শূন্যের দরজা
বই কালেকশন

Buy শূন্যের দরজা Online in Bangladesh

লেখক: হাসান ইথার

4.64
(7 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: হাসান ইথার
  • Publisher: কিংবদন্তী পাবলিকেশন
  • Isbn: 9789849829217
  • Number Of Pages: 144
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2024
৳ 351৳ 46825% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

বইটির অন্যতম চরিত্র আসাদ সাহেব একজন দার্শনিক এবং আধ্যাত্মিক সাধক। এর আগে বিদেশে তিনি কোন্টাম মেকানিক্স এর উপর ক্লাস নিতেন এবং গবেষণা করতেন। তিনি টাকার বিনিময়ে মানুষের কাছ থেকে প্রশ্ন ক্রয় করেন।উদ্দেশ্য, হারিয়ে যাওয়া নিজের এক অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন খুঁজে পাওয়া। গল্পের প্রধান চরিত্র সাইফুল, তিনি আসাদ সাহেবের কাছে চাকরি করতে এসেছেন। তার কাজ প্রশ্ন করা। কোনো রকম অনার্স পাশ করা সাইফুলের চাকরিটা খুবই প্রয়োজন ছিল তার পরিবারের জন্যে।শুধুমাত্র টাকার জন্যে প্রশ্ন করলেও ধীরে ধীরে আসাদ সাহেবের চিন্তা ভাবনা দর্শন তাকে প্রভাবিত করতে থাকে। গল্পের আরেকজন অন্যতম চরিত্র তারেক, তিনি আসাদ সাহেবের গাড়ি চালান এবং অন্যান্য কাজে সাহায্য করেন।সে আসাদ সাহেবের সাথেই পাহাড়ি এলাকায় থাকেন। সাইফুল আসার কিছুদিন পর তারা বিদেশ ভ্রমণে বের হয় আসাদ সাহেবের হারিয়ে যাওয়া প্রশ্নের খোঁজে।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.64
(7 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
71%
4
14%
3
0%
2
14%
1
0%
880****833
880****833 ভেরিফাইড
15 Feb 2025

#রিভিউ বই: শূন্যের দরজা লেখক: হাসান ইথার প্রকাশনী: কিংবদন্তী পাবলিকেশন 🔹ফ্ল্যাপ থেকে: যদি এমন কিছু একটা থাকে যাকে যেকোন প্রশ্ন করলেই তার সঠিক উত্তব জানা যায়- তবুও আমরা' হয়তো তেমন কিছুই জানতে পারবো না, যদি আমার না জানি যে আমাদের কী কী জানার আছে। গল্পের প্রধান চরিত্র নাওফাল বিন আসাদ। পৃথিবীর সাথে তার সব চাওয়া-পাওয়া-না পাওয়ার হিসাব শেষ অবশিষ্ট শুধু একটা জিনিস তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে, তা হচ্ছে এই জগতের অস্তিত্বের রহস্য সম্পর্কে জানার এবং তা উপলব্ধির নেশা, যার সীমানা এখনো সে খুঁজে পায়নি। ভাবনার অনেক গভীরে গিয়ে তার খুঁজে পাওয়া একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হারিয়ে গেছে, যার মাধ্যমে এই অস্তিত্বের রহস্যের একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ অজানা শাখায় পৌঁছানো যায়। সেই হারিয়ে যাওয়া প্রশ্ন ফিরে পাওয়াই এখন হয়ে গেছে তার জীবনের অন্যতম উদ্দেশ্য। সেটা খুঁজতে গিয়ে, কী কী তার এখনো জানা বাকি সেই সন্ধানে তিনি টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন ক্রয় করেন এবং সেগুলো তার মাথায় চাষাবাদ করেন। প্রশ্ন হচ্ছে তার কাছে এই অস্তিত্বের যত রহস্য আছে, সেগুলোতে দমন করার জন্যে উপলব্ধি নামক বাহনের জাল স্বরুপ। 🔹বইয়ের উৎসর্গ: (লেখকের ভাষায়) বন্ধু মোহাম্মদ আলী শুভ-কে ছোটোবেলায় একবার নিজের লেখা বই প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে অচেনা শহর ঢাকায় আসার পরিকল্পনা করেছিলাম। শুভ সাথে না থাকলে সাহস পেতাম না। ট্রেনের ভাড়া না বুঝে টিটি কে দেয়ার অপরাধে, বাকি সব টাকা কমলাপুর স্টেশনে জরিমানা দিতে হয়। গাজীপুর ফিরে আসার জন্য শুধু একশ টাকা আমাদেরকে ফেরত দেয়া হয়। আমরা ফিরে আসিনি। সারাদিন কিছু না খেয়ে পায়ে হেঁটে ঘুরেছি ঢাকার রাস্তায় রাস্তায়, খুঁজেছি বইয়ের মলাট থেকে সংগ্রহ করা কিছু পাবলিকেশনের ঠিকানা। তাদের অনেকের সাথে কথা বলে শেষে বুঝতে পারি, আমাদের দুইজনের বয়সের যোগফল সাতাশ কিংবা আটাশ হলেও আমাদের যার যার বয়স তখনো অনেক কম। এরপর এক গ্লাস আখের রস ভাগাভাগি করে খেয়ে গাজীপুরের বাস খুঁজতে পাটুওয়াটুলী থেকে হেঁটে চলে আসি বাংলামোটর, এরপর বাসে ঝুলে জয়দেবপুর। যারা বলে স্বার্থ ছাড়া বন্ধু নেই, তাদেরকে আমার কখনো বিশ্বাস করতে হয়নি। কারণ আমার কিছু বন্ধু আছে, শুভ যাদের একজনের নাম। 🔹বইয়ের চরিত্র সমূহ : বইয়ের মূল চরিত্র আসাদ সাহেব। যিনি হারিয়ে যাওয়া একটা প্রশ্নের খোঁজে টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন কিনেন। একেকটা প্রশ্নের জন্য বিশ টাকা থেকে শুরু করে লক্ষ টাকাও দেন। সাইফুল, যিনি আসাদ সাহেবকে প্রশ্ন করার কাজ করেন। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য বিভিন্ন এমাউন্টে টাকা পান। তারেক, আসাদ সাহেবের গাড়ি চালক। তারেকও মাঝেমধ্যে বিভিন্ন প্রশ্নের বিনিময়ে টাকা পেয়ে থাকে। এবার বলি প্রশ্নের ব্যাপারে, যেমন সাইফুল- সময়কে কীভাবে সময় দিতে হয় স্যার? আসাদ সাহেব- দুই হাজার টাকা। মহাবিশ্ব এক বিরাট ক্ষুধার সংগঠন। যেখানে ক্ষুধা নেই সেখানে সময় অদৃশ্য। সকল ঘটনা, রাস্তা এবং খেলার মূল চালিকা শক্তি ক্ষুধা। ক্ষুধার্ত মস্তিষ্ক, ক্ষুধার্ত পাকস্থলী, ক্ষুধার্ত চুম্বক, ক্ষুধার্ত মধ্যাকর্ষণ, ক্ষুধার্ত মন, ক্ষুধার্ত ব্যাকটেরিয়া, ক্ষুধার্ত ব্যাটারি, ক্ষুধার্ত ডার্ক মেটার, ক্ষুধার্ত শূন্য। সাইফুল- সবগুলো বুঝলাম স্যার, কিন্তু শূন্য কীভাবে ক্ষুধার্ত হয়? আসাদ সাহেব কিছুটা অন্যমনস্ক হয়ে যান। তিনি আনমনে সামনের দিকে তাকিয়ে আছেন। সাইফুল আবার জিজ্ঞেস করে, শূন্য কীভাবে ক্ষুধার্ত হয় বুঝলাম না স্যার। আসাদ- বিশ লক্ষ টাকা। এত বড়ো টাকার অংকের কথা শুনে সাইফুল কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে যায়। আমি এটাকে যেই শূন্য ভেবে এগিয়ে যাচ্ছিলাম এটা আসলে সেই শূন্য নয়। আপনি প্রশ্নটা না করলে আমি হয়তো আর খেয়াল করতে পারতাম না। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। সাইফুলের চোখে পানি চলে আসে। সে নীরব হয়ে বসে আছে। তারেকও চুপচাপ বসে আছে 🔹পাঠ প্রতিক্রিয়া : একটি সমকালীন উপন্যাস, যেখানে দর্শন, আধ্যাত্মিকতা এবং মানুষের মনোজগতের গভীর অনুসন্ধান মূর্ত হয়েছে। কাহিনির প্রধান চরিত্র আসাদ সাহেব একজন দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক সাধক, যিনি মানুষের কাছ থেকে টাকা দিয়ে প্রশ্ন কিনে থাকেন, উদ্দেশ্য হল তার জীবনের হারিয়ে যাওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের খোঁজে থাকা। সাইফুল নামে একজন সাধারণ ব্যক্তি তার কাছে চাকরি নেয়, যার কাজ প্রশ্ন করা। কিন্তু আসাদ সাহেবের দর্শন এবং চিন্তাভাবনা ধীরে ধীরে সাইফুলকে প্রভাবিত করতে শুরু করে। কাহিনির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো তারেক, যিনি আসাদ সাহেবের গাড়ি চালান এবং অন্যান্য কাজে সাহায্য করেন। এই উপন্যাসে মূলত প্রশ্নের মাধ্যমে জীবনের গভীরতর অর্থ ও উদ্দেশ্যের সন্ধান করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে, যা পাঠকদের আধ্যাত্মিক চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করবে। 🔹লেখক পরিচিতি হাসান ইথার। জন্ম তিন জানুয়ারি ১৯৯৪। শৈশব কেটেছে নানা বাড়িতে, শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ঘেসা 'চরখামের' গ্রামে, গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলায়। কৈশোর গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে। পিতৃভূমি যমুনা নদীর তীরে, জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানায়। পিতা তাজুল ইসলাম, মাতা জুয়েনা তাজুল। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে লেখক সবার বড়ো। স্ত্রী সাদিয়া তারান্নুম একজন স্থপতি। এক সন্তান, তারহাম মায়ান ইথার। ছোটো থেকেই যেকোনো প্রকার টুলসের কাজ আয়ত্ত করার ব্যাপারে তিনি প্রচণ্ড আগ্রহী ছিলেন। ষষ্ঠ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার পর থেকে পড়াশুনার পাশাপাশি টাকার বিনিময়ে বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক কাজ এবং ইলেক্ট্রনিক সরঞ্জাম মেরামতের কাজ করতেন শখের বসে। পরবর্তীতে বিজ্ঞান এবং গণিতের প্রতি তার আগ্রহ বৃদ্ধি পেতে থাকে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তার পড়াশুনার বিষয় ছিল ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনাকালীন 'মেকার্স টেক' নামে নিজস্ব ইলেক্ট্রনিকস পন্যের কোম্পানি এবং গবেষণাগার দার করিয়েছিলেন। পাঁচ বছর পর ব্যক্তিগত কারণে তা বন্ধ করে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। জীবনের দায়ে আবারো ফিরতে বাধ্য হন শহরে, মেকাট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে শুরু করেন একটা কম্পানিতে। তার পরিবারের কেউ সংগীতের সাথে জড়িত না থাকলেও তিনি শখের বসে গান বাজনা করতেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন 'হাইওয়ে' নামে একটি ব্যান্ড তৈরি করেন যেখান থেকে তার কিছু মৌলিক গান এবং মিউজিক বিভিন্ন সময় প্রকাশিত হয়। তার তৈরি মিউজিকে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাইকেডেলিক রকের ধাঁচ পরিলক্ষিত হয়। দিনের বেশির ভাগ সময় যেসব বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকেন সেগুলোর মধ্যে আছে বিজ্ঞান, দর্শন, গবেষণা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং। মিউজিক নিয়ে গবেষণা এবং এর দর্শন ভিত্তিক পর্যবেক্ষণই তার মিউজিকের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার অন্যতম কারণ। নিজস্ব দর্শন খাতায় নথিবদ্ধ করতে গিয়ে প্রথম তার লেখালেখির অভ্যেস শুরু হয়। বই আকারে শূন্যের দরজা তার প্রথম প্রকাশ। 🔹ব্যক্তিগত রেটিং - ০৮/১০ 🔹রিভিউ দাতা - এম.এ.রানা

Review Upload 1
Review Upload 2
Md. Julfikar Ali Rifat
Md. Julfikar Ali Rifat ভেরিফাইড
14 Feb 2025

এককথায় বইটি অসাধারণ। তাঁর প্রতিটি লাইন অনেক গভীরভাবে লেখা। যা বুঝতে হলে প্রচুর মাথা খাটাতে হবে

Review Upload 1
Review Upload 2
Review Upload 3
Review Upload 4
Nizam Roha
Nizam Roha ভেরিফাইড
07 Feb 2025

Love you guru

Fardin Mushdic
Fardin Mushdic ভেরিফাইড
26 Jan 2025

অনেক ভালো গেলেছে পড়ে।

Leeon Haque
Leeon Haque ভেরিফাইড
29 Sep 2024

ভালো লেগেছে

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)