ছি না। আমার কথা শুনে আপনাদের মনে হতে পারে একটা বই সম্পর্কে বেশি বেশি বলছি তাই আবারও বলছি আপনারা একটু কষ্ট করে ‘বুদ্ধদেব গুহ’ এর লিখা “মাধুকরী” উপন্যাসের বই সংগ্রহ করুণ এবং দ্রুত পড়ে ফেলুন। শুভ হোক আপনার পাঠ্য কার্যক্রম

Sultan
Sultan ভেরিফাইড
03 Nov 2019

ইঞ্জিনিয়ার পৃথু ঘোষ। লোকে যাকে বলে পাগলা ঘোষসা।সে চেয়েছিলো বড় বাঘের মত বাঁচবে। সমাজ,সংসার,নারী, গৃহ এসবের মধ্যে কখনও নিজেকে আটকে রাখবেনা।স্বনির্ভর, স্বাধীনচেতা, মুক্ত পুরুষ হয়ে বাঁচবে।সে বন,জঙ্গল,গাছপালা, নদী,পাখি এসবের মধ্যে ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসতো।সারাজীবন নিজের কাছে নিজেকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে।তার স্ত্রী রুষা সেন,অতি রূপবতী,সুন্দরী, উচ্চ শিক্ষিতা, কলেজের অধ্যাপিকা হিসেবে সমাজের উচ্চ আসনেই বেশ পরিচিত। যার প্রেমে নানা পুরুষ খাবি খায়।অথচ পৃথু তার ধরা ছোঁয়ার বাইরে।সে সারাজীবন চেয়ে এসেছে কুর্চির মত একটা সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের কম শিক্ষিত নারীকে নিজের বউ হিসেবে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে পেতে।কিন্তু রুষা সেরকম মেয়েই নয়।রুষার কাছে তার ক্লাব,সেমিনার, পার্টি,চাকরি এবং অতিরিক্ত নিয়মশৃঙ্খলা, রুটিন মাফিক জীবন এসবই বেশি প্রায়রিটি পেত।ঘর সংসার,পরিবার এসবের প্রতি পৃথুর কোন আগ্রহ বা মন ছিলোনা কোনদিন।যার ফলে দুই ছেলেমেয়ে মিলি,টুসুও তার থেকে অনেক দূরে সরে যায়।অবশ্য টুসুটা একটু আলাদা।অনেকটা পৃথুর মতই হয়েছে।বাবাকে সে ভালোবাসে। ভবঘুরে,বেখেয়ালি ছন্নছাড়া একটা অদ্ভুত মানুষ পৃথু। ছোটবেলা থেকেই কুর্চিকে সে ভালোবেসেছিলো।কুর্চি সমাজ-সংসার লোকলজ্জার ভয়ে পৃথুকে তেমন করে ধরা দেয়নি কখনো।কারণ সে তার বিয়ের পরবর্তী জীবনকে মেনে নিয়েছে। কুর্চি তার স্বামী ভাটুকে নিয়ে একটা ছোটখাট নিশ্চিত সুখের জীবন কাঁটাতে চেয়েছিলো।কিন্তু ভাটুকে সে ভালোবাসতে পারেনি কখনো।কুর্চির মন জুড়ে আছে পৃথু। পৃথুর সাথে তার গোপন প্রণয় চলতে থাকে।যা একসময় ভাটু টের পেয়ে যায়।ভাটু হঠাৎই অগ্নিশিখার মত জ্বলে উঠে।সে মরিয়া হয়ে উঠে বড়লোক পৃথু ঘোষকে হারাতে।পৃথুর চাইতেও বেশি অর্থসম্পদের মালিক হতে।যাতে কুর্চিকে কখনো হারাতে না হয়।কিন্তু কি সে কি পারবে পৃথুকে হারাতে? পৃথু কুর্চিকে কাছে পেতে চায়,কুর্চি ধরা দিয়েও যেন ধরা দেয়না।কুর্চির থেকেও প্রত্যাখ্যাত হয়ে পৃথু যায় বাইজি বিজলির কাছে। অন্যদিকে হ্যান্ডসাম, শিক্ষিত, স্মার্ট, অর্থবিত্তে ভরপুর ভিনোদ ইদুরকার।ভিনোদকে রুষার ভালো লাগে।গড়ে উঠে তাদের মধ্যেও গোপন প্রণয়।রুষা আর ভিনোদের গোপন প্রণয়নের কথা পৃথু বুঝতে পেরেও যেন না বোঝার ভান করে থাকে। শামীমের মেয়ে নুরজাহানকে ডাকাত ডাকু মগনাল অপদস্থ করতে গেলে পৃথু তাকে সেই বিপদের হাত থেকে রক্ষা করে।কিন্তু তার বিনিময়ে হারাতে হয় নিজের একটা পা।হাসপাতালে তিনমাস ট্রিটমেন্ট এরপর বাড়ি গিয়ে বিরাট এক ধাক্কা খায়। আর তখনই রুষা,পৃথুর জীবনে ছন্দপতন শুরু হয়। পৃথু হাটাচন্দ্রা ছেড়ে সিওনীতে চলে যায়।শুরু হয় তার একার পথচলা।কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখতে পায় তার ভালোবাসার কুর্চিকে।যে কুর্চি একসময় নিজেকে পৃথুর থেকে গুটিয়ে রাখতো সে কুর্চিই পৃথুকে ঘনিষ্ঠভাবে পেতে চায়।পৃথুর অজানিতেই তাদের পুরোনো ভালোবাসায় রঙ লাগে আবার। কুর্চি চায় তাদের ভালোবাসার সম্পর্কে পূর্ণতা আসুক। কিন্তু পৃথুর বিবেক,মানুষত্ববোধ, তার সচেতন মন কি পারবে কুর্চির আহবানে সাড়া দিতে? অন্যদিকে ভিনোদ ইদুরকার রুষার সাথে প্রতারণা করে।বিপদগ্রস্ত রুষা সাহায্যের জন্য ছুটে যায় ভুচুর কাছে।ভুচু তাকে সাহায্য করতে গিয়ে সুন্দরী রুষার প্রেমে পড়ে যায়।ভুচু একটা গাড়ির গ্যারেজের মেকানিক।পৃথুর সাথে সবসময় একসাথে চলফেরা করতো বন্ধুর মত।ভুচু কখনো বিয়ে করেনি।পামেলা নামে এক মেয়েকে ভালোবেসেছিলো।কিন্তু সেও ভাটুর সাথে প্রতারনা করে চলে যায়। ভুচুর একাকীত্ব জীবনে রুষা যেন একটুকরো স্বপ্ন হয়ে আসে।সে রুষাকে নিজের করে পেতে চায়।পৃথু টের পায় সহজ সরল ভুচু তারই স্ত্রী রুষার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে।রুষাও বুঝতে পারে।কিন্তু রুষা কি পারবে ভুচুকে গ্রহণ করতে? জীবনের উত্থানপতন, মান-অভিমান সবকিছুকে পিছনে ফেলে এসে রুষা চায় পৃথু ফিরে আসুক,এতোকিছুর পরে রুষাও বদলে যায় অনেক।সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের বউদের মতই একটা স্বাভাবিক জীবন কাটাতে চায় পৃথু আর তার দুইছেলেমেয়েকে নিয়ে। অন্যদিকে, কুর্চি পৃথুকে চায়,মিলি টুসুও চায় তাদের বাবা তাদের কাছে ফিরে আসুক,তাদের পাশে থাকুক। কিন্তু পৃথু কি করবে?কার ডাকে সাড়া দিবে সে? তার বাবা সত্ত্বা তাকে কি এই মেলবন্ধনের বেড়াজাল থেকে বের হতে দিবে?অন্যদশজন স্বামীর মত সে কি পারবে রুষার সাথে সংসার করতে? নাকি কুর্চির ডাকে সাড়া দিবে? কোথায় যাবে পৃথু?কার কাছে যাবে? বনের বাঘের মত যে বাঁচতে চেয়েছিলো সে কি তা কোনদিনও পারবেনা?কোন মানুষই কি তা পারে? সব মানুষই কি এভাবে মানুষের দ্বারে দ্বারে ফিরে সারাজীবন একে অন্যের হৃদয়,মন হাতড়ে বেড়িয়ে সুখ খুঁজে বেড়ায়?এর নামই কি জীবনের মাধুকরী? পাঠ প্রতিক্রিয়া:বইটা অসাধারণ যে তা বলবো না।পৃথুর অতিরিক্ত হেয়ালিপনা,ভবঘুরে ভাব,বন্ধুদের সাথে অতিরিক্ত আড্ডাবাজি,মদ খাওয়া,বাইজিদের বাড়িতে নাচ গান দেখা এসব আমার কাছে খুবই একঘেয়ে আর বিরক্তি লেগেছে।তাই মাঝখানে বেশকিছুদিন আর বইটা পড়িনি।তবে এসব একঘেয়েমি কাটিয়ে উঠার পর তাদের জীবনের ছন্দপতন থেকে শুরু করে বাকিসবই ভালো লেগেছে।বইয়ের লেখাগুলো বেশি গিজগিজে।তাই পড়তে গিয়ে বিরক্তিও যেমন লেগেছে তেমনি অনেক সময়ও লেগেছে।তবে সবকিছুকে কাটিয়ে উঠতে পারলে বইটা আপনার কাছে ভালো লাগবে আশা করি।তবে ১৮ এর কম বয়সী ছেলেমেয়েদের এই বইটা না পড়াই ভালো হবে।ম্যাচিউরড না হলে এই বই পড়ে কোন সুখ পাওয়া যাবেনা আমার মতে। পুনশ্চঃবইটা লেখক একবিংশ শতাব্দীর ছেলেমেয়েদের জন্য লিখেছেন।তাই আপনারা চাইলে বইটা পড়তে পারেন।আশাকরি খারাপ লাগবেনা।অনেককিছু জানতে পারবেন।

ফয়সাল আহমেদ
ফয়সাল আহমেদ ভেরিফাইড
31 Oct 2019

বইয়ের নামঃমাধুকরী লেখকঃবুদ্ধদেব গুহ প্রকাশনীঃআনন্দ পাবলিশার্স মূল্যঃ৯০০টাকা মাধুকরী বুদ্ধদেব গুহের এমন বই যেখানে মানব প্রকৃতি এবং প্রকৃতি একযোগে বর্ণিত। চরিত্রের পার্থক্য, মানবিক গুণমান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুব সুন্দরভাবে অনুমান করা হয়েছে।একটি অনন্য উপন্যাসও বটে যা তার পাঠকদের কাছ থেকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রের সেট এবং জীবনের প্রতি তাদের বিপরীত দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বিভিন্ন রকম প্রতিক্রিয়া পেয়েছে।লেখাটি সময়ে সময়ে দুর্দান্ত এবং অন্যের কাছে বেশ পরিশ্রম করা হয়। মহিলা চরিত্রের চিত্রণ অস্পষ্ট এবং সামগ্রিকভাবে এটি চূড়ান্তভাবে আত্ম-প্রবৃত্ত বলে মনে হয়েছে আমার কাছে ।মধুকরী সম্ভবত বুদ্ধদেব গুহর সবচেয়ে অসাধারণ লেখা। এটি একটি ব্যতিক্রমী এবং অফ-ট্র্যাক ব্যক্তি, নায়ক পৃথু, তার পরিবার, তার তথাকথিত নিম্ন-স্থিতির বন্ধু এবং প্রকৃতি ও জঙ্গলের প্রতি তাঁর অপরিসীম ভালবাসা উন্মোচন করার এক অনন্য চক্রান্ত, এমন এক গল্প নিহীত রয়েছে উপন্যাসটিতে। বইটি পড়ার সময় এক অসাধারণ অনুভূতি পেয়েছি যেন ঘটনাগুলো বাস্তবিকভাবে আমার সাথে ঘটছে৷ মোট কথায় আমার জীবনে পড়া শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

Mohammad Jillur Rahman
Mohammad Jillur Rahman ভেরিফাইড
19 Oct 2019

মাধুকরী উপন্যাসটি আসলে একটা ঘোর। সাধারণত এত বড় উপন্যাস (অবশ্যই ভালো) একটু ঘোর হবেই। তবু বলবো মাধুকরী পড়ার পর অন্তত দুই একদিন রেশটা থাকে। যারা বড় উপন্যাস পছন্দ করে তারা খুবই আনন্দ পাবেন। আমার মতন যারা বিভূতিভূষণের ভক্ত, জংগল- নির্জনতা যাদের টানে তারা বলেবে : আনন্দম, আনন্দম, আনন্দম। পৃথু ঘোষ, উপন্যাসের মূল নায়ক। আমার চোখে একজন ভালো মানুষের মডেল। বিলেত থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে আসলেই আমাদের উপমহাদেশের লোকজনের সাহেবি করার একটা বাতিক আসে। সেখানে সাধারণ ভাবনায় মগ্ন একজন পৃথু ঘোষ কেন মডেল হবে না। উপন্যাসে লেখক নারী-স্বাধীনতার দেয়াল কয়েকবার ছুয়ে গেছেন। বোঝা মুশকিল যে দেয়ালে আঘাত করেছেন নাকি অর্ঘ্য দিলেন। যাই হোক আর লিখবো না, বাকিটা পাঠ্য। 'আমি কখনোই রিভিউতে মূল গল্পে আসাটা পছন্দ করিনা। এতে স্পয়লার হয়।'

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)