

Buy চিনি Online in Bangladesh
লেখক: সাইয়্যারা খান
- Author: সাইয়্যারা খান
- Publisher: গ্রন্থরাজ্য
- Number Of Pages: 336
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2025
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
অর্ধচন্দ্র'র দেখা মিললো আকাশে। মেঘের আড়ালে উঁকি দিচ্ছে সে। পুরান ঢাকার জমিদারি ভাবপূর্ণ বাড়ীটা ইট পাথরে তৈরি। বাড়ীর ছাদটা বিশাল প্রস্থে । সেই ছাদে কোণঠাসা হয়ে দাঁড়িয়ে সঙ্কীর্ণ গলিটার মোড়ে গরমগরম বাখরখানি তৈরি দেখছে রোদ। পেছন থেকে আদ্রিয়ান লহু স্বরে বললো,-- তুমি জানো চিনি কতটা অস্বাস্থ্যকর?রোদ দৃষ্টি ফিরালো। সম্মুখ বরাবর নজর পাত করে তীক্ষ্ণ প্রশ্ন ছুঁড়লো,-- চিনির কথা কেন উঠছে?-- কারণ আমাদের সম্পর্কে এখন তুমি চিনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, তামাক ও অ্যালকোহলের মতো চিনিও আসক্তি সৃষ্টি করে। আমার চরম আসক্তিতে পরিণত হয়েছো তুমি রোদ। চিনিকে যেমন হোয়াইট পয়জন বলা হয় ঠিক আমার জীবনের এমন এক বিষ তুমি যাকে আমি প্রতিনিয়ত সেবন করি। সেই বিষ আমার রক্তনালীতে দাপিয়ে বেড়ায় রোদ। আমি রোজ মৃত্যু স্বাদ ভোগ করি।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
অনেক সুন্দর একটা বই।

kisu pagr pore dekhlam na kinei but amar kache khub interest laglo boi ta in shaa Allah nibo taka holei kee jodi can boi ta niben ki na tahole bolbo nite paren amar kache valo laglo kisu page porei but amar kothay je nite hobe seta kintu na apnar valo nao lagte pare only amar motamot dilam
বই:চিনি লেখিকা:সাইয়্যারা খান প্রকাশকাল:৪ ফেব্রিয়ারি ২০২৫ পুরান ঢাকার ঐতিহ্য আর চট্টগ্রামের সংস্কৃতির মিশেলে সাজানো এই গল্প। যেখানে শুধু কাহিনি না, বরং ঐতিহ্যের ইতিহাসও উঠে এসেছে। "চিনি" নামটা যেন বইয়ের প্রতিটি অক্ষরে জীবন্ত। হাসি, কান্না, অভিযোগ, দুষ্ট-মিষ্টি ভালোবাসার খুনসুটিতে ভরা। নেই কোনো অশালীন শব্দ, না আছে বিরক্তিকর কিছু। গল্পের শুরুতেই একটা কৌতূহল জাগে— রোদের অতীতে কী ঘটেছিল? কেন তার মা তাকে এতো কষ্ট দিলো? আদ্রিয়ান কেন ভুলভাল গল্প বলে বিয়ে করলো? দিশা কেন বাসা থেকে পালিয়ে গেলো? সবকিছু যেন ধোঁয়াটে। আর ইশাকে নিয়ে একটা প্রশ্ন বারবার মাথায় আসে— আদ্রিয়ানের জীবনের প্রথম নারী যদি রোদ, তাহলে মিশান-মিশি তাকে বাবা বলে কেন? চরিত্র বিশ্লেষণ: রাদ 🖤 দিশা: গম্ভীর রাদকে ভালোবাসে তার কাজিন দিশা। একটু বোকাসোকা, সরল। রাদ ভাই যেন কিছুই প্রকাশ করতে চায় না।বুক ফাটে তো মুখ ফুটে না! শেষমেশ দিশা তার রাদ ভাইকে বিয়েই করল। আরিয়ান 🤍 সাবা: আদ্রিয়ানের বড় ভাই আর ভাবী। বড় ভাই, ছোট ভাইয়ের বান্ধবীকে বিয়ে করে। সাবা একজন আদর্শ স্ত্রী। আরিয়ান স্ত্রীর প্রতি অসম্ভব ভালোবাসায় ভরা। সাবার মিষ্টি আচরণ মন ছুঁয়ে যায়। ইয়াজ 💜 জারবা: দুই ভাইয়ের আদরের ছোট বোন জারবা। অনেক সরল, আর তাই ডাক্তার ইয়াজের প্রেমে পড়ে গেলেও বুঝতেই পারে না। ইয়াজও ওকে বোঝাতে চায়, কিন্তু সময় নেয়। কাজিন গ্রুপ: তাদের মতো একটা বন্ধুত্বপূর্ণ কাজিন গ্রুপ থাকলে আর কিছু লাগে না। দুঃখ-সুখের সঙ্গী, ঠিক ঢাল হয়ে পাশে দাঁড়ায়। সবার জীবনেই এমন একটা দল দরকার। রাতুল: সে ভালোবাসতো, কিন্তু তার ভালোবাসার উপায় ছিল ভুল। ভালোবাসা জিততে হলে ভেতরটা সাদা হতে হয়, সেটা রাতুল বোঝেনি। মিশান☺️ মিশি: রোদ আর আদ্রিয়ানের ছেলে-মেয়ে। মায়ের একেবারে আদরের। মা যা বলবে, ওরা তাই করবে। রোদকে চোখের আড়াল করলে ওদের চোখে পানি আসে। আদ্র: রোদ আর আদ্রিয়ানের ছোট্ট সোনা। ভাইয়ের জান। সবচেয়ে আদরের। রোদের মা: মেয়ের ওপর অমানবিক নির্যাতন করে। একটুও বিশ্বাস করে না।তার একটা রোগ আছে—মন ভুলানো।কিন্তু সে মেয়ের দোষ গুলো ছাড়া কিছুই মনে রাখে না। এবার আসি মূল চরিত্রে— রোদ ❤️ আদ্রিয়ান: এই দুইজনের প্রেমে বারবার মুগ্ধ হতে হয়। দূর থেকে ভালোবাসা, চোখের তৃষ্ণা মেটানো, নিঃশব্দে সাপোর্ট। ছোট ছোট ঝগড়ায় ভালোবাসার গভীরতা বোঝা যায়। রোদ হয়তো মানুষের চোখে কলঙ্কিত, কিন্তু আদ্রিয়ানের চোখে সে পবিত্র। আদ্রিয়ান স্ত্রীকে নিয়ে অসম্ভব কেয়ারফুল। সবটুকু বলে দিলে মজা থাকবে না। তাদের গল্পটা নিজে পড়লে সেই অনুভূতি আসবে। গল্পের কিছু লাইন যা মনে গেঁথে গেছে: “এই ব্যাটা আমাকে বিয়া করল ক্যান? আল্লাহ গো, আমি রাস্তাই অক্কা পাইলাম গো! আমি চট্টগ্রাম যামু না গো! ও আমার আল্লাহ রে এএএএ! এই চাটগাঁইয়া জামাই আমার কপালে ক্যান দিলা রে!” “চিড়া মুড়ি দই, আমাদের ভাবি কই?” এই কদম গন্ধে মাতোয়ারা ধরনি, শ্রাবণের জলে আমি। ভেজা পল্লব আজ খুলে রেখেছি চোখের, হাতছানি দিয়ে ডাকছি তোমায়। চোখেতে নামে বর্ষার বৃষ্টি, হাত বাড়িয়ে ডেকেছি আমি, দিয়েছো কখনো দৃষ্টি? পদ্ম বিলে জেগে ওঠা পদ্ম তুমি তারাহীনা আকাশে জ্বলজ্বল করা চাঁদ তুমি রুদ্ধ আবদ্ধ ক্ষণে এক টুকরো প্রশান্তি তুমি আমার মন অন্দরের এক অতৃপ্ত বন্দনা তুমি শরতের সকালে দুষ্টু মিষ্টি রোদ তুমি। "ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন"।
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
পৃষ্ঠা সংখ্যা কত?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৩৬ । ধন্যবাদ।
পৃষ্ঠা সংখ্যা কত?
প্রিয় গ্রাহক, বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৩৬ । ধন্যবাদ।






















