

Buy কাজল Online in Bangladesh
লেখক: তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
- Author: তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
- Publisher: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ (ভারত)
- Isbn: 9788172937324
- Number Of Pages: 114
- Language: বাংলা
- Edition: 4th Print, 2010
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"কাজল" বইটির সম্পর্কে কিছু কথাঃ অপরাজিতের শেষাংশে রানুর হাতে বালক কাজলকে সঁপে দিয়ে অপু বেরিয়েছিল দেশভ্রমণে। ফিজির মিশনারি ইস্কুলের মাস্টারি, সমুদ্রের প্রবল ঢেউ, তারায় ভরা আকাশ-- সব, সব ছেড়ে কিছুদিন পরেই তাকে আসতে হয় ফিরে। শুধু একটা শব্দ, একটা ডাক না শুনে থাকতে না পারায়। বাবা। কাঙালের মতাে তাঁকে ফিরে আসতেই হয় নিশ্চিন্দিপুরে! কাজল অপুর সেই ফিরে আসারই গল্পকথন। আত্মজের কাছে, আত্মার কাছে, অতীতের কাছে। এতদিনে তার নামযশ হয়েছে কিছুটা, প্রায়ই পাঠকেরা প্রশংসা করে দেয় চিঠিপত্র। আর প্রকাশকরা খাতির করে দেন অগ্রিম সম্মানী। অথচ এই যে হােস্টেলপাড়া, পুরােনাে মেস, কলেজ স্ট্রিট.. ক'বছর আগে এখানেই অপুকে ঘুরে বেড়াতে হয়েছিল অসহায় হয়ে। পকেটে টাকা ছিল না খাওয়ার মতাে, কলেজের ফি দেওয়ার মতাে, বাড়িতে একা, অসুস্থ মাকে পাঠানাের মতাে। সময়ে সব বদলায়!
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

😔😔
বইটি মন জুড়ে আছে
বিভূতি বাবুর অমর সৃষ্টি 'পথের পাঁচালী' আর 'অপরাজিত'। অপুর গল্প। নিশ্চিন্দিপুর থেকে অপুর যাত্রা শুরু হয়। বহু পথ,গলি,মানুষ দেখে সে আবার ফিরে আসে নিশ্চিন্দিপুরে। একা নয়,সাথে থাকে কাজল-অপুর একমাত্র পুত্র... এর পরের গল্পটা শুধু অপুর নয়,কাজলেরও। বাবার সব গুণ নিয়ে ছেলেটি পৃথিবীর পথে হাঁটে। ছেলেবেলায় অপু যেমন বনে ঘুরে বেড়াতো,কাজলও তেমনি পিঁপড়ের হেঁটে যাওয়া দেখে। অপু ততদিনে বিখ্যাত। বই লিখে সে পেয়েছে পরিচিতি। নতুন সংসার পেতেছে। এর মাঝে কাজলের বেড়ে ওঠা। মৌপাহাড়ি-তে নতুন বাড়িতে উঠে যায় অপু,পেছনে পড়ে থাকে নিশ্চিন্দিপুর। অপু মারা যায়,কাজল নিতান্ত শিশু। বাবাকে অনুভব করে শিরায় শিরায়। কাজল বেড়ে ওঠে,জীবনের মানে খোঁজে। রামদাস বৈষ্ণব এর গান শোনে। নতুন মা হৈমন্তী-কে নিয়ে নিশ্চিন্দিপুরে আবার ফিরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে... 'কাজল'-উপন্যাসটি লিখেছেন বিভূতি-তনয় তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়। পিতার সঙ্গে তাঁর তুলনা করতে যাওয়া অবান্তর। পাঠক হিসেবে তাঁর রচনায় আমি সন্তুষ্ট। পড়তে পড়তে বারবার মনে হয়েছে বিভূতিভূষণের জীবনটা চোখের সামনে দেখছি। অপু তো আসলে তিনি নিজে

#রকমারি_রিভিউ_প্রতিযোগ_ডিসেম্বর উপন্যাসঃ কাজল লেখকঃতারাদাস বন্দোপাধ্যায় ধরনঃ পশ্চিমবঙ্গের উপন্যাস প্রকাশনীঃমিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স মুল্যঃ ৯৫ টাকা (রকমারি মুল্য) কাহিনী সংক্ষেপঃ বিভুতিভুষন বন্দোপাধ্যায় এর "পথের পাঁচালী" বইটি কতো আলোচিত তা আমাদের বইপোকাদের কারো অজানা নয়। সেই বই এর রেশ ধরেই বইটির ২য় অংশ "অপরাজিত" প্রকাশের পর লেখক মারা যায় কিন্তু গল্প আসলে সেই বইটাতেও শেষ হয়নি। তাই পরবর্তীতে লেখকের ছেলে তারাদাস বন্দোপাধ্যায় বইটির আরো ২ টি অংশ লেখেন।। তাদের মধ্যেই ৩য় অংশ টি হলো "কাজল" কে এই কাজল?? হুম কাজল হচ্ছে অপুর ছেলে... অপুর কার সাথে বিবাহ হয় সেটা আমরা অপরাজিত তেই দেখেছি এখন আমরা জানবো কাজল সম্পর্কে।। অপু তার ছেলে কাজলকে গ্রামের বাড়িতে রানুদিদির কাছে রেখে বাইরের দেশে চলে যায়। সেখানে সে কর্ম করে জিবীকা অর্জন করে। এদিকে কাজল বাবাকে ছাড়া থাকে কিন্তু সে তার বাবা কে অনেক মনে করে। সাথে অভিমান ও হয়। কেন তার বাবা তাকে এভাবে ফেলে রেখে বাইরের দেশে থাকে। তাহলে কি বাবার তাকে মনে পড়েনা?? সে অনেক অভিমান মনে পুষে নিয়ে বসে থাকে। এর ভেতরেই একদিন অপুর চিঠি আসে রানু দিদির কাছে এবং তার কিছুদিন পরেই অপু গ্রামে ফেরে ছেলের সাথে পাকাপোক্ত ভাবে থাকার জন্য। ছেলে রানু দিদির কাছে থাকলেও এতোটুকু অযত্ন হয়না কাজলের। আপন ছেলে মনে করেই সে নিজের কাছে রাখে। এখানে কিছুদিন কাটানোর পরেই অপুর মনে হয় কাজলের পড়াশোনার তাগিদেই কলকাতার কাছাকাছি কোন মফস্বল এলাকায় সে বাসা ভাড়া করে থাকবে। এখন তো তার আর টাকার অভাব নেই। তাই ভাবা মাত্রই রানুদিদীর সাথে আলোচনা করে সে চলে যায় কাজল কে নিয়ে। কাজল ছিলো অন্যরকম। অনেক টা অপুর মতোন ই। এই বয়সে কারো সাথে মেশার থেকে তার বেশী আগ্রহ আশেপাশের পরিবেশ সম্পর্কে জানার জন্য। তার উপরে অপু তাকে বিভিন্ন দেশ বিদেশের গল্প শুনিয়ে এমনিতেই বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে চায়। সে তার বাবার মতোই হয়ে উঠেছে অনেকটা। এরই মধ্যে অপুর প্রথম লেখা উপন্যাস টা সাহিত্য সমাজে আলোচনায় চলে আসে যার জন্য অপুকে মোটামোটি লেখালেখি নিয়ে ব্যাস্ত থাকতে হয়। তার উপন্যাসের জন্য আশেপাশের মানুষ ও বিশেষ করে তরুণ লেখকদের যাওয়া আসা টা বেড়ে যায় তার ভাড়া বাড়িতে। এবং একটার পর একটা লেখা প্রকাশ হতে থাকে বিভিন্ন নামকরা পত্রিকাতে। খুব কম সময়ে তার পরিচিতি হয় লেখক সমাজে। হঠাৎ একদিন দুইটি মেয়ে আলাপ করতে আসে অপুর সাথে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে গিয়ে অনুরোধ করে অপুকে তাদের বাসায় নেমন্তন্ন রক্ষার জন্য। অবশেষে অপু সেখানে যায় কাজলকে সাথে নিয়ে। ধীরে ধীরে এই বাড়ির সাথে অপুর ভালো সম্পর্ক হয়ে ওঠে। কিন্তু ভালো সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত প্রনয়ে রুপ নেয় না তো?? যদি নেয় তাহলে কাজলের জন্য সামনে কি অপেক্ষা করছে?? তাহলে কাজলের জীবন কি এখানেই থেমে যাবে?? অপু কি পারবেনা তাহলে সবাইকে প্রীতীডোরে বেধে রাখতো?? সবকিছু জানতে পড়তে হবে "কাজল" পাঠ্য প্রতিক্রিয়াঃ সত্যি কথা বলতে পথের পাঁচালী অনেক আলোচিত বই সেটা পড়েছি, অপরাজিত এখনো পড়া হয়নি, তার আগেই কাজল পড়ে ফেললাম। কিন্তু এই ২ টার মধ্যে তুলনা দিতে গেলে আমি বলবো কাজল আমার পড়া অনেক ভালো একটা বইছিলো। বইটা পড়ে পুরো কাহিনী টা আমার মনে এমন ভাবে গেঁথেছে যে আমি কয়দিন শুধু বইটা নিয়েই চিন্তা করেছি। মাথা থেকে সরাতে পারিনি সংলাপ গুলো এক মিনিটের জন্যেও। তাই আশা করি যারা পথের পাঁচালী পড়েছেন তারা পড়বেন এই বইটাও।।।
খুব প্রিয় একটা বই। মৃত্যুতে অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম, সেই আম আঁটির ভেপু থেকে আমরা অপু-দুর্গা কে দেখি,আমরা পেয়েছি ছোট্ট অপুকে, অপরাজিত উপন্যাসে অপু বড় হয়েছে এবং আমরা কাজলকে পেয়েছি উপন্যাস এর শেষে, কাজল (অপুর ছেলে) তাকে পায় পূর্ণরূপে কাজল উপন্যাসে, এর নিশচিন্দিপুর এ ফিরে আসা,আর এর মধ্য দিয়ে ফিরে পেয়েছি আমাদের সেই দিদিপাগল ছোট্ট অপুকে, যে তার সেই কাশফুল ঢাকা গ্রাম ছেড়ে গিয়েছিল অভাবের তাড়নায়। অপু ট্রিলজির শেষ বই কাজল, বিভূতিভূষণের 'কাজল' লেখার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু তার আগেই তিনি মারা যান, এর পরেই বিভূতিভূষণের সুযোগ্য পুত্র তারাদাস কাজল উপন্যাস লিখে পিতার সেই শেষ ইচ্ছা পূরণ করেন। এ গল্প কাজলের, কাজলের অপু হয়ে ওঠা, কাজলের মাঝে অপুকে ফিরে পাওয়া । আমার কাজল গল্পের ভুমিকা আর উপন্যাসটি পড়ে মনে হয়েছে,এখানে অপু বিভূতিভূষণ এর রুপ আর কাজল তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এর।তবে বাবা ছেলের লেখনীর পার্থক্য নাই, নাম না থাকলে কেউই ধরতে পারত না কাজল কার লেখা।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
এই বইটা কি অ্যাভেইলেবল???
বইটি আপনি অর্ডার করতে পারেন। বাংলাদেশে বইটি না পাওয়া গেলেও ইন্ডিয়া থেকে সংগ্রহ করে দেয়ার চেষ্টা করা হবে।
এই বইতে কি "তৃতীয় পুরুষ" উপন্যাস আছে নাকি
প্রিয় গ্রাহক, না, নেই।
এই বইটা কি অ্যাভেইলেবল???
বইটি আপনি অর্ডার করতে পারেন। বাংলাদেশে বইটি না পাওয়া গেলেও ইন্ডিয়া থেকে সংগ্রহ করে দেয়ার চেষ্টা করা হবে।
এই বইতে কি "তৃতীয় পুরুষ" উপন্যাস আছে নাকি
প্রিয় গ্রাহক, না, নেই।























