তরলাবালা
বই কালেকশন

Buy তরলাবালা Online in Bangladesh

লেখক: হাসান আজিজুল হক

5.00
(1 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: হাসান আজিজুল হক
  • Publisher: ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ
  • Isbn: 9789849049104
  • Number Of Pages: 80
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st published 2022
৳ 128৳ 16020% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

বাংলা সাহিত্যের শক্তিমান কথাসাহিত্যিক, ছোটগল্পের রাজপুত্র হাসান আজিজুল হকের সর্বশেষ উপন্যাস তরলাবালা। গত শতাব্দীর ষাটের দশক থেকেই মূলত ছোটগল্পকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন হাসান আজিজুল হক। তবে ১৯৫৭ সালে, মাত্র আঠারো বছর বয়সেই লিখে ফেলেন প্রথম উপন্যাস শামুক। যদিও গ্রন্থাকারে প্রকাশ হয় ২০১৫ সালে। এর আগে ২০০৬ সালে তাঁর প্রশংসিত-আলোচিত-পুরস্কৃত উপন্যাস আগুনপাখি প্রকাশ হয়। দুই বাংলায় ব্যাপক সাড়া ফেলে উপন্যাসটি। ২০১৩ সালে প্রকাশ পায় তাঁর আরেকটি আলোচিত উপন্যাস সাবিত্রী উপাখ্যান। পাশাপাশি বৃত্তায়ন, শিউলি ও বিধবাদের কথা নামে তিনটি উপন্যাসিকাও লিখেছেন তিনি।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

5.00
(1 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
100%
4
0%
3
0%
2
0%
1
0%
Rehnuma Rubayat Prapty
Rehnuma Rubayat Prapty ভেরিফাইড
21 May 2022

❝𝘗𝘳𝘰𝘱𝘦𝘳𝘵𝘪𝘦𝘴 𝘯𝘰𝘵 𝘤𝘰𝘯𝘯𝘦𝘤𝘵𝘦𝘥 𝘸𝘪𝘵𝘩 𝘢𝘯𝘺 ❛𝘦𝘯𝘦𝘮𝘺 𝘧𝘪𝘳𝘮❜ 𝘢𝘴 𝘥𝘦𝘧𝘪𝘯𝘦𝘥 𝘪𝘯 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘳𝘶𝘭𝘦, 𝘸𝘦𝘳𝘦 𝘵𝘰 𝘣𝘦 𝘷𝘦𝘴𝘵𝘦𝘥 𝘪𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘥𝘦𝘱𝘶𝘵𝘺 𝘤𝘶𝘴𝘵𝘰𝘥𝘪𝘢𝘯 𝘰𝘧 𝘌𝘯𝘦𝘮𝘺 𝘗𝘳𝘰𝘱𝘦𝘳𝘵𝘺 (𝘓𝘢𝘯𝘥𝘴 𝘢𝘯𝘥 𝘉𝘶𝘪𝘭𝘥𝘪𝘯𝘨𝘴) 𝘸𝘪𝘵𝘩 𝘦𝘧𝘧𝘦𝘤𝘵 𝘧𝘳𝘰𝘮 𝘵𝘩𝘦 𝘥𝘢𝘵𝘦 𝘰𝘧 𝘵𝘩𝘪𝘴 𝘰𝘳𝘥𝘦𝘳. 𝘕𝘰 𝘱𝘦𝘳𝘴𝘰𝘯 𝘤𝘰𝘶𝘭𝘥 𝘵𝘳𝘢𝘯𝘴𝘧𝘦𝘳 𝘢𝘯𝘺 𝘭𝘢𝘯𝘥, 𝘣𝘶𝘪𝘭𝘥𝘪𝘯𝘨 𝘰𝘳 𝘮𝘰𝘷𝘢𝘣𝘭𝘦 𝘱𝘳𝘰𝘱𝘦𝘳𝘵𝘺 𝘴𝘰 𝘷𝘦𝘴𝘵𝘦𝘥 𝘪𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘥𝘦𝘱𝘶𝘵𝘺 𝘤𝘶𝘴𝘵𝘰𝘥𝘪𝘢𝘯, 𝘣𝘺 𝘴𝘢𝘭𝘦, 𝘦𝘹𝘤𝘩𝘢𝘯𝘨𝘦, 𝘨𝘪𝘧𝘵, 𝘸𝘪𝘭𝘭, 𝘮𝘰𝘳𝘵𝘨𝘢𝘨𝘦, 𝘭𝘦𝘢𝘴𝘦, 𝘴𝘶𝘣-𝘭𝘦𝘢𝘴𝘦 𝘰𝘳 𝘢𝘯𝘺 𝘰𝘵𝘩𝘦𝘳 𝘮𝘢𝘯𝘯𝘦𝘳 𝘰𝘳 𝘵𝘳𝘢𝘯𝘴𝘧𝘦𝘳 𝘭𝘢𝘯𝘥, 𝘣𝘶𝘪𝘭𝘥𝘪𝘯𝘨 𝘰𝘳 𝘮𝘰𝘷𝘢𝘣𝘭𝘦 𝘱𝘳𝘰𝘱𝘦𝘳𝘵𝘺 𝘧𝘳𝘰𝘮 𝘵𝘩𝘪𝘴 𝘥𝘢𝘵𝘦.❞ ১৯৬৫ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর ❝Defense of Pakistan Rule❞ এর ❝Enemy Property❞ তে উপরের অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। আইয়ূব খানের শাসনামনলে হিন্দু জমি রেজিস্টার করা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে তখনকার হিন্দুরা তাদের জমি বিক্রির অধিকার হারিয়ে ফেলে। তরলাবালা, এক হিন্দু নারী। পনেরো বছর বয়সে বিয়ে হয় ষড়াননের সাথে। ষড়ানন ও তার পিসিকে নিয়েই তরলাবালার সংসার। গল্পটা তরলাবালার, ও তার যাপিত জীবনের। শশুড়বাড়ির শত বছরের ঐতিহ্যের, সম্পদের শেষ দিকে তাদের জীবন। বিঘে বিঘে জমিনের শেষ দিকে শুরু হয় তরলাবালার জীবনের গল্প। সেখানে নেই বিলাসিতা। বিলাসিতা করার যেটুকু সম্পদ বাকি তাও সরকারের দেয়া হুকুমের ফলে বে-দখল হবার পর্যায়ে। গল্পটা ভেঙ্গে পড়া একটা দেশের। যেখানে ক্ষমতার আসনে আইয়ূব খান। হিন্দু সমাজ যেখানে ভেঙে পড়ছে। তবুও ভাটি অঞ্চলের কিছু মানুষ আছে একসাথে। তাদের ধারণা যত গন্ডগোল মিছিল তো হয় ঢাকায়। এখানে তাদের কিছু হবে না। কিন্তু ধারণা তো সবসময় বাস্তবের সাথে মিলে না। ভাটি অঞ্চলেও আন্দোলন এর রেশ আসে। ❜৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলন তরলাবালা-ষড়াননের ভাটি অঞ্চলেও উত্তাপ ছড়ায়। ষড়াননও সেই উত্তাপে গা ভাসায়। গ্রামের আওলাদ চাচার মাথায় গুলি লাগে। কদম আলি ও তমিজ চাচার দুই কবরের মাঝে ষড়ানন পার করে দেয় ভোর। একসময় পরপারে চলে যায় ষড়াননের পিসি। তাকে চিতায় পোড়ানোর সময় ষড়াননের ভেতর যে দুঃখের চিতা জ্বলতে থাকে তার শেষ নেই। এদিকে তরলাবালা এক সন্তান হারিয়ে পরপর দুই সন্তানের জননী হয়। সাথে তার মনের আক্ষেপ নিয়ে কাটায় দিন। পিসির সাথে কাটানো সময়, তার ছায়ায় থাকা জীবন যখন পিসির মৃত্যুতে শেষ হয়ে গেল, তখন শুরু হবার পালা তরলাবালার আরেক জীবন। এই জীবনে কী হবে তার? মনের আক্ষেপ, দুঃস্বপ্ন আর মন খারাপ করা দিনের শেষ হবে? পিসির কথার ঝুলি নিয়ে ষড়ানন কীভাবে থাকবে? পাঠ প্রতিক্রিয়া: প্রায় এক যুগ পূর্বে রচিত এক উপন্যাস ❝তরলাবালা❞। লেখক অর্ধেক লিখে রেখে দিয়েছিলেন। এর একটি অংশ প্রকাশ পায় ছোটকাগজ ❝নিরন্তর❞ এ। এরপর প্রকাশকের অনেক বলার পরে লেখক আবার শুরু করেন লেখা। লেখকের ইচ্ছা ছিল এর দ্বিতীয় পর্ব লিখবেন। কিন্তু পাঠক হিসেবে আমাদের দুর্ভাগ্য সেটা আর পেলাম না। এর আগেই আমাদের আগুনপাখি খ্যাত লেখক ❝হাসান আজিজুল হক❞ আমাদের ছেড়ে পারি জমান অদূরে। লেখকের সর্বশেষ উপন্যাস এটি। গল্পটা যুদ্ধের আগের। আইয়ূব খানের শাসন চলে। চলে সংখ্যালঘুদের উপর নানা হুকুম। সেই অস্থিরতার মাঝেই লেখক এক গ্রামীন নারীর যাপিত জীবনের কথা তুলে ধরেছেন। তুলে ধরেছেন তরলাবালার মনের কথা। তার আক্ষেপের কথা। সাথে পরাধীন একটি দেশের অস্থিরতার কথা বলেছেন। মাত্র ৭৮ পৃষ্ঠার ছোট্ট একটি উপন্যাসে লেখক সে সময়কার চিত্র এত দারুণ ভাবে তুলে ধরেছেন! উপন্যাসে চরিত্র খুব বেশি না। খুব বেশি সংখ্যক চরিত্রের সমাগম থাকলে মাঝে মাঝে যেমন খেই ফারিয়ে ফেলি তেমন খুব অল্প চরিত্রের আগমনে পড়তে একঘেয়ে লাগে। এক্ষেত্রে একদমই সেটা হয়নি। তরলাবালা, ষড়ানন আর পিসিকেই উপন্যাসে বিচরণ করতে দেখা যায়। আর তাদের উপস্থিতি যথাযথ ছিল। প্রত্যেকের চরিত্রই লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন দারুণভাবে। চিতায় ভস্ম হয়ে যেতে কখনো দেখিনি। তবে এখানে পিসির চিতায় ভস্ম হবার যে বর্ণনা লেখক দিয়েছেন তা গা শিউরে ওঠার মতো। প্রতিটা লাইন পড়েছি আর কল্পনা করতে যেয়েও নিজেকে আটকিয়েছি। গল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ধরন বেশ ভালো লেগেছে। সেই আমলের মানুষের অবস্থা, তাদের একত্রে থাকা, তাদের জীবনধারণ লেখক স্বল্প পরিসরে তুলে ধরলেও বর্ণনার ধরনে তা অনেক বেশি গভীর লেগেছে। আসলে এমন একজন লেখকের বই নিয়ে কিছু বলতে গেলেও চিন্তা হয়, ভয় হয়। তাই আর কিছু বলছি না। শুধু আক্ষেপ রয়ে যাবে এর পরবর্তী ভাগ লেখক লেখার সুযোগ পেলে কী লিখতেন? কীভাবে কাটত পিসিবিহীন ষড়াননের জীবন? তরলাবালার মনোজগতের আর কী কী-ই বা জানতে পারতাম? অস্থির থেকে শান্ত পরিস্থিতিতে আসা কী দেখতে পেত ষড়ানন? জানা হবে না আর। প্রচ্ছদ: সাধারণ প্রচ্ছদ। কিন্তু উপন্যাসের নারী চরিত্রের সাথে একদম মিলে যায়।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)