

Buy পিছুটান Online in Bangladesh
লেখক: ইতি চৌধুরী
- Author: ইতি চৌধুরী
- Publisher: বইবাজার প্রকাশনী
- Isbn: 9789849509257
- Number Of Pages: 479
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2021
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
গভীর ভালোবাসার সম্পর্ক গুলো অনেক সময় পরিস্থিতির কাছে হেরে যায়। সেক্ষেত্রে অনেকেই বিপরীত মানুষটাকে প্রতারক, বেঈমান আখ্যা দিয়ে এগিয়ে যায় জীবনের পথে। ভালোবাসার সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেলেই বুঝি একে অপরকে দোষারোপ করতে হবে? চাইলেই তারা একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকতে পারে আজীবন। একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকতে পারে একে অপরের পাশে। এই সম্পর্কে কোন নষ্টামি থাকে না। থাকে একান্তই একে অপরের জন্য শুভকামনা। মনের গহীন কোণে কোথাও থেকে যায় একে অপরের প্রতি পিছুটান
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

#পিছুটান #পাঠ_অনূভূতি ♦এক নজরেঃ •উপন্যাসের নামঃ পিছুটান •লেখকঃ ইতি চৌধুরী •ধরনঃ রোমান্টিক •প্রকাশনীঃ বইবাজার প্রকাশনী •প্রচ্ছদঃ সাদিতউজজামান •মুদ্রিত মূল্যঃ ৮০০ •পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪৭৯ •প্রকাশকালঃ মার্চ ২০২১ লেখনীতেঃ রিফায়াত হাসান সাকিব ♦ভূমিকাঃ পৃথিবীতে স্মৃতিচারণ করার জন্য মানুষের যে মনটা থাকে, সেই মনটিতে স্মৃতিচারণ, পূর্বের কিছু ভাবার জন্য বোধহয় মনের একটা কোণে নির্দিষ্ট একটু জায়গা থাকে । যে জায়গা জুড়ে বলতে থাকে, মনের এই জায়গাটুকুতে শুধু আমিই নিলাম । যে জায়গাটিতে আমি পুরো জীবনজুড়ে ঘটে যাওয়া সব অতীত স্মৃতি নিয়ে ভেবে যাবো । স্মৃতিচারণ করার জন্য কল্পনাগুলোকে নিজের কাছে আমার প্রিয় মনে হয় । মানুষ সুখে কাঁদুক বা দুঃখে কাঁদুক, তাদের পুরোটা জীবন জুড়ে শুধু স্মৃতিরাই থাকে । যারা তাদের অনুভূতি দিয়ে যায় পুরো মন জুড়ে । ♦পারিপার্শ্বিক দিকঃ এই বইটি পড়বো আমি অনেকগুলো দিন ধরে ঠিক করে রেখেছিলাম । কিন্তু কবে পড়বো তা নিজেও জানতে পারিনি । তবে পড়ার জন্য যে সময় দরকার, তাতে আমার বারবার মনে হতো এই বইটা পড়ার জন্য আমার অনেকগুলো সময় দরকার, অনেকখানি অনুভূতি দরকার, কিছুটা স্মৃতিচারণ দরকার । হঠাৎ করেই বছরের শেষ দিনের দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে মনে হলো আজকেই পিছুটান পড়বো । আজকের শেষ দিনটাই বোধহয় পিছুটান এর জন্য তৈরি । তাই সেই যে পড়তে শুরু করলাম বইটি, পড়তে পড়তে সময় কেটে গেল । এখন যখন উপন্যাসটি পড়া শেষ হলো, সময়টা রাত ৯টা ৩০ মিনিট । ♦নামকরণঃ প্রতিটি মানুষের জীবনের দিকে একটা সময় পরে ফিরে তাকালে জীবনের সফলতা, ব্যর্থতা, ভালো লাগা যেন ফিরে ফিরে আসে । ভালোবাসার মানুষগুলোকে পিছন ফিরে তাকালে সারি বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় । সবার জীবনে পিছুটান আছে । সেই পিছুটান পড়ে আটকে যাওয়া ভালোবাসা কখনও পরিস্থিতির জোরে পড়ে ছিন্ন হয়ে যায় । সেই ভালোবাসা তবুও মনের কোনো একটা কোণে ঠিকই আসন পেতে বসে যেন । পৃথিবীতে কোনো ধরনের ভালোবাসা এমন একটা জিনিস, তা যাই হোক না কেনো মন জুড়ে থাকবেই । তাই এই হারিয়ে গিয়েও কাছের থেকেও, দূরের না হয়েও পিছন ফিরে তাকানোর গল্পই বলে পিছুটান । ♦ফ্ল্যাপে লেখাঃ গভীর ভালোবাসার সম্পর্কগুলো অনেক সময় পরিস্থিতির কাছে হেরে যায় । সেক্ষেত্রে অনেকেই বিপরীত মানুষটাকে প্রতারক, বেঈমান আখ্যা দিয়ে এগিয়ে যায় জীবনের পথে । ভালোবাসার সম্পর্ক নষ্ট হয়ে গেলেই বুঝি একে অপরকে দোষারোপ করতে হবে? চাইলেই তারা একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকতে পারে আজীবন । একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে থাকতে পারে একে অপরের পাশে । এই সম্পর্কে কোনো নষ্টামি থাকে না । থাকে একান্তই একে অপরের জন্য শুভকামনা । মনের গহীন কোণে কোথাও থেকে যায় একে অপরের প্রতি পিছুটান । ♦প্রচ্ছদঃ প্রচ্ছদশিল্পী সাদিত ভাইয়া, নামটাই যেন একটি অন্যরকম বিষয় কোনো উপন্যাসের । তার একেকটি প্রচ্ছদ যেন একেকটা অনুভূতি । এই উপন্যাসেও অসাধারণ একটি প্রচ্ছদ তিনি উপহার দিয়েছেন আমাদের । তবে এই কাঠ, কাঠের তৈরি তক্তায় প্রচ্ছদটা যেন খুব মনে লেগে গিয়ে বসে । একেবারে মনের কাছাকাছি হওয়ার মতো প্রচ্ছদে যেন পিছুটান’কেই নজরে আসে । ♦উৎসর্গঃ এই উপন্যাসের উৎসর্গটা বেশ সুন্দর । আমার পড়ার সময়ে এত ভালো লেগেছিল পুরো উৎসর্গটা । যাকে উৎসর্গ করা হয়েছে তাকে যেভাবে বর্ণনা করা হয়েছে তাও বেশ অসাধারণ ভাবে ভালো লাগার মতো । ♦চরিত্র বিশ্লেষণঃ এই উপন্যাসে অনেকগুলো চরিত্র আছে । যাদের নিয়ে আলোচনা করতে ইচ্ছে করে । বলতে ইচ্ছে করে । কিছু কিছু চরিত্র নিয়ে বলবো, কিছু নিয়ে বোধহয় বলা হবে না । •অনন্তঃ অসাধারণ একটি চরিত্র । যার ভালোবাসা মুগ্ধ করেছে । পৃথিবী জুড়ে ভালোবাসার জন্য ভালোবাসা বিষয়টা বেশ সুন্দর ছিল । বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাবের একজন মানুষ । •ইতিঃ হাসিখুশি স্বভাবের সহজেই মিশে যাওয়া একজন নারী । যার ধৈর্য এবং মিষ্টি স্বভাব দিয়ে সবার সাথে মিশে যায় সে । ভালোবাসার মানুষটির জন্য কষ্ট করে যাওয়ার গুণ আছে তার । •রিসাঃ মনের মাঝে কিছু কিছু কষ্ট নিয়ে থাকা মানুষটি সহজেই ভালোবাসার মানুষটির পাশে গিয়ে দাঁড়ায় । তাকে সমর্থন করে যায় প্রতিটি মুহূর্ত । •রোদঃ রোদ হাসিখুশি স্বভাবের বন্ধুত্বপূর্ণ একজন মানুষ । যার অপেক্ষায় থাকা ভালোবাসা বেশ মুগ্ধ করে । ভালোবেসেও ভালোবাসার জন্য করা অপেক্ষায় সে জয়ী একজন মানুষ । ♦টুকিটাকিঃ এছাড়াও আরো কিছু চরিত্র আছে । যাদের চরিত্রগুলো উপন্যাসে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে । তিসান এর মতো বন্ধুত্বপূর্ণ একজন ভাই পাওয়া খুবই ভালো লাগার মতো একটি ব্যাপার । ঐশী এর বন্ধুর জন্য সব কিছুতে এগিয়ে আসা, পাশে থাকা বেশ মায়া বাড়িয়ে দেয় । রওশন আরা, এই মানুষটি অসাধারণ একজন মানুষ । যার মনের মায়া এবং ভালোবাসা দিয়ে তিনি উপন্যাসে কিছু সুন্দর সুন্দর মুহূর্ত এনেছেন । তাছাড়া এনামুল হক এর মতো বাবা পাওয়াও বেশ ভাগ্যের ব্যাপার । ♦প্রিয় চরিত্রঃ পিছুটান জুড়ে থাকা প্রতিটি চরিত্রই বেশ মায়া বাড়ায় উপন্যাসে । তবুও প্রিয় চরিত্র নামে কোনো বিভাগ থাকলে মনে হয়, কেউ তো থাকবেই যার জন্য একটু বেশি লিখতে হয় । কারো জন্য অনুভব একটু বেশি হয় । সেই উপলব্ধিতেই মনে হলো, অনন্ত তেমনই একজন মানুষ । ♦পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ √পিছুটান! এই উপন্যাসটি আমি যেদিন পড়েছিলাম ফেসবুকে । আমার তখন বারবার মনে হচ্ছিল এই উপন্যাসটি এত সুন্দর কেনো হতে হবে! আমার এখনও মনে আছে সেই সময় বোধহয় পিছুটান শেষ পর্বের আগের বা তার আগের পর্বটি চলে । আমি আরো আগে কেনো পিছুটান এর টের পাইনি তা নিয়ে শুধু ভাবছিলাম । যাহোক সেই পিছুটান আমার জন্য একটি স্মৃতিচারণ । আমি পিছুটান নিয়ে ভাবলেই বারবার মনে পড়ে, এই গল্পটি আমি বহুবার চেয়েছি বই হিসেবে আসুক । নিজের সংগ্রহে রাখার জন্য হলেও আসুক । যাহোক তারপর বই হিসেবে এসেছে, কিন্তু আমি নিতে পারছিলাম না । তবে অবশেষে একদিন নিতে পারলাম, এবং এই নেয়া যে আমার কাছে কতটা ভালো লাগার মতো তা আমার অনুভূতিরাই জানে । √এত বড় আকৃতির একটি বই এত তাড়াতাড়ি পড়া হয়ে গিয়েছে যা বেশ ভালো লাগার মতো একটা বিষয় । উপন্যাসের শব্দপ্রয়োগ বেশ ঝরঝরে ছিল, যা পড়তে বেশ ভালোলাগা দিয়েছে । সাথে উপন্যাসের পটভূমি এবং তা গড়ে থাকা জীবনধারাও উপন্যাসকে বেশ সেভাবেই এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে । উপন্যাসের কাহিনী ধাঁচ একই ভাবে উপন্যাস জুড়ে বয়ে গিয়েছে । তাই উপন্যাস পড়ার সময়ে আবহতে ভেসে যেতে সমস্যা হয়নি । তবে কোনো প্রিয় গল্পও বই হয়ে আসার পরে কিংবা আমার অনুভূতি অন্যরকম হয়ে গিয়েছে বলে অনেক কিছু ভাবতে ভালো লাগে । এই উপন্যাসের প্রায় বেশিরভাগ আবহতেই আমি নাটকীয়তা পেয়েছি । কিছু কিছু মোড়ে আমার মনে হয়েছে অতীব মাত্রায় নাটকীয় ভাব এসে গিয়েছে দৃশ্যপটে । অধিকাংশ জীবন জুড়ে বাস্তবতাকে ছাপিয়েও নাটকীয়তা গল্পে কিছু কিছু জায়গায় আমার অস্বস্তি বাড়িয়েছে । তবে বাস্তবেও কখনও কখনও নাটকীয়তা আসে । তা বেশ মনেও ধরে । তাই উপন্যাসটি সেভাবে কিছু কিছু জায়গায় ভালোই লেগেছে । √যদিও উপন্যাসের পটভূমি অনুসারেই চরিত্র গঠন এবং তাদের উপস্থিতি অনুসারেই জীবনধারার মাধ্যমে উপন্যাস সাজানো হয় তাই এই উপন্যাসের কাহিনী কিংবা পটভূমি অনুসারেই প্রতিটি চরিত্র এবং তাদের উপস্থিতি বেশ যথাযথ ভাবেই আনা হয়েছে । ♦অন্যান্য বিষয়ঃ এবার অন্যান্য প্রসঙ্গে আসি– √প্রকাশনীঃ আমার জন্য এই বিভাগটি খুবই অস্বস্তিকর সত্যি বলতে । আমি আজকে অনুভূতিতে প্রকাশনী বিভাগটির জন্য খুবই ভয়ে ছিলাম । বইবাজার প্রকাশনী এর বই পূর্বে আমার অনেকগুলো পড়া হয়েছে । তাদের কিছু কিছু বই আমার খুবই প্রিয় । তাই আমি কিছুটা হলেও হতাশ । বইতে প্রচুর পরিমাণে টাইপিং মিস্টেক আছে, যা সংখ্যায় এতই বেশি যে পড়তে অবশ্যই কিছু কিছু জায়গায় সমস্যায় ফেলেছে । তবে বইটির বাইন্ডিং এবং পৃষ্ঠা বেশ সুন্দর ভাবে সাজানো হয়েছে । সাথে অসাধারণ একটি প্রচ্ছদও তুলে ধরা হয়েছে । আশা করি পরবর্তী মুদ্রণে বইয়ের বানানের দিকটা দেখা হবে । ♦লেখক প্রসঙ্গেঃ লেখক ইতি চৌধুরী-এর সাতটি বই হলেও পিছুটান তার চতুর্থ উপন্যাস । যদিও আমি তার লেখা উপন্যাস আগেও কিছু পড়েছি, সাথে ফেসবুকেও কিছু পড়েছি । তাই তার লেখার ধরন আমার কাছে বেশ পরিচিত মনে হয় । তার শেষ যে বইটি পড়েছিলাম তা ছিল উর্বশী! যা সত্যিই অসাধারণ একটি উপন্যাস ছিল । আমার বেশ ভালো লেগেছিল । আমি তার সেই উপন্যাসে লেখার ধরনে সত্যিই মুগ্ধ ছিলাম । যদিও পিছুটান আমার পূর্বের স্মৃতিচারণ হিসেবে অসাধারণ কিছু মুহূর্তের সাক্ষী মনে হবে । কিন্তু পিছুটান অবশ্যই উর্বশী-এর আগের লেখা তা ভেবেই মনে হচ্ছে তার লেখা এখন আরো সুন্দর হচ্ছে । তবে এই উপন্যাসের পটভূমি বাছাই, কিংবা তা বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উপন্যাসের কাহিনীর গতি কিংবা সময়ক্ষেপণ এর জন্য যে আবহ তাতে আমার মনে হয়েছে বেশিরভাগ আবহই উপন্যাসে অতীব মাত্রায় নাটকীয় ভাব দিয়েছে আমাকে । কিছু কিছু মুহূর্তে আমার অস্বস্তিতে খারাপও লেগেছে । যাহোক তার পরবর্তী লেখার জন্য শুভকামনা রইলো । ইনশাআল্লাহ উর্বশী থেকেও ভালো লেখা পাবো ভবিষ্যতে । ♦রেটিংঃ ৩.২/৫ । ♦উপসংহারঃ পাঠক জীবনে কতকিছুই যে ঘটে যায় জীবনজুড়ে, তবুও কিছু উপন্যাস থাকে যা বোধহয় একটা সময়ে স্মৃতি বাড়িয়ে দেয়, অনুভূতি উস্কে দেয় । পিছুটান আমার কাছে সেরকম একটা উপন্যাস হয়ে থাকবে । এই উপন্যাস যখন ফেসবুকে গল্প হিসেবে এসেছিল, তখনই আমি জানতাম এটি বইতে পড়ে আমার বর্তমান পাঠকমন খুব একটা ভালো অনুভূতি পাবে না । কিন্তু তাও আমি এটি কিনেছি, কারণ আমার মন জানে, ভালোবাসা জানে পৃথিবী জুড়ে সুখের অনুভূতি পাওয়া সবকিছু মন ধরে রাখতে চায় । পিছুটান আমাকে অনেক অনেক সুখ দিয়েছে, আনন্দ দিয়েছে । সেই অনুভূতি বই হিসেবে পাওয়াটাই খুব প্রয়োজন ছিল আমার জন্য । পিছুটান আমার কাছে সেরকম কিছু হয়েই থাকুক, ভালোবাসার মতো কাছের হয়ে থাকুক ।

বইটা পড়ে আমার বেশ কিছু অনুভূতি হয়েছে। জানি না কতোগুলো তুলে ধরতে পায়বে। অনুভূতি ১. একটা মানুষ কিভাবে একটা মানুষকে ভালোবাসলে হাজারো মানুষের মাঝে তাকে হারিয়ে ফেলার কারনে কাঁদতে পারে। অনুভূতি ২. একটা মেয়ে কতোটা ভালো হলে অন্য একটি মেয়ের কথা ভেবে নিজের ভালোবাসাকে ছাড়তে পারে। অনুভূতি ৩. সেই মানুষটা অনেক মানুষের মধ্যে ছাড়া থাকতে পারতো না সেই মানুষটা নিজেকে ভালো রাখাতে দেশ ত্যাগ করতে পারে শুধু তার প্রিয়জনের থেকে দুরে থাকতে। অনুভূতি ৪. ইতি যখন তার প্রেগন্যাসিতে কমপ্লিকেশন জানতে পারে তার উচিৎ ছিল তার হাজবেন্ডকে জানানো। যদি এমনটা হতো ইতি মারা গেলো তার, বাচ্চা বেঁচে গেল। তখন সেই বাচ্চাটাকে মাহীন হয়ে বড়ো হতে হতো যদিও রিসা ছিল তারপরও। আপাতত আয় কোনো অনুভূতির কথা মনে পড়ে না। পরিশেষে, বইটা পড়ে আমার যা মনে হলো, আমরা পৃথিবীতে যত মানুষকেই ভালোবাসা কিনা অবশেষে আমাদের যার সাথে বিয়ে হয় আমরা তাকেই ভালোবাসতে শুরু করি। সেই ভালোবাসা হোক এক বছর বা দশ বছর আমায়, সবচেয়ে প্রিয় বই ""সেদিন ""লামইয়া চৌধুরীর। এরপরে প্রিয় বইয়ের তালিকায় "“পিছুটান"" বইটাও যোগ হলো। আমার জীবনে প্রথম একটা ফেইসবুকে নৌশিক আহামদ রৌদেলায় ""তোকে চাই" "গল্পটা পড়ে আমার চোখ থেকে পানি পড়ে ছিল। দ্বিতীয়, একটি উপন্যাস মৌরি মরিয়মের ""শিকদার সাহেবের দিনলিপি"" পড়ে মুখ কেঁদেছিলাম ছিলাম। আর তৃতীয় যেই বইটি ইতি চৌধুরিয় "“পিছুটান"" হ্যাঁ আমি এই বইটাও পড়ে কেঁদেছি খুব কেঁদেছি। ইতি চৌধুরী তুমি সার্থক তোমার পাঠক একজনকে অন্তত কাঁদিয়েছো। আশা করি, আগামীতেও তুমি আমার মত আরো অনেক পাঠক-পাঠিকাকে কাঁদিয়ে সার্থক হবে।
Onek shundor akta novel. I love this😍😍.

বনু3

পিছুটান লেখকঃ ইতি চৌধুরী পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ ভালোবাসা নামক শব্দটির সাথে কম-বেশি আমরা সবাই পরিচিত। কেউ হয়তো এক জীবন ভালেবাসার মতো মানুষকে পেয়ে ভালেবাসার প্রতিটি স্বাদ ও অনুভূতি অনুভব করছি। আবার কেউ কেউ হয়তো এই শব্দের যথার্থতা খুঁজে বেড়াচ্ছি। ভালোবাসার মানুষকে পেয়ে তার সাথে জীবনের প্রতিটি মূহুর্ত তার সাথে কাটানো যতটা না আনন্দের তার থেকে বেশি কষ্টের তাকে অগত্যা হারিয়ে সেই বাস্তবতাটাকে মেনে নেয়া। জীবনের এমন একটা সময় যখন পরম ভালেবাসার মানুষটার সাথে ঘর বাঁধার সকল স্বপ্নের পসড়া সাজিয়ে দুজন মানুষ অপেক্ষা করে, ঠিক তখনই কোনো এক অজানা ঝড়ে সবটা দুমড়ে-মুষড়ে শেষ করে দিয়ে যায়। কিন্তু, তাতেও কি মানুষটাকে ভুলা যায়? ভবিতব্য বলে নিজের জীবনে আরেকজন মানুষকে জায়গা দেওয়া যায়? জীবনে ভালেবাসা দেওয়া বা অন্যের ভালেবাসা মেনে নেওয়া কি এতোটাই সহজ? রোদ-ইতি আর অনন্ত-রিসা এই দুজোড়া ভেঙেচুড়ে যাওয়া মানুষের জীবন নিয়েই এই পুরো উপন্যাস। গতানুগতিক প্রেমটা এখানে নেই। আছে পাহাড়সম কষ্টকে সঙ্গী করে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া। আছে অপেক্ষাকৃত এক মানুষের তার মায়াবতীকে নিজের করে পাওয়ার অগাধ বিশ্বাস। এই দুজোড়া মানুষ একে অপরের সাথে বিবাহের মতো পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হলেও তারা কতটুকু পেরেছিলো একে অপরকে মেনে নিতে? আদৌ কি কোনোদিন জায়গা দিতে পেরেছিলো? এই দুনিয়াতে ভালেবাসার থেকেও শক্তিশালী দুটি শব্দ হলো মায়া আর অভ্যাস। এই দুটির মাধ্যমে একবার কারো প্রতি আাসক্ত হয়ে পরলে, আর হয়তো তা থেকে বের হয়ে আাসা যায় না। ভালোবাসার বাঁধন ছেড়ে পরিস্থিতির স্বীকার বা ভাগ্যের পরিহাসে বের হয়ে আাসা গেলেও মায়ার মোহ ত্যাগ করে যে আার আাসা যায় না। তারই প্রমাণ রোদ-ইতি এবং অনন্ত-রিসা। জীবনে আমরা যা ভাবি তা হয়তো সবক্ষেত্রে হয়না। হয় তাই যা আমদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ। নিজের ভালোবাসাকে বিসর্জন দিয়ে অতি সহজে হয়তো কাউকে আপন করে নেওয়া যায় না, ভালোবাসাও হয়তো যায় না কোনোদিন। তবে, সামনের মানুষের অগাধ ও নিষ্পাপ ভালেবাসার কাছে একসময় হার মানতেই হয়। নিজে না ভালোবাসলেও তার ভালেবাসায় নিজেকে ঠিকই আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলা যায় সারাজীবনের জন্য। পিছুটান কখনো শেষ হয় না, তা রয়ে যায় আজীবন কোনো এক অন্য মাধ্যমে। প্রিয় চরিত্রঃ শুধু মাত্র একটি চরিত্রকে আমার ভালে লেগেছে তা নয়। প্রতিটি চরিত্রকেই আমার অনেক ভালো লেগেছে এবং নিজেদের জায়গায় যাথার্থ্য মনে হয়েছে। বিশেষ করে বলতে গেলে আমার দুজোড়া মানুষকে ভালো লেগেছে। আর তারা হলো রোদ-ইতি আর অনন্ত-রিসা। দুজোড়া মানুষ বলার একটাই কারণ উপন্যাসের প্রেক্ষিতে তারা একে অপরের পরিপূরক। তারা একজনকে ছাড়া অন্যজন অসম্পূর্ণ। তাদের একে অপরের প্রতি অগাধ ভালোবাসা, বিশ্বাস, ভরসা, যত্ন, ত্যাগ, সম্মান ও একে অপরকে বুঝা এই প্রতিটি জিনিস তাদের একে অপরের পরিপূরক করে তুলেছে। প্রিয় লাইনঃ প্রিয় লাইনের তালিকায় অনেকগুলো লাইনই আছে তবে যে লাইনটা সবথেকে মনে দাগ কেটেছে তা হলো উপন্যাসের শেষ লাইন, "পিছুটানে কোনো সমাপ্তি হয় না, পিছুটান থেকে যায় আজীবন❤️"
প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)
Pichutan boita pre order korcilam . delivery kondin diben ?
দুঃখিত, বইটি এখনো প্রকাশিত হয় নি। বইটি হাতে পাওয়া মাত্রই কুরিয়ার করে দেয়া হবে।
Pichutan boita pre order korcilam . delivery kondin diben ?
দুঃখিত, বইটি এখনো প্রকাশিত হয় নি। বইটি হাতে পাওয়া মাত্রই কুরিয়ার করে দেয়া হবে।






















