

Buy কৈলাসে কেলেঙ্কারি Online in Bangladesh
লেখক: সত্যজিৎ রায়
- Author: সত্যজিৎ রায়
- Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
- Isbn: 9788170668640
- Number Of Pages: 92
- Language: বাংলা
- Edition: 29th Edition, 2016
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
জুন মাসের মাঝামাঝি । স্কুল ফাইনাল দিয়ে বসে আছি, রেজাল্ট কবে বেরোবে জানি না । আজ সিনেমায় যাবার কথা ছিল, কিন্তু ঠিক দুটো বাজতে দশ মিনিটে এমন তেড়ে বৃষ্টি নামল যে সে আশা ত্যাগ করে একটা নতুন কেনা টিনটিনের বই নিয়ে বৈঠকখানায় তক্তাপোশে বসে বেশ মশগুল হয়ে পড়ছি।টুনটুনির বই না, টিনটিনের বই। টিনটিন ইন টিবেট। বেলজিয়াম থেকে ফরাসি ভাষায় বেরোয় এই আশ্চর্য কমিক বই। তারপর পৃথিবীর নানান ভাষায় অনুবাদ হয়। এখানে আসে ইংরিজিটা ।আমার আর ফেলুদার দুজনেরই মতে রহস্য রোমাঞ্চ সাসপেন্স আর হাসিতে ভরা এর চেয়ে ভাল কমিক বই আর নেই । এর আগে আরও তিনটে কিনেছি, এটা নতুন, প্রথমে আমি পড়ব, তারপর ফেলুদা। ও এখন সোফায় কাত হয়ে শুয়ে দ্য চ্যারিয়ট অফ দ্য গড্ড্স বলে একটা বই পড়ছে। পড়ছে মানে, একটু আগেও পড়ছিল, এখন শেষ করে সেটা বুকের ওপর রেখে সিলিঙে ঘুরন্ত পাখাটার দিকে চেয়ে আছে । মিনিটখানেক এইভাবে তাকিয়ে থেকে বলল, ‘গিজার পিরামিডে কটা পাথরের ব্লক আছে জানিস ? দুই লক্ষ ।বেশ । জানলাম । কিন্তু ফেলুদা হঠাৎ কেন পিরামিড নিয়ে পড়েছে বুঝলাম না । ফেলুদা বলে চলল, ‘এই ব্লকের এক একটার ওজন প্রায় পনেরো টন । সে যুগের এঞ্জিনিয়ারিং সম্বন্ধে যা আন্দাজ করা যায় তার সাহায্যে দিনে দশটার বেশি ব্লক নিখুঁতভাবে পালিশ করে ঠিক জায়গায় নিখুঁতভাবে বসানো মিশরীয়দের পক্ষে সম্ভব ছিল না । তা ছাড়া যেখানে পিরামিড, তার ত্রিসীমানায় ওই পাথর নেই । সে পাথর আসত নৌকো করে, নাইল নদীর ওপার থেকে। সাধারণ বুদ্ধিতেও হিসেব করলে ব্যাপারটা কী দাঁড়ায় জানিস ? ওই একটি পিরামিড তৈরি করতে সময় লেগেছিল কমপক্ষে ছ'শো বছর। ’ভাববার কথা বটে। বললাম, ‘এটা কি ওই বইয়ে লিখেছে ?’‘শুধু এটা নয়। প্রাচীন কালের আরও অনেক আশ্চর্য কীর্তির কথা এতে আছে যেগুলো কী করে সম্ভব হয়েছিল তা প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলেন না, বা বলার চেষ্টাও করেন না। আমাদের দেশেই দেখ না।
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
সত্যজিৎ রায়ের অমর সৃষ্টি ফেলুদা সিরিজের ৮ম কিস্তি হচ্ছে এই কৈলাসে কেলেঙ্কারি। এবারে গোয়েন্দা ফেলুদা, তার ভাইপো তোপসে এবং লেখক জটায়ুর সাহায্যে ভারত জুড়ে প্রাচীন ভাস্কর্যের চোরাচালান এবং অবৈধ ব্যবসার তদন্ত করে। একটি যক্ষীর মস্তক যাকে কেন্দ্র করে খুন হন একজন। তদন্তে নামেন ফেলুদা ছাড়াও আরেকজন গোয়েন্দা। এরপর চলতে থাকে একের পর এক লোমহর্ষক তদন্ত, ঘটতে থাকে একের পর এক চমকপ্রদ ঘটনা। গোয়েন্দা গল্প যারা পছন্দ করেন তাদের জন্য অমৃত মনে হবে এই বইটি। সংগ্রহে না থাকলে আজই সংগ্রহ করুন। শুভ হোক বইয়ের রাজ্যে সবার পথচলা।

সত্যজিৎ রায় মানেই অন্যরকম কিছু। তিনি তো একাধারে লেখক, পরিচালক, চিত্রকার ছিলেন। তার তৈরি ফেলুদা চরিত্র টা আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় একটা চরিত্র। কৈলাসে কেলেঙ্কারি প্রথম পড়ি ২০১৩ সালে। তোপসের বর্ণনায় পুরো ঘটনাটা খুবই ভাল লেগেছে। কৈলাস হল একটা বাড়ির নাম। সেই বাড়িতেই একটা খুন হয়। আর সেখানে ফেলুদা জড়িয়ে পড়ে রহস্যের জালে।























