প্রেমিকার কঙ্কাল
বই কালেকশন

Buy প্রেমিকার কঙ্কাল Online in Bangladesh

লেখক: নিশো আল মামুন

3.67
(6 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: নিশো আল মামুন
  • Publisher: তাম্রলিপি
  • Number Of Pages: 64
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2023
৳ 179৳ 20011% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

প্রেমিকার কঙ্কাল এক অদেখা জগতের গল্প। যে জগতের বা ভুবনের অভিজ্ঞতা আমাদের নেই।এই উপন্যাসটি লেখার সময় আমার সঙ্গে এমন একটা ঘটনা ঘটেছে যা এই উপন্যাসের মূল চরিত্র কমলের একটা ঘটনার সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে। পড়ার সময় বুদ্ধিমান পাঠক নিশ্চয় ধরতে পারবেন। অনেকেই আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন , প্রেমিকার কঙ্কাল আমার বা কারও জীবনের বাস্তব ঘটনা কি না? বড় বড় লেখকরা করতেন কি, গল্পের মধ্যে হটাত একটা সত্য ঢুকিয়ে দিয়ে লেখক নিজেই গল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যেতেন। এমন ভাবে লিখতেন যেন বাস্তব কোন ঘটনা। আমি যখন গল্প লেখি ,আমার মনে হয় আমি লেখালেখিটা শিখছি। প্রেমিকার কঙ্কাল ভ্রমণ কালে পুরোটা সময় আমি আপনাদের সঙ্গে থাকব।গল্পটা লেখার সময় আমি খুব আনন্দ পেয়েছি। আশা করছি আপনাদেরও ভালো লাগবে । প্রেমিকার কঙ্কাল উপন্যাসে আপনাদের নিমন্ত্রণ।

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

3.67
(6 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
17%
4
50%
3
17%
2
17%
1
0%
Suhrawardy Tasin
Suhrawardy Tasin ভেরিফাইড
27 Mar 2023

বইঃ প্রেমিকার কঙ্কাল লেখকঃ নিশো আল মামুন প্রথম প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ প্রকাশনীঃ তাম্রলিপি মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০টাকা পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৬৪ পৃষ্ঠা "ভিজে হয়ে আসে মেঘ এ-দুপুর চিল-একা নদীটির পাশে জারুল গাছের ডালে বসে বসে চেয়ে থাকে ওপারের দিকে।" জঙ্গলের ভিতরে প্রাচীর ঘেরা চন্দ্রমোহন বাবুর বাড়ীর সাথে বাঁধানো ঘাট। পরিস্কার টলমলে দিঘির পানিতে আকাশের ছায়া পড়েছে। দূরে নৌকায় জেলেদের বিড়ি টানার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। বিড়ির আগুন জ্বলছে নিভছে। হঠাৎ বাগানে একটা নারীমূর্তিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলো। বাগানে ছাতিম ফুলের তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘুটঘুটে অন্ধকারে ঘাটের কাছে চল্লিশ কি একচল্লিশ বছরের একজন পুরুষকে হারিকেন হাতে দেখা গেলো। লোকটার পরনে ধুতি পাঞ্জাবি, চেহারা উজ্জ্বল বর্ণ। বাতাসের ঝাপটায় তার হাতের হারিকেন নিভু নিভু করছে। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে মৃদু পায়ে একজন মেয়ে এসে দাঁড়ালো। হালকা ঘিয়ে রঙা লাল পাড় শাড়ির মেয়েটাকে তার স্ত্রী মনে হলো, এরপর অনেকক্ষণ দুজন মিলে গল্প করলো। কথার এক পর্যায়ে পুরুষ লোকটি তার স্ত্রীর গলা টিপে ধরলো তারপর ধাক্কা দিয়ে দিঘির পানিতে ফেলে দিল। এই কি সেই প্রেমিকা যে বার বার ফিরে আসে? এই প্রেমিকার জন্যই কি কাঁঠাল গাছটা থেকে কান্নার শব্দ আসে? সেকি প্রেতাত্মা নাকি সবই মানব মনের ভ্রম? নিশো আল মামুুন যতটা লেখক হিসেবে পরিচিত ততটাই পরিচিত থিয়েটারে কাজ করে। ২০১৯ সালে বাংলা মৈত্রী লেখক সংসদ সাহিত্য পুরস্কার পান তিনি। উপন্যাসটি কমলকে নিয়ে অগ্রসর হলেও এতে অজ্ঞাত এক রমনীর কঙ্কাল নিয়ে কাহিনির রহস্য পাকিয়েছেন লেখক । তাই প্রেমিকার কঙ্কাল উপন্যাসের যথার্থ নামকরণ বলাই যায়। আলোচনাঃ গল্পের শুরু হয়েছে কমল নামের একটি ছেলের চোখে প্রকৃতির বর্ণনায়। সিরাজুল ইসলাম নামের একজন বায়োলজি অধ্যাপকের কাছে চাকরি করে সে। জাতীয় সংসদের কাছে একটি চকচকে ঘড়ি পেলে উপন্যাসে রহস্য জাল বিস্তার ঘটতে থাকে । ধীরে ধীরে কাহিনির বিস্তৃতির সাথে কমলের সাইকিক ক্ষমতার বিষয়গুলো চলে আসে। সে দেখতে পায় ঘড়িটা একজন পঞ্চাশ বছরের মানুষের এবং তার একটা মেয়েও আছে। পরবর্তীতে সে ওই লোকের ঠিকানাতেই ঘড়ি পৌছে দিয়ে আসে। লেখক কমলের স্বপ্নের মাধ্যমে পরাবাস্তব জগৎ সৃষ্টির প্রয়াস চালিয়েছেন যেটা পাঠকের মনকে বিভ্রান্ত করবে বইটা সায়েন্স ফিকশন নাকি অতিপ্রাকৃত উপন্যাস। ভিন্নগ্রহের কারোর সাথে যোগাযোগের বিষয়টা ভাল লেগেছে তবে পরে এগুলার সাথে মূল কাহিনির কোন সম্পর্ক খুঁজে পেলাম না🤕। কমলের চরিত্রটি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক অন্যদিকে সিরাজুল ইসলাম চরিত্রটির বর্ণনায় খামতি ছিল। মাঝে মাঝে অনেক দার্শনিক কথা, বিজ্ঞান সম্পর্কিত আলোচনা উঠে এসেছে বইয়ে। বইয়ে প্রকৃতির বর্ণনাগুলা খুব সুন্দর সাজিয়ে লেখা কিন্তু হররের অংশ সে বিচারে বেশ কমই বলা যায়। এই অংশটা আরেকটু বাড়তি যদি লিখতেন ভাল লাগতো। কমলের প্রেমিকা শবনম ও তাকে ঘিরে রহস্যের সাথে নারায়ণ বাড়ির সম্পর্ক কি সেটা বলবো না, প্রেমিকার কঙ্কাল বলতে নিষেধ করেছেন 💀। আরেকটা বিষয় খটকা লেগেছে যে সিরাজুল ইসলাম কিভাবে কঙ্কালটা পেলেন? এটার রহস্যই বড় রহস্য থেকে গেলো। এটা লেখকও বলেননি। তাই আমিও নিরুপায় 😐। কেউ বুঝতে পারলে জানাবেন। তবে লেখকের গল্প বলার ধরণ ভালই লেগেছে। সহজ সরল গদ্যে কাহিনি তরতর করে এগিয়েছে। তার লেখায় হুমায়ুনীয় প্রভাব অনেক লক্ষ্যনীয়। গল্পের শুরুর অংশে ভয়ের রেশ কম ছিল, শেষের অংশে ছিল বেশি । যারা প্রচুর অতিপ্রাকৃত উপন্যাস পড়েন তাদের কাছে সহজপাঠ্য লাগতে পারে। আর যারা ভূতের ভয় পান তাদের জন্য বইটা ভাল 😀। বইয়ের কাগজ, বাঁধাই খুব ভাল মানের ছিল। প্রচ্ছদটাও সুন্দর তবে কঙ্কালটা না দিলে আরো ভাল লাগতো। তাম্রলিপির অন্য বইয়ের দাম হিসেবে এটা বেশ সহজলভ্য ছিল।👌 রেটিংঃ ৭/১০

Tabassum
Tabassum ভেরিফাইড
08 Mar 2023

বইঃ প্রেমিকার কঙ্কাল লেখকঃ নিশো আল মামুন প্রকাশনঃ তাম্রলিপি মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ পৃষ্ঠাঃ ৬৪ আমাদের চেনাজানার বাইরে অনেককিছু ঘটে যার ব্যাখ্যা আমাদের নিকট থাকেনা। কিছুটা অলৌকিক ভাবে ভেবে নেই সে সমস্ত ঘটনা আসলে আমাদের মধ্যে যে শক্তি রয়েছে, তা বাহ্যিক নয়, বরং আন্তরিক। অন্তরের অলৌকিক শক্তির সঙ্গে আমাদের প্রত্যেকের 'রিশতা'ই আছে। আমরা অনেককিছুই অনুমান নির্ভর বলতে পারি।কিংবা ভাবতে পারি। রহস্যময় পৃথিবীতে রহস্যর লীলাখেলা ধরা কঠিন। লেখক নিশো আল মামুন এর উপন্যাস “প্রেমিকার কঙ্কাল” উপন্যাস ঠিক তেমনি। উপন্যাসের কাহিনী সংক্ষেপঃ ঝংকার তুলে হাসির শব্দ হলো সমস্ত ঘরময় সে হাসির শব্দে ভেসে বেড়াতে লাগলো। কেউ একজন বিছানার পাশে বসলো,কমলের গা ছমছম করে উঠলো। ছমছম করারই কথা ভূতুড়ে এক বাড়ির চিৎকারের রহস্য সমাধানে এসেছে। রহস্য না বলে অতিপ্রাকৃতের সন্ধানে এসেছে বলাই শ্রেয়। বাড়ির নাম মধুবালা! কমলের সঙ্গে এসেছেন সিরাজুল ইসলাম। যেখানে রাতে নিকষ অন্ধকারে শাড়ি পড়া এক মেয়ে ও এক পাঞ্জাবি পড়া পূরুষের সাথে ফিসফিস করে কথা বলছে। হঠাৎই পুরুষটি মেয়েটির গলা টিপে ধরে ধাক্কা দিয়ে দিঘিতে ফেলে দিল। আচমকা এই অদ্ভুতুরে কাণ্ডকীর্তি দেখে কমল ভাবতে লাগলো কে এই মেয়ে?মধুবালার সাথে তার কি সম্পর্ক?কেনো রাতের বেলা কান্নার শব্দ পাওয়া যায়?? জানতে হলে পড়তে হবে প্রেমিকার কঙ্কাল। পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ প্রেমিকার কঙ্কাল আদতে এক অদেখা জগতের গল্প। যে জগতের বা ভুবনের অভিজ্ঞতা আমাদের নেই। আগেও বলেছি আমাদের চেনাজানার বাইরে অনেক কিছু ঘটে যার ব্যাখ্যা আমাদের নিকট থাকেনা। কিছুটা অলৌকিক ভাবে ভেবে নেই। উপন্যাসে কমলের সাথে প্রাথমিক ভাবে এমন কিছু ঘটতে থাকে যার কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়না। লেখক নিশো আল মামুন এখানে সাইন্সফিকশনের কিছু ধারা অব্যাহতি রেখেছেন। কমলের সাইকিক ক্ষমতার বিষয়গুলো লেখক কিছুটা ধোঁয়াশার মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। ঘড়ি পাওয়া ও ঠিকানা খুঁজে সেটা ফেরত দেয়া। রোজ রাতে অদৃশ্য কারো সাথে কথা বলা। তবে উপন্যাসের প্রথমাংশে এটার যোগসাজোগ পরবর্তী আছে মনে হলেও কোন যোগ ছিলোনা। উপন্যাসে তিনটা ধারা একই সাথে উপস্থাপন করে লেখক লিখে গেছেন। এলিয়েনি প্রভাব, সাইকিক কিংবা নিজস্ব কিছু ক্ষমতার ব্যবহার,অলৌকিক কিছু উপস্থিতি। মধুবালা বাড়িতে যখন কমল ও সিরাজুল ইসলাম অতি প্রাকৃতির সন্ধানে পৌঁছেছেন ওই।পর্বটা খুব আগ্রহ জাগানিয়া ছিলো। শেষে উপন্যাসে ঠিক যেমনটা ভাববে পাঠক তার উল্টো টুইস্ট রেখেছেন। এখানে নিশো আল মামুন কে সত্যিই প্রশংসা করতে হয়। লেখনশৈলীঃ প্রেমিকার কঙ্কাল উপন্যাসের সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক ছিলো লেখকের লেখনী। বিভিন্ন জায়গার বর্ণনা সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন। বিশেষ করে চন্দ্রমোহনের বাড়ির আশেপাশ পরিবেশের বর্ণনা এতো নিখুঁত ভাবে বর্ণনা করেছেন যেনো চোখের সামনে শান বাঁধানো ঘাট, বিভিন্ন পদের খাবারের বর্ণনা ও সুন্দর করে দিয়েছেন লেখক। প্রোডাকশন কোয়ালিটিঃ বইয়ের প্রোডাকশন কোয়ালিটি খুবই সুন্দর। পাতাগুলো বেশ প্রিমিয়াম ফিল হয়। বেশ ভারী ও বাদামী। বইয়ের প্রচ্ছদ টাও খুবই সুন্দর। আশা করছি আপনাদেরও ভালো লাগবে । প্রেমিকার কঙ্কাল উপন্যাসে আপনাদের নিমন্ত্রণ।

Rima Sultana
Rima Sultana ভেরিফাইড
24 Feb 2023

গল্পটা ঠিক কেমন লেগেছে এখন তা বলবো না। আগে একটা গল্প বলি শুনেন,,, সিরাজুল হক জানালার পাশে ইজি চেয়ারে আধশোয়া হয়ে টোব্যাকো পাইপ টানছেন। ধোঁয়ার সঙ্গে চেরিফুলের গন্ধ বের হচ্ছে। অনেকক্ষণ পরপর টোব্যাকো পাইপে টান দিচ্ছেন। তার মাথায় একের পর এক চিন্তা আসছে। কোনো চিন্তাই বেশিক্ষণ স্থায়ী হচ্ছে না,তার ভালোই লাগছে। এই মুহূর্তে তিনি গাছ সম্পর্কে ভাবছেন। তার ধারণা,বিপুল সৃষ্টজগতে যত গাছ আছে তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের যোগাযোগ আছে। জ্ঞানের লেনদেনও করে। আবার একেক গাছ একেক রকম অনুভূতি ছড়িয়ে দেয়। গাছের এই বিশাল ক্ষমতা মানুষ এখনো ধরতে পারেনি। এই গাছের সূত্র ধরেই এগিয়ে যায় গল্পের মূল প্লটটি আর সেই সাথে তৈরি করে নতুন কিছু রহস্য। কখনও কি কেউ দেখেছেন বা শুনেছেন গাছের কান্নার শব্দ? গাছের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কোনো নীল প্রাণী সে কি মানব না-কি ভিন্ন জগতের কোন কিছু? প্রেমিকার কঙ্কালই বা আসলো কোথা থেকে কি এই বইটির নামের রহস্য? ⭕ পাঠ প্রতিক্রিয়া : “প্রেমিকার কঙ্কাল” বইটির রচয়িতা নিশো আল মামুন গল্পটি নিয়ে জম্পেশ রহস্য তৈরি করেছেন। কখনো মনে হয়েছে অতিপ্রাকৃত, আবার লেগেছে সাই-ফাই,হুট করেই মনে হয় গোয়েন্দা রহস্য এই যে কিছু জায়গা পরপর ভিন্ন ভিন্ন একেকটা স্বাদের সাথে পরিচয় করানোর খেলাটা মন্দ নয়। এখানে আমি তার লেখায় হুমায়ুন আহমেদ স্যারের সৃষ্টি দুইটি চরিত্রের সাথে কমল ও সিরাজুল হক সাহেব এর চরিত্রের কিছুটা সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছি। যা একেবারে মন্দ না আবার খুব বেশিও ভালো না একদম মিডিয়াম। গল্প ফুটে ওঠে বর্ণনাশৈলীর মাধ্যমে আর আমার কাছে মনে হয়েছে এই বইয়ের বর্ণনা যতটা দেওয়া হয়েছে তার চেয়ে আর খানিকটা বর্ণনা কিছু জায়গায় আরও বিস্তারিত ভাবে দেওয়া চমৎকার ভাবে একটা সুন্দর পরিপূর্ণ উপন্যাস হয়ে উঠতো। এবং সম্পাদনার কাজেও আরেকটু লক্ষ্য রাখলে কিছু বানানের দিক ঘাটতিগুলো পূরণ হয়ে যেতো। সবশেষে আবার ফিরে যাই গল্পে,,, গ্ৰীষ্মের সমস্ত ফুল একসঙ্গে ফুটে উঠেছে। কৃষ্ণচূড়া,জারুল,মাধবীলতা,কাঠগোলাপ, হিমচাঁপা,জিনিয়া, কনকচাঁপা। দুই-এক জায়গায় স্বর্ণচাপা দেখা যাচ্ছে। সোনার মতো রং ছড়িয়েছে। গ্ৰীষ্ম-- ফুলের পসরা সাজিয়ে বসেছে। সুবাস ছড়িয়ে দিচ্ছে। বাতাসে মিষ্টি গন্ধ! আগুনঝরা কৃষ্ণচূড়া লাল ফুলের ভিড়ে হঠাৎ হঠাৎ উঁকি দিচ্ছে জারুল। বেগুনি রঙের প্রাচুর্যে পথিককে স্বাগত জানাচ্ছে। জীবনানন্দ দাশের কবিতা মনে পড়ছে__ “ভিজে হয়ে আসে মেঘ এ-দুপুর চিল একা নদীটির পাশে জারুল গাছের ডালে বসে বসে চেয়ে থাকে ওপারের দিকে;” বই : প্রেমিকার কঙ্কাল লেখক : নিশো আল মামুন প্রচ্ছদ : মোস্তাফিজ কারিগর জনরা : সাইকোলজিক্যাল হরর প্রকাশ কাল : ফেব্রুয়ারি ২০২৩ প্রকাশনী : তাম্রলিপি পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৬৪ মুদ্রিত মূল্য : ২০০৳

Mehrin Huque
Mehrin Huque ভেরিফাইড
01 Sep 2023

খারাপ না। তবে যতটা রহস্য চাইছি কাহিনী অনুযায়ী বর্ণনা বেশি ছিলো।

Mohasina Akter Sithy
Mohasina Akter Sithy ভেরিফাইড
22 Feb 2023

জয় পরাজয় নিয়ে মানুষের জীবন। জয়ের মধ্যে যেমন আনন্দ আছে, কিছু কিছু পরাজয়ের মধ্যেও আনন্দ। ক্ষমা এবং সমাপ্তির আনন্দ… নিশো আল মামুনের প্রেমিকার কঙ্কাল বইটি একটি আধো রহস্য আধো প্রেমের গল্প। ঠিক যেন শীতের সকালে কুয়াশার জন্য স্পষ্ট- অস্পষ্ট এক মায়া জড়ানো রহস্য তৈরি হয় চারপাশে! নদীর তীর ঘেঁসে চমৎকার বিশাল এক বাগানে ঘেরা এক বাড়ি “মধুমালা” । বাড়িটির প্রতিটি কোণেই রয়েছে রহস্য। জারুল, জাম, কাঁঠাল, আম গাছের পাশাপাশি রয়েছে জুঁই, বেলি, কাঠগোলাপের মতো সুগন্ধি ফুলের গাছও। সেই বাড়িতেই গবেষক সিরাজুল হকের সাথে কমলের আগমন ঘটে। নদীর তীরের শীতলতা এবং বাগানের ছায়ায় লুকিয়ে থাকা রহস্য কমল এবং সিরাজুল হককে আলোর খোঁজে পরিচালিত করে। সেই বাড়িতেই এক রাতে যোগসূত্র তৈরি হয় বাস্তব পৃথিবীতে জীবিত যুবক কমলের সাথে রহস্যময় এক অচেনা অদেখা এক জগতের বাসিন্দার। যে জগতের বা ভুবনের অভিজ্ঞতা আমাদের নেই। কে সেই বাসিন্দা? মায়াময় একটি কঙ্কাল শুধু তার রয়ে গেছে পৃথিবীর বুকে। শবনম? সে কি আলো নাকি আরেক অন্ধকার? সেই কঙ্কাল দেহে কার কায়া ফুটে উঠেছিল এক সময়? কি যোগসূত্র কমলের সাথে তার? নিশো আল মামুন এর “প্রেমিকার কঙ্কাল” বইটি পড়ার পর পার্থিব- অপার্থিব জগতের মিশেলে অদ্ভুত এক মোহাচ্ছন্ন অনুভূতি হতে বাধ্য।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

প্রশ্ন

বইটির ই-বুক কখন পাব?

উত্তর

প্রিয় গ্রাহক, দুঃখিত, বইটির ই-বুক পাওয়া যাবেনা।

প্রশ্ন

বইটির ই-বুক কখন পাব?

উত্তর

প্রিয় গ্রাহক, দুঃখিত, বইটির ই-বুক পাওয়া যাবেনা।

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)