

Buy মেঘের কোলে রোদ Online in Bangladesh
লেখক: এনামুল হক ইবনে ইউসুফ
- Author: এনামুল হক ইবনে ইউসুফ
- Publisher: রাইয়ান প্রকাশন
- Isbn: 9789849803430
- Number Of Pages: 216
- Language: বাংলা
- Edition: 1st Published, 2024
পণ্য সারসংক্ষেপ (Summary)
মানুষের জীবন এক অদ্ভুত আধার। সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, মান-অভিমান, প্রাপ্তি-প্রত্যাশা, বিচ্ছেদ ও আনন্দের মতো হরেক রঙের উপকরণ দিয়ে যার ভেতরটা ঠাসা। বিজ্ঞজনেরা যাকে 'জীবনবোধ' বলে আখ্যায়িত করেছেন। 'মেঘের কোলে রোদ' উপাখ্যানটিও গভীর এক জীবনবোধেরই কথা বলে। গল্পটা মেস লাইফের। যেখানে ঢাকার মতো একটি ব্যস্ত শহরে অজপাড়াগাঁ থেকে উঠে আসা গুটি কয়েক ছেলেপেলেদের জীবনের নানামুখী অভিজ্ঞতার চিত্রায়ণ ঘটেছে। সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, মান-অভিমান, খুনশুটি—যেন এক অলিখিত সংসার পেতে বসেছিল তারা। কিন্তু পৃথিবীর সবকিছুই যে অস্থায়ী, নশ্বর—কালপ্রবাহে বিচ্ছেদ ও বিরহবোধ শেষপর্যন্ত তাদের সে উপলব্ধি জুগিয়েছে। গল্পটা একেবারেই অতি সাধারণ একটি গল্প। জীবনবোধের গল্প। তবুও আমার বিশ্বাস, পাঠক তাতে অসন্তুষ্ট হবেন না। বরঞ্চ দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পাঠকমাত্রই এ গল্পের ভিন্ন কোনো মানে, ভিন্ন কোনো দর্শন আবিষ্কার করবেন। তারা উপলব্ধি করবেন, জীবনকে আমরা যতটা সহজ ভাবি, জীবন আসলে ততটা সহজ নয়। প্রতিটি পতনোন্মুখ মুহূর্তই আমাদের কিছু না কিছু দিয়ে যায়। নিয়েও যায়। তবে এই নেই মানেই কি না-থাকা? উঁহু, ওই যে মনে নেই? কবি বলেছেন, মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে। হারা শশীর হারা হাসি অন্ধকারেই ফিরে আসে। কীভাবে আসে? চলুন, সে উত্তর নাহয় বইয়ের পাতাতেই খুঁজে বের করি!
রিভিউ ও রেটিং (Review & Rating)
বইটির উপস্থাপনা খুবই পরিপাটি। লেখক ধীরে ধীরে বিষয়গুলো সাজিয়ে বলেছেন। পড়তে গিয়ে মনে হয়নি কোথাও অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। পুরো বইটি একটি ধারাবাহিক অনুভূতির মতো এগিয়েছে।
এই বইটি পড়তে গিয়ে মনে হয়েছে লেখক তার ভাবনাগুলো খুব আন্তরিকভাবে প্রকাশ করেছেন। ভাষা সহজ হলেও লেখার ভেতরে এক ধরনের গভীরতা আছে। অনেক জায়গায় থেমে ভাবতে হয়েছে। সব মিলিয়ে বইটি আমাকে একটি শান্ত ও সুন্দর পড়ার অভিজ্ঞতা দিয়েছে।
সুন্দর উপন্যাস
ক্যাটাগরি: বই রিভিউ প্রারম্ভিকতা: _________________ জীবন বড়ই অদ্ভুত! মূহুর্তেই বদলে যায় এর রং-ঢং-পরিবেশ। মাঝেমাঝে মনে হয় জীবন অনেক জটিল। আবার মাঝেমাঝে মনে হয় জীবন অনেক সহজ। আসলে কোনটা? জটিল নাকি সহজ? আর নাকি দুটোর মাঝামাঝি? প্রায়শই ব্যাপারটা আমার গুলিয়ে যায়। জীবনের আসল সংজ্ঞাটা যে কি বুঝতে পারি না। কিন্তু এবার জানতে পারলাম ভিন্ন কথা। জীবনের নাকি কোনো সংজ্ঞাই নেই। জীবন সংজ্ঞাহীন, বর্ণহীন, গন্ধহীন। ধরা যায় না, ছোঁয়াও যায় না। কেবল অনুভব করা যায়। আমি যেমন জীবনও তেমন। ভাবলাম, আসলেই তো! জীবন তো এমনই। জটিলও না, সহজও না। জীবন— জীবনই। "মেঘের কোলে রোদ" বইটি পড়ে জীবন নিয়ে ঠিক আমার এমনই বোধোদয় হলো। বইটি পড়ে আপনিও ডুব দিবেন সংজ্ঞাহীন এক অদ্ভুত জীবনবোধের গভীরতায়। বই পর্যালোচনা: ____________________ "মেঘের কোলে রোদ" বইটি একটি সমসাময়িক উপন্যাস। ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্রদের ব্যাচেলর লাইফের বিভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে বইটিতে। কয়েকজন ছেলে পরিবার পরিজন ছেড়ে ঢাকার মতো একটি অচেনা ও ব্যস্ত শহরে কিভাবে দিনাতিপাত করেছে সেই গল্প রয়েছে প্রতিটি পাতায় পাতায়। রয়েছে সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, মান-অভিমান, খুনশুটি, বন্ধুত্ব ও বিচ্ছেদের গল্প। এছাড়াও সমাজের প্রায় প্রতিটি স্তরের মানুষের জীবনচিত্রও ফুটে উঠেছে বইটিতে। যেমন—পথশিশুর নিয়তি, কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার আত্মসম্মান বিসর্জন দেওয়া, রিকশাওয়ালা মামাদের জীবনচক্র, কাজের বুয়া আন্টিদের ভালো-মন্দ স্বভাব, বাবার মতো শিক্ষকদের বিকৃত মনোভাব, বন্ধুদের সঙ্গ দিতে আয়েশী জীবন ত্যাগ, ভাই-বোনের ভালোবাসা, ছেলেদের ক্যারিয়ার-দায়িত্ববোধ, জীবিকার তাগিদে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া, স্ত্রী-সন্তান ও প্রিয়জনদের ছেড়ে প্রবাস জীবনে পাড়ি দেওয়া ইত্যাদি। গল্পের প্রত্যেকটি পর্বই আপনার কাছে ধরা দিবে বাস্তবতার আয়নায়। গল্প কথা: ______________ গল্পটা যেহেতু মেস লাইফের বন্ধুদের নিয়ে তো সেখানে বন্ধু চরিত্রই বেশি উঠে এসেছে। গল্পের প্রধান চরিত্র তাইফ এবং লেখক নিজে। গল্পের শুরুর দিকে লেখক নিজেকে ইমু বলে পরিচয় দিয়েছেন। শেষের দিকে জানা যায়, এই ইমু চরিত্রের পুরো নাম ইমরানুল ইসলাম শান্ত। যার মুখে বলার ভঙ্গিতে সম্পূর্ণ গল্পটি উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও গল্পের আরো অনেকগুলো চরিত্র আছে। জিহাদ, সামিউল, নিশান, মাহফুজ, অনিক, বাঁধন, বাপ্পীসহ আরো অনেক। গল্পের একেকটা চরিত্র একেকরকম। কেউ ভীষণ মেধাবী রাত জেগে পড়াশোনা করে, কেউ পরীক্ষার আগের রাতে শীট পড়ে পরদিন হলে গিয়ে কলমের মাথা চিবোয়, কেউ ভীষণ অলস, কেউ ঘুমকাতুরে, কেউ আবার হিসাব-নিকাশে ভীষণ ছ্যাঁচড়া। গল্পের তাইফ হচ্ছে রাফ এন টাফ বয়। জিহাদ হিসাবি হওয়ায় তাইফ তাকে ‘একুরেট জিহাদ’ বলে ডাকে। আর ইমু কবিতা লিখত বলে তাকে ডাকত ‘কবি বিষণ্ণ বিষাদ’ বলে। মোটকথা গল্পের চরিত্র এবং চরিত্র অনুযায়ী ডাক নামগুলো ছিল একটা থেকে আরেকটা অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং। পাঠ অনুভূতি: ___________________ বইটি পড়াকালীন শুরু থেকেই গল্পের প্রায় প্রতিটি মোড়ে মোড়ে ভীষণ হেসেছি। লেখক তার কলমের ঝংকারে প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য, গল্পের প্রতিটি পর্ব এমনভাবে সাজিয়ে তুলেছেন যা পড়ে আপনিও হাসতে বাধ্য। মূহুর্তেই আপনার মন খারাপ উড়ে যাবে। ঝিমিয়ে পড়া জীবন হেসে ওঠবে। ভীষণ্ন মন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠবে। গল্পের অলিতে গলিতে হারিয়ে যাবেন আপনি। গল্পের বন্ধুদের কথোপকথন শুনে বারংবার হেসে ওঠবেন। স্মৃতিকাতর হয়ে পড়বেন।মনে পড়বে আপনার বন্ধুদের কথা। তাদের সাথে কাটানো সেই সোনালি মূহুর্তগুলোর কথা। তো আমিও কখনো হেসে হেসে, কখনো স্মৃতিকাতর হয়ে, পুরনো কথা ভাবতে ভাবতে গল্পের সামনের দিকে এগুচ্ছিলাম। ভূত এফএমে কালো জাদুর গল্পটি পড়ে প্রথমে অনেক ভয় পেয়েছিলাম। কারণ আমিও গল্পটি রাতের বেলায় পড়ছিলাম। কিন্তু পরক্ষণে চার বন্ধুর কাহিনী পড়ে আমার হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাওয়ার অবস্থা। তাই ধরেই নিয়েছিলাম গল্পের শেষ পর্যন্ত ভীষণ হাসব। কিন্তু শেষটা এমন হলো যে পুরোটাই অকল্পনীয়! কান্না-ই আসছিলো রীতিমতো। গল্পের শেষটা আমাকে এমন ধাক্কা ও শিক্ষা দিবে বুঝতে পারিনি। হৃদয়ের অন্তরালে ধরা দিলো জীবনের আরেকটা বাস্তবতা। বাস্তবিক বোধোদয়: ________________________ পৃথিবীতে মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কগুলো অনেক রকমের হয়ে থাকে। ভালোবাসার, ভালোলাগার, মান-অভিমানের, ঝগড়া-খুনশুটির, ঘৃণা ও মন্দলাগার। আমার কাছে খুনশুটির সম্পর্কটা বেশ লাগে। খুনশুটি আসলে আমরা কাদের সাথে করি? যাদেরকে একইসাথে ভালোলাগে, ভালোবাসি, মান-অভিমান হয় তাদের সাথেই তো খুনশুটি করি। তাই না? সম্পূর্ণ গল্পটিতে আপনাকে যেটা সবথেকে বেশি মুগ্ধ করবে সেটা হচ্ছে খুনশুটি। এছাড়া আপনি গল্পের ছলে জীবনের প্রতিটি বাস্তবতা অনুভব করবেন। গল্পের চরিত্রগুলোর সাথে মিলে যাবে আপনার জীবনচিত্রও। একইভাবে গল্পের ইমু চরিত্রের সাথে আমার জীবনেরও খানিকটা মিলে যায়। কবি বিষণ্ণ বিষাদের চাপা স্বভাব, হু- হতাশার জীবন, স্মৃতি হাতরে বেড়ানো, একাকিত্ব, অলীক কল্পনা— এ যেন আমার নিজের জীবনেরই প্রতিচ্ছবি! বইটি কাদের জন্য: ______________________ স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী কিংবা যুবক-যুবতীদের জন্য বইটি বেশি উপযোগী হলেও যেকোনো সাধারণ পাঠকমাত্রই বইটি উপভোগ করবেন বলে মনে করি। আপনার নেতিয়ে পড়া এবং অন্ধকারে গুমোট বাঁধা জীবন ও মন-মস্তিস্কে আলোর ঝিলিক দেখাবে "মেঘের কোলে রোদ" বইটি। আপনি আপনার জীবন গল্পগুলো বইয়ের পাতায় দেখতে পাবেন। কখনো হাসবেন, কখনো ভাববেন, কখনো বা কাঁদবেন। স্রোতে গা ভাসিয়ে চলা যুবকের চোখে হঠাৎ জীবন ও জীবনের উদ্দেশ্য ধরা দেওয়া, অতঃপর নিজেকে শুধরে নেওয়া, চেষ্টা ধৈর্য্য ও দুআর ফল, সবশেষে নিয়তির কাছে জীবনের সকল কল্পনা-জল্পনার মুহূর্তেই অবসান। এ যেন এক নিরেট বাস্তবতা— যা জীবনবোধের গভীরতায় এক অনন্য শিক্ষা দেয়। ভালো ও মন্দলাগা: _______________________ সম্পূর্ণ বইটিই আমার চমৎকার লেগেছে। বইটি পড়ে বারংবার হেসেছি। মূহুর্তেই মন খারাপ উধাও হয়েছে। লেখকের সুন্দর শব্দ ও গোছানো বাক্যের সমন্বয়ে বইটির উপস্থাপনা ছিলো দারুণ। এছাড়া বইটির বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যগুলোও ঠিকঠাক ছিলো। বইটির প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং ও পৃষ্ঠাসজ্জা ছিলো আকর্ষণীয় ও নজরকাড়া। পুরো বইটিতে মন্দ লাগার মতো তেমন কিছুই চোখে পড়েনি। তবে স্বাভাবিক টাইপিং মিস্টেক হয়েছে অনেক। বইটিতে শব্দের মাঝে 'র' আর 'ড়' যেন নিজেদের স্থান বদল করেছে। এরা শুরু থেকেই ভীষণ জ্বালিয়েছে আমাকে। তবে শেষের দিকে ঠিক ছিল বেশ কয়েক জায়গায়। তো সবমিলিয়ে বইটি আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। আশা করি, আপনাদেরও ভালো লাগবে ইনশাআল্লাহ। লেখক গল্পের আড়ালে অন্তর্নিহিত জীবনবোধের যে শিক্ষা আমাদের দিতে চেয়েছেন, আমরা যেন সেটা উপলব্ধি করে জীবনকে কাজে লাগাতে পারি— সেই প্রত্যাশা! এক নজরে বইটি: ______________________ বই : মেঘের কোলে রোদ লেখক : এনামুল হক ইবনে ইউসুফ প্রকাশনায় : রাইয়ান প্রকাশন প্রচ্ছদ মূল্য : ৩২০৳ পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২১৫
"মেঘের কোলে রোদ" এই বইটি যেদিন আমি প্রথম দেখেছিলাম সেদিন থেকে বইটি কিনার জন্য আমার ভিতরে উথাল পাথাল শুরু হয়ে গেছে। কারণ বইয়ের নাম এবং প্রচ্ছদ টা আমার নজর কেরে ছিলো।এখন বইয়ের ভিতরটা সম্পর্ক যদি না জানতে পারি তাহলে তো মনে শান্তি আসবেন না,সেই সুবাদে অনেক কষ্ট করে বইটার ব্যবস্থা করেছিলাম।কিন্তু আমাদের মাদ্রাসায় শিক্ষিকাদের উপন্যাস পড়া নিষেধ ছিলো,যার কারণে বইটা চুরি করে পড়তে হয়েছিলো।কথায় আছে না,চোরের দশদিন মালিকের একদিন,আমার ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়েছে চুরি করে বেশিদিন টিকতে পারিনি। প্রধান শিক্ষিকার কাছে ধরা পরে গিয়েছিলাম,আমি তো ভেবেই নিয়েছিলাম সকাল সকাল খেদমত ছেড়ে বাড়ির দিকে রওনা দিতে হবে।কিন্তু কখনো কল্পনা করিনি যে, চুর ধরতে গিয়ে প্রধান শিক্ষিকা বইয়ের প্রেমে পরে যাবেন।মোট কথা,আমাদের মাদ্রাসার এমন কোনো শিক্ষিকা বাকি ছিলেন না যিনি বইটা পড়েন নি।আর আমি তো একাধিক বার পড়েছি,আলহামদুলিল্লাহ। আসল কথা হলো, মেঘের কোলে রোদ,,বইয়ের মধ্যে ছোট্ট একটা উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক মানুষের পুরো জীবনের বাস্তবতা এতো সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।মানুষের জীবন যেমন হাঁসি-কান্না,দুঃখ-বেদনা,আনন্দ-কষ্ট নিয়ে সাজানো হয়েছে, এই বইটি ঠিক এমনই এক জীবনের প্রতিচ্ছবি। বইটি কখনো পাঠকের অতীতের সেই পুরোনো স্মৃতির মাঝে ডুবিয়ে ফেলে, বন্ধু বান্ধবের সাথে কাটানো সুন্দর মুহূর্ত কথা মনে করিয়ে দেয়।শুধু তাই না,প্রিয়জন হারানোর বেদনায় মানুষ যে কতটা নিঃসঙ্গভাবে জীবন অতিক্রম করে তাও এই উপন্যাসে লেখক ধারাবাহিকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।এই বইটা পড়ে এক পর্যায়ে আপনি যেমন হাঁসতে বাধ্য হবেন ঠিক এক পর্যায়ে তেমন কাঁদতে বাধ্য হবেন।আমি একাধিক বার পড়ার পরও আরো পড়তে মন চায় কিন্তু সময়ের অভাবে পড়তে পারি না।যে এই বইটা পড়বে সে এই বইয়ের প্রেমে পরবে না,আমার মন বলে এমনটা হতেই পারে না। বইঃ মেঘের কোলে রোদ লেখকঃ এনামুল হক ইবনে ইউসুফ প্রকাশনীঃ রাইয়ান






















