

Buy পুফি Online in Bangladesh
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
- Author: হুমায়ূন আহমেদ
- Publisher: অনন্যা
- Isbn: 9847010504606
- Number Of Pages: 103
- Language: বাংলা
- Edition: 6th Printed, 2015
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা একাটা ধবধবে শাদা বিড়াল। লেজটা কুচকুচে কালো। অন্য বিড়ালদের সঙ্গে তার কোনো তফাৎ নেই। সে আরাম করে সোফায় শুয়ে ঘমায়। হাই তুলতে তুলতে টিভিতে হিন্দি সিরিয়াল দেখে।তার প্রিয় সিরিয়াল “ইহা মে ঘর ঘর খেলি।” বিড়ালটার একটাই সমস্যা, ক্যামেরায় তার ছবি আসে উল্টা, মিরর ইমেজ। ভূমিকা শুরুতেই সাবধানবাণী, এটি কোনো শিশুতোষ বই না। পুফি নামের কারণে অভিভাবকরা অবশ্যই বিভ্রান্ত হয়ে তাদের ছেলেমেয়েদের এই কিনে দেবেন না। পুফিতে এমন সব বিষয়ের অবতারনা করেছি যা থেকে শিশু কিশোরদের একশ হাত দূরে থাকা প্রয়োজন। ব্যাখ্যার অতীত জগৎ আমার অতি প্রিয় বিষয়। পুফিকে নিয়ে ব্যাখ্যার অতীত গল্পই লিখতে চেষ্টা করেছি। আমার নিজের মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা যে জগতে বাস করছি সেটাইতো ব্যাখ্যার অতীত। বাইরে থেকে পুফি আনার প্রয়োজন কি ? কথাটা ভুল না। হুমায়ূন আহেমেদ দখিন হাওয়া।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

Good book and nice quality.
মিসির আলি সিরিজের অন্যতম সেরা একটা বই
অনেক ভালো একটা বই।
fabulous !

‘পুফি’ হুমায়ূন আহমেদ পার্সোনাল রেটিং: ৯/১০ অনেক দিন আগে আমার এক বন্ধু বইটা কেনে বইয়ের ভূমিকাতে লেখা একটা লাইন দেখে- পুফিতে এমন সব বিষয়ের অবতারণা করেছি যা থেকে শিশু কিশোরদের একশ হাত দূরে থাকা প্রয়োজন। তো ওর পড়া শেষে আমিও বইটা পড়তে চাই। যখন ওর কাছ থেকে বইটা নেই, ও বলে, ‘মামা, বইয়েতো তেমন কিছুই নাই, পড়ি মজা পাইলাম না।’ তাও পড়ার জন্য নেই। তখন পর্যন্ত বইটাকে নিয়ে আমার এক্সপেক্টেশন অনেক কমে যায়। কিন্তু বইটা পড়া শেষে, It just blew my mind. আমার মনে হয়, আমার পড়া, দেখা বা শোনা সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার গল্পের মধ্যে অন্যতম একটা গল্প পুফি। গল্প সম্পর্কে যদি হালকা ধারণা দেই তবে, জোয়ার্দার সাহেবের সাথে ছোটবেলায় ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার কারণে পশু পাখির প্রতি নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়। কিন্তু একদিন তার মেয়ে জন্মদিনে একটা বিড়াল উপহার পায়, নাম দেয় পুফি( যা আমি প্রথমে ভুলে পুকি পড়ি)। তার জীবনে পুফির আগমনে যা যা ঘটে তাকে কেন্দ্র করে গল্প এগিয়ে চলে। এর থেকে আর বেশি কিছু বলতে চাইতেছি না। গল্পটা প্রথমে শুরু হয় অতিপ্রাকৃত বা ভৌতিক টেস্ট নিয়ে, তারপর এর মূল জনরা প্রকাশ পায়। যদি একটু মনদিয়ে পরেন তবে বুঝবেন গল্পের বেশিরভাগ চরিত্রই মিস্টেরিয়াস। ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছানোর আগে পর্যন্ত বোঝার কোন উপায় নাই গল্পের মূল ভিক্টিম কে। ইনসেপসন মূভিতে বাস্তবতা আর স্বপ্নের মধ্যে পার্থক্য বোঝার জন্য নোলান সাহেব টোটেমের সাহায্য নিয়েছিলেন। ঠিক সেই টোটেমের মতো লেখক এখানে বিড়ালকে উপস্থাপন করেছেন। গল্পের বলের দিক এর ক্লাইম্যাক্স ( সব গল্পের হয় না)। এর শেষটা এই জন্য মাইন্ড ব্লোইং কারণ, আপনি যদি অতিপ্রাকৃতিকতায় বিশ্বাস করেন তবে শেষটা সহজে মেনে নিতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি বাস্তবিক মানুষ হয়ে থাকেন তবে কখনই দুই যোগ দুই পাঁচ মেলাতে পারবেন না। যদিও লেখক বলেছেন, পুফিকে নিয়ে ব্যাখ্যার অতীত গল্পই লিখেছি। তবে যারা তাত্বিক পদার্থবিজ্ঞান জানে বা অধিক আবেগী তারা হয়ত প্যারালাল ওয়াল্ড বা মাল্টিভার্সকে টেনে আনতে পারে। রাইয়ান আহমেদ।






















