

Buy বিপিনবাবুর বিপদ ( অদ্ভুতুড়ে সিরিজ ১৪ ) Online in Bangladesh
লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
- Author: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
- Publisher: আনন্দ পাবলিশার্স (ভারত)
- Isbn: 9788172157753
- Number Of Pages: 84
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Edition, 1998
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
Good books
একদম হাড়কেপ্পন যাকে বলে তারও কয়েকধাপ উপরে এই বিপিনবাবু। শুধু নফরগঞ্জ কেনো,পুরো ভারতবর্ষে ওরকম একজন কিপ্টে আছে কি না সন্দেহ। লোকে বলে, তার বাড়ির পিঁপড়েরাও নাকি না খেতে পেয়ে চিচি করে। আর হঠাৎ একদিন এই কুখ্যাত বিপিনবাবুর বাড়িতেই এসে হাজির হলো বাদুড়ে টুপি পড়া এক আগন্তুক যে কি না খুঁজছে শ্রেষ্ঠ কৃপণ ব্যক্তিকে। বিপিনবাবুকে দেয়া হলো এক অদ্ভুতুড়ে দায়িত্ব। কিন্তু গোটা নফরগঞ্জের চোরছ্যাঁচড়-গুণ্ডাপাণ্ডা যে ওদের পিছনে লাগবে,তা কে জানতো? রহস্যটা উন্মোচন করতে চাইলে উঠে পড়ুন শীর্ষেন্দু'র রোলার কোষ্টারে। ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৪.৫/৫
#রকমারি_বইপোকা_রিভিউ_প্রতিযোগিতা || রিভিউ || বই : বিপিনবাবুর বিপদ লেখক : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় প্রকাশক : আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা প্রকাশকাল : জানুয়ারি, ১৯৯৮ ঘরানা : হিউমার/ফ্যান্টাসি পৃষ্ঠা : ৮৪ প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণ : সুব্রত চৌধুরী মুদ্রিত মূল্য : ৬০ রুপি রকমারি মূল্য : ১৮০ টাকা নফরগঞ্জ গ্রামে বিখ্যাত (!) কৃপণ বলে যদি কেউ থেকে থাকে, তবে তিনি বিপিনবাবু। শুধু নফরগঞ্জেই না, গ্রামবাসীর দাবি বিপিনবাবুর মতো মক্ষীচুষ নাকি সমগ্র ভূভারতে আর একটাও খুঁজে পাওয়া যাবেনা। আদর্শ কঞ্জুস বলতে যা বোঝায়, আমাদের বিপিনবাবু তার চেয়েও এক কাঠি সরেস। তাঁর তিন মাসিও তাঁর কঞ্জুসীর জ্বালায় সুভালাভালি জীবনধারণ করতে পারেননা। এভাবেই বাঁধাধরা নিয়মে বিপিনবাবুর দিন কেটে যাচ্ছিলো। হঠাৎ ছন্দপতন ঘটলো রহস্যময় এক আগন্তুক রামভজনবাবুর আগমনে। প্রায় ১৩০ বছর বয়সী এই বৃদ্ধ এখনো বেশ শক্তপোক্ত। শতভাগ খাঁটি কৃপণ খুঁজতে বেরিয়ে অনেক জায়গা ঘুরে পৌঁছেছেন নফরগঞ্জ গ্রামে। উদ্দেশ্য বিপিনবাবুকে বাজিয়ে দেখা। কিন্তু কেন! উদীয়মান অথচ প্রতিভাবান চোর চিতেন সবসময় চোখকান খোলা রেখে অভ্যস্ত। তাই বিপিনবাবুর কাছে রামভজনবাবুর আগমনে সে বেশ একটা রহস্যের গন্ধ পেলো। এদিকে গোপাল ও গোবিন্দ নামের দুই ষণ্ডা রামভজনবাবুকে খুঁজতে খুঁজতে জুটে গেলো নফরগঞ্জে। কঞ্জুসরত্ন বিপিনবাবুর বাড়িতে যেন ভেঙ্গে পড়লো পুরো গ্রাম। আর সেই সাথে চলতে লাগলো সম্ভব-অসম্ভব নানা জল্পনাকল্পনা। গভীর জঙ্গলে এক পোড়োবাড়িতে লুকানো অজস্র গুপ্তধনের গল্প কি আসলেই সত্যি? শেষমেষ তবে কে হস্তগত করবে সাত রাজার ধন? হাড়কিপ্টে বিপিনবাবু কেনই বা নিজের চিরচেনা রূপ পালটে ফেলছেন একটু একটু করে? একগাদা প্রশ্ন, তাইনা? এতো সব প্রশ্নের ভিড়ে একটা প্রশ্ন কখনো ফিকে হয়নি। সেটা হলো, রামভজনবাবুর উদ্দেশ্যটা কি? শেষমেষ এই প্রশ্নের উত্তর যখন মিললো, অনেকগুলো মানুষের জীবন পৌঁছে গেলো বদলে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে। ব্যক্তিগত মতামত : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের অদ্ভুতুড়ে সিরিজের বইগুলো বরাবরই খুব হালকা মেজাজের। উৎকৃষ্ট সব হিউমারে ঠাসা এই সিরিজের বইগুলো পড়তে গিয়ে দেখা যায়, ভয়াবহ মন খারাপ অবস্থাতেও পাঠক মুচকি মুচকি হাসছেন। হ্যাঁ, আমিও হেসেছি 'বিপিনবাবুর বিপদ' পড়তে গিয়ে। হেসেছি তাও একবার না। একাধিক বার। বইটা যখন শুরু করি, তখন রাত প্রায় সাড়ে বারোটা বাজে। অজানা কারণেই ভেতরটা কেমন যেন ভারাক্রান্ত হয়ে ছিলো। পড়তে শুরু করার পর যতোই এগিয়েছি, ততোই হালকা হয়ে এসেছে ভেতরটা। বরাবরই অদ্ভুতুড়ে সিরিজ 'মন খারাপ' রোগের দারুন এক টনিক হিসেবে কাজ করে। 'বিপিনবাবুর বিপদ'-ও এর কিছুমাত্র ব্যতিক্রম না। সুলেখক শীর্ষেন্দুর লেখনী নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে, 'বিপিনবাবুর বিপদ'-এ রামভজনবাবুর এতো কাঠখড় পোড়ানোর কারণটা আমার কাছে শেষ অব্দিও পুরোপুরিভাবে পরিষ্কার হয়নি। হয়তো কারণ ছিলো। আমিই আমার মোটা মাথায় 'ক্যাচ' করতে পারিনি। এটাও হতে পারে যে, গল্পটা অদ্ভুতুড়ে বলেই বোধহয় এমন একটা সমাপ্তি টেনেছেন লেখক। 'বিপিনবাবুর বিপদ' বইয়ে করা সুব্রত চৌধুরীর প্রচ্ছদ মোটামুটি ভালো লাগলেও অলঙ্করণ ভালো লাগেনি। একেবারে দায়সারা গোছের মনে হয়েছে আমার কাছে। যাই হোক, অদ্ভুতুড়ে সিরিজের এই বইটা যারা পড়েননি পড়ে দেখার আমন্ত্রণ রইলো। সময়টা আনন্দেই কাটবে। রেটিং : ৪/৫ © শুভাগত দীপ























