

Buy গর্ভধারিণী Online in Bangladesh
লেখক: সমরেশ মজুমদার
- Author: সমরেশ মজুমদার
- Publisher: মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স প্রাঃ লিঃ (ভারত)
- Isbn: 8172930267
- Number Of Pages: 384
- Language: বাংলা
- Edition: 47th Edition, 2015
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
‘গর্ভধারিণী’ বইয়ের ফ্ল্যাপের কথাঃএক দুঃসাহসী ও অভিনব বিষয়বস্তু নিয়ে, সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে নতুন পরীক্ষার ফলশ্রুতি এই গর্ভধারিণী উপন্যাস। অসম অর্থনৈতিক কাঠামোয় বড় হয়ে ওঠা চার বন্ধু, তাদের মধ্যে একজন নারী, এক সময়ে উপলব্ধি করল অদ্ভুত এক আঁধার নেমে এসেছে এই দেশে। কারও যেন নিজস্ব কোন দায় নেই, দেশটার ভালোমন্দের ইজারা রাজনৈতিক দলগুলির ওপর দিয়ে অধিকাংশ মানুষ ঘরের নিরাপদ কোণ খুঁজছে। এই ক্লৈব্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে চেয়েছে ঐ চারজন যুবক-যুবতী, পরিণামে তাদের আত্মগোপন করতে হলো হিমালয়ের কোণে এক পাহাড়ী গ্রামে, যেখানে সভ্যতার নখ এখনো আঁচড় কাটেনি। সেখানে শুরু হলো তাদের একজনের- যে একমাত্র নারী তাদের দলে, তার-বিচিত্ৰ আত্মত্যাগ ও সাধনা। এই উপন্যাস তাদের সকলের সেই স্বপ্ন, সাধনা ও সংগ্রামের কাহিনী।লেখক পরিচিতিঃসমরেশ মজুমদারের জন্ম হয় ১৯৪২ সালে, বাংলা ১৩৪৮ সালের ২৬শে ফাল্লুন। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা বাগানে। স্কুলের ছাত্রজীবন কেটেছে জলপাইগুড়িতে। এইসময়কার কিছু চিত্র পাওয়া যায় তার উত্তরাধিকার উপন্যাসে। কলেজ জীবন কেটেছে স্কটিশ চার্চ কলেজ ও কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার ও নাটক লেখা থেকে গল্প লেখা শুরু। প্রথম গল্প প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস দৌড় প্রকাশিত হয় ১৯৭৫-এ। তাঁর প্রতিটি উপন্যাসের বিষয়, গল্প বলার ভঙ্গি ও আঙ্গিক গতানুগতিকতার একঘেয়েমি থেকে মুক্ত। এই কারণেই বাংলা সাহিত্যের পাঠক-পাঠিকারা তার প্রায় প্রথমা আবির্ভাবেই তাঁকে সাদরে বরণ করে নিয়েছেন। ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার, ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনীকার হিসেবে বিভিন্ন পুরস্কার ও ১৯৮৪ তে কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য আকাদেমী পুরস্কার তাঁর অনন্য সাহিত্য-কৃতিরই অকুণ্ঠ স্বীকৃতি।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
গর্ভধারিনী..... এই উপন্যাস নিয়ে কথা বলতে বসলে শেষ হবে।। সম্প্রতি খুব পছন্দের একটা উপন্যাস। বলতে গেলে এই গল্প স্বাদ দিবে শ্রেণী বিভাজনের। আপার ক্লাস, মিডিল ক্লাস এবং লোয়ার ক্লাস। এই তিন ক্লাসের কলেজে পড়ুয়া মেয়ে ছেলে যখন একত্রিত হয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে আবদ্ধ হয় তখন তাদের মধ্যে এই শ্রেণী বিন্যাসের যে ব্যপারটার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ভাবনা আসে। যা দেশের রাজনৈতিক কর্মকান্ডর সাথে জড়িত। তাই তারা দেশের, দেশের মানুষের এবং প্রশাসনের ঘুম ভাঙ্গানোর কিছু চেষ্টা করে। তারা জানতো একদিনে পুরো জাতিকে জাগানো সম্ভব নয়। কিন্তু তারা তাদের মনে নাড়া দেয়ার চেষ্টা করেছিলো মাত্র। যা কিছুটা সফলও হয়েছিলো। কিন্তু এসবের মাঝে তারা জানতো যে এসব করে তারা ঠিকে থাকতে পারবে না। তাই তারা শুরুতেই পালিয়ে যাওয়ার ফন্দি করে রেখেছিলো। তাদের এই যে পালিয়ে যাওয়ার যাত্রাটা অচেনা অজানা উদ্দেশ্যে এটি গল্পকে আরও রোমাঞ্চকর করে তুলে। সাথে তাদের বন্ধুত্বের সর্ম্পকে কিছুটা ভালো লাগার স্বাদও পাওয়া যায়। খুঁজে পাওয়া যায় এক অসভ্য জাতি। যাদের মধ্যে কোনো আধুনিকতা বা সভ্যতার ছোঁয়াটুকু নেই। তবে আছে একতাবদ্ধ যা আজকালের শহুরের জীবনের মধ্যে নেই। খুব চমৎকার একটি উপন্যাস। সমরেশ মজুমদারের উপন্যাস নিয়ে পড়তে বসলে কোনটা ছেড়ে কোনটা কে সেরা বলবো তা বুঝা বড় দায় হয়ে যায়।


আমার পড়া অন্যতম সেরা উপন্যাস। কল্যন-জয়ীতা আর সুদিপদের এই অবর্ণনীয় সুন্দর উপন্যাস আমাকে সান্দাকফু যাওয়ার প্রেরণা দিয়েছে।প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছে অদ্ভুত একটা আকর্ষণ। সমরেশ মজুমদারের বই যারা নিয়মিত পড়েন বা পড়েননা সবাইকেই সাজেষ্ট করব পড়ে দেখতে এ বইটি।

সঙ্গত কারণেই বইটি পড়ার সময় আমার বারবার এই চিন্তা আসছিলো যে, বইটির নাম গর্ভধারিণী কেন? এই বিপ্লবী চিন্তাধারার গল্পের নাম গর্ভধারিণী কীভাবে হয়? আমার এই প্রশ্নের জবাব পেতে বইয়ের শেষ পর্যন্ত যেতে হয়েছে। আপনাদের জানার ইচ্ছা থাকলে বইটি পড়ে ফেলতে পারেন। এতটুকু বলতে পারি ভালো সময় যাবে।

দেশের ভালোমন্দ, রাজনৈতিক দলগুলোর উপর ন্যস্ত।সমাজের মানুষগুলো সবাই যেন কুয়োর ব্যাঙের মত মুখ লুকিয়ে চুপচাপ জীবনটাকে পার করে দিচ্ছে।রাজনৈতিক দলগুলো দেশ পরিচালনার নামে সমাজকে নিয়ে যাচ্ছে এক কঠিনতম অবস্থায়। আর সবাই সেটা এতোদিন চুপ করে সহ্য করে সয়ে আসছে।কিন্তু সমাজের রাজনৈতিক দলগুলোর এই কারচুপি, কর্মকাণ্ড মেনে নিতে পারেনি চারজন তরুণ-তরুণী। এক দুঃসাহসিক অভিনব সামাজিক মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে সমাজকে, সমাজের ঘুমন্ত মানুষগুলোর বিবেক এর দরজায় কড়া নেড়ে দিতে চারজন যুবক-যুবতী এক হয়ে কাজ করে।চারজনই ছিলো শিক্ষিত,ভদ্র,সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলেমেয়ে।কলেজে চার বন্ধু একসাথে পড়াশুনা করে।চার বন্ধুর চিন্তাধারা, চেতনা,আচার-আচরণ,রুচি,মন মানুষিকতা সবই আলাদা আলাদা।কিন্তু তাদের বন্ধুত্ব, শিক্ষা,মনোভাব দেশের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা সবই একই রকম হওয়াতে তারা এক হয়ে সমাজের এই কালো মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শক্তিধর দলগুলোর পাজড় ভেঙ্গে দেওয়ার উদ্দ্যেশ্যে এক হয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে তৎপর, অনড়,একনিষ্ঠ, ঐক্যবদ্ধ ছিলো।আর সেই জোড়েই তারা শেষ পর্যন্ত লড়ে যায়। সমাজের,রাজনৈতিক দলগুলোর এই শাসন শোষণ ক্লৈব্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় ঐ চারজন যুবক-যুবতী। পরপর একেকটা কর্মকাণ্ড হয়ে যাওয়ার পর তারা নিজেকে আত্মগোপন করতে চলে যায় হিমালয়ের কোণে এক পাহাড়ি গ্রামে,যেখানে সভ্যতার ক্রমবিকাশ, আধুনিকতার আঁচড় এখনও কাটেনি।আর সেখানেই শুরু হয় তাদের নতুন আরেক জীবন।তারা সেখানের অশিক্ষিত, সহজ-সরল মানুষগুলোকে নিয়ে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে।সেই অজপাড়াগায়ের মানুষগুলো একটু সুখ শান্তিতে বেঁচে থাকার,তাদের গ্রামকে বদলে দেয়ার,প্রত্যেকটা মানুষকে ভাগ্যের সাথে লড়াই করে বাঁচার জন্য উদ্ভুদ্ধ করে তোলে। তাদের জীবন যাত্রার মান বদলে দেওয়ার তাগিদে চারজন বন্ধু সক্রিয়ভাবে কাজ করে।কিন্তু তাদের দলের একমাত্র নারী জয়িতা সেখানে তার বিচিত্র আত্মত্যাগ ও সাধনা এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত রাখে।জয়ীতা তার সহপাঠী বন্ধুদের চমকে দিয়ে নিজেকে এক নতুন পরিচয়ে,নতুন ভাবে উপস্থাপন করে।আর যার ফলে গর্ভধারিণীর আসল অর্থ ফুটে ওঠে। এই গর্ভধারিণী উপন্যাস সেসব সময়ের স্বপ্ন-সাধনা ও সংগ্রামের কাহিনীর এক আমূল দৃষ্টান্ত। পাঠ প্রতিক্রিয়া :সমরেশ মজুমদার স্যারের বই বরাবরই ভালো লাগে।এই বইটাও চমৎকার লেগেছে।জয়ীতার কিছু ব্যাপার বাড়াবাড়ি বলে মনে হয়েছে।যেমন বাবা-মা যখন তাদের ভুল বুঝতে পারে তখনও তাদেরকে পাত্তা না দেওয়াটা আমার কাছে ভালো লাগেনি।আনন্দকে ভালো লেগেছে খুব।কল্যাণ -সুদীপকেও খারাপ লাগেনি।সব মিলে বইটা সত্যিই চমৎকার ছিলো।
" গর্ভধারিণী - সমরেশ মজুমদার " দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া এই সমাজকে দেখে কখনো সখনো রক্ত গরম হয়ে উঠে। কি হবে এই নষ্ট-পঁচা-গলা সমাজ দিয়ে? খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আর কতদূরই বা যেতে পারবে এই দেশ। মন চাই এক পারমানবিক বোমা ফেঁলে গোটা দেশটাকে শেষ করে দি! আবার নতুন করে গড়ি তুলি পৃথিবীটাকে। কিন্তু থমকে দাঁড়াতে হয় নিজের ক্ষমতা অক্ষমতার যায়গায় এসে। নষ্ট রাজনীতি, নষ্ট সমাজ দেখে হয়তো অনেক যুবকের রক্ত গরম হয়ে উঠে কিন্তু সমাজ পরিবর্তনের জন্য পদক্ষেপ নেই ক জন। গর্ভধারিণী ঐ সব রক্ত গরম হওয়া তরুনদের কাহিনী যারা দেশকে নাড়া দিতে চেয়েছিলো একটুকু সুন্দরের আশাতে। না এ কোন এডভেঞ্চার প্রিয় তরুনদের কার্যকলাপ নয়। গোবরের বুকে পদ্ম ফোটা একদল দেবদূতদের কাহিনী। উপন্যাস রচনার সময়কাল ১৯৮৬। কেমন ছিল তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা? রাজনৈতিক দল গুলো নিজেদের ক্ষমতার লড়ায় নিয়ে কাড়াকাড়িতে মত্ত। বামরা যতই অধিকারের কথা বলুক গদি দখলই তাদের একমাত্র লক্ষ। এলিট শ্রেনি আছে তাদের সুবিধে নিয়ে। মেরুদণ্ড ভাঙ্গা মানুষগুলোর এখন আর কোন কিছুতে ভুরুক্ষেপ হয় না। খেটে খাওয়া মানূষদের কচুকাটা করে ক্ষমতার লড়ায়ে মত্ত দুনিয়াতে আর্বিভিত হয় চার দেবদুত। যারা দেশসেরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী। সামনে উজ্জ্বল ভবিভবিষ্যত রেখে দেশের জন্য, দশের জন্য ঝাপিয়ে পড়া এ এক অমর গাঁথা। " আমাদের দেশে সেই ছেলে হবে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে। মুখে হাসি বুকে বল তেজে ভরা মন, মানুষ হইতে হবে এই যার পন " জয়িতা, সুদীপ, আনন্দ আর কল্যাণ চার বন্ধু যাদের মন ও মননের মোটেও উপযোজন ঘটছে না তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থার সাথে। তরুণ বয়সের উদ্দীপনা, পরিবর্তনের চেষ্টার যে ব্যাকুলতা তার ছাপ স্পষ্ট চরিত্রগুলোর প্রতি কথোপকথনে, কাহিনীতে। হঠাৎ খুঁজে পাওয়া রেনেসাঁর স্পর্শে সব ভেদাভেদ দূর করার প্রচেষ্টায় মত্ত এই চার তরুণ-তরুণী। সব ভেদাভেদকে ছিন্ন করে ধনী, গরিব, নারী, পুরুষ নির্বিশেষে যেখানে সবাই এক। কিন্তু এরা যে অঙ্কুরিত হওয়া তরুণ-তরুণী, যারা তারুণ্যের উদ্দীপ্তে পরিবর্তন চায়। এরা তো আর অভিজ্ঞতার ঝুলিতে পরিপূর্ণ হার-না-মানা বিপ্লবীর মতো না। কিন্তু এরা দৃঢ় প্রত্যয়ে উদ্দীপ্ত বিপ্লবী চেতনায় চলতে থাকে সামনের দিকে পূর্ণ উদ্দেশ্যে। কল্যাণ চরিত্রে দেখা যায় নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের অভাবে বেড়ে উঠা এক যুবককে। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ যার কাছে দ্বিধা- দ্বন্দময়। আনন্দ একই সামাজিক কাঠামোতে বেড়ে উঠলেও তার মায়ের বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের কারণে তার মাঝে নেতৃত্বের পূর্ণ পরিস্ফুটন ঘটে। অপরদিকে সুদীপ এবং জয়িতা উভয়েই বিত্তবান বাবা মায়ের অবহেলিত সন্তান। উচ্চ শ্রেণির আরাম আয়েশ তাদের কাছে কাটার মতো বিঁধত। জীবনের অর্থ খুঁজতে চার বন্ধু তাই এক অনিশ্চিত পথে পা বাড়ায়। যে পথে লেখক তাদের সঙ্গী। সেই অমর পথের শ্রষ্ঠা সমরেশ বাবু। জয়িতা, সুদীপ, আনন্দ আর কল্যাণ এই চার বন্ধুর এক দুঃসাহসিক অভিযানের গল্প নিয়েই গর্ভধারিণী। ঘূণে ধরা সমাজের বিবেক বোধকে নাড়িয়ে দেবার উদ্দেশ্য একের পর এক অভিযান চালিয়ে যায় তারা। কিন্তু একসময় চার বন্ধুর প্রয়াস বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। আইনের হাত থেকে বাঁচতে তারা বেরিয়ে পরে। ছুটে যায় হিমালয়ের পাদদেশে পুলিশের নাগালের বাইরে। সেখানে তাদের পরিচয় ঘটে সভ্যতা বর্জিত জনগোষ্ঠীর তাপল্যাঙদের সাথে। এই তাপল্যাঙ দের কে নিয়ে তারা স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। এক নতুন সাম্যের সমাজ গড়ে তোলায় চেষ্টায় রত হয়। এই প্রচেষ্টায় আনন্দ গ্রামবাসীকে নেতৃত্ব দেয়। বাকীরা সাহায্য করে। কিন্তু জয়িতার আত্মবিশ্বাস, গ্রামবাসীর সাথে একাত্ব হয়ে যাওয়া এবং সবশেষে সেই গ্রামেরই সন্তানকে পেটে ধরে জয়িতা বাকী বন্ধুদের চেয়ে এগিয়ে যায় অনেক। নিজেকে নিয়ে যায় এক অনন্য উচ্চতায় । গর্ভধারিণী নামের স্বার্থকতা এখানেই। শুধুমাত্র আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট নয়, সমাজের উন্নয়নে দরকার মানসিক ও ব্যক্তিত্যের পরিবর্তন। মূলত বর্তমান সমাজের এই ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে সমাজকে পুনরায় গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করে বইটি। সমাজের মানুষগুলোর বিবেকবোধ আর মানবিকতাকে জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে বইটি পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করবে। সমরেশ মজুমদারের এক অসাধারণ কীর্তি গর্ভধারিণী যা বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কিন্তু বাস্তবতার তুলনায় কাহিনীর বর্ণনাতে আছে একটু বেশিই থ্রিল যেন বাংলা সিনেমার মত। সিনেমাতে নায়কের যেমন মৃত্যু নেই তেমনি উপন্যাসের নায়কের। উপন্যাসের এই অতিরঞ্জিত বর্ণনাই একজন পাঠককে ধরে রাখবে কিন্তু এই অতিরঞ্জিত ভাবই উপন্যাসের দুর্বল দিক। এক সময় হয়তো ভুলে যাবে সমাজ তাদের নামগুলো। কিন্তু এই সমাজে তারা যে পদচিহ্ণ এঁকে গেল তা কি রক্ষা করতে পারবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
is this book indian print or bangladeshi print??
Of course , It's an original imported book .
how many pages are in this book
Dear customer, the book has 384 pages. Thanks for your question.
is this book indian print or bangladeshi print??
Of course , It's an original imported book .
how many pages are in this book
Dear customer, the book has 384 pages. Thanks for your question.























