আহমদ ছফার চিঠি
বই কালেকশন

Buy আহমদ ছফার চিঠি Online in Bangladesh

লেখক: নূরুল আনোয়ার

4.67
(3 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Publisher: খান ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি
  • Isbn: 9844081343
  • Number Of Pages: 272
  • Language: বাংলা
  • Edition: Enhanced Edition, 2017
৳ 349৳ 40013% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

ফ্ল্যাপে লিখা কথা শত ব্যস্ততার মধ্যেও আহমদ ছফা প্রতিদিন তিনটি কাজ আন্তরিকতার সঙ্গে করতেন- বইপড়া, হারমোনিয়ামে সুর তোলা এবং নানামানুষের কাছে চিঠি লেখা। তাঁর এ তিনটি কাজে কখনো ছেদ পড়তে দেখা যায়নি। মৌলিক লেকা সবসময় না লিখলেও তিনি চিঠিপত্র নিয়মিত লিখতেন। চিঠি লেখার কাজটা খুব ভোরে সেরে নিতেন তিনি। যে কেউ চিঠি লিখলে আগ্রহ নিয়ে পড়তেন এবং ভাল হোক, মন্দ হোক সব চিঠির জবাব লিখতেন। তিনি মনে করতেন, চিঠির জবাব না দেয়াটা এক ধরনের অভদ্রতা। এ ভদ্রতা রক্ষা করতে গিয়ে প্রতিদিন দু’ঘন্টা চিঠি লেখার পেছনে ব্যয় কুণ্ঠা ছিল না তাঁর। কোন কোনদিন আরো অধিক সময় লেগে যেত। কেউ তাঁর চিঠির জবাব না দিলে তাতেও তিনি ক্ষেপে গিয়ে পুনরায় চিঠি লিখতেন। চিঠি লেখার ব্যাপারে তাঁর মধ্যে কোন ধরনের অলসতা কিংবা অনীহা কাজ করত না। যদি, তাঁর সব চিঠি সংগ্রহ করা যেত, আহমদ ছফার রচনাবলী দ্বিগুণ আকার ধারণ করত।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.67
(3 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
67%
4
33%
3
0%
2
0%
1
0%
Sanowar Hossain
Sanowar Hossain ভেরিফাইড
19 Aug 2021

.

Shadin Pranto
Shadin Pranto ভেরিফাইড
01 Nov 2019

প্রকৃত রেটিং - ৩.৫০ আহমদ ছফার ১৬৩ টি পারিবারিক চিঠি এবং ৭১ টি দাপ্তরিক চিঠি নিয়ে বই " আহমদ ছফার চিঠি"। বইটি সম্পাদনা করেছেন আহমদ ছফার ভাতিজা নূরুল আনোয়ার। পারিবারিক ১৬৩ টি চিঠির বেশিরভাগই বইটির সম্পাদক ও ছফার ভাতিজা নূরুল আনোয়ারের কাছে লেখা। আহমদ ছফার কল্যাণে নূরুল আনোয়ারের নাম অনেকেই জানেন। তারও কিছু বই প্রকাশিত হয়েছে। জনাব নূরুল আনোয়ারকে গড়ে তুলতে ছফা কতটা চেষ্টা করেছেন তা নূরুল আনোয়ারকে লেখা প্রতিটি চিঠিই সাক্ষ্য দেয়। গ্রামে বসবাসরত নিজের আত্মীয়স্বজনের প্রতি ছফার মমত্ববোধ নিঃসন্দেহে বজ্রকঠিন লেখনীর মানুষ বলে পরিচিত অন্য এক ছফার ব্যক্তিত্বের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। আজ মোভিভেশনের যুগে সাধারণে ঝাপিয়ে পড়ছে মোভিভেশনের গুরুদের ওপর। নমস্যতুল্য করে তুলছে তাদের। অথচ আহমদ ছফা নামের জনৈক বাঙালি মুসলমান তার স্বজনদের উদ্দেশ্যে যেসব চিঠি লিখেছিলেন তা পড়লে যেকেউ মোভিভেশন পাবে না।পাবে নিজস্ব সত্তার শক্তিকে উপলব্ধি করার সাহস। হবে স্বপ্নময় জগৎ সৃষ্টির কারিগর। নূরুল আনোয়ারকে বই পড়তে দিয়ে ছফা লিখলেন, " বাইরের বই না- পড়লে তোমাট বাংলাভাষা নির্ভুল হবে না। যার বাংলায় প্রকাশভঙ্গি দুর্বল, তার ইংরেজি দুর্বল হতে বাধ্য। তুমি যদি আধুনিক পৃথিবীর সভ্য মানুষ হতে চাও তাহলে মন-প্রাণ দিয়ে চেষ্টা কর। ভেজা কাঠে যেমন আগুন জ্বলে না, তেমনি নকল চেষ্টা করলেও ফল পাবে না। মনের ভেতর থেকে ভয় পাওয়ার অভ্যাসটি ছেড়ে দাও। জেগে উঠ। পুরুষ মানুষের মত পৃথিবীতে মাথা তুলে দাঁড়াও। পৃথিবী অনেক বড়, অনেক সুন্দর। " (পৃষ্ঠা ১৩) আত্মীয়স্বজন সবাইকে ছফা সাহায্য করতেন। ছফার এই দায়িত্ববোধের সুযোগ তার নিকটজনেরা নিয়েছেন। ছফার ভাষ্য, " আমি এখানে টাকার কল বসাইনি। যতটুকু পারি সাহায্য তো করেই যাচ্ছি। প্রায় সময় আমাকে বিরক্ত করলে তো লাভ নেই। " ( পৃষ্ঠা ২১) টাকার কল না বসালেও চিঠি পড়ে বোঝা যায় পরিবারের দরিদ্র সদস্যদের অবিরাম সাহায্য করে গেছেন। নিজের পরিবারকে, আত্মীয়স্বজনকে তিনি বড় করতে চেয়েছেন। ধনে নয়। বোধবুদ্ধিতে। লেখাপড়ায়। আত্মসম্মানে। তাই পারিবারিক চিঠির প্রায় সবগুলোতেই উপদেশমূলক অনেক কথা আছে। পড়তে বেশ লাগে। মনটা ভেঙে আবার নতুন করে মনটাকে গড়ে তুলতে ইচ্ছে করেছে কিছু চিঠি পড়ে। যেহেতু ব্যক্তিগত পত্রই বেশি। তাই আহমদ ছফার একান্ত আপনার কথাও উঠে এসেছে। আহমদ ছফার নারীভাগ্য সুপ্রসন্ন। তা নিয়ে নিশ্চয় পাঠক দ্বিমত করবেন না। বিশেষ করে, যারা তাঁর আত্মজৈবনিক "অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী " উপন্যাসটি পড়েছেন। চিঠিগুলোতে প্রায়শই একজন নারীর কথা এসেছে। ভদ্রমহিলার নাম ইন্দিরা রায়। ভারতের নাগরিক। জর্মনদেশের হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। ওনাকে নিয়ে নূরুল আনোয়ারের কাছে চিঠিতে ছফার স্বীকারোক্তি এবং আশঙ্কা - " আশা করি ইন্দিরার সঙ্গে আমার একটা স্থায়ী সম্পর্ক হবে। এই বিষয়টা কে কিভাবে নেবে জানিনে। " (পৃষ্ঠা ৫১) ছফা সাহেব এবং ইন্দিরা দেবীর সম্পর্কটা ঠিক কতটা এগিয়েছিল কিংবা পেছানোর একটা আভাস চিঠিপত্রে আছে। তবে নূরুল আনোয়ারের "ছফমৃত" পড়তে গিয়ে তার বিশদ একটা ধারণা পেয়েছিলাম। আহমদ ছফা শুধু নিজের পরিবারের কথাই ভাবতেন না। নিজের এলাকার উন্নয়নের জন্য বিদেশি সাহায্য সংস্থাগুলোর কাছে গিয়েছেন। ব্যক্তিগত পত্রের প্রায় পুরোটা জুড়েই ভ্রাতুষ্পুত্র নূরুল আনোয়ারকে প্রতিষ্ঠিত করার আহমদ ছফার সংগ্রামের কথা। দাপ্তরিক কিংবা অন্যান্যজনের সাথে সাথে পত্রালাপের ৭১ টি চিঠিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সন্দেশ প্রকাশনীর মালিক লুৎফর রহমান আহমদ ছফার বইয়ের রয়্যালিটি নিয়ে, রচনাবলী প্রকাশের নামে যে ধান্ধামি করেছিলেন তার কড়া জবাব দিয়েছিলেন ছফা। এমনকি সন্দেশ থেকে তাঁর প্রকাশিত বইগুলো কিনে অন্য প্রকাশনী থেকে তা বের করার উদ্যোগের কথাও জানা জানা দাপ্তরিক পত্র ৪ থেকে। তিনি "ওঙ্কার" উপন্যাসের নাট্যরূপ বিটিভিতে প্রচার করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু- " আমি ইসলাম সাহেবের কাছে আমার "ওঙ্কার" উপন্যাসের টেলিভিশন ড্রামাটিও পাঠাচ্ছি, সেটা ঢাকা টিভিতে প্রচার করতে দেয়নি। " (পৃষ্ঠা ১৯৭) অনেক প্রতিষ্ঠিত "গুণীজন" দেরও ছেড়ে কথা কন নি ঠোটকাঁটা ছফা। কবি দাউদ হায়দার সম্পর্কে এক চিঠিতে লিখেন, " ছেলেটা শতকরা ৯০ টা মিথ্যা কথা বলে। অসম্ভব চালাক। অপরের কাছে নিজের দেশ এবং ধর্মের নামে নিন্দে করে সহানুভূতি আদায় করে বেঁচে থাকে। " (পৃষ্ঠা ২১৫) তসলিমা নাসরিনকে ছফার অপছন্দ সর্বজনবিদিত। তিনি তসলিমাকে নিয়ে পত্রালাপে জানান, " এই মহিলা বাংলাদেশি সমাজের উপর একটা আরোপিত বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। " ( পৃষ্ঠা ২২৭) সলিমুল্লাহ খান নিজেকে ছফার শিষ্য দাবি করেন। সে এখতিয়ার তাঁর আছে। সলিমুল্লাহ চিঠিতে খুব মার্কস কপচাতেন। তাই ছফা তাঁকে সাবধান করে দেন - " সুতরাং আমাদের ব্যক্তিগত পত্রালাপে কার্ল মার্কসের প্রসঙ্গ উহ্য রাখলে আমার

PROSSONO
PROSSONO ভেরিফাইড
17 Aug 2017

#রকমারী_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা #রিভিউ_৬ ( আগস্ট রিভিউ - ১৫) আসুন পাঠক আপনাদের দুইটা চিঠির কিছু অংশবিশেষের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই, "আজ তোমার ঠিকানায় ৭০০ টাকা পাঠালাম। টাকাটা পরিবারের সবার মধ্যে কিছু কিছু করে ভাগ করে দিবে। তোমরা ভাব আমি খুব ধনী মানুষ কিন্তু কথাটা সত্য না। আমি তোমাদের ভালো চাই বলেই টাকা দেই। " " আজ কিছু বই পাঠালাম। আশা করি প্রতিটি বই পড়বে। ভাবতে চেষ্টা কর মানুষ কত সুন্দর হয়। তারা কত অসাধ্য সাধন করে। তুমিও সে রকম মানুষ। তোমার মধ্যেও বড় হওয়ার শক্তি আছে। ভাল বই সেই বড় মানুষটাকেই জাগিয়ে দিয়ে যায়।" পাঠক, চিঠিগুলোর অংশবিশেষ পাঠ করে কি মনে হল? কার লেখা হতে পাড়ে? নিশ্চয়ই ভাবছেন পরিবার সচেতন একজন জ্ঞানী মানুষ পরিবারের ভার বহন করতে চিন্তিত আবার কাউকে বই পড়তে জ্ঞান দান করছেন। জী তিনি জ্ঞানী মানুষ তো বটেই তবে যদি পরিবার সচেতন বলি তাইলে অনেকেই চমকে যাবেন। কারণ মানুষটি আর কেউ নন তিনি এক এবং অদ্বিতীয় আহমদ ছফা। যারা তাকে চিনেন, মিশেছেন তারা তো বটেই আমরা যারা তার লিখা ছাড়া ব্যক্তিজীবনের কিছুই জানি না তারাও চমকে যাবেন যদি বলা হয় তিনি বাইরে বোহেমিয়ান জীবন যাপন করলেও ভিতরে ছিলেন একজন পরিবার অন্তপ্রাণ মানুষ। আমারো ধারণা ছিল এমন কিন্তু ' আহমদ ছফার চিঠি' বইটি পাঠ করে আমার সেই একচেটিয়া ধারণা নিমিষে কর্পূরের মত উড়ে গেছে। ছফার বড়ভাই অসময়ে মারা যাওয়াতে তার পুরো পরিবারের দায়ভার এসে চাপে তার কাঁধে। তখন তিনি ঢাকায় আর তার পরিবার চট্টগ্রামে। জীবিকার তাগিদে তাকে ঢাকায় থাকতে হয়েছিল। কিন্তু তিনি নিয়মিত পরিবারের সদস্যের কাছে চিঠি দিয়ে তাদের বাবা হয়ে শাসন করেছেন, গুরু হয়ে শিক্ষা দিয়েছেন, আবার বন্ধু হয়ে ভালোবাসা আর সুখ- দুক্ষের কথা শুনিয়েছেন। এক একটা চিঠি পাঠ করেছি আর ভেবেছি একটা মানুষ কতটা নিস্বার্থ হলে এমন করে পরিবারের সব সদস্যের প্রতি সমান মনোযোগ দিতে পাড়েন। পরিবারের সবার খরচ জোগানোর জন্য তিনি পরিশ্রম করে আয় করা টাকার সবটাই পরিবারের পিছে খরচ করতেন। শুধু পরিবার না তার গ্রামের কিভাবে উন্নতি হয়, কোন ছেলে- মেয়ে টাকার অভাবে পড়তে পারছে না, কার চাকরি দরকার সেদিকেও তিনি চিঠি লিখে লিখে দিকনির্দেশনা দিতেন। প্রয়োজনে টাকা দিয়েও সাহায্য করতেন। ছফা বেশিরভাগ চিঠি লিখেছেন তার বড়ভাইয়ের সেজো ছেলে নূরুল আনোয়ারের ( বর্তমানে গবেষক) কাছে কারণ তিনি এই ভাতিজাকে একটু বেশী ভালোবাসতেন। তার সব চিঠিতেই তিনি ভাতিজাকে পড়াশোনার, চরিত্র গঠনের, নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য সর্বদা পরামর্শ দিতেন। সেইসব চিঠিগুলো পারিবারিকতার গন্ডি পেরিয়ে সব মানুষের জন্যেই সমান দরকারি কারণ সেইসব চিঠিতে এমন অনেক কথা রয়েছে যা একজন মানুষের বড় হওয়ার পথে প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। ছফার প্রিয় কাজ ছিল প্রতিদিন চিঠি লেখা। তিনি প্রতিদিন নিয়ম করে চিঠি লিখতেন। সবার চিঠির জবাব দিতেন আবার কেউ যদি তার চিঠির জবাব না দিত তাইলে তিনি ভীষণ রাগ করতেন। এই বইটিতে দুইটি ভাগ। এক পারিবারিক আর দুই বন্ধু- ভক্ত আর অফিসিয়াল কাজের চিঠি। পারিবারিক চিঠি আছে ১৭৫ টা আর আরেকভাগে ৭১ টা। বলাইবাহুল্য বেশীরভাগ চিঠিই পরিবারের বা বন্ধু- বান্ধবদের কেউ সংরক্ষণ করেন নি। তবে তিনি হয়ত আগেই বুঝতে পেরেছিলেন তাঁর এই চিঠিগুলো একদিন মূল্যবান সম্পদ হবে। তাই পরিবারের যাদের কাছেই চিঠি লিখতেন তাদের বলতেন, " আমার চিঠিগুলো হারাবে না। রেখে দেবে। আমার মৃত্যুর পরও কোন কাজে লাগতে পারে।" এরমধ্যে পারিবারিক চিঠি বাদে কিছু চিঠি আছে ইংরেজিতে লিখা। ইংরেজি চিঠিগুলো বেশ বড় হলেও ভয় পাওয়ার মোটেও কারণ নেই কারণ তার প্রাঞ্জল গদ্যের সাথে যাদের পরিচয় তারা ইংরেজি চিঠিগুলো পড়তে গেলেই দেখবেন এগুলো অনেক সহজ বাক্যে লিখা। প্রখ্যাত লেখক নরেন্দ্রনাথ মিত্র তাঁর ' আত্মকথা ' বইয়ে বলেছিলেন, "কোন ব্যক্তিকে যদি জানতে চাও তাহলে তার লেখা গল্প, উপন্যাস, কবিতা কিংবা আত্মজীবনী নয় বরং তিনি যদি চিঠি লিখে যান সেই চিঠি পাঠ করতে কারণ চিঠিতেই নাকি ব্যক্তি তার আবেগের ধারা, নিজস্ব চিন্তার ভাবাবেগকে সঠিক মাত্রায় তুলে ধরেন"। ছফার লেখা চিঠিগুলো পাঠ করে আমার সেই উপলব্ধি হয়েছে যাকে বোহেমিয়ান হিসেবে ভেবে এসেছি, ভেবেছি এত প্রতিভা থাকার পড়েও তিনি মেধার সঠিক পরিচর্যা করেননি এখন উপলব্ধি করছি পরিবারের চিন্তা, সামাজিক দায়বদ্ধতা, মানুষের উপকার করার জন্যই যোগ্যতা থাকার পড়েও তাঁর পিছিয়ে পড়া। তাই তো তিনি এক চিঠিতে আক্ষেপ করে লিখেছিলেন, " সকলে একটা নালিশ করে, আমার প্রতিভা ছিল, কিন্তু সে অনুসারে বিশেষ কিছু করতে পারিনি। কথাটার মধ্যে সত্যতা আছে। পারিবারিক দুশ্চিন্তা এবং পিছুটানের কারণে পুরো মন সংযোগ করতে পারিনি। মানুষ তো মন দিয়েই সবকিছু করে। সে মন নষ্ট হয়ে গেলে কোনকিছু করাই সম্ভব হয় না। মাঝেমাঝে মনে হয় আমি ব্যর্থ মানুষ।" পরিশেষে বলব, আহমদ ছফার লিখা উপন্যাস, প্রবন্ধ পাঠ করেই যারা পরিতৃপ্ত তারা না হয় আরেকটু কষ্ট করে ছফার চিঠি পাঠ করে তার যন্ত্রণাক্লিষ্ট মনটাকে জানার চেষ্টা করুন, তাঁর মহানুভবতাকে অনুভব করুন আর সর্বোপরি চিন্তা করুন সংসারে না থেকেও কিভাবে সংসারের সকলের চিন্তায় মনোনিবেশ করা যায়। ছফার চিঠি পাঠ শুধু ব্যক্তি ছফাকে জানার প্রচেষ্টাই নয় সাথে একজন মানুষের চলার পথের প্রেরণার আর বড় মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখার আদর্শ দলিলও বটে। শেষ করছি তাঁর লেখা একটা চিঠির অংশবিশেষ দিয়ে, " মনে রাখবে, আমরা প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজের মধ্যদিয়ে সুন্দর আগামীকাল তৈরি করি। " #বইয়ের_নাম : আহমদ ছফার চিঠি সম্পাদনা : নূরুল আনোয়ার প্রকাশক : খান ব্রাদার্স এন্ড কোম্পানি

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)