ঝিলের ধারে বাড়ি ( ফেলুদা সিরিজ ৩৫ )
বই কালেকশন

Buy ঝিলের ধারে বাড়ি ( ফেলুদা সিরিজ ৩৫ ) Online in Bangladesh

লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

4.64
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
  • Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
  • Isbn: 9788170668305
  • Number Of Pages: 123
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Edition, 1988
৳ 475৳ 5005% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

লোকে বলে, ডাকাতে ঝিল। তিন পাশে দুর্গম জঙ্গল আর ভুশভুশে কাদা। সেই ঝিলের ধারেই জরাজীর্ণ একটা বাড়ি। বাড়িটার পিছনদিকে বাঁধানো ঘাটের সিঁড়ি নেমে গেছে ঝিলের জলে। কতদূর যে নেমে গেছে এই সিঁড়ি, কেউ জানে না। কিংবদন্তী— এই সিঁড়ির শেষে, ঝিলের তলার গহিন রাজ্যে, একটা মন্দির রয়েছে। সেখানে বাস করেন এক জাগ্রত দেবতা। কোনও ক্রমে একবার যদি কেউ মন্দিরে পৌঁছতে পারে, তার সব ভাবনার আসান। পৃথিবী আসবে হাতের মুঠোয়।এহেন ঝিলের ধারের বাড়িটাতেই এসে উঠল তিন নবীন আগন্তুক। তারা নাকি বৈজ্ঞানিক। গোপন ও বিপজ্জনক নাকি তাদের গবেষণা।উদ্দেশ্য যাই হোক, এই তিনজন আসার পর থেকেই কেটেরহাট গ্রামে ঘটতে লাগল বিচিত্র ঘটনা-পরম্পরা। দুর্দান্ত সেইসব ঘটনা নিয়েই এই জবরদস্ত উপন্যাস। হাসি-মজা, উৎকণ্ঠা-রোমাঞ্চ, ভূত-ডাকাত, গুণ্ডা-রহস্য সমস্ত কিছুর মিশেলে এক হইহই-রইরই উপন্যাস ‘ঝিলের ধারে বাড়ি’। বইটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন দেবাশীষ দেব।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.64
(5 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Akash Khan
Akash Khan ভেরিফাইড
12 Jul 2024

দারুণ একটা বই। এই বইটা পড়লে লেখকের আপনি প্রেমে পড়ে যাবেন

Akash Khan
Akash Khan ভেরিফাইড
26 Aug 2023

খুব ভালো বই নিতে পারেন তবে দামটা একটু বেশি৷

Review Upload 1
Review Upload 2
Review Upload 3
Review Upload 4
Review Upload 5
Review Upload 6
Review Upload 7
Review Upload 8
Review Upload 9
Review Upload 10
Sabit Rahman
Sabit Rahman ভেরিফাইড
24 Mar 2021

সাবধান!!!এই একটা বই পড়েই আপনি কিন্তু শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ভক্ত বনে যেতে পারেন। সেটা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। লেখকের অদ্ভুতুড়ে সিরিজের অন্যান্য বইগুলোও ভালো। তবে এই কাহিনীটা অদ্ভুতুড়ে সিরিজের সবচেয়ে সু্ন্দর কাহিনীগুলোর একটি।

Mahbuba Supti
Mahbuba Supti ভেরিফাইড
20 Jun 2017

সুন্দরবনের পাশের একটি ছোট্ট গ্রাম কেটেরহাট। এই গ্রামেরই বাসিন্দা সদাশীব বাবু। একসময় তার পূর্বপুরুষরা ডাকাত ছিল। ডাকাতি করে বহু টাকা-পয়সা উপার্জন করেছিল তারা। এখন সেসব টাকা-পয়সার মালিক সদাশীব বাবু। সদাশীব বাবুর একটি মাত্র ছেলে। সে তার বউ, ছেলে, মেয়ে নিয়ে কলকাতায় থাকে। বড়সড় কোন ছুটি পেলে গ্রামের বাড়ি আসে বেড়াতে। যাই হোক, প্রতিদিনের মতে সেদিন সকালেও সদাশীব বাবু খবরের কাগজ পড়ছিল। কলকাতা থেকে তিনজন লোক আসে সদাশীব বাবুর কাছে। পরিচয় দেয় তারা বিজ্ঞানী। ঝিলের ধারে সদাশীব বাবুর যে একটা বাড়ি আছে সেটা তারা ভাড়া নিবে। তাদের গবেষণার কাজে। কিন্তু সেই বাড়ি ভীষণ নড়বড়ে। যেকোন সময়ই তা ভেঙে পড়বে। সবকিছু জানার পরও বিজ্ঞানীরা বাড়িটা ভাড়া নেয়। সেই বাড়ি এতকাল দেখাশোনা করতো সিদ্ধিনাথ। বাড়ি ভাড়া নিয়েই বিজ্ঞানীগণ সিদ্ধিনাথকে পরামর্শ দেয় গ্রামের বাড়ি থেকে ঘুরে আসতে, তীর্থে যেতে। সিদ্ধিনাথের মনে খটকা লাগে। তাকে কেন তাড়াতে চাইছে এখান থেকে? এই বাড়ির পেছনে যে ঝিল লোকমুখে প্রচলিত সেই ঝিলের নিচে আছে এক মন্দির। তবে কি এই লোকগুলো সেই মন্দিরের খোজেঁই এসেছে? এই গ্রামের আরেক বাসিন্দা নবীন। নবীনের পূর্বপুরুষগণও ডাকাত ছিল। একসময় খুব দাপট থাকলেও বর্তমানে নবীনের অবস্থা খুব খারাপ। তার যাবতীয় সহায়-সম্পত্তি গ্রামের মহাজনের কাছে। তার বাড়ির পাতলঘরে নাকি গুপ্তধন লুকানো আছে। ডাকাতি করে সবকিছু এই পাতালঘরে নাকি লুকিয়ে রাখত নবীনের পূর্বপুরুষগন। কিন্তু এই ঘরের দরজা কোনভাবেই খুলতে পারছে না নবীন। এমনকি তার ঠাকুরদাদাও এই চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। সদাশীব বাবুর দুই নাতি-নাতনি অনু, বিলু বড়দিনের ছুটি কাটাতে আসে। কিন্তু টেকেরহাট পৌছানোরঁ আগেই গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। টেকেরহাট পৌছাতেঁ তখনো চার মাইলের রাস্তা বাকি। অনু, বিলুকে সাথে নিয়ে গাড়ির ড্রাইভার ভুজঙ্গদা হেটেঁই রওয়ানা দেয়। টেকেরহাট গ্রামে ঢোকার আগে একটা বন আছে। আর আছে এক কালি মন্দির। সেই বনে হটাৎ আলো জ্বলে উঠল। কিন্তু এই বনে তো দিনের বেলায়ই কেউ আসে না। তাহলে কাহিনী কি? ছুটে এসে দেখে বুড়ো সিদ্ধিনাথ রক্তাক্ত অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। বিলু, অনুকে পাঠিয়ে দিয়ে ভুজঙ্গদা সেখানে থেকে যায়। গ্রামে ঢোকার পথেই দেখা হয় নবীনদার সাথে। নবীনদাকে সব খুলে বলার পর নবীন ওদের নিয়ে যায় সে বনে। কিন্তু গিয়ে দেখে অচেতন সিদ্ধিনাথ আর ভুুজঙ্গদা নেই। তাহলে ভুজঙ্গদা গেলো কোথায়? শান্ত-সুনিবিড় টেকেরহাট গ্রামে কি অশান্তি শুরু হলো তবে? আর এসব কাহিনী শুরু হয় কলকাতার বাবুরা আসার পর। তবে কি তারা জড়িত এই কাহিনীতে?

Soma Rahman
Soma Rahman ভেরিফাইড
25 May 2016

কেটেরহাট। সুন্দরবনের পাশেই একটা ছোটখাট গ্রাম। সদাশীব বাবু বারান্দায় বসে রোজকার মত পত্রিকা পড়ছিলেন। এমন সময় তিনজন সুট পড়া লোক এসে হাজির। কলকাতা থেকে এসেছে। তাদের মধ্যে একজন অভিজিৎ আচার্য্য। বিজ্ঞানী। পোকামাকড় নিয়ে গবেষনা করবে। সদাশিব বাবুর ঝিলের ধারের বাড়িটা ভাড়া নিতে চাচ্ছে। সদাশিব বাবুর পূর্বপুরুষরা ছিলেন ডাকাত। ডাকাতি করে বিস্তর টাকা পয়সা জমিয়েছেন। উত্তরাধিকারসুত্রে সদাশিব বাবু সেগুলার মালিক এখন। বাড়ি ভাড়া দিয়ে তার দরকার নাই। কিন্তু ঝিলের ধারের ঐ বাড়িটা অনেক পুরনো, নড়বড়ে। যে কোনও সময় ভেঙ্গে পড়বে। সব শুনেও অভিজিৎ বাড়িটা ভাড়া নিতে চায়। বিজ্ঞানের কাজ করবে বলে সদাশিব বাবু বাড়ি দিতে রাজি হলেন, তবে কোনও ভাড়া নেবেন না। কেয়ারটেকার সিদ্ধিনাথের বেতন দিলেই হবে। বাড়িটা ভাড়া নিয়েই অভিজিৎ সিদ্ধিনাথকে বলল দেশের বাড়ি ঘুরে আসতে, নয়তো তীর্থে যেতে। টাকা পয়সা ওরাই দিবে। সিদ্ধিনাথ যেতে রাজি হলেও মনে মনে সন্দেহ করতে থাকেন, তাকে সরাতে চাইছে না তো? এ বাড়ির পেছনদিকে ঘাট বাধানো আছে ঝিল পর্যন্ত। কথিত আছে এই ঘাটের সিঁড়ি শেষে একটা বড় মন্দির আছে। কিন্তু সিদ্ধিনাথ এই ৪০ বছরে সেটার হদিশ পায়নি। নবীনের পূর্বপুরুষও ডাকাত ছিলেন। বরং তাদের দাপট সদাশিব বাবুর পূর্বপুরুষের থেকে বেশিই ছিল। কিন্তু এখন নবীনের বাড়ির ভাঙ্গা হাল। তাও দেনার দায়ে বন্ধক আছে মহাজনের কাছে। তার বাড়ির পাতালঘরে নাকি গুপ্তধন লুকানো আছে। তার ঠাকুরদা খুব চেষ্টা করেও সেই পাতালঘরের দরজা খুলতে পারেনি। নবীন নিজেও চেষ্টা করে দেখেছে। নিরেট লোহার দরজা। কোনও আঙটা বা চাবির ফুটোও নাই। সদাশিব বাবুর ছেলে কলকাতায় থাকেন। তার দুই ছেলেমেয়ে বিলু আর অনু প্রতিসপ্তায় দাদুবাড়ি বেড়াতে আসে। এবার বড়দিনের ছুটিতে তারা এক সপ্তাহ থাকবে। ড্রাইভার ভূজঙ্গ ওদের নিয়ে আসছিল। কিন্তু কেটেরহাট মাইল চারেক বাকি থাকতেই গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। গাড়ি তালা দিয়ে তারা হেটেই রওনা দেয়। কিন্তু কেটেরহাটের আগে চাঁপারবনে একটা কালীবাড়ির মন্দির আছে, সেখানে আলো দেখে তারা অবাক হয়। এই মন্দির অনেকদিন থেকেই ব্যবহার হয়না। তাছাড়া দিনের বেলাতেও এখানে কেউ আসেনা। এই রাত্র এখানে আলো কেন? ঘটনা কি এগিয়ে দেখতে গিয়ে তারা দেখে ওখানে বুড়ো সিদ্ধিনাথ পড়ে আছে অচেতন হয়ে। তার মাথা ফেটে রক্ত বেরুচ্ছে। বিলু আর অনুকে গ্রামের পথে পাঠিয়ে দিয়ে ভূজঙ্গ ওখানেই পাহারায় থাকে। অনু আর বিলুর বাড়িতে ঢুকার আগে নবীনের সাথে দেখা হয়। নবীনকে তারা সব খুলে বলে। নবীন ওদের বাড়ি পৌঁছে দিয়ে লোকজন জড়ো করে রওনা দেয়। কিন্তু ওখানে গিয়ে সিদ্ধিনাথের অচেতন দেহ ছাড়া আর কিছু পায়না। ভূজঙ্গের টিকির দেখাও নাই। অন্ধকারে খুঁজতে বের হয় নবীন। হঠাৎ বাঘের ডাকে ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু ডাকটা কেমন জানি মেকি মনে হয়। পরে ঝোপের ভিতর ভূজঙ্গকে খুঁজে পায় নবীন। তারও মাথার পেছন থেকে রক্ত ঝরছে। একই দিনে দুই দুইটা মানুষকে খুনের চেষ্টা? শান্ত কেটেরহাটে কিছু একটা পাকিয়ে উঠছে। এবং সেটা শুরু হয়েছে, ঝিলের ধারে সদাশিব বাবুর বাড়িটা ভাড়া হওয়ার পর থেকে। তবে কি সাধুবাবার কথাই ঠিক? কেটেরহাট আর চাঁপার বনের নিচে পুরোটাই সুড়ঙ্গ?

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)