

Buy শ্রাবণসন্ধ্যা Online in Bangladesh
লেখক: সাকিব হাসান রুয়েল
- Author: সাকিব হাসান রুয়েল
- Publisher: আলোর ঠিকানা প্রকাশনী
- Isbn: 9789849509370
- Number Of Pages: 96
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2021
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
দীর্ঘ ত্রিশ বছর পর টেলিফোনে কথা হয়। প্রিয় সেই কণ্ঠস্বর আগের মতো নেই। বদলে গেছে কথা বলার ভঙ্গি, সম্বোধনসূচক বাক্যও! কানাডার নাগরিককে বিয়ে করে সেখানেই স্থায়ী হয় সুপ্তি। এত বছর পরে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে এখন বাংলাদেশে। অসুস্থ জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চায় প্রিয় মাতৃভূমিতে। অনেক দিনের ইচ্ছা, মরার আগে একবার হলেও বন্ধুদের সাথে ক্যাম্পাস ঘুরে দেখবে। অনেক কষ্টে জানতে পারে হিয়ার ঠিকানা, শুভ ঢাকায় থাকলেও পিয়ালের অবস্থান রংপুর। আর শিশির? অবশেষে দীর্ঘ ত্রিশ বছর পর মিলিত হয় পুরোনো বন্ধুমহল। টিএসসি-র বুকে পা রাখতেই চঞ্চল হয়ে ওঠে হৃদয়। কত শত গল্প, হাজারো স্মৃতি, কী নেই এখানে? জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় পার করে আজ তারা জীবন নামক গল্পের শেষ অধ্যায়ে। চেনা পরিবেশ যেন কত অচেনা। তবুও চায়ের আড্ডায় মেতে উঠতে চায় তারা! হিয়ার চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা৷ পিয়াল ও শুভ এখনো দুষ্টুমিতে সেরা। শিশিরের বুকে বিরহের কালো মেঘ জমেছে। হাঁটার শক্তি পায় না সুপ্তি, অসুস্থতায় শরীরে জং ধরেছে। হঠাৎ শিশির এসে পাশে দাঁড়ায়, সেই-ই তো এক সময়ে সুপ্তির সবচেয়ে কাছের মানুষ ছিল, আপন মানুষ ভাবতো। কিন্তু এখন? আসলে কী ঘটেছিল তাদের জীবনে? অত কাছের মানুষেরা কেন এত এত দূরে চলে গেল? চলুন জেনে নেওয়া যাক ‘শ্রাবণসন্ধ্যা’ থেকে।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
Need improve 👍
ভালোই শিক্ষানিও

not bad not good
valo
➤ নেগেটিভ রিভিউ— ❛শ্রাবণ সন্ধ্যা❜ ☞আখ্যানঃ সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে, শ্রাবণ সন্ধ্যা। আকাশে কালো মেঘ খেলা করছে, শ্রাবণের অঝোর ধারায় বৃষ্টি ঝরছে, বন্ধুর কবরের পাশে ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছে শিশির। বৃষ্টিকে আটকানোর এক অকৃত্রিম চেষ্টা তার। নতুন কবরে বৃষ্টি পড়লে কী হয়? প্রিয়তমার কবরে বৃষ্টি পড়লে কী হয়? শ্রাবণ সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়লে কী হয়? ☞পাঠপ্রতিক্রিয়া ও পর্যালোচনাঃ আমি আমার লাইফের সবচেয়ে বাজে বই পড়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি এই বই পড়ে। পুরাই সময় নষ্ট। গল্পে লেখক কী বুঝাতে চেয়েছে আর আমি কী বুঝেছি সেটাই এখন পর্যন্ত বুঝলাম না। কাহিনীর শুরু কোথায় আর শেষ কোথায় তারও হিসেব নেই। কোনোমতে ষাট পৃষ্ঠা পড়ার পর আর আগ্রহ ধরে রাখতে পারিনি। এমন ফালতু বইও মানুষ লিখতে পারে আর সেইটা প্রকাশও হতে পারে তা আমার জানা ছিলো না। শুনেছি এই বই না-কি ২০২১ সালের প্রকাশনীর বেস্ট সেলার, বইটার অনেক পজিটিভ রিভিউ এসেছে। কিন্তু কীভাবে পজিটিভ কিছু আসতে পারে এই বইয়ে তা-ই আমার মাথায় আসছে না। এত এত মানুষ কী দেখে বইটা কিনেছে এবং পড়েছে তার হিসাব মিলছে না। একজন রুচিশীল পাঠকের এই বই পছন্দ হবার কথা না। আমার পুরো দেড়টা ঘন্টাই নষ্ট। যে মানুষটা আমাকে এই বই পড়তে বলেছে তাকে লাল সালাম! ☞ গল্প বুনটঃ এই বইয়ের কাহিনিটা আসলে কী সেইটাই আমি বুঝতে পারিনি। পুরো বইয়ে অজস্র প্লটহোল দিয়ে ভরা। কাহিনির কোনো ছিড়ি নেই। কাহিনী শুরু করে রূপন্তি আর অমিত নামের চরিত্র দিয়ে। শুরুতে ভেবেছি এরাই বুঝি মূল চরিত্র। কিন্তু তিন অধ্যায় পর এই দুইটা চরিত্রকে লাথি মেরে কাহিনী থেকে বের করে দেয়া হয়। পুরো বইয়ে তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। এটা কী রোমান্টিক বই লেখার চেষ্টা করা হয়েছে না-কি সমকালীন কাহিনী লেখারা চেষ্টা করা হয়েছে না-কি ইতিহাস লেখার চেষ্টা করা হয়েছে সেইটাই বুঝলাম না। ☞ লেখনশৈলীঃ এই একটা বই পড়ে লেখকের লেখনশৈলী জাজ করা উচিত না তবুও বলব লেখক হুমায়ুন আহমেদকে ফলো করে। ২০২০ - ২০২১ এ এই বইয়ের লেখকের কিছু ছোটগল্প পড়েছিলাম ফেসবুকে। সেগুলো ভালো লেগেছিলো। কিন্তু এই উপন্যাসটা পুরাই ফা*কিং শিট। আমার মতে লেখকের এখনো উপন্যাস লেখার মতো পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব আছে। ছোট গল্প ভালো লিখলেও উপন্যাস লেখার মতো এভিলিটি এখনো তৈরী হয়নি। আরো অনেক বেশি চর্চা করা দরকার আছে। বর্ণনাশৈলীঃ ৯০ পৃষ্ঠার বইয়ে আমার মনে হয় ৪০ পৃষ্ঠাই অবান্তর বর্ণবা দিয়ে ভরে রেখেছে। সাথে যোগ করেছে ইতিহাস। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়েছে কোনো সমকালীন উপন্যাস পড়ছি না, ইতিহাসের বইয়ের পাতা উল্টাচ্ছি। ৯০ পৃষ্ঠার মধ্যে ৪০ পৃষ্ঠা বর্ণনা হলে ৩০ পৃষ্ঠা আজাইরা ইতিহাস দিয়ে ভরা। যেগুলো হুদাই গল্পের সাথে রিলেট করার চেষ্টা করা হয়েছে। ২০ পৃষ্ঠার মতো বাকি কাহিনি। মানে ২০ পৃষ্ঠার একটা ছোট গল্পকে টেনে টেনে ৯০ পৃষ্ঠা লেখা হয়েছে। বর্ণনা আর ইতিহাস পড়ার সময় চরম বিরক্তি কাজ করছিলো আর মবে মনে লেখককে আর এই বই সাজেশনকারিকে গালি দিচ্ছিলাম। আখ্যান:- এই বইটা এমন একটা ফালতু বই যে বইয়ের প্রথম অধ্যায় থেকে বিরক্তি লাগা শুরু করবে যেকোনো রুচিশীল পাঠকের। যদি বিরক্ত না লাগে তবে ধরে নিতে হবে সেই পাঠক রুচিশীল না। কারণ গল্পের শুরুতেই দেখা যায় অমিতের মা অমিতের ভার্সিটির ফ্রেন্ড সার্কেলকে চিঠির মাধ্যমে অমিতের বিয়ের দাওয়াত দিচ্ছে। ফ্রেন্ড সার্কেল অমিতের বিয়েতে গিয়ে শুনে অমিত আরো বেশ কিছুদিন আগে মারা গেছে। অমিতের ফ্রেন্ড সার্কেল কষ্ট পাবে তাই অমিতের মা বিয়ের কথা বলে ডেকে এনে তারপর মৃত্যুর খবর দিচ্ছে। লাইক সিরিয়াসলি ভাই, লেখক কী গাঞ্জা খেয়ে বই লিখছে। কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ এমন কাহিনী লিখে কীভাবে? কোনো ছেলে মরা মা কীভাবে ছেলের বন্ধুদের বিয়ের দাওয়াত দিয়ে নিয়ে আসে ছেলের মৃত্যুর খবর দেয়ার জন্য। মাথায় সমস্যা না থাকলে এমন গাজা খুরি কাহিনী লেখা সম্ভব না। চরিত্রায়ন: এই গল্পের মূল চরিত্র কে আর পার্শ চরিত্র কে সেটাই আমি ধরতে পারিনি। শুরু করে অমিত আর রূপন্তির কাহিনি দিয়া। কিন্তু ১৫-২০ পৃষ্ঠা পরেযে এই দুই চরিত্র কোথায় হারাইলো সেইটা আর খুঁজে পেলাম না। তারপর আসে শিশির চরিত্র, এই চরিত্রেরও আগামাথা খুঁজে পাইনি। তারপর সুপ্তি, হিয়া তাদের কাহিনীও ঠিক বুঝিনি। বলতে গেলে প্রতিটা চরিত্রই জগা খিচুড়ি। অবসান: আমার ধৈর্য্য কুলায়নি এই বই শেষ করার। ৬০ পৃষ্ঠার পর আর পড়িনি। তাই শেষটা কীভাবে করছে তা আল্লাহ জানে। তবে এই বইয়ের এন্ডিং ভালো হবার কথা না। নামকরণ: বইয়ের নাম শ্রাবণ সন্ধ্যা কোন দু:খে রাখা হয়েছে তা-ই বুঝিনি। কারণ আমি যতটুকু পড়েছি তাতে শরৎ আর বসন্ত নিয়ে অনেক কথা থাকলেও অনেক বর্ণনা থাকলেও শ্রাবণ কিংবা বর্ষাকালে নিয়ে কিছুই পাইনি। তবে যে আপু বইটা পড়তে বলেছিলো সেই আপুর থেকে শুনেছি বইয়ের শেষে না-কি শ্রাবণের একটা দিনের ঘটনা আছে। সেখান থেকেই মেবি এই নামকরণ করা হয়েছে। তবে বইয়ের সাথে এই নাম মোটেও যায় না। সম্পাদনা: গাঁজাখুরি এই উপন্যাসের সম্পাদনা যে করেছে সে আর এক গাঁজাখোর। পুরো বইয়ে কোনটা সংলাপ আর কোনটা বর্ণনা সেইটা আলাদা করতে পারিনি। সংলাপকে যে উদ্ধতি চিহ্নের ভিতরে আবদ্ধ করা লাগে সেইটা সম্পাদক বোধহয় জানে না। সংলাপ শুরু করার আগে কমা চিহ্ন ব্যবহার করতে হয় সেটাও জানে না। প্রোডাকশন: এই বইয়ের প্রোডাকশন মোটামুটি ভালো। পৃষ্ঠা, বাইন্ডিং, কাভার সবই ঠিকঠাক। সে হিসেবে প্রোডাকশন নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। প্রচ্ছদঃ এমনিতে প্রচ্ছদটা যথেষ্ট সুন্দর করা হলেও বইয়ের সাথে প্রচ্ছদের কোনো মিল নেই। প্রচ্ছদে যেভাবে একটা মেয়েকে ছাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখানো হয়েছে এমন কোনো কাহিনীও নেই পুরো বইয়ে। যদি বইয়ের নামকরণ বইয়ের একেবারে শেষের একদিনের কাহিনীর হিসেবেও ধরে নেই তবুও প্রচ্ছদ মিলে না। সেই শ্রাবণের দিনের কাহিনী হলো শিশিরের। কিন্তু প্রচ্ছদের এই মেয়ের ছবিটা কার তা-ই আমার মাথায় আসেনি। খুচরা আলাপ: এই বই পড়তে লেখকের জ্ঞানের মহিমার কথা ভাবছিলাম। যে ভাবে প্রতিটা কাহিনির সাথে বিভিন্ন ইতিহাস তুলে ধরছিলো মনে হচ্ছিলো কোনো ইতিহাসবিদের জ্ঞানের আলোয় আমি আলোকিত হচ্ছি। ইতিহাসের জ্ঞানের সাগরে সাতার কাটতে কাটতে চলে যাচ্ছি ট্রয় নগরীতে, যাচ্ছি লাল গোলাপের মিথ খুঁজতে। এর মাঝে আবার জ্ঞানে ঢেউয়ের ধাক্কাতে চলে গেলাম মিশরের কবি সিগেতাস সিল্কের কাছে। বিশ্বাস করেন ভাই আমি উপন্যাসের বই পড়তে বসেছিলাম। কোনো ইতিহাসের বই না। শুধু ইতিহাস দিয়ে ক্ষান্ত হয়নি, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কবিতা গানও জুড়ে দিয়েছে কাহিনির সাথে। এই কাজ অনেকেই করে। কিন্তু সবার কবিতাই কাহিনির সাথে রিলেটেড। কিন্তু এই বইয়ে……! আমি কবিতা আর গান পড়তে পড়তে নিজেও একটা গান আবৃত্তি করছিলাম: ফিরিয়ে দাও, আমার দেড় ঘন্টা ফিরিয়ে দাও, ফিরিয়ে দাও, আমার বইয়ের টাকাটা ফিরিয়ে দাও! ⊕ বইয়ের নামঃ শ্রাবণ সন্ধ্যা ⊕ লেখকঃ সাকিব হাসান রুয়েল ⊕ প্রকাশনীঃ আলোর ঠিকানা ⊕ প্রচ্ছদঃ আকাশ ⊕ পৃষ্ঠা: ৯৩
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
is hardcover?
Dear customer, Yes, this book is hardcover. Thanks for your query!
is hardcover?
Dear customer, Yes, this book is hardcover. Thanks for your query!






















