

Buy দিনলিপি Online in Bangladesh
লেখক: সৈয়দ মুজতবা আলী
- Author: সৈয়দ মুজতবা আলী
- Publisher: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
- Isbn: 9841804506
- Number Of Pages: 59
- Language: বাংলা
- Edition: 3rd Edition, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
অসাধারণ প্রতিভাধর রম্য রচয়িতা এবং পণ্ডিত সৈয়দ মুজতবা আলী (১৯০৪- ১৯৭৪) রম্যলেখক ভালো কথা কিন্তু “পণ্ডিত” ১৮টি ভাষা যার দখলে, যে ভাষায় উনি কথা থেকে শুরু করে লিখতে পর্যন্ত পারেন, রাশিয়ান ভাষায় “প্রেম” উপন্যাস এর বাংলা অনুবাদ, জার্মান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট, বিশ্বভারতী থেকে স্নাকত, আল-আজহারে পড়াশুনা, তুলনাত্নক ধর্মচর্চা যার নখদর্পনে, গীতা যার সম্পূর্ণ মুখস্ত আর রবীন্দ্রনাথের গীতিবিতান টপ টু বটম ঠোঠস্ত তাকে যদি পণ্ডিত বলা হয় তাহলে কি আপত্তির থাকতে পারে? তবে “সব কিছু যে পণ্ড করে সে পণ্ডিত” এটা অবশ্য সৈয়দদার ভাষ্য। বিশ্বভারতীতে পড়াশুনা করার সময় একবার রবীন্দ্রনাথের হাতের লেখা নকল করে ভুয়া নোটিশ দিলেন, “আজ ক্লাশ ছুটি” .. ব্যাস যায় কোথায় সবাই মনে করল রবীন্দ্রনাথ ছুটি দিয়ে দিয়েছেন।সৈয়দ মুজতবা আলী। একজন লেখক, শিক্ষক, ভাষাবিদ, সংগঠক। সর্বোপরি একজন সফল মানুষ। আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৪ সালের এই দিনে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। জন্ম হয় ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর, সিলেটের করিমগঞ্জ শহরে। দেশ ভাগের পর করিমগঞ্জ ভারতের আসামের মধ্যে পড়েছে। সৈয়দ মুজতবা আলীর বাড়ি হবিগঞ্জে। বাবা সৈয়দ সিকান্দার আলী ছিলেন সরকারি চাকুরে। যে কারণে তাঁদের পরিবারের স্থায়ীভাবে বসবাস করা হয়নি কোথাও। তাঁর প্রাথমিক পড়াশোনাও হয়েছে তাই সিলেটের বিভিন্ন এলাকায়। ১৯১৯ সালে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আসেন সিলেটে। এ সময় পড়াশোনায় আগ্রহ আর সাহিত্যে দখল থাকার কারণে মুজতবা আলী কবিগুরুর চোখে পড়েন। কবি সঙ্গে করে শান্তিনিকেতনে নিয়ে যান তাঁকে। ১৯২১ সালে ভর্তি হওয়ার পর ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। মুজতবা আলী বিশ্বভারতীর প্রথম দিকের ছাত্র। এখানেই তিনি শেখেন ইংরেজি, আরবি, ফারসি, সংস্কৃতি, গুজরাটি, ফ্রেঞ্চ, জার্মান ও ইতালিয়ান ভাষা। বিশ্বভারতীর পর উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যান আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরে দর্শন পড়েন জার্মানির বনে। সেখান থেকে ১৯৩২ সালে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে অর্জন করেন ডি-ফিল ডিগ্রি। পরে তিনি আরো পড়াশোনা করেন মিসরের কায়রোর আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্বভারতীতে পড়তে পড়তেই মুজতবা আলী জড়িয়ে পড়েন লেখালেখির সঙ্গে। নিয়মিত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লিখতেন নামে অথবা ছদ্মনামে। আলীগড়ের পড়াশোনা শেষ করেই যোগ দেন কাবুলের একটি কলেজে। সেখানে তিনি ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ ভাষা শেখাতেন। ১৯৩৫ সালে বরোদা মহারাজার আমন্ত্রণে যোগ দেন বরোদা কলেজে। এখানে তিনি টানা আট বছর তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব পড়ান। এরপর দিলি্লতে যোগ দেন ভারতীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। সরকারি চাকরি বেশি দিন ভালো লাগেনি মুজতবা আলীর। চাকরি ছেড়ে দিয়ে কিছুদিন সাংবাদিকতা করেন আনন্দবাজার পত্রিকায়। এই সময়টাই ছিল তাঁর সাহিত্যচর্চার শ্রেষ্ঠ সময়।























