টু কিল আ মকিংবার্ড
বই কালেকশন

Buy টু কিল আ মকিংবার্ড Online in Bangladesh

লেখক: Harper Lee

4.00
(2 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: হারপার লি
  • Publisher: অবসর প্রকাশনা সংস্থা
  • Isbn: 9789848801208
  • Number Of Pages: 344
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2023
৳ 529৳ 60012% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

‘টু কিল আ মকিংবার্ড’ হচ্ছে আমেরিকার দক্ষিণের সংস্কৃতি ও সমাজের গল্প। একটি শিশুর বেড়ে ওঠার গল্প। খেলা আর আনন্দে মাখানো রঙিন শৈশব এবং রক্তাক্ত ইতিহাসের গল্প। তবে এ সবকিছু ছাপিয়ে, ‘টু কিল আ মকিংবার্ড’ হচ্ছে ন্যায়ের গল্প। বিচারের গল্প, আর অবিচারের। ধ্রুপদী এই উপন্যাস পাঠককে নিয়ে যায় এক নির্দিষ্ট সময়ে, ইতিহাসের এক নির্দিষ্ট অধ্যায়ে। মন্দার যুগে কেমন ছিল আমেরিকা? তখন কীভাবে কেটেছে সর্বস্তরের মানুষের জীবন? বর্ণবাদ কেন ছড়িয়ে পড়েছিল দাবানলের মতো, আর কারা চুকিয়েছে সেই কুসংস্কারের মাশুল? এই প্রশ্নগুলোর উত্তরের সন্ধানে উপন্যাসটি নিজেকে ছাড়িয়ে যায়, পাঠককে এমন সব বিষয়ে ভাবতে বাধ্য করে, যে বিষয়গুলো আজও ততটাই প্রাসঙ্গিক, যেমনটা ছিল এক শতাব্দী আগে।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.00
(2 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
0%
4
100%
3
0%
2
0%
1
0%
Sajib Islam
Sajib Islam ভেরিফাইড
29 Nov 2025

মোটামুটি লাগছে, আর একটু ভালো আশা করছিলাম।

Rehnuma Rubayat Prapty
Rehnuma Rubayat Prapty ভেরিফাইড
24 Dec 2023

#আড্ডাখানায়_রকমারি #রিভিউ_২০২৩ ❛𝐈 𝐝𝐞𝐭𝐞𝐬𝐭 𝐫 𝐚 𝐜 𝐢 𝐚 𝐥 𝐢 𝐬 𝐦 𝐛𝐞𝐜𝐚𝐮𝐬𝐞 𝐈 𝐫𝐞𝐠𝐚𝐫𝐝 𝐢𝐭 𝐚𝐬 𝐚 𝐛𝐚𝐫𝐛𝐚𝐫𝐢𝐜 𝐭𝐡𝐢𝐧𝐠, 𝐰𝐡𝐞𝐭𝐡𝐞𝐫 𝐢𝐭 𝐜𝐨𝐦𝐞𝐬 𝐟𝐫𝐨𝐦 𝐚 𝐛𝐥𝐚𝐜𝐤 𝐦𝐚𝐧 𝐨𝐫 𝐚 𝐰𝐡𝐢𝐭𝐞 𝐦𝐚𝐧.❜ -- ℕ𝕖𝕝𝕤𝕠𝕟 𝕄𝕒𝕟𝕕𝕖𝕝𝕒 হিন্দু শাস্ত্রে মনুসংহিতা মানব-সমাজকে চারটি বর্ণে শ্রেণীবদ্ধ করে— ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র। যেসব সম্প্রদায় চারটি বর্ণের অন্তর্গত তাদেরকে সবর্ণ হিন্দু বলা হত। দলিত ও আদিবাসী যারা কোনো বর্ণের অন্তর্গত নয় বলে তাদের বলা হত অবর্ণ হিন্দু। তবে এই উঁচু-নিচু জাতপাত ছাড়াও বর্ণ বলতে আমরা বুঝি রঙ। আরো নির্দিষ্ট করে বললে চামড়ার রঙ। ধর্মীয় বর্ণবাদের থেকেও কঠিন এবং নিষ্ঠুর এক প্রথা সাদা এবং কালো চামড়া নিয়ে ভেদ। যে রীতি অতি প্রাচীনকাল থেকে চলে এসেছে। এমনকি আজকের এই যুগেও গৌরাঙ্গের নাক উঁচু স্বভাব আর কৃষ্ণাঙ্গদের ঘৃণার চোখে দেখা হয়ে থাকে। আমেরিকা বা পাশ্চাত্য সংস্কৃতিতেই শুধু নয়। এমনকি এশিয়া মহাদেশেও ফর্সা আর কালো নিয়ে আছে বহু কাহিনি। আমেরিকার অ্যালাবামার এক ছোট্ট গ্রাম মেয়োকম্ব। বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশক চলছে। ছোট্ট এই গ্রামের মানুষ একে অপরকে হাতের তালুর মতোই চিনে। সেখানেই বাস অ্যাটিকাস ফিঞ্চ নামক উকিলের পরিবারের। স্ত্রী হারা প্রায় পঞ্চাশ বছরের এই উকিলের দুই সন্তান আর বাড়ির পরিচারিকা নিয়ে তাদের দৈনন্দিন জীবন কাটে। ছেলে জেম ফিঞ্চ এবং মেয়ে স্কাউট ফিঞ্চ। ছোট্ট দুইজন শিশু তাদের শৈশবের দিনগুলোতে স্কুলে যাওয়া, খেলাধুলা, কৌতূহল মেটানো আর দুরন্ত দস্যিপনা করে কাটাচ্ছে। বাবা অ্যাটিকাস একজন আদর্শ পিতা, যিনি নিজের সেরাটা দিয়ে সন্তানদের মানুষ করার চেষ্টা করছেন। কখনো বন্ধুর মতো, কখনো কিছুটা কঠোর হয়ে আশপাশের আর দশটা বাচ্চা থেকে বলা যায় ভিন্নভাবে বড়ো হচ্ছে ফিঞ্চের দুই সন্তান। গরমের ছুটিতে প্রিয় বন্ধু ডিলের সাথে কাটে তাদের সময়। অদম্য কৌতূহল আর ভয় নিয়ে তারা কোনোদিন বাড়ির বাইরে পা না রাখা বু র‍্যাডলির বাসার আশপাশে ঘুরঘুর করে। আমেরিকার সে সময়কার যাপিত জীবনের মতোই কেটে যায় তাদের সময়। তবে হঠাৎ একদিন স্কাউট বুঝে কিছু একটা ঠিক নেই। সবাই কেন তার বাবাকে ঘিরে নানা কথা বা কুকথা বলছে? অ্যাটিকাস হাতে নিয়েছে এমন একজন মানুষের কেস যা তাকে কাঠগড়ায় দাড় করিয়েছে ছোট্ট সেই গ্রামের সকল গৌরাঙ্গদের সামনে। কী সেই কেস? এক কা উ লা র (বইয়ের ভাষায়!) হয়ে কেস লড়বেন তিনি। সে সময় বর্ণবাদের বি ষা ক্ত এক হাওয়া ছড়িয়ে পড়েছিল দেশজুড়ে। কালো মানেই উচ্ছিষ্ট, ঘৃ ণ্য, নিচু আর খারাপ। তাদের নরকের কিট থেকেও খারাপ চোখে দেখা হতো। সে অবস্থায় এখন সাদা চামড়ার সাহেব সেই নিকৃষ্ট জাতের হয়ে কেস লড়বেন এটা যেন কেউ মেনে নিতে পারছে না। স্কুলের সহপাঠীদের থেকে অপমানিত হচ্ছে জেম আর স্কাউট। প্রতিবাদ করছে বাবার হয়ে। কিন্তু ঘটনা কী বুঝতে পারছে না। বাবা যখন তাদের বুঝিয়ে বলে পুরো ব্যাপার তখন তারা বুঝতে পারে তার বাবা কোনো অন্যায় করেনি। বর্ণবাদী মানুষগুলোই ব্যাপারটাকে অন্য দৃষ্টিতে দেখছে। কী হয়েছিল দোষে যুক্ত কৃষ্ণাঙ্গ ছেলে টমের সাথে? ২১ শে নভেম্বর সন্ধ্যার ঘটনার সত্যতা কী? আর ঘটনা যাই হোক একজন কালো মানুষ কি ছাড় পাবে সাদা চামড়ার বিচারে? বু র‍্যাডলিকে দেখার যে স্বপ্ন, ইচ্ছা নিয়ে ক্ষুদে জেম, স্কাউট আর ডিল ফন্দি ফিকির করতো সে ইচ্ছা আদৌ পূরণীয়? পাঠ প্রতিক্রিয়া: বইটা নিয়ে বেশ শোরগোল শুনেছি। ১৯৬০ সালে প্রকাশিত বইটি নাকি প্রকাশের পর তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। প্রায় ৪০টিরও বেশি ভাষায় অনুবাদ হওয়া বইটি নাকি কখনোই প্রিন্ট আউট থাকেনি! লেখিকা নাকি গল্পের কিছু অংশ লিখে নিজের পছন্দমতো না হওয়ায় বাইরে ছুড়ে ফেলেছিলেন লেখাটি। এরপর প্রকাশক (সঠিক খেয়াল নেই কী পড়েছি) নাকি লেখা অধ্যায়টি পড়ে লেখিকাকে জানান তিনি যথেষ্ঠ ভালো লিখেছেন। পরবর্তীতে তিনি লেখাটি শেষ করেন এবং সাহিত্য পায় ❝টু কি ল আ মকিং বার্ড❞ নামক এক ধ্রুপদী উপন্যাস। কী লিখেছেন এমন যার জন্য বইটি এত সমাদৃত? কিছু তো ব্যাপার অবশ্যই আছে যা উপন্যাসটিকে এত জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। ওয়েল, আমিও স্বীকার করছি এত তেলানোর মতোই একটি উপন্যাস এটি। শুরুতে কিছুটা একঘেঁয়ে বর্ণনা লাগলেও ধীরে ধীরে উপন্যাসের ভেতর কী করে সেধিয়ে গেলাম টের পাইনি। ত্রিশের দশকের দিকে আমেরিকার মন্দা এবং ছড়িয়ে পড়া বর্ণবাদ নিয়ে লেখা অনবদ্য এক উপন্যাস ❝টু কি ল আ মকিং বার্ড❞। পুরো লেখাটি বর্ণনা হয়েছে জিম ফিঞ্চ স্কাউটের জবানিতে। যে কিনা সাত আট বছরের এক ছোট্ট মেয়ে। ভাইয়ের সাথে কাটানো সময়, ছোট্ট সেই দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা চারপাশের ঘটনা আর বাবার দেয়া শিক্ষায় নিজেদের শিক্ষিত করার ঘটনাগুলো লেখিকা দারুণভাবে বলেছেন। মা হারা দুটো বাচ্চা আদর্শ এবং ব্যক্তিত্বে ভরপুর পিতার কাছে যেভাবে মানুষ হচ্ছে তা হয়তো আশেপাশের অনেকের কাছে পছন্দ নাও হতে পারে, যেমনটা পছন্দ হয়নি স্কাউটের ফুপুর। তবুও তারা অন্যরকম। তাদের বিচারবুদ্ধি, চিন্তা উন্নত। বর্ণবাদের সে উত্তাল রাজনীতির সময় গ্রামে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে এই ছোট্ট শিশুগুলোর যে মত, চিন্তা সেটা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকেও হার মানাতে পারে। পুরোটা সময় লেখিকা মেয়োকম্ব গ্রামে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে সূক্ষ্মভাবে সাজিয়েছেন, যা পড়তে মুগ্ধ হয়েছি। উপন্যাসের নাম কেন এমন রাখলেন সেটা বুঝতে অনেকটা সময় লেগে গেছিলো। তবে এর ব্যাখ্যাটা অবশ্যই সন্তোষজনক। ৩৪৪ পৃষ্ঠার উপন্যাসে সময় যতো গড়িয়েছে ততো আপনার মনে আকাঙ্ক্ষা বাড়বে এমনটা হোক, অমনটা হোক, একে আচ্ছামতো ধোলাই দিক। অথবা এইটুক না হোক। উপন্যাসের মূল চরিত্র স্কাউট, জেম না অ্যাটিকাস সে নিয়ে তর্ক করে মগজের কারফিউ ভাঙা যেতে পারে। তবে আমার মতে অ্যাটিকাস ছিল পুরো উপন্যাসের আলো। চোখ ঝলসে যাওয়া আলো না। কোমল মিষ্টি আলো। লেখিকা কোন জাদু দিয়ে এই চরিত্র গড়েছেন জানি না। বরফের মতো ঠান্ডা, পাহাড়ের মতো অটল, আর তুষারের মতো কোমল চরিত্রের উকিল যে নিজের কাজে শতভাগ পারদর্শী। পিতা হিসেবে যে সন্তানদের উপযুক্ত শিক্ষা এবং ন্যায় অন্যায় বোধকে চেনার সুযোগ করে দিচ্ছেন। ছোট্ট সন্তানের প্রশ্নগুলোকে যে হাসিমুখে উত্তর দিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছেন, প্রশ্ন যতোই অদ্ভুত কিংবা কঠিন হোক না কেন। অ্যাটিকাসকে বলা যায় আমি ভালোবেসে ফেলেছি। বিশেষ করে আদালতে তার যে দৃশ্যায়ন ছিল, কেস লড়ার ভঙ্গি এই বর্ণনাগুলো আমি দেখছিলাম মনে হচ্ছিলো। আদালতের তার দৃশ্যগুলো অসাধারণ ছিল। অ্যাটিকাসের মধ্যে যে ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ, সত্যকে কাছে আনার এবং কঠিন চোখকে হেসে মোকাবিলা করার বৈশিষ্ট্য সেটা বারবার তার প্রতি শ্রদ্ধা বাড়িয়ে দিবে। চেয়েছিলাম রিভিউ ছোটো করবো, কিন্তু শুধু অ্যাটিকাসকে নিয়ে বললেই মনে হয় হাজার শব্দ পেরিয়ে যাবে! ভালো লাগার চরিত্রের পাশাপাশি ছিল মেজাজ বিগড়ে দেয়া কিছু চরিত্র তাদের উপস্থিতি যেন উপন্যাসের সবথেকে বিরক্তিকর দিক! শিশু চরিত্রগুলোকে ভালো লেগেছে। তাদের সময়ের ক্রমে চরিত্রের পরিবর্তন, বিশ্বাসের পরিবর্তন সাথে তাদের নিষ্পাপ মনের অভিব্যক্তিগুলো খুবই সুন্দর ছিল। উপন্যাসের মধ্যে এসে খুব আবেগ কাজ করেছে। টমের জবানিতে যখন বলেছিলেন, ❛ঐ জায়গায় আপনি একজন নিগ্রো হলে বুঝতেন কেন দৌড়ে পালিয়েছিলাম❜-পড়ে খুব খারাপ লাগছিলো। যে দেশ গনতন্ত্রে বিশ্বাসী, সমান অধিকারে বিশ্বাসী সে দেশে গায়ের রঙ নিয়ে কী নিষ্ঠুর ঘটনা ঘটে সেটা ভাবতেই অবাক লাগে! সমাপ্তিটা ভালো লেগেছে। শেষের দিকে মনে হলো দারুণ একটা সমাপ্তি দিয়েছেন। কিন্তু স্কাউটের চাচাকে উপন্যাসে আরও কিছু সময় দিলে বরং ভালোই লাগতো। সবমিলিয়ে দারুণ একটা উপন্যাস। প্রতি বাক্যে আছে শিক্ষা, উপলব্ধি করার মতো অনেক খোরাক। অ্যাটিকাস সুন্দর একটা উক্তি দিয়েছিলেন, ❛𝗬𝗼𝘂 𝗻𝗲𝘃𝗲𝗿 𝗿𝗲𝗮𝗹𝗹𝘆 𝗸𝗻𝗼𝘄 𝗮 𝗺𝗮𝗻 𝘂𝗻𝘁𝗶𝗹 𝘆𝗼𝘂 𝘀𝘁𝗮𝗻𝗱 𝗶𝗻 𝗵𝗶𝘀 𝘀𝗵𝗼𝗲𝘀 𝗮𝗻𝗱 𝘄𝗮𝗹𝗸 𝗮𝗿𝗼𝘂𝗻𝗱 𝗶𝗻 𝘁𝗵𝗲𝗺.❜ (পড়ে পরিচিত লাগছে না? বর্তমানের ইচড়ে পাকা এক সেলিব্রেটি বলেছিল, আপনি আমার জুতো না পড়লে আমার দুঃখ বুঝবেন না। সে মনে হয় মকিংবার্ড পড়ে এই কথা বলছিল! চোখ টিপ ইমোজি!) অনুবাদ: মনেই হয়নি অনুবাদ পড়েছি। সাবলীল ছিল।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)