অর্ধবৃত্ত
বই কালেকশন

Buy অর্ধবৃত্ত Online in Bangladesh

লেখক: সাদাত হোসাইন

3.32
(146 টি কাস্টমার রিভিউ)| স্টকে আছে
Highlights:
  • Author: সাদাত হোসাইন
  • Publisher: অন্যধারা
  • Isbn: 9789849431909
  • Number Of Pages: 384
  • Language: বাংলা
  • Edition: 1st Published, 2020
৳ 480৳ 64025% ছাড়
স্টকে আছে
উপলব্ধ প্রোমো কোডসমূহ:
দ্রুত ডেলিভারি
৭ দিনের রিটার্ন
১০০% অথেনটিক

পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)

"অর্ধবৃত্ত"বইটির প্রথম ফ্লাপের কিছু কথ: ‘তুমি আমাকে ভালােবাসােতাে? হ্যা বাসি। ‘কেন ভালােবাসাে? ‘অন্যরা যেমন বলে তেমন করে বলব, নাকি সত্যটা বলব? অন্যরা কেমন করে বলে? ‘এই ধরাে, ভালাে লাগে বলে ভালােবাসি। তােমার মতাে করে আমাকে আর কেউ বােঝে না। এইসব। তা তুমি কী বলবে? ‘আমি যেটা বলব, সেটা শুনলে তােমার খারাপ লাগবে।' মুনিয়া আচমকা যেন শক্ত হয়ে গেল। রাফির সঙ্গে তার সম্পর্কের সমীকরণটা গােলমেলে, যুক্তিহীন, বেহিসেবি। সে নিজেও জানে না অসম বয়সের এই তুমুল বিপজ্জনক সম্পর্কটা কেমন করে এই অবধি এলাে! মুনিয়া বলল, বলাে, শুনি? রাফি বলল, শরীরের জন্য। মুনিয়া যেন অকস্মাৎ কথাটা বুঝতে পারল না। তবুও তার সারা শরীর ঝিমঝিম করে উঠল। সে আর্তনাদের স্বরে বলল, কী! রাফি শান্ত এবং স্থির কণ্ঠে বলল, তােমার শরীরের জন্য আমি তােমাকে ভালােবাসি। মুনিয়া জানে না সে কী বলবে! তার কেবল মনে হচ্ছে। তার চারপাশের চেনা জগৎ, চেনা মানুষ, চেনা জীবন সকলই কাচের দেয়ালের মতাে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ছে। সে জানে, সে আয়নায় প্রসাধনীবিহীন মুখের রেখা আড়াল করতে চায়। কিন্তু পারে না। পলাতক প্রেমিকের মতােই ক্ষতচিহ্ন রেখে যাচ্ছে পলাতক সময়। পুরুষের কাছে ফুরিয়ে আসছে তার শরীরী আয়ু। রাফির কাছেও! দূরে তখন সূর্য ডুবছে। ফুরিয়ে আসছে আলাে। নিস্তেজ হয়ে আসছে ঝাঁজালাে দিন। খানিক বাদেই অন্ধকার নামবে। মুনিয়ার নিজেকে হঠাৎ ওই অস্তগামী সূর্যের মতাে মনে হতে লাগল। বিষন্ন, নিষ্প্রভ, একা। লেখকের কিছু কথা: জীবনের সবচেয়ে সহজ এবং জটিল সমীকরণের নাম সম্পর্ক। মানুষ জন্মায় সবচেয়ে সহজ সম্পর্ক নিয়ে। যেখানে ভান নেই, কপটতা নেই, জটিল সব হিসেব-নিকেশ, সমীকরণ নেই। কিন্তু বাকিটা জীবন সে জটিল থেকে জটিলতর সম্পর্কের গলিখুঁজিতে ঘুরে বেড়ায়। এই সময়ে সে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্ত হতে থাকে। তার কেবলই মনে হতে থাকে, সে তার চারপাশের জগত্তাকে চিনতে পারছে।কিংবা চিনতে পারছে না নিজেকেই। সম্পর্কের সংযােগ থেকেই শুরু হয় নানাবিধ সংকট। যে চার দেয়ালের ঘর বন্ধন তৈরি করে, সেই দেয়ালই আবার হয়ে ওঠে বিভেদের বেড়াজাল। তাহলে ‘অর্ধবৃত্ত’ আসলে কী? অর্ধবৃত্ত মূলত সেইসব সম্পর্কের সংযােগ, সংকট ও সমীকরণের গল্প। দেয়াল ও দ্বিধার গল্প। বিভেদ ও বন্ধনের গল্প। যার আদ্যোপান্ত জুড়ে রয়েছে জীবন। সম্পর্ক যদি জীবনের কেন্দ্র হয়, জীবন তবে বৃত্ত। প্রশ্ন হচ্ছে, সেই জীবন কী, পূর্ণ না অর্ধবৃত্ত? শেষের ফ্লাপের কিছু কথ: মহা বিপদ সংকেত! ঠিক এই মুহূর্তে পৃথিবীর প্রায় ১০ লাখ প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতি বিলুপ্তির হুমকিতে। ৪০ শতাংশেরও বেশি উভচর প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায়। ৮৫ শতাংশেরও বেশি জলাভূমি হারিয়ে গেছে। বন ধ্বংস হচ্ছে অবিশ্বাস্য ভয়াবহতায়। জাতিসংঘ হুঁশিয়ারি দিয়ে । বলেছে যে, পৃথিবীর প্রায় চার ভাগের একভাগ প্রজাতিই বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে মানুষের অপরিকল্পিত উন্নয়ন। কর্মকাণ্ডের ভয়াবহতায়। প্রকৃতির এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের মূল কারণ মূলত মানুষ। এখুনি সময় সতর্ক হওয়ার। এই মুহূর্তেই... যেদিন পৃথিবীর শেষ গাছটি কেটে ফেলা হবে, শেষ মাছটি ধরে ফেলা হবে। শেষ নদীটির জলও বিষাক্ত করে ফেলা হবে। শুধু সেদিনই মানুষ বুঝবে, টাকা খেয়ে বাঁচা যায় না...

রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)

3.32
(146 টি কাস্টমার রিভিউ)
5
50%
4
10%
3
20%
2
0%
1
20%
Sardar Arif Uddin
Sardar Arif Uddin ভেরিফাইড
21 Oct 2023

mবইঃ অর্ধবৃত্ত লেখকঃ সাদাত হোসাইন ক্যাটাগরিঃ উপন্যাস রিভিউয়ারঃ সরদার আরিফ উদ্দিন বেশ কমপ্লেক্স এক প্রেক্ষিত নিয়ে উপন্যাসটি লেখা হয়েছে যদিও পুরো দৃশ্যায়নটি আমাদের চেনা জানা, আমাদের প্রতিদিনের গল্প, কাহিনী, আমাদের আশা হতাশা, আমাদের জীবনের পরতে পরতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নানা উপাখ্যান। পুরো উপন্যাসে ২৬/২৭টি চরিত্র নির্মান করা হয়েছে, নানা সম্পর্কের আদলে, কিছু সম্পর্ক খুবই চেনা, আবার কিছু সম্পর্ক সমাজ স্বীকৃত নয় অথচ আমাদেরই জীবনে ঘটে যাওয়া গল্প। উপন্যাসের নাম রাখা হয়েছে “অর্ধবৃত্ত”, আক্ষরিক অর্থেই নামটি যথার্থতার দাবী রাখে। লেখক, তার উপন্যাসের বাক বদলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন, মানুষের জীবন মূলত একটি বৃত্তাকার রেখা, যে যেখান থেকেই শুরু করুক, সেই বৃত্তের মধ্যেই তার যাপিত জীবন, কেউ-ই জীবনে পুরো বৃত্তের জার্নি শেষ করতে পারে না, ফলে তা অর্ধবৃত্তই থেকে যায়। বৃত্তের মধ্যে থেকেই মানুষ সুখের অন্বেষণ করা, নানাভাবে, নানা কৌশলে, কখনো তা সমাজ, ধর্ম এবং তথাকথিত শিক্ষার শিকলে থাকা বিধিনিষেধ মেনে নিয়ে, আবার কখনো বা সমাজকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে লোক চক্ষুর অন্তড়ালে থেকে। উপন্যাসের যাত্রা শুরু হয়েছে একটি তিন প্রজন্মের যৌথ পরিবারের কাহিনী দিয়ে, পরে সেটা ডাল পালা গজাতে গজাতে আরো অনেক চরিত্রের উপস্থিতি ঘটেছে, তৈরি হয়েছে নানা সম্পর্কের জাল, বিস্তার হয়েছে নানাদিকে, কখনো মোড় নিয়েছে বাস্তবতার ভিত্তিতে রাজনৈতিক ধারা, কখনো অর্থনৈতিক জটিল হিসেব নিকেষ আবার কখনো বা সামাজিক শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে নিজ নিজ দর্শন চালিত সম্পর্কের জাল। আমাদেরই চারপাশে ছড়িয়ে আছে এমন যৌথ পরিবার, যেখানে বাবা-মা (আজফাল এবং মাছিদা), তার ৪ছেলে ২ মেয়ে, বড় মেয়ে (লাইজু) প্রবাসী, বড় ছেলে (আশফাক) একটু উদাসী টাইপের মানুষ অথচ তার পরিবারে আছে অসুস্থ স্ত্রী (হাফসা) এবং ২ মেয়ে, তার মধ্যে ১ মেয়ে (নাবিলা) অবিবাহিত এবং অন্যজন বিবাহিত (নাদিয়া) কিন্তু নাবিলার স্বামী (সাজ্জাদ) একজন বাউন্ডুলে, অত্যাচারী পুরুষ। পরিবারে দ্বিতীয় ছেলে (জাফর) তার স্ত্রী (মুনিয়া) এবং তাদের ১ মেয়ে (ঋদ্ধি), তৃতীয় ছেলে (রুবেল) উপন্যাসে যার অনুস্থিতি কিন্তু দ্বিতীয় মেয়ে (সেলিনা)-বিবাহ বিচ্ছেদের পর এই বাড়িতে তার অবস্থান এবং নানা ঘটন-অঘটনের জন্মদাত্রী। সবচেয়ে ছোট ছেলে (দিপু), এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, প্রেমিকাকে (সুমি) নিয়ে তার উচ্ছল জীবন। বিবাহ বহির্ভুত অনেকগুলো সম্পর্ক যার প্রায় সবগুলো আমাদের তথাকথিত সমাজ স্বীকৃত নয় অথচ এটাই বাস্তবতা। অসম বয়সী প্রেম কিংবা বিয়ে কোনটাই আমাদের সমাজ এখনো মেনে নিতে শেখেনি যদি নারী হয় পুরুষের চেয়ে বড় কিংবা প্রায় ডাবল বয়সী!! এই উপন্যাসে এমন একটি জটিল সম্পর্ক, যেখানে নারী (মুনিয়া) বিবাহিত, সুখের সংসার (স্বামী জাফর এবং মেয়ে ঋদ্ধি) থাকার পরও জড়িয়ে পরে রাফি নামক প্রায় অর্ধেক বয়সী এক যুবকের সাথে ভালোবাসার/ভাল লাগার বন্ধনে অন্যদিকে তার মেয়েও একই ছেলেকে নিয়ে ভালবাসার ভাবনায় অস্থির থাকে। মা-মেয়ের একই ছেলে/পুরুষের সাথে সম্পর্ককে সমাজের চোখে ঘৃণ্য অপরাধ কিন্তু উপন্যাসে তা উপস্থাপিত হয়েছে নানা দার্শনিক ব্যাখায় যেখানে মন এবং শরীর দুটো আলাদা সত্ত্বা নাকি একই সত্তার এপিঠ অপিঠ, সে প্রশ্ন উঠে এসেছে, প্রেম কিংবা ভালোবাসাকে আমারা অনেকেই মহিমান্বিত করার জন্য শারীরিক চাহিদা বা সম্পর্ককে উপেক্ষা করতে থাকি ইনিয়ে বিনিয়ে, কিন্তু লেখক খুব খোলামেলা আলোচনার মাধ্যেমে, যুক্তি, তর্ক বিতর্কের মাধ্যমে এই সম্পর্কের গতিবিধি টেনে নিয়ে গেছেন উপন্যাসের শেষ অবধি। আরো একটি অসম সম্পর্ক আশফাক এবং আফসানা, অসম বলা যায় বয়সের কারনে কিংবা অন্য কারনেও যেমন, আশফাক বিবাহিত, বয়স প্রায় ৫০ ছুইছুই, তার অসুস্থ স্ত্রী এবং ২ মেয়ে আছে (এক মেয়ে ইতোমধ্যে বিবাহিত) অন্যদিকে আফসানা ধনী বাবার একমাত্র সন্তান, অবিবাহিত, অল্পবয়সী, শিক্ষিতা, এরকম এক দৃশ্যপটে সম্পর্কটির পরিনতি কি হবে? কেমন করে এগোবে? সমাজে সেটা কিভাবে দেখবে? আশফাক সাহেবের দুমেয়ের জীবনে তার প্রভাব কি পড়বে? আফসানা বিবাহ বহির্ভূতভাবেই প্রেগন্যান্সি সমস্যায় হাবুডূবু খাচ্ছে, তার কি হবে? আশফাক দ্বিতীয় বিয়ে করতে মানষিকভাবে প্রস্তুত থাকলেও সামাজিকভাবে একেবারেই অপ্রস্তুত। তাহলে শেষ পর্যন্ত সম্পর্কটির কি হবে? এই সম্পর্ককে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নানা জটিলতা, নানা ঘোরপাক, নানা ধরনের লুকোচুরির খেলা। মুনিয়া-জাফর এর পরিবার আপদত দৃষ্টিতে সুখী মনে হলেও, ভেতরে ভেতরে ঘুনে ধরা একটা খোলস ছাড়া আর কিছুই নয়। মুনিয়ে জড়িয়ে পড়েছে অল্প বয়সী এক ছেলে কবি রাফির সাথে, রাফি মুনিয়াকে কবিতা পড়ে শোনায়, মুনিয়ার বাসার সামনের দেয়ালে কবিতা লিখে রাখে। জাফরের ব্যস্ততার অজুহাতে, শারীরিক এবং মনের চাহিদা পুরনে মুনিয়া পা বাড়িয়েছিল রাফির দিকে অন্যদিকে জাফর স্ত্রীর সাথে পুরুষতান্ত্রিক মানুষকতার আবহে তাল মেলাতে পারে না, নিজেকে ব্যস্ত রাখে বাইরে জগতে, অফিসের কাজে। মুনিয়া তার নিজের গুনের কারনেই পরিবারে মেজ বউ হয়েও আধিপত্য বিস্তার করতে পারে পরিবারে, সবাইকে নিজের সিদ্ধান্তে রাখতে পারে ফলে মুনিয়ার অসম প্রেম আড়ালে থেকে যায় সবার, যদিও সন্দেহের তীরে বিদ্ধ করে সেলিনা। এদিকে মুনিয়ার স্কুলে, রাজনৈতিক হিসেবে নিকিষে গভর্নিংবডির একজন খুন হয় প্রতিপক্ষের/নিজপক্ষের হাতে, যাদের সাথে মুনিয়ার ক্যারিয়ারের ওঠানামারও সম্পর্ক ছিল। মুনিয়া জড়িয়ে পড়ে, একের পর এক নানা জটিলতায়, ঘরে বাইরে, নিজের সংসার, ক্যারিয়ার, নিজের বিবাহ বহির্ভুত প্রেম, নিজের মেয়ে ভবিষ্যত ইত্যাদি নিয়ে হিমশিম খেতে থাকে। সেলিনা নানা ঘটনার জন্ম দেয়ার পরও আবার নুতন করে জীবন শুরু করতে চায়, প্রেমে জড়িয়ে পড়ে আহসান এর সাথে, কিন্তু আহসান ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবার কারনে সালিনাকে বিয়ে করে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতে শুরু করে, অন্যদিকে ছন্নছাড়া রুবেল হঠাৎ করেই এক মেয়েকে বিয়ে করে ফেলে কাউকে কিচ্ছু না জানিয়ে এবং বাবার বাড়িতে বউ নিয়ে এসে ওঠে, শুরু হয়, বাবার সম্পত্তিতে ভাই-বোনের হিস্যার সংঘাত। আবার নাদিয়া বড় বোনের দেবর শফিককে মনে মনে পছন্দ করার পরও বাবা মায়ের পছন্দের প্রতিষ্ঠিত ছেলে মুকিতকেই বিয়ে করতে রাজী হয়ে যায়, শফিক নাদিয়াকে মনের গভীর থেকে পছন্দ করলেও কোনদিন মুখ ফুটে কিছু বলতে পারেনি ফলে নাদিয়ার বিয়ের সংবাদ পেয়ে সে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। ওইদিকে আফসানা প্রেগন্যান্সি হয়ে যাবার কারনে আশফাককে আর সময় দিতে রাজী নয়, নিজেই নাদিয়ার বিয়ে ব্যবস্থা করে ফেলে যেন আশফাক নাদিয়াকে সামনে এনে, নিজের দ্বিতীয় বিয়েতা আর কালক্ষেপন করতে না পারে। পুরো উপন্যাস পড়ে বাহ্যিকভাবে মনে হতে পারে, এখানে কেবল দাম্পত্য কলহ, প্রেম আর পরকীয়া কাহিনীর রগরগে কেচ্ছা কিন্তু পাঠক একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই বুঝতে পারবে, লেখক এখানে বেশ কিছু মনস্তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে নাড়াচাড়া করেছেন, কিছু দার্শনিক ভিত্তি দাড় করাতে চেয়েছেন, সমাজের তথাকথিত ধ্যানধারনাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। সর্বপরি, আমাদের চারপাশের ঘটনাবলি যার কিছু অংশ আমরা স্বীকার করি আর কিছু অংশ সমাজের ভয়ে অস্বীকার করি অথচ আমাদের ভেতরে ক্রমাগতই এমন ঘটনা ঘটে চলেছে, লেখক তেমন একটি প্লট নিয়েই অত্যন্ত কমপ্লেক এক প্রেক্ষাপটে পুরো উপন্যাসটি নির্মান করেছেন। লেখককে ব্যক্তিগতভাবে চিনি, উনি একজন নৃবিজ্ঞানী, ফলে তার পর্যবেক্ষন ক্ষমতা বেশ সুক্ষ্ম, সমাজ সংস্কৃতি এবং ব্যক্তির চেতনাকে বিশ্লেষন করার অসাধারন দক্ষতা এবং প্রচলিত ধ্যান ধারনাকে চ্যালেঞ্জ করার অসম সাহসী এক ব্যক্তিত্ব, পুরো উপন্যাস জুড়েই তার চিন্থ দেখা গেছে। একজন নৃবিজ্ঞানী যখন একজন উপন্যাসিক, তখন সমাজকে পাঠক ভিন্ন মাত্রায় দেখতে পাবেন, সমাজ বিশ্লেষনে পাঠক নুতন চিন্তার খোরাক পাবেন, উপন্যাসটি সেরকম এক সাক্ষী হয়েই রইলো। অক্টোবর ২০, ২০২৩, মিরপুর, ঢাকা @সাদাত হোসাইন #রকমারি_সাদাত_হোসাইন_বুক_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

Review Upload 1
Review Upload 2
marjiya
marjiya ভেরিফাইড
15 Nov 2021

প্রিয় বইয়ের তালিকায় আছে। অসম্ভব ভালো একটা বই। বই থেকে যে শেখারো কিছু আছে এ বইটা পড়ে বুঝতে পেরেছি। সব বয়সের পাঠকরাই কিছু না কিছু শিখতে পারবে এই বই থেকে। নিঃসন্দেহে সাদাত হোসাইন এর ভালো কাজ এটা।

Mst Fatema Akther
Mst Fatema Akther ভেরিফাইড
01 Jul 2021

আমি অর্ধবৃত্ত ও নিঃসঙ্গ নক্ষত্র বই দুটিই পড়েছি।।তবে এটা স্পষ্ট লেখক প্রেম কাহিনা ছাড়া কিছুই জানেন না।।নানা ধরনের মানুষের সাথে প্রেম গল্প দিয়েই বইটি পূর্ণ।। এতে কোনো ভালো সম্পর্কের কথা তুলে আসেনি।।বইটির লেখাটাও তেমন ভালো মানের হয় নি।। বই শুধু বিক্রি হলেই হবে না বরং এটা পাঠকের মনে নতুন উন্মোচনা, স্পৃহা, নতুনভাবে নিজেকে আবিষ্কার করতে পারা এবং সে যেন তা পড়ে সৃজনশীল হয়ে উঠতে পারে।। কিন্তু এতো এক প্রেম-ভালোবাসার গল্প ছাড়া কিছুই না।।আমি মনে করি যারা কিশোর কিশোরী রয়েছ তাদের উচিত হবে না এই বইটি পড়ার৷ কারণ এটি শুধুই প্রেম গল্প ছাড়া কিছুই না।। আমি বারবার একই কথা বলপে যাচ্ছি কারণ আমি চাই না আমার তরুন প্রজন্মরা মধ্যে প্রেমগল্প পড়ে জ্ঞান অর্জন করুক।।বরং তারা ইসলামিক,বিজ্ঞানবিত্তিক, রুচিশীল উপন্যাস,গল্প পড়ে জ্ঞান অর্জন করুক।। তারা মুহাম্মদ সঃ এর দেখানো পথে চলে আল্লাহ তায়ালার আরশে আজিমের ছায়ার নিচে আশ্রয় প্রার্থনা করবে।।অবশেষে বলব যারা ইচ্ছা করবে কিনবে,আর ইচ্ছা করবে না তারা কিনবে না???।। তবে আমার সম্মতি নাকিনার???!!!!!পরে আফসোস করতেও পারো???

MD, Saidur Rahman Shemanto
MD, Saidur Rahman Shemanto ভেরিফাইড
22 May 2021

কেমন হবে যদি মা এবং মেয়ে একই ছেলের প্রেমে পরে, কেমন হবে যদি ছেলেটি একজন মিলফ লাভার হয়, কেমন হবে যদি কাহিনী টা ভারতীয় বাংলা নাটক এর মত আগাতে থাকে, যদি এই কথা গুলো আপনার আকর্ষণীয় লাগে তাহলে আজই অর্ডার করুন সাদাত হোসেনের লেখা "অর্ধবৃত্ত"। যদি বইটা পড়ার পর আপনার ভাললাগে তাহলে খুব শীঘ্রই আপনার নিকটস্থ সাইকোথেরাপিস্ট এর শরণাপন্ন হোন। আর খারাপ লাগলে "সাদাত এর পশ্চাৎ এবং বাঁশের মেলবন্ধন( অতিরিক্ত রাগান্বিত হওয়ার পর আমার কাল্পনিক গ্রুপ)" গ্রুপ এ জয়েন করুন। ধন্যবাদ

Antor bikash kar
Antor bikash kar ভেরিফাইড
21 Jan 2021

ভালো লেগেছে বইটা। তবে আরো ভালো হতে পারতো। আমার মনে হয় বইয়ের সাইজটা আরেকটু ছোট হতে পারতো যে কথা অল্পে বলা যায় সে কথা কেন টেনে হিচড়ে লম্বা করা হয়েছে বুঝি নাই।কিছু কিছু যায়গায় খুব বোরিং লেগেছে।

প্রশ্ন ও উত্তর (Q/A)

প্রশ্ন

page

উত্তর

The Number of Pages 384.

প্রশ্ন

page

উত্তর

The Number of Pages 384.

সাদৃশ্যপূর্ণ পণ্যসমূহ (Similar Products)