

Buy ওরা ডিটেকটিভ Online in Bangladesh
লেখক: অরুণ কুমার বিশ্বাস
- Author: অরুণ কুমার বিশ্বাস
- Publisher: পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স
- Isbn: 9789846341324
- Number Of Pages: 136
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2018
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
অরুণ কুমার বিশ্বাস স্যারের অনবদ্য এক গোয়েন্দা উপন্যাস 'ওরা ডিটেকটিভ '। বাংলাদেশের দুই ছেলে দীপ্র ও কায়েস সুডোকু প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে মালয়েশিয়া বেড়ানোর সুযোগ পায় । তারা হোটেল মায়া ইন্টারন্যাশনালে উঠে। তাদের স্যুট নম্বর ছিল ৭১৬। তবে ৭১৭ নম্বর স্যুটে ছিলেন রাকেশ পাটেল নামক ভারতীয় ব্যবসায়ী। তিনি বেশ প্রভাবশালীও বটে। তবে হঠাৎ তিনি খুন হয়ে যান। আর তার পাশাপাশি স্যুটে থাকার কারণে অভিযুক্তদের তালিকা থেকে দীপ্র ও কায়েস বাদ পড়ে না। বিদেশে বেড়াতে গিয়ে এভাবে খুনের কেসে ফেসে যাবে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি তারা । তবে তারা জানে বিপদের সময় মাথা ঠান্ডা রাখতে হয় । তারা মাথা ঠান্ডা রেখে বিপদ মোকাবেলার জন্য সচেষ্ট হয় । তারা ঘটনাক্রমে দেখা পায় রিটা নামক এক মেয়ের । সে ভিয়েতনামিজ ।সে যথেষ্ট বুদ্ধিমতী এবং বিচক্ষণ । সে দীপ্র এবং কায়েসকে ঝামেলা থেকে বাচতে সাহায্য করে । রাকেশ প্যাটেল একজন বড় ব্যবসায়ী হিসেবে তার শত্রু কম নয় । তিনি মালয়েশিয়ায় টেমি লি নামক এক ব্যবসায়ীর সাথে চুক্তি করতে যান। এর ব্যবসায়িক ব্যাকগ্রাউন্ড খুব একটা ভালো নয়। পথের কাঁটা তিনি ফেলে রাখেন না । সরিয়ে দিতেই পছন্দ করেন। তিনিও রাকেশ প্যাটেলের খুনের সন্দেহভাজনদের মধ্যে একজন। আবার রাকেশ প্যাটেল এর স্ত্রী উমাদেবী রাকেশের মৃত্যুতে তেমন বিচলিত না হয়ে পুলিশকে তাড়াতাড়ি কেসের সুরাহা করতে বলেন যাতে কোন হৈচৈ না হয়। এজন্য তিনিও সন্দেহের মধ্যে পড়েন। তবে রাকেশ প্যাটেল বেশ প্রভাবশালী হওয়ায় ভারতীয় হাই কমিশন তার মৃত্যু তদন্তের প্রতি জোর দেয়। তরুণ ইন্সপেক্টর রাঠোর দীপ্র এবং কায়েসকে প্রথমে সন্দেহ করলেও তাদের বিচক্ষণতা দেখে মুগ্ধ হয় এবং কেস সমাধানে তাদের সাহায্য নেয় । কোনরকম আলামত ফেলে যায়নি খুনি। এতে করে খুনির খোঁজ না পেলে আজীবনই হয়তোবা তাদেরকে মালয়েশিয়া থেকে যেতে হবে। তবে রাকেশ প্যাটেলের চরিত্র খুব একটা ভালো ছিল না।লাশের ঘাড়ে লিপস্টিকের দাগ দেখা যায় এবং তার ঘরে ছিল তিনটি কফি মগ । যার দুটোতেই লিপস্টিক লাগানো । বোঝা যায় তারা মহিলা ছিল। দুর্ভাগ্যবশত তার স্যুটের সামনের সিসি ক্যামেরা নষ্ট। তবে এও কি পূর্বপরিকল্পিত ছিল ? আবার স্যুটে ঢোকার জন্য দরকার কার্ড; যা পাঞ্চ করেই ঢোকা যায় রুমে। এক্ষেত্রে হোটেল ম্যানেজার এবং সেদিন রাত্রে দায়িত্বে থাকা হোটেল অভ্যর্থনাকারী মোনালিও সন্দেহ থেকে বাদ যায় না। তারা প্রানপনে চেষ্টা করতে থাকে খুনিকে খুজতে। এ মস্ত ঝামেলার মধ্যেও রিটা তাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে দেখায়। বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়ায়। এমনকি তার বাড়িতে দাওয়াত করে তার মায়ের হাতের সুস্বাদু খাবার খাওয়ায় । এমন জটিল কেস কেএল পুলিশ আগে কখনোই হ্যান্ডেল করে নি। কে খুন করেছিল রাকেশ প্যাটেল কে? দীপ্র ও কায়েস কি ধরতে পেরেছিল তাদেরকে? তারা কি ফিরে আসতে পেরেছিল বাংলাদেশে? জানতে হলে পড়ুন অরুণ কুমার বিশ্বাসের অনবদ্য গোয়েন্দা উপন্যাস 'ওরা ডিটেকটিভ'।























