সেদিন অক্টোবর
বই কালেকশন

Buy সেদিন অক্টোবর Online in Bangladesh

লেখক: ওয়াসিকা নুযহাত

4.33
(3 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: ওয়াসিকা নুযহাত
  • Publisher: আজব প্রকাশ
  • Isbn: 9789849667155
  • Number Of Pages: 152
  • Language: বাংলা
  • Edition: ৫ম মুদ্রণ, ২০২৪
৳ 349৳ 40013% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

ওয়াসিকা নু্যহাতের নতুন উপন্যাস 'সেদিন অক্টোবর'। লেখিকার আলোচিত উপন্যাস 'অক্টোবর রেইন'-এর চরিত্ররা আবার ফিরে এসেছে এই উপন্যাসে।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

4.33
(3 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
67%
4
33%
3
0%
2
0%
1
0%
Ratul
Ratul ভেরিফাইড
16 Nov 2025

ভালো বই

Maliha Tasneem
Maliha Tasneem ভেরিফাইড
27 Dec 2024

bandhobir jonno nilam. asha kori valo hobe. O porar por ami porbo InshaAllah.

Sakib
Sakib ভেরিফাইড
25 Dec 2022

#সেদিন_অক্টোবর #পাঠ_অনূভূতি ♦এক নজরেঃ •নামঃ সেদিন অক্টোবর •লেখকঃ ওয়াসিকা নুযহাত •ধরনঃ রোমান্টিক •প্রকাশনীঃ আজব প্রকাশ •প্রচ্ছদঃ আনিকা রায় •মুদ্রিত মূল্যঃ ৪০০ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৫২ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ পৃথিবীতে প্রকৃতির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে আবেশিত হয়ে তাকিয়ে থাকার সংজ্ঞাটাই অন্যরকম । কেননা এরকম অদ্ভুত ভাবে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থেকে ভালোবেসে এমন একটা জিনিসের প্রতি যে বিষয়টিতে কখনও হাত বুলিয়ে নেয়া তো যায় না, তবে শ্বাস টেনে টেনে মুগ্ধ হয়ে চোখ বুঁজে থাকা যায় । এই প্রকৃতির প্রেমে পুরোপুরি ভেসে গেলে আমার মনে হয় জীবনের খুবই সাধারণ প্রকৃতিতেও ভালোবাসা লেগে যাবে । প্রকৃতির এক অসাধারণ পরিবেশে, ঠাণ্ডা আবহাওয়ার হাতছানিতে, চা খেতে খেতে নতুন এক যাত্রায় আমার নতুন আরেকটি যাত্রাকে নিজেই শুভকামনা জানালাম । পৃথিবীতে প্রকৃতিকে ভালোবাসার মতো কোনো উপন্যাসকে গভীর ভাবে ভালোবেসে যাওয়ার মতো সুন্দর জিনিস পৃথিবীতে নেই । ♦পারিপার্শ্বিক দিকঃ সেদিন অক্টোবর! এটা কবে পড়বো আমি সত্যিই জানতাম না । আমার মন বলছিল হয়তো খুব শিগগিরই পড়া হবে না । তবে পড়া হয়ে গেল । হঠাৎ করে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে পড়া শুরু করেছিলাম বইটি । মনে হচ্ছিল আজকেও পড়তে পারবো না । তবে ছোট্ট উপন্যাসিকার মতো আকারের বইটি পড়তে পড়তে মজে যেতে থাকলাম । আমার একটি বই এর সাথে আনুষঙ্গিক যে উপকরণগুলো লাগে তা যেন সব একসাথেই ছিল আজ । চা, রবীন্দ্র সঙ্গীত আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল অন্য দুনিয়ায় । পুরোটা পড়া শেষ হতে হতে সময়টা রাত ১০টা । ♦নামকরণঃ পৃথিবীতে অক্টোবরের সৌন্দর্যে দুজন মানুষ যেন অক্টোবরের সাথের সৌন্দর্যের সাথে তাল মিলিয়ে আনুপাতিক হারেই সৌন্দর্যে ভেসে যেতে থাকে । তাদের ভালোবাসা প্রকৃতিতে অক্টোবর নিয়ে আসে । কারো গম্ভীর স্বভাব, কারো মুচকি হাসি যেন একে অপরকে যথোপযুক্ত করে একটা দিনের ক্ষণে অক্টোবরের সৌন্দর্য তৈরি করে দেয় । পৃথিবীতে সেদিনটা অক্টোবরকে মূখ্য করে দেয় । তাই সেদিনটা, সেদিন অক্টোবর! ♦ফ্ল্যাপে লেখাঃ একটি চৌশিঙা মায়াবী চোখের হরিণ যখন ওক গাছের নিচে নিঃশব্দে এসে দাঁড়ালো, ঠিক তখনই শেহজাদি সকাল আর বিন্দুবাসিনী বুনো গাছের ঝোপ ঝালর ডিঙিয়ে রাজ্যে প্রবেশ করল । নীল রঙের একজোড়া ব্লু জে পাখি টিউ টিউ সুর তুলে ওদের মাথার ওপর দিয়ে ডানা ঝাপটে উড়াল দিল দূরের বনে । সূর্য সবেমাত্র উঁকি দিয়েছে পূর্বাকাশে । ভোরের সুষমা মাখা পবিত্র আসমানে নিরুদ্দেশ উড়ে বেড়াচ্ছে আলতা পরা মেঘের দল । রঙিন পাতার ফাঁক গলে স্বর্ণালি আলোকরশ্মি তেরছা ভাবে নেমে এসে ছুঁয়ে দিয়েছে হরিণডাঙ্গার মাটি । গাছে গাছে ঘুম ভাঙানিয়া পাখিরা বেলা শুরুর গান গাইছে । ঝরা পাতা ছড়ানো ফুরফুরে হলদে বনে এদিক সেদিক খোশমেজাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিছু কাঠবিড়ালি, ববক্যাট আর কায়োটি । অক্টোবর এলেই গোটা হরিণডাঙ্গা রঙে রঙে ছেয়ে যায় । আকাশ থেকে যৌবনের রঙিন মখমল নেমে এসে পৃথিবীকে নিবিড় আলিঙ্গন করে । প্রকৃতিতে এত লাবণ্য, এত লালিত্য বছরের অন্য কোনো সময় চোখে পড়ে না । ত দূর চোখ যায় শুধু চোখ ধাঁধানো রঙ! গাছের গায়ে গায়ে, ঝোপে ঝোপে রঙবাহারি আলপনা । চৌশিঙা হরিণটি শেহজাদির দিকে নিরীহ চোখ তুলে তাকালো । সেই মুহূর্তে কাঠের ঘরের জানালা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে দিল এরিক । ডেকে উঠল চিঁহি চিঁহি... ♦প্রচ্ছদঃ মানুষ আশা করতে চায় না, তাও করে ফেলে । সৌন্দর্যে ভেসে যাওয়া দুইটি মানুষের ভালোবাসার রূপককে সৌন্দর্যে প্রকৃতিকে নামান্তরে তৈরি করে ফেলা প্রচ্ছদকে নিয়ে তবুও আশা করে যাই । প্রকৃতির সৌন্দর্যে ভেসে যাওয়া অক্টোবরকে ‘সেদিন’ নামে নির্দিষ্ট প্রচ্ছদটি অসাধারণ সুন্দর ভাবে ফুটে উঠবে । তবে তা আমার কাছে মনে হয়নি । প্রচ্ছদটি যেদিন আমি প্রথম দেখেছিলাম সেদিনই প্রচ্ছদটি দেখে মনে হয়েছিল, আমার ভালো লাগা কমে গিয়েছে । বারংবার মনে হচ্ছিল কোনো মোবাইল থেকে তোলা সৌন্দর্যের ছবিই বোধহয় আমার সামনে ভেসে আসছে । প্রচ্ছদটা খুবই ঝাপসা । অক্টোবরের সেই মিষ্টিমধুর সৌন্দর্য, মুখাবয়ব আমি এই প্রচ্ছদে পাইনি । বিশেষ করে এই গাছটির সাথে ভায়োলিনকে একসাথে দেখে আরো হতাশ লেগেছে । ♦উৎসর্গঃ এই উপন্যাসিকার উৎসর্গটি অসাধারণ । উৎসর্গের জন্য ব্যবহৃত শব্দগুলো খুবই ভালো লাগার মতো । যেভাবে ব্যবহার করে শব্দ দিয়ে লেখা হয়েছে তা অসাধারণ ছিল । তাই উৎসর্গটি লিখতে লিখতে আরেকবার পড়ে ফেলা হলো । ♦উপন্যাসিকার ভূমিকাঃ অক্টোবর রেইন এমন একটি উপন্যাস, যা পাঠক হিসেবে আমাদের কাছে একটা নস্টালজিয়া । এই উপন্যাস আমাদেরকে ভালোবাসায় ফেলে, আকর্ষিত করে । সেই উপন্যাসটির একটু ভবিতব্য কিছু আসার অপেক্ষায় পাঠক ছিল । এবং তা নিয়ে লেখা ভূমিকাটি বেশ সুন্দর ভাবে সাজিয়েছেন লেখক । ♦চরিত্র বিশ্লেষণঃ যেহেতু উপন্যাসিকা, তাই চরিত্র খুবই কম আছে । কিছু চরিত্র আছে যাদের নিয়ে লিখবো । •আরশানঃ আরশান গুরুগম্ভীর স্বভাবের সহজে হাসতে না চাওয়া মানুষটি । মনের কষ্ট মনেই রেখে দিয়ে ভালোবাসার মানুষটিকে নীরবে ভালোবেসে যাওয়া মানুষটি তিনি । তার হামবড়া ডাঁটিয়াল হাসির জন্য সে সদা প্রস্তুত । •সকালঃ প্রাণবন্ত মিষ্টি স্বভাবের শেহজাদি মেয়েটি খুবই গম্ভীর হয়ে পড়ে পরিস্থিতির জন্যে । কিছু পরিস্থিতি তাকে ভবিষ্যত পরিকল্পনায় উদ্বিগ্ন করে রাখে । ভালোবাসার মানুষটিকে এড়িয়ে চলতে গিয়েও ভালোবেসে যাওয়া মানুষটি তিনি । •টিলিঃ ভাইদেরকে ভালোবেসে, ভাইদের সাথে দুষ্টুমি করে যাওয়া মিষ্টি স্বভাবের মেয়েটি টিলি । অসাধারণ মানসিকতার মেয়েটি সহসাই হঠাৎ করে কোনো পরিস্থিতিতে দ্বিধান্বিত হয়ে পড়ে ‌। •নাবিলাঃ অসাধারণ একজন বন্ধু । যে বন্ধুকে ভালোবেসে বন্ধুকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে যায় । তার বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাব বেশ সুন্দর ছিল । ♦টুকিটাকিঃ এছাড়াও বেশ কিছু চরিত্র থাকে, যারা সাময়িক উপস্থিতি দিয়েও বিভিন্ন আঙ্গিকে চলে আসে । অ্যান্ড্রিয়ানা’র বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাব বেশ ভালো লাগার মতো ছিল । ফাহাদ এর ভাইয়ের সাথে মনের দিক থেকেও পাশে দাঁড়ানো বেশ ভালো লাগার মতো । তাছাড়া রহমান আঙ্কেল এর মুষড়ে পড়া মানসিকতা গল্পে অন্যরকম আবহ আনে । ♦প্রিয় চরিত্রঃ বাস্তবিক অর্থে গল্পের প্রভাব কিংবা গল্পের আবহতে ভেসে গেলে সকাল’কেই প্রিয় চরিত্র মনে হয় । তবুও নাবিলা এর চরিত্র গঠনও বেশ অসাধারণ ভাবে দেখানো হয়েছে । তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা, ভালোবাসার জন্য এগিয়ে এসে সামলানোর চেষ্টা করে সফল হওয়ার চেষ্টায় কখনও সফল কখনও ব্যর্থ হওয়া সকালই প্রিয় চরিত্র হয়ে থাক । তার ভালোবাসার জন্য এগিয়ে যাওয়া স্বভাব, খানিকটা কষ্টেও ভালোবাসার মানুষটির জন্য এগিয়ে এসে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে আরশানের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি জিনিস বেশ মুগ্ধতা নিয়ে এসেছে । সকাল নামের এই শেহজাদি তার নামের মতোই শুভ্র, নামের মতোই মিষ্টি, নামের মতোই প্রিয় চরিত্র । ♦একক উক্তিঃ Will you love me like you loved me in the October rain? ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √সেদিন অক্টোবর! অক্টোবর রেইন! দুইটি নাম একত্রে যতদিন আসবে, ততদিন মনে হবে এই বই দুইটি সম্পর্কযুক্ত । ততদিন মনে হবে সিক্যুয়েল । কিন্তু আমার মনে হয়েছে এটা মূলত সিক্যুয়েল হয়েও আসলে পুরোপুরি সিক্যুয়েল না । সেই উপন্যাসের পটভূমির সাথে সংযুক্ত থাকলেও সংযোগ থাকার জন্য যে আবহ তা যেন খানিকটা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে পরের ক্ষণে । তাই শুধু মাত্র ‘অক্টোবর রেইন’ ছাড়া যদি এই উপন্যাসিকা পড়তে হয়, তবে অবশ্যই পড়া যাবে । বুঝতেও সুবিধা হবে । তবে অক্টোবর রেইন এই উপন্যাসিকার রাস্তা আসলে । যে রাস্তা ধরে এগিয়ে যেতে গিয়ে নতুন রাস্তা ধরে প্রশংসা পেয়েছে সেদিন অক্টোবর । অবশ্যই এটি একটা ভালো দিক এই বইটির । √এই উপন্যাসিকার শুরুর পটভূমিতে তেমন আবহ পাচ্ছিলাম না আমি । যা অবশ্যই আমার জন্য একটু সমস্যার ছিল । আমি পাঠক হিসেবে পটভূমিতে আবহ পছন্দ করি । যে আবহতে জীবনধারা এগিয়ে যাবে, ভালোবাসা নিয়ে ভেসে থাকবে সেই আবহে । সেই আবহে মুগ্ধ হবো আমি । তবে যত গল্প এগিয়েছে, আবহ এসেছে । অক্টোবরের সৌন্দর্য তত ফুটে উঠেছে পটভূমিতে, পটভূমির সাথে খাপ খাওয়াতে জীবনধারাতেও । আর সেজন্য গল্পে হঠাৎ করে আবহ আসায় জীবনধারায় এসেছে একের পর এক আপেক্ষিকতা । যে আপেক্ষিকতা গল্পে মোড় দিয়েছে । কখনও তা বেশ ভালো লেগেছে, কখনও তা নাটকীয়তা মনে হয়েছে । তবে সব মিলিয়ে বেশ ভালোই লেগেছে । √প্রতিটি লেখকের জীবনের গল্পের সবথেকে জোরালোতম বিষয়টি হলো চরিত্র গঠন । যে লেখক গল্পের আদলে চরিত্রকে যত সুন্দর ভাবে খাপ খাওয়াবে সেই লেখক ততটাই সেই গল্পটিকে পাঠক মনে ভালো লাগাতে পারবে । এখানেও চরিত্র গঠন বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল । যদিও এটার সাথে সংযুক্ত পূর্ববর্তী একটি উপন্যাস ছিল, তাই বোঝার সুবিধার্থেই অক্টোবরকে নির্দেশ করা ‘সেদিন’ এর জন্যই পার্শ্ববর্তী চরিত্রগুলোকে তেমন ভাবে উপস্থিতি দেখানো না হলেও তারা আবহ জুড়ে বেশ ভালো ভাবেই ছিলেন । যা বেশ চমকপ্রদ । শুরুর দিকে আরশানের মানসিকতা এবং তার আত্মকথনের নিঃসঙ্গতা বেশ অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । সকালের নিস্পৃহতা কিংবা উদাসীনতা গল্পে বেশ সুন্দর ভাবে দেখানো হয়েছে । তাই সব মিলিয়ে তাদের উপস্থিতি বেশ অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কখনও সকালের মা’কে উপস্থিতিতে অসঙ্গতিপূর্ণ মনে হয়েছে । ♦প্রিয় অংশঃ এই উপন্যাসিকায় আরশানের নিঃসঙ্গতা বেশ অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । এই নিঃসঙ্গতার সুর উপন্যাসিকায় আলাদা ভাবে আবেশিত করেছে । নতুন এই মোড় উপন্যাসে ভালো লাগা বাড়িয়ে দিয়েছে । ৪৭তম পৃষ্ঠাটি কারো নিঃসঙ্গ জীবনের একাকীত্বে পাঠক হিসেবে আমার কাছে বেশ ভালো লাগার মতো । তাছাড়া ৫২-৫৩ পৃষ্ঠাটির আবহ এবং শব্দগুলো কি সুন্দর, কি মায়া দিয়ে ঘেরা । ওই বেহালার সুর আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে । তাছাড়া বাকি উপন্যাসিকার কিছু কিছু জায়গা ভালো লেগেছে । আবার কিছু কিছু জায়গায় কিছু সময়ের জন্য মনে হয়েছে এখানে ভালো লাগছে না । সকালের ভালোবাসার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ঘেরা মুহূর্তগুলোও বেশ ভালো লাগার মতো জুড়ে ছিল । সাথে হরিণডাঙার সেই প্রকৃতি কিংবা অক্টোবরের ক্ষণিকের সৌন্দর্য পাঠক মনে মুগ্ধতার সৃষ্টি করে । ♦অন্যান্য বিষয়ঃ এবার অন্যান্য বিষয়ে আসি । √প্রকাশনীঃ প্রকাশনী হিসেবে আজব প্রকাশ এর বই আমার আগে তেমন একটা পড়া হয়নি, এটিই প্রথম । তাদের প্রকাশনী হিসেবে সবথেকে ভালো লাগার যে বিষয়টি তা হলো পৃষ্ঠা বাইন্ডিং এবং পৃষ্ঠার ধরন । অসাধারণ সুন্দর পৃষ্ঠার ধরন এবং পৃষ্ঠার ঝরঝরে ভাব । তবে এই বইটির মুদ্রিত মূল্য হিসেবে বই এর আকৃতি আমার কাছে বেশ হতাশার মতো । পকেট সাইজ এর এই আকৃতির বইটির মুদ্রিত মূল্য দেখে অথবা ছোট্ট উপন্যাসিকার ধরন আমার কাছে খুব একটা পছন্দনীয় নয় । আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বেশ কিছু টাইপিং মিস্টেক আছে বইটিতে । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ ‘সেদিন অক্টোবর’ লেখক হিসেবে ওয়াসিকা নুযহাত এর দশম বই । যার অক্টোবর রেইন এর সাথে সংযোগ স্থাপন থাকলেও এটিকে আলাদাভাবেই পাঠক মনে স্থান নিতে পারবে । লেখকের আগের প্রতিটি উপন্যাস আমার সংগ্রহে থাকলেও সব কয়টি পড়া হয়নি আমার । তার মধ্যে হৃদয়াক্ষী আমার অধিকতর প্রিয় একটি উপন্যাস ছিল । যা আমি এখনও মাঝে মাঝে পড়ে থাকি । ওটা পড়ার পরেই আমার মনে হয়েছে, উক্তিবিহীন ওই আত্মকথনে বর্ণনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি লেখক অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেন । এই উপন্যাসিকাতেও লেখক তাই করেছেন । তবে মাঝে মাঝে প্রকৃতি এসে থাকলেও প্রথম দিকে আমি আবহকে খানিকটা না পেয়ে অপেক্ষায় থেকেছি । তাই তার প্রকৃতির বর্ণনা কিংবা বর্ণনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি বেশ অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন তিনি । ♦রেটিংঃ ৪/৫ । ♦উপসংহারঃ অক্টোবর রেইন নামক উপন্যাসের মায়ায় আচ্ছন্ন থেকে নয়, তার পাশাপাশি দাঁড়িয়ে অক্টোবর রেইন নামক সেই মোমবাতির আলোতেই অন্য আরেকটু অন্ধকার জায়গাকেই আলোকিত করার বইটির নাম সেদিন অক্টোবর । যা বেশ আলোকিত করে জায়গা অনেকখানি আলোকোজ্জ্বল করেছে । এই পৃথিবীতে সবাই প্রকৃতিতে মজে যায়, কেউ আবছায়ায় কেউ বা অদৃশ্যে, কেউ ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে । ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে ভালোবেসে প্রকৃতিতে মজে গিয়ে দুই নারী পুরুষের প্রেম রসায়নের রূপকে প্রকৃতি অক্টোবরের সৌন্দর্যে ভেসে আসা সম্পর্কের নতুন ধাপে তাই ভালোবাসায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে । কেউ থাকুক বা না থাকুক, হরিণডাঙার শেহজাদির ভালোবাসার সৌন্দর্যের অক্টোবরে তাই থেকে গেলাম ।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

দুঃখিত, কোনো প্রশ্ন উত্তর পাওয়া যায়নি।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)