

Buy সিদ্ধার্থ (পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের বই) Online in Bangladesh
লেখক: হেরমান হেসে
- Author: হেরমান হেসে
- Publisher: বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
- Isbn: 984180064x
- Number Of Pages: 111
- Language: বাংলা
- Edition: 5th Edition, 2017
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
"সিদ্ধার্থ" বইয়ের ভেতর থেকে:সিদ্ধার্থ জ্ঞানপিপাসায় সংসার ত্যাগ করলেন, বুদ্ধের সাথে দেখা করলেন। কিন্তু তাঁর বন্ধু গােবিন্দ গৌতমবুদ্ধের শিষ্যত্ব গ্রহণ করলেও তিনি করলেন না। কারণ তিনি তথাকথিত জ্ঞান অর্জন, উপদেশ ও ধর্মের বাঁধনে বাঁধা পড়েননি বরং প্রকৃতি থেকে নিজে নিজে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন; যেমন বাসুদেব নিয়েছেন নদী থেকে, প্রকৃতি থেকে। নৌকার মাঝি হয়ে বহু লােককে নদী পারাপার করেছেন। তাঁর দীক্ষাই শেষপর্যন্ত গ্রহণ করলেন হেরমান হেসের সিদ্ধার্থ গ্রন্থের নায়ক সিদ্ধার্থ।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

অনেক ভালো একটা বই

বইয়ের নাম: সিদ্ধার্থ লেখকের নাম: হেরমেন হেস জেনার: দার্শনিক উপন্যাস অনুবাদক: জাফর আলম প্রকাশকাল: ১৯২২ হেরমেন হেস এর লেখা 'সিদ্ধার্থ' বইটি সিদ্ধার্থ নামের এক ছেলের আত্মোপলব্ধি, জীবনের অর্থ আর উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার জন্য এক আজীবন সফর এর বর্ণনা। প্রথন জীবনে গৌতম বুদ্ধের নাম ছিলো সিদ্ধার্থ, কিন্তু বইটিতে বুদ্ধের কথা বলা হয়নি। বলা হয়েছে এক সচ্ছল হিন্দু ব্রাক্ষ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করা সাধারণ একটি ছেলের কথা। শিশুকাল থেকেই সিদ্ধার্থ ছিলো যথেষ্ট মেধাবী আর চিন্তাশীল। যৌবনে তার চালচলন, কথা বলার ভঙ্গি, গুরুজনে সন্মান দেখে তর বাবা- মা এর বুক গর্বে ভরে উঠতো। সিদ্ধার্থ বনে গিয়ে ধ্যান করতো প্রহরের পর প্রহর, তার সঙ্গী হতো প্রিয় বন্ধু গোবিন্দ। একসময় ব্রাক্ষ্মণ পণ্ডিত আর গুরু দের উপদেশ আর জ্ঞান তার মনকে আর সন্তুষ্ট করতে পারে না। সে সন্ন্যাস গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়ে বেরিয়ে আসে বাড়ি থেকে, সথে সঙ্গী হয় বন্ধু গোবিন্দ। তারা বৃদ্ধ সন্ন্যাসী গুরুর উপদেশ আর শিক্ষাকে আঁকড়ে ধরে। কয়েক বছরে তারা ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণে দক্ষ হয়ে ওঠে। কিন্তু সিদ্ধার্থ যেন কিছুতেই সন্তুষ্টি খুঁজে পায় না। পরম জ্ঞানের তৃষ্ণা তাকে তাড়িত করে। একসময় দুই বন্ধু জানতে পারে গৌতম বুদ্ধের ব্যপারে, যিনি মোক্ষ লাভ করেছেন এবং দলে দলে মানুষ ছুটছে তাঁর কাছ থেকে দীক্ষা নিতে। গোবিন্দ আর সিদ্ধার্থ এবার সন্ন্যাসী গুরুদের আশ্রমকে বিদায় জানিয়ে বু্দ্ধের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলো। হাজার মানুষের মাঝেও ধীর শান্ত আর পরম জ্ঞানে তৃপ্ত চেহারা দেখলে মুহুর্তেই চিনে নেয়া যায় বুদ্ধকে। বুদ্ধের উপদেশ আর জ্ঞান আলোচনা অবাক করে সিদ্ধার্থকে, শ্রদ্ধা আর সন্মানে নত হয় সে। বুদ্ধের দীক্ষা নিয়ে গোবিন্দ থেকে যায় তার আশ্রমে আর সিদ্ধার্থ আবারো বেরিয়ে পড়ে তার আকাঙ্ক্ষিত জ্ঞানতৃষ্ণা নিবারনের জন্য। এক নগরে এসে সে দেখা পায় কমলা নামের এক সুন্দরী বারাঙ্গনার, যার কাছে সে প্রমের পাঠ নিতে শুরু করে। উপবাস, অপেক্ষা আর ধ্যাণে দক্ষ সিদ্ধার্থ ক্রমেই সংসারে জড়িয়ে পরে। অর্থ-সম্পদ, সুরা, পাশা খেলার মতো বিনোদনে মোহগ্রস্ত হয়ে অনেক বছর কেটে যায়। হঠাৎ একদিন মোহভঙ্গ সিদ্ধার্থ একটি স্বর শুনতে পায়, উপলব্ধি করতে পারে তার অর্থহীন ইন্দ্রীয় তৃপ্তিদায়ক আচরণ। নিজেকে ঘৃণা করতে আরম্ভ করে, হাঁটতে হাঁটতে চলে আসে এক নদীর পাড়ে। নিজের নিকৃষ্ট আচরণের প্রায়শ্চিত্য আর পরিণতি চিন্তা করতে করতে একসময় গভীর ঘুমে তলিয়ে যায়। ঘুম ভাঙলে যেন বছরের পর বছর পার হয়ে গেছে, সে এখন এক নতুন মানুষ। সিদ্ধার্থ নদীর স্বর শুনতে পায়, নদী তাকে পথ দেখায়। মাঝি বাসুদেবের সাথে সে আশ্রয় নেয়। বাসুদেব তাকে নদীর সাথে কথা বলতে শিখায়, মৌনতা শিক্ষা দেয়। বৃদ্ধ হতে থাকে সিদ্ধার্থ। কিন্তু যে পরম জ্ঞান, যে মোক্ষ লাভের উদ্দেশ্যে যৌবনে সে গৃহ ত্যাগ করেছিল তা কি সে লাভ করতে পেরেছে? গতানুগতিক আধ্যাত্মিকতা চর্চার গম্ভীর আলোচনা সমালোচনা আর নিজেকে খুঁজে বেড়ানোর এক আজীবন সফর এর বর্ণনা করা হয়েছে সিদ্ধার্থ বইটিতে। এটি কোনো নন-ফিকশন বই নয়, লেখক হেরমেন হেসের সৃষ্ট চরিত্রগুলোর সমন্বয় আর মসৃণপ্রবাহ ঘটনার ধারাবাহিকতায় 'সিদ্ধার্থ' একটি সফল উপন্যাস হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমদৃত হয়েছে। বইটি পড়ার পর মনে হতে পারে গোবিন্দের বারবার আত্মপ্রকাশ অর্থহীন, কিন্তু লক্ষ করলে বোঝা যাবে, সিদ্ধার্থের প্রতিবার নবজীবন লাভের সূচনার একমাত্র সঙ্গী আর সাক্ষী ছিলো গোবিন্দ। হঠাৎ করেই কমলার আবির্ভাব অথবা তার ছেলের সাথে কাকতালীয় সাক্ষাৎ অকারণ বাহুল্য মনে হতে পারে, কিন্তু উপন্যাসের সার্থকতা রক্ষায় এরা অবশ্য উল্লেখ্য। মানব জীবনের সবধরনের ইন্দ্রীয়তৃপ্তি, অনুভূতি আর অসংখ্য অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছে সিদ্ধার্থ, কিন্তু এসবই যেন অলীক মরিচীকা ছাড়া আর কিছুই নয়। গৌতম শিখিয়েছে কোনো ধরনের পার্থিব আসক্তিতে জড়িয়ে না পরতে। কিন্তু সিদ্ধার্থের মতবাদ, আকাশ, পাথর, ধূলিকণা, গাছসহ সকল বস্তু ও জীবকে ভালোবাসতে হবে। কেননা এদের প্রত্যকের মধ্যেই বুদ্ধ নিহিত রয়েছে। সুপ্ত আছে অনন্ত সম্ভাবনা। যেসব পাঠকরা আধ্যাত্মিকতা চর্চায় উৎসাহী, বই পড়ে গভীর চিন্তার জগতে হারিয়ে যেতে ভালোবাসে তাদের আমি অবশ্যই এই বইটি পড়তে বলবো। কেননা বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনার চিন্তাশীল সত্ত্বাকে জাগিয়ে রাখতে বাধ্য। যে পাঠকরা পাউলো কোয়েলহো এর 'দ্য আলকেমিস্ট' বইটি উপভোগ করেছে, 'সিদ্ধার্থ' বইটিও তারা উপভোগ করবে। সবে নতুন পাঠকরা হয়তো এখনি বইটি পড়ে উপলব্ধি করতে পারবেন না। কিন্তু আমার মতে বইটি থেকে সবাই নতুন ও ভিন্ন কিছু খুঁজে পাবে। 'সিদ্ধার্থ' বইটি যে কারো মধ্যেই কিছু ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বইটি ।এটা একটা ফিকসন।বাস্তব ইতিহাস নয়। তবে শিক্ষণীয় বিষয় গুলো দারুন ভাবে হৃদয় ছুয়ে যাবে। সংগ্রেহে রাখার মত ।

"Siddhartha" by Hermann Hesse is a beautifully written novel that explores the journey of self-discovery. The main character, Siddhartha, embarks on a journey to find the true meaning of life, and along the way he learns valuable lessons about love, spirituality, and the nature of existence. The writing is poetic and philosophical, and the story is thought-provoking and enlightening. This novel is a must-read for anyone interested in spirituality, self-discovery, and personal growth. It's a timeless classic that will leave a lasting impression on its readers.
👌💖





















